Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

কেশবতী

IMG_20210807_214833
Dr. Dipankar Ghosh

Dr. Dipankar Ghosh

General Physician
My Other Posts
  • August 8, 2021
  • 9:24 am
  • One Comment

১৯/৯/২০২০

একটা ছোট্ট প‍্যাকেট হাতের মুঠোয় ধরে শ‍্যামল অন‍্যমনস্ক এগিয়ে চলছে। চেনা অলিগলি বেয়ে। ভাদ্রের পড়ন্ত দুপুর। সূর্য কিঞ্চিৎ দক্ষিণ ঘেঁষা। এলোমেলো উড়ো মেঘ আকাশে ভাসে। উত্তর থেকে বাতাস বয়। কিন্তু গরম কমে না। মধ‍্যবয়সী শ‍্যামল হাঁটতে থাকে। নিম্নবিত্তের ছাপ শরীরে প‍্যাচপ‍্যাচে ঘামের মতো লেগে জড়িয়ে থাকে।

আশেপাশে এ বাড়ি ও বাড়িতে রেডিও বাজে। হাসি কলতান। বড়ো বড়ো পুরোনো সব বাড়ি। বহু দিন হয়নিকো রং। পুরোনো দিনের জানালা। কিছু বন্ধ কিছু খোলা। পানের দোকানে গজল্লা। বাহারী চুলের যুবক আর স্বল্পবসনা নারীদের ভীড়। শ‍্যামল দুটো বাড়ির মাঝে সরু সান বাঁধানো একটা গলিতে ঢোকে। একপাশে নর্দমা। ঘোলা জল জমে আছে। এখানে বাড়িদের ফাঁক দিয়ে নীল আকাশ উঁকি মেরে দ‍্যাখে।

শ‍্যামল একটা বাঁধানো উঠোনে এসে পৌঁছয়। সবজেটে শ‍্যাওলা রংয়ের দরজা– সব সময় অবারিত। মাথা থেকে একটা ছোট্ট বিনুনির মতোন শেকল ঝুলছে। শ‍্যামল একটু নিচু হয়ে ঢোকে। একটু হেঁটেই একটা বারান্দা। মাঝখানে সিঁড়ি। পর পর অনেকগুলো দরজা – কয়েকটা খোলা – হাওয়ায় তাদের পর্দা ওড়ে। ভেতরে নড়াচড়া – গেরস্থালির গন্ধ। যে সব দরজার বাইরের জুতো রাখা সেগুলো বন্ধ।

শ‍্যামল সিঁড়ির দিকে যায়। সিঁড়ির নিচে চানঘর। একটা চৌবাচ্চা, একটা কল। সেখানে মেয়েদের ভীড়। কয়েকজন চান করছে। গামছা পরে কয়েকজন অপেক্ষায়। একজন বয়স্ক সিড়িঙ্গে মহিলা শায়া পরে মেঝেতে বসে দু আঙুলে ধরে বিড়ি টানছে। শ‍্যামলকে দেখে বলে ওঠে “আমাকেও সঙ্গে ন‍্যাও না নাগর – দ‍্যাখো সুখ ডবল হবে” হাসির হররা ওঠে। “খানকির আবার পিরিতের নাং”

শ‍্যামল মন্তব্যগুলো অগ্রাহ্য করে উঠে যায়। উঠতে উঠতে একটা বন্ধ দরজার সামনে এসে শেকলে শব্দ করে। “আমার শরীর খারাপ হয়েছে – নোক বসাবো নি”

শ‍্যামল অস্ফূটে বলে “দরজাখান খোলো…. আমি”

