Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

একটি প্ররোচিত হাতের লেখা

FB_IMG_1605876778727
Dr. Chinmay Nath

Dr. Chinmay Nath

Orthopedic Surgeon
My Other Posts
  • November 23, 2020
  • 7:44 am
  • One Comment

আমার একটা বড় দোষ হল আমি সাধারণতঃ কোনো ব্যপারেই খুব একটা প্ররোচিত বা অনুপ্রাণিত হই না। এই অভ্যেসটা আমার ছোটবেলা থেকেই আছে এবং এজন্য বাবা-মায়ের কাছে প্রচুর বকাঝকা শুনেছি। তাঁরা বলতেন যে, এইজন্য আমার দ্বারা কিচ্ছু হবে না। কালক্রমে প্রমাণিত হয়েছে যে তাঁদের ভবিষ্যদ্বাণী ঠিকই ছিল। আমি কোন কিছু হতে পারি নি এবং আমার দ্বারা জগতের বিশেষ উপকার বা কারও জ্ঞানতঃ মারাত্মক ক্ষতি হয় নি বলেই মনে হয়।

এবার কাজের কথায় আসি। সম্প্রতি, বেশ কয়েকজন বিখ্যাত এবং প্রতিভাবান চিকিৎসক যখন আপামর চিকিৎসকদের হাতের লেখা বিষয়ে বিস্তারিত লিখেছেন, তারপরে আমার মত অর্বাচীনের আর কিছু বক্তব্য রাখার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় নি। কিন্তু যখন দেখলাম, আমার অন্য কয়েকজন বন্ধু এ বিষয়ে পরিহাসচ্ছলে মন্তব্য করেছেন যে, ডাক্তারদের খারাপ হাতের লেখাটা ইচ্ছাকৃত,যা একমাত্র ওষুধের দোকানদাররাই পড়তে পারে এবং এর একমাত্র যৌথ উদ্দেশ্য হল, রোগী ও তার বাড়ির লোকেদের লুঠপাট করা- তখন বাধ্য হয়ে এই লেখার অবতারণা করতে হল।

হাতের লেখার বিষয়ে গোপাল ভাঁড়ের গল্প নিশ্চয়ই সবার মনে আছে, তবু আরেকবার বলি। গোপালের এক প্রতিবেশী তাকে অনুরোধ করল তার শ্বশুরবাড়িতে একটি চিঠি লিখে দিতে। তখনকার দিনে বেশীরভাগ মানুষ লিখতে পারত না। গোপাল তাকে বলল, ‘আমার তো পায়ে চোট। হাঁটতে পারছি না। কি করে চিঠি লিখব?’ প্রতিবেশী তখন বলল, ‘পায়ের চোটের সাথে চিঠি লেখার কি সম্পর্ক? চিঠি তো লিখবে হাত দিয়ে!’ ‘হাত দিয়ে লিখলেও, চিঠিটা তো গিয়ে আমায় পড়ে দিয়ে আসতে হবে! ভাঙ্গা পা নিয়ে আমি এখন তোমার শ্বশুরবাড়িতে যাই কি করে?’

বিখ্যাত লোকেদের হাতের লেখার কথা বলতে গেলে প্রথমেই আসে, জাতির জনক মহাত্মা গান্ধী-র কথা। ছোটবেলায় তাঁর হাতের লেখা মোটেই ভালো ছিল না। সেই আক্ষেপের কথা তিনি তাঁর আত্মজীবনীতে লিখে গেছেন। আইনষ্টাইন, অস্কার ওয়াইল্ড, বিঠোফেন, লিঙ্কন, বিল গেটস – এদের কারো হাতের লেখাই ভালো নয় বা ছিল না। গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের হাতের লেখা তার মানসিক স্থিতি এবং ব্যক্তিত্বের উপর নির্ভর করে।

