Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

করোনার_দিনগুলি_৬৭ ক্লান্তি

IMG-20201011-WA0078
Dr. Aindril Bhowmik

Dr. Aindril Bhowmik

Medicine specialist
My Other Posts
  • October 12, 2020
  • 8:48 am
  • 2 Comments

রোগীর চাপে বাকি সব কিছু মাথায় উঠেছে। সকাল থেকে রাত অবধি রোগী দেখছি। তাও সামলাতে পারছি না।

সামলানোর জন্য নাম লেখার পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। তাতে রোগীরা দুই তিন দিন পরে তারিখ পাচ্ছেন। কিছু কিছু রোগীর অবস্থা খারাপ। দু-তিন দিন দেরি করলে এ জীবনে ডাক্তার দেখানোর সুযোগ আর নাও পেতে পারেন। তাঁরা অনেকেই নাম ছাড়াই চলে আসছেন।

এই এমার্জেন্সি রোগীদের নিয়ে ঝামেলা বাঁধছে। আমার অ্যাসিস্ট্যান্ট সঞ্জয়দার গলা মাঝে মাঝেই চড়ছে। ‘আপনি তো মশাই দিব্যি গটগট করে হাঁটছেন। আপনার কিসের এমার্জেন্সি?’

‘আমার কাল থেকে ঘন ঘন হাই উঠছে।’

সঞ্জয়দা বলল, ‘হাই তোলাও যদি এমার্জেন্সি হয়, তাহলে তো সবই এমার্জেন্সি। কোমরে ব্যথা, সর্দি জ্বর, পায়ে ঝিঁ ঝিঁ, ঘুম না হওয়া- কেউই আর নাম লিখবেন না।’

ভদ্রলোকের গলা পেলাম, ‘হাই কেন ওঠে জানেন? কোন আইডিয়া আছে আপনার? মাথায় অক্সিজেন কম গেলে হাই ওঠে। মাথায় অক্সিজেন কম যাওয়া এমার্জেন্সি নয়? অক্সিজেনের অভাবে আমার মস্তিষ্কের কোষের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি হতে পারে জানেন?’

সঞ্জয়দা বলল, ‘দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি হতে পারে নয়- আমার ধারণা ইতিমধ্যেই ক্ষতি হয়ে গেছে।’

ভদ্রলোক কর্ণপাত করলেন না। বলেই চলেছেন, ‘তাছাড়া গতবছর হাই তুলতে গিয়ে আমার চোয়াল লক হয়ে গেছিল। সে এক বিচ্ছিরি অবস্থা।’

সঞ্জয়দা বলল, ‘আপনি আগে মাস্ক পরুন, তারপর বাকি কথা বলবেন।’

‘সে কি! আপনি জানেন না মাস্ক পরলে মাথায় অক্সিজেন কম যায়। এমনিতেই আমার অক্সিজেনের অভাব।’

‘মাস্ক ছাড়া আপনাকে ঢুকতে দেবো না।’

বাইরে পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হতে চলেছে। আমি দীর্ঘশ্বাস চেপে রোগী দেখায় মন দিলাম।

প্রায় সকলেই জ্বরের রোগী। এক পরিবারের আটজন দীঘা গেছিলেন। আটজনেরই জ্বর এসেছে। তাঁদের মধ্যে একটি যুবকের অবস্থা সুবিধার নয়। বুকের মধ্যে সাঁই সাঁই শব্দ হচ্ছে। কিছু খেলেই বমি করছে। অক্সিজেন স্যাচুরেশন নব্বই শতাংশের কাছাকাছি নেমে এসেছে।

অথচ আশ্চর্য জনক ভাবে বাড়ির সবচেয়ে বয়স্ক সদস্য, বাহাত্তর বছরের মানুষটি সুস্থ আছেন। তাঁর সামান্য জ্বর আর গলা খুসখুস ছাড়া কিছু নেই। করোনা যে কার ক্ষেত্রে কি রূপ নেবে আগে থেকে বলা মুশকিল।

এই মহামারীর মধ্যে দীঘা যাওয়ার জন্য ঝাড় দিলাম। যুবকটিকে কোথাও ভর্তি করতে বললাম।

আর ভালো লাগছে না। সেই মার্চ মাস থেকে একটানা রোগী দেখে যাচ্ছি। সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা তবু ছুটি পান। আমাদের মতো খুপরিজীবী চিকিৎসকদের কোনো ছুটি নেই।

লকডাউনের প্রথমদিকে রোগীর চাপ কম ছিলো। একটা যুদ্ধ যুদ্ধ আবহাওয়া ছিলো। খারাপ লাগছিলো না। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে তত অবসাদে ডুবে যাচ্ছি।

করোনার বাড়বাড়ন্ত অবসাদকে আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে। এ এক মহা জ্বালা। যুদ্ধে গো হারান হেরে গেছি। তবু যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হচ্ছে। রোজই একাধিক পরিচিত চিকিৎসকের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাচ্ছি। একাধিক চিকিৎসক মারাও যাচ্ছেন।

যে কোনো কারণেই হোক মৃত্যুহার আমাদের মত খুপরিজীবী চিকিৎসকদের মধ্যে অত্যন্ত বেশি। চিকিৎসক মৃত্যু হাফসেঞ্চুরি পেরিয়েছে। তার মধ্যে অন্তত চল্লিশ জন প্রাইভেট প্রাকটিশনার। সাধারণ মানুষের মধ্যে করোনায় মৃত্যু হার ২% এর কম, আর খুপরিজীবী চিকিৎসকদের মধ্যে ২০% এর বেশি।