দরজা ফাঁক হয়। এক সদ‍্যযুবতী এলোচুলের মুখ উঁকি দ‍্যায়। প্রসাধনহীন ঘুমভাঙা চোখ। শাড়ি পরা মেয়েটাকে পাশ কাটিয়ে শ‍্যামল ভেতরে ঢোকে। একটা ছোট জানালা। তাতে শাড়ি কেটে পর্দা বানানো। একটা খাট। খাট ঠিক নয় চৌকি। তবে চ‌ওড়ায় বড়ো। সস্তা বেডকভার। দেরাজে একগাদা টনিকের বোতল – একটা রঙীন পুরোনো আমলের টিভি। একটা ঠাকুরের ছবি। দুটো ট্রাঙ্ক। তালা দেওয়া।

শ‍্যামল খাটে বসে সিগারেট বার করে।

“আমায় কটা দ‍্যাও তো”

“রেখে দাও” ও প‍্যাকেটটাই এগিয়ে দ‍্যায়। মেয়েটি কিন্তু সিগারেট ধরায় না। ব্রাএর ভেতর ঢুকিয়ে রাখে। তারপর খাটে উঠে জানালা বন্ধ করতে যায়।

শ‍্যামল বাধা দ‍্যায়। “না না দরকার নেই- কথা আছে”

কিন্তু কথা হয় না। দুজনেই চুপ করে বসে থাকে।

“চা খাবা?” ঘরে একটা হীটার আছে। ও বসে বসে চা বানায়। “দুধ ন‍্যাই কিন্তু”

শ‍্যামল চায়ে চুমুক দিয়ে বলে “মায়া তুমি চা খাবে না?”

“নাঃ এইতো ভাত খেয়ে উঠলাম”

শ‍্যামল যুগপৎ চা আর ধোঁয়া পান করতে থাকে।

“এ্যাতো দিন আসো নি …. আমি তো ভাবছি…..” একটু হাসির আভাস এলো কি ঠোঁটে?

নিরুত্তরে সিগারেটের শেষটুকু চায়ের কাপে ডুবিয়ে দ‍্যায়। “কাজের ধান্দায় গেসলম”

মায়া গালে হাত দিয়ে ঝুঁকে বসে। ফলতঃ ওর স্তনবিভাজিকা আংশিক দৃশ‍্যমান হয়। “হলো কিচু কতা?”

শ‍্যামল ঘাড় নাড়ে “হ‍্যাঁ হয়েছে”

মায়া তাকিয়ে থাকে। শ‍্যামল আঙ্গুল দিয়ে নিজের চুল এলোমেলো করে। করতেই থাকে।

“কী হলো? কিচু হলো না?”

“হয়েছে। দোকানে ক‍্যাশের কাজ …. মোটামুটি মায়না … একটা ঘর দেখেছি …বাথরুম আছে … জল আছে”

শ‍্যামল বাইরে তাকায়। দূরে মেঘেদের কাছে কাছে একটা চীল উড়ছে। একটা কাঠবিড়ালি চিড়িক চিক চিড়িক চিক করেই যাচ্ছে। শ‍্যামলের অল্প পাতলা হয়ে আসা চুল এ্যাকেবারে এলোমেলো হয়ে যায়। “মোটামুটি মায়না …… তুমি যাবে ……. মায়া?”

মায়া বসে থাকে। পায়ের নখ খোঁটে।

“আর হাজার দুয়েক টাকা যদি এদিক ওদিক করে… যাওয়ার সময় কালীঘাটে গিয়ে মায়ের সামনে সিঁদুর …… মায়া…. ?”

মায়া পায়ের নখ খুঁটতেই থাকে। শ‍্যামল আরেকটা সিগারেট চায়। মায়া বক্ষবন্ধনীর ভেতর থেকে পুরো প‍্যাকেটটা বার করে দ‍্যায়। আঁচল খসে পড়ে।

“আমার নাম মায়া নয়” ও নখ খুঁটতেই থাকে। য‍্যানো নখের মধ্যেই ওর সব কথা মিশে আছে। “এখেনে আসার আগে … আমার নাম ছেল সনকা…. মাসি সনকা নামটা বদলে মায়া করে দ‍্যাছে … বাড়িতে সবাই…” ও নতমুখে আঁচল ঠিক করে“

“বাড়িতে আমাকে সবাই ….”