ছোটবেলায় কোনো বিশেষ প্রচেষ্টা ছাড়াই অনেকের হাতের লেখা ভালো থাকে, একেবারে যাকে বলে ‘মুক্তোর মত’। আবার অনেকেরই হাতের লেখা যারপরনাই খারাপ এবং এতই খারাপ যে স্কুল কলেজে পরীক্ষার খাতায় তাদের লেখা সঠিকভাবে মূল্যায়িত হয় না। অর্থ্যাৎ, কোনো একটা বিষয় তারা কতটা জানে, সেটা পরীক্ষক ভালো করে বুঝতেই পারেন না- এবং স্বভাবতঃই প্রাপ্যের তুলনায় কম নম্বর দেন। নিজে মেডিক্যাল কলেজগুলোতে ন’বছর পড়িয়ে এবং কলেজ জীবনে দু’বছর টিউশনি করে এটা আমার অভিজ্ঞতা।

আর এক ধরণের মানুষ আছেন, যাদের হাতের লেখা খুব ভালো নয়, আবার খুব খারাপও নয়। একটু চেষ্টা করলেই তারা তাদের লেখা ভালো না হোক, অন্ততঃ জনসাধারণের বোধগম্য করে তুলতে পারে। আমার নিজের হাতের লেখা এই গোত্রের। অর্থোপেডিক্সে আমার এক শ্রদ্ধেয় চিকিৎসক শিক্ষকের হাতের লেখাও খুব দর্শনীয় নয়। তবে তাঁর প্রতিটা অক্ষর এমন গোটা গোটা এবং স্পষ্ট যে হাসপাতালে বা প্র্যাকটিসে তাঁর লেখা পড়তে পারছে না- এমন অভিযোগ কেউ করেছে বলে কোনদিন শুনিনি।

ডাক্তারদের হাতের লেখা সম্বন্ধে যে অভিযোগ উঠেছে বা অনেক সময়ই করা হয়, সেটা এর ঠিক উল্টো। ডাক্তাররা তাদের হাতের লেখাকে নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে খারাপ করে ফেলে, যাতে কিনা একমাত্র ওষুধের দোকানদার ছাড়া আর কেউই সেই লেখা বুঝতে না পারে! ইচ্ছাকৃতভাবে হাতের লেখা ভালো করা যেমন কঠিন ব্যাপার-যেটা আমার অভিজ্ঞতায় আছে- ইচ্ছাকৃত খারাপ করাও সেরকমই কঠিন। তবে হয়তো কেউ নিজের খারাপ হাতের লেখাকে সুবিধা হিসেবে ব্যবহার করে থাকতে পারে। কে না জানে, বেশীদিন লেখার অভ্যেস চলে গেলে অথবা খুব দ্রুত লেখার চেষ্টা করলে হাতের লেখা অনেকটাই খারাপ হয়ে যায়। যেটা ডাক্তারদের ক্ষেত্রে অনেকসময় ঘটে থাকে। এটাও হতে পারে যে, কেউ কেউ তাদের হাতের লেখা সর্বসাধারণের বোধগম্য করার জন্য বিশেষ চেষ্টা করেন না।

এই সমস্যার সমাধান করার অব্যর্থ দুটো রাস্তা আছে।
প্রথম রাস্তা, কম্পিউটার ব্যবহার করে ছাপানো প্রেসক্রিপশন দেওয়া। বড় বেসরকারি হাসপাতালে এবং অনেক ডাক্তার ব্যক্তিগত ক্লিনিকে এটা করে থাকেন। আমি ২০১০ সাল থেকে এটা করার চেষ্টা করছি। কিন্তু পুরোপুরি সফল হতে পারিনি। হাসপাতাল ও নিজের ক্লিনিকে করা গেলেও, ছোটখাটো চেম্বারে প্রিন্টার বয়ে নিয়ে যাওয়া খুব কঠিন। তারপর এখন মহামারীর চাপে পরিস্থিতি পুরো ঘেঁটে গেছে। অনেক গ্রামে ও মফঃস্বলে কম্পিউটার এবং প্রিন্টার এখনও স্বপ্ন। সুতরাং, দেশের বেশীরভাগ ডাক্তারের পক্ষে কম্পিউটারাইজড প্রেসক্রিপশন করা এখনও সম্ভব নয়।