অবসাদ আরো বাড়ছে যখন দেখছি সাধারণ মানুষ, রাজনৈতিক নেতারা কেউই চিকিৎসকদের কথায় পাত্তা দিচ্ছেন না। দিব্যি দল বেঁধে দীঘা- মন্দারমনি ঘুরতে যাচ্ছেন। মারামারি করে পুজোর বাজার করছেন। হইহই করে দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি চলছে।

এতদিন পুজো যতো কাছে আসতো, মনটা ততো ফুরফুরে হয়ে উঠতো। এবারে আতঙ্ক লাগছে। পুজোর পরে কি হবে জানিনা। দীর্ঘ সময় ধরে সাধ্যের অতিরিক্ত কাজ করতে করতে অধিকাংশ চিকিৎসকই ক্লান্ত। পুজোর পরে যে করোনার ঢেউ আসতে চলেছে, সেটা আটকানোর ক্ষমতা এই ক্লান্ত চিকিৎসক গোষ্ঠীর নেই। নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করতে কয়েকটা দিন বিশ্রাম দরকার। কিন্তু তা এই মুহূর্তে পাওয়া অসম্ভব।

আবার নতুন রোগী ঢুকেছেন। ইনিও জ্বরে ভুগছেন। বললাম, ‘আপনিও কি দীঘায় গেছিলেন?’

‘দীঘা…’ রোগী হাসলেন। ‘ডাক্তারবাবু, একটা বেসরকারি কোম্পানিতে কাজ করতাম। লকডাউনের পর পরই কাজ চলে গেছে। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে এখন ঘুরে ঘুরে মাছ বিক্রি করি। একটা কাজ জোগাড় করে দিতে পারেন। যে কোনো কাজ…’

PrevPreviousমারীর দেশে মারীর বেশে
Nextকরোনার টীকা আবিষ্কার আর কতদিন পরে?Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
2 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Debatri Roy
Debatri Roy
5 years ago

Amio engineer..90% marks BTech e peyechi…bekar ..je kono kaj korte raji..office e cha jol diteo raji achi..kintu kono kaj pachchi na..Psychiatrist o psychologist ke pala kore dekhie jachchi.. Janina er sesh kothay.. Karor sondhane kaj thakle janaben.. Badhito hobo

0
Reply
Biswadip Dey
Biswadip Dey
5 years ago

ব্যবসা করুন, চাষবাস বা পশুপালন ট্রাই করুন না! শিক্ষিত যখন তখন সাফল্য আসবেই। পিয়নের কাজ কেন করবেন? তাতে উন্নতি হবে কি?

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

লগ্নভ্রষ্টা

September 22, 2026 No Comments

নিচের গল্পটা আমার লেখা, কিন্তু সুকন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নয়। যে বন্ধুরা আমার লেখা মাঝেমধ্যে হলেও পড়ে থাকেন, তাঁদের মধ্যে কেউ যদি বুঝতে পারেন কেন এটা সুকন্যা

গণেশ চতুর্থী: পেট পুজো না পেটকাটা?

September 22, 2026 No Comments

কিছুদিন আগে জন্মাষ্টমীর দিন কলকাতার বিভিন্ন নার্সিংহোমে একদিনে প্রায় দশ কুড়িটা করে সিজার হয়েছিল। সাধারণত প্রতিদিন যা হয় তার দুই থেকে তিনগুণ। আজ গণেশ চতুর্থী

দীর্ঘ আলাপচারিতা: এমসিডিএসএ, এবিজেডিএফ ও অভয়া আন্দোলন, শ্রমিক কৃষক মৈত্রী স্বাস্থ্য কেন্দ্র, শ্রমজীবী স্বাস্থ্য উদ্যোগ…

September 22, 2026 No Comments

একজন তরুণী রাজনৈতিক কর্মীকে পাঠানো জীবননাশের হুমকির নিন্দা করুন।

September 21, 2026 1 Comment

সমসাময়িক ভারতীয় রাজনীতিতে তরুণ কণ্ঠস্বর নেহা বোরা জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের পিএইচডি গবেষক এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস’ অ্যাসোসিয়েশন (AISA)-এর জাতীয়

একটা গল্প বলি।

September 21, 2026 No Comments

মামুনি কীভাবে আমাদের পরিবারকে একসাথে বেঁধে রেখেছিল, আগেই বলেছি। এর পেছনে একটা কারণ ছিল। ঠাকুমা মারা যাবার পর আমাদের পরিবারটা যেন হঠাৎ ভিত হারিয়ে ফেলল

সাম্প্রতিক পোস্ট

লগ্নভ্রষ্টা

Dr. Sukanya Bandopadhyay September 22, 2026

গণেশ চতুর্থী: পেট পুজো না পেটকাটা?

Dr. Indranil Saha September 22, 2026

দীর্ঘ আলাপচারিতা: এমসিডিএসএ, এবিজেডিএফ ও অভয়া আন্দোলন, শ্রমিক কৃষক মৈত্রী স্বাস্থ্য কেন্দ্র, শ্রমজীবী স্বাস্থ্য উদ্যোগ…

Dr. Punyabrata Gun September 22, 2026

একজন তরুণী রাজনৈতিক কর্মীকে পাঠানো জীবননাশের হুমকির নিন্দা করুন।

Kanchan Sarker September 21, 2026

একটা গল্প বলি।

Dr. Arjun Dasgupta September 21, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

678384
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]