“চলো একদিন বাড়িটা দেখে আসি ….. ঘন্টা খানেক লাগবে … আমার সকাল আটটা থেকে ডিউটি ….. দুপুরে বাড়ি আসবো আবার বিকেল পাঁচটায় …. তোমাকে একটু এ্যাকা থাকতে হবে” শ‍্যামল হাসে।

মায়া … না না এ্যাখন ও সনকা বিছানায় উঠে বসে “যাবো একথা মাসি জানতি পারলি পরে ঠ‍্যাং ভেঙে দেবেনি …”

শ‍্যামল হাতের প‍্যাকেটটা এগিয়ে দ‍্যায় “এতে তোমার বেলাউজ পেটিকোট আছে – লাল রংয়ের- শাড়িটা তোমারে সঙ্গে নিয়ে কিনতে যাবো”

“আমি এ্যাখন পিরিয়ড হয়েছে বলে নোক বসাচ্ছি না …. বেশী দেরী করা যাবে না মশাই – আমি আর নোক বসাতি পারবো নি”

সনকা ওর দামী জিনিসপত্র গয়না সব শ‍্যামলের হাত দিয়ে ওর নতুন ঘরে পাঠিয়ে দিয়েছে। আজ যাওয়ার দিন। সনকার আজ বড্ড ছেলেব‍্যালার কথা মনে পড়ছে। বাড়ির কথা।

মাসি’কে বলেছে ডাক্তার দেখাতে যাবে। বুকের ভেতরটা ধ্বক ধ্বক করছে। ঠোঁটের ওপরে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমছে। হাতের তালু ভেজা।

ছোটব‍্যালায় ওদের বাড়িতে পাশের বাড়ির এক মাসি আসতো। গাল মুখ চকচক করতো। য‍্যানো গর্জন তেল মাখা দুর্গা। টান টান করে বাঁধা চুল। ঘরোয়া শাড়ি পরা। সনকার আজ ঐ মাসিটার কথা মনে পড়ছে। হয়তো ওর নারীমনে ঐ চেহারাটাই স্বপ্ন হয়ে গেঁথে ছিলো। ও আজ ঐভাবে চুল বাঁধবে। টেনে টাইট করে। সামনের চুলগুলো বড্ড ছোট ছোট করে কাটা। কিছুতেই হচ্ছে না। সামনে ঝুলে থাকছে। সনকা আবার নতুন করে চুল বাঁধা শুরু করে।

PrevPreviousহাসপাতালের জার্নালঃ আমি কেবলই স্বপন…
Nextবিবর্তনঃ রেকারেন্ট ল্যারিঞ্জিয়াল নার্ভ—অবাক জিরাফ, অবাক করলে তুমি!Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Partha Das
Partha Das
4 years ago

দারুন, দারুন লেখা।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

April 16, 2026 No Comments

১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ ​সম্প্রতি কলকাতার এক প্রবীণ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ (Cardiologist) সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন যে, নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্লোগান দিলে তিনি ফি-তে ছাড় দেবেন। ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম

পথের সন্ধানে

April 16, 2026 No Comments

ভারতের ইতিহাসে কালো দিনের তালিকায় আর একটি দিন যুক্ত হল – ১৩ এপ্রিল, যেদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোরের সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষিত হবার

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

April 16, 2026 No Comments

সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ চিৎকার করে আসে না। কিছু নিয়ন্ত্রণ আসে ভালোবাসা, দায়িত্ব, অপরাধবোধ আর ভয়–এর মোড়কে। 💔🌫️ Emotional Blackmail হলো এমন এক ধরনের মানসিক প্রভাব

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 16, 2026

পথের সন্ধানে

Gopa Mukherjee April 16, 2026

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

Dr. Aditya Sarkar April 16, 2026

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

617934
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]