Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

কি খাওয়াবেন আপনার ৬ মাসের শিশুটিকে?

Getting her first spoon-ful of Rice. This is very soft boiled rice, some sugar and ghee. Notice the custom made silver spoon - spiffy eh!
Dr. Nishantadeb Ghatak

Dr. Nishantadeb Ghatak

Paediatrician
My Other Posts
  • January 5, 2020
  • 7:39 pm
  • 9 Comments

আমরা সবাই জানি একটি শিশু জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শুধু মাত্