দ্বিতীয় আর একটি সহজতর রাস্তা হচ্ছে, হাতে লেখা প্রেসক্রিপশনে অন্ততঃ ওষুধের নামগুলো এবং তার ব্যবহার প্রণালী গোটা গোটা অক্ষরে বড় হাতে (Capital letter) লেখা। আর অন্যান্য উপদেশগুলো (কি খাবেন, কি খাবেন না, কিভাবে বসবেন, কতক্ষন হাঁটবেন ইত্যাদি) সহজবোধ্য বাংলা বা হিন্দীতে লিখে দেওয়া। যাতে ফার্মাসিষ্ট এবং রোগী/ বাড়ির লোক প্রেসক্রিপশনে তাদের সম্পর্কিত অংশটি সহজে বুঝতে পারে। বিভ্রান্ত না হয়।

তারা যদি বিভ্রান্ত হয় তাহলে কিছু মানুষ সেই সুযোগ নেবে এবং হাস্যরস বা অন্য কোনো রসের মোড়কে মানুষকে আরো বিভ্রান্ত করবে। সমস্যা ও তার সমাধানের মূলে পৌঁছনোর পরিশ্রম ও ঝুঁকি নেওয়া এইসব দু-লাইনের ফেসবুক বিপ্লবীদের পক্ষে সম্ভব নয়। দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা কেন এখনও মূলতঃ বেসরকারী? এমনকি সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোও অনেকদিন আগেই প্রায় সম্পূর্ণ কাগজবিহীন (paperless) হয়ে গেলেও আমরা কেন তার ধারে কাছে পৌঁছতে পারছি না- এসব অপ্রিয় প্রশ্ন তোলার ঝুঁকি তারা নেবে না। তাই প্রতিটি প্রেসক্রিপশন লিখতে একটু বেশী সময় লাগলেও ডাক্তারদের প্রেসক্রিপশনকে বোধগম্য করার চেষ্টা করতে হবে।

যিনি তার ফেসবুক পোষ্টের মাধ্যমে দুটো পেশাকে (ডাক্তারি এবং ওষুধের দোকানদার/ফার্মাসিষ্ট) একসাথে দাগী অপরাধী বানানোর চেষ্টা করেছেন, তাঁর হাতের লেখা কেমন আমি ঠিক জানিনা। হয়ত ভালো হওয়ার সম্ভাবনা বেশী। তবে বিভিন্ন পেশার অন্যান্য অনেক লোকের হাতের লেখা এবং ইংরেজি-বাংলা বানানের অনেক মণিমানিক্য আমার কাছে ফাইলবন্দী আছে, এটুকু বলতে পারি।

PrevPreviousক্যাচ কেস
Nextক্রসপ্যাথি, ব্রিজ কোর্স, ইত্যাদিNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Dr. Sadhan Deb
Dr. Sadhan Deb
5 years ago

সময়োপযোগী লেখা

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

April 16, 2026 No Comments

১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ ​সম্প্রতি কলকাতার এক প্রবীণ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ (Cardiologist) সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন যে, নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্লোগান দিলে তিনি ফি-তে ছাড় দেবেন। ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম

পথের সন্ধানে

April 16, 2026 No Comments

ভারতের ইতিহাসে কালো দিনের তালিকায় আর একটি দিন যুক্ত হল – ১৩ এপ্রিল, যেদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোরের সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষিত হবার

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

April 16, 2026 No Comments

সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ চিৎকার করে আসে না। কিছু নিয়ন্ত্রণ আসে ভালোবাসা, দায়িত্ব, অপরাধবোধ আর ভয়–এর মোড়কে। 💔🌫️ Emotional Blackmail হলো এমন এক ধরনের মানসিক প্রভাব

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 16, 2026

পথের সন্ধানে

Gopa Mukherjee April 16, 2026

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

Dr. Aditya Sarkar April 16, 2026

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

618017
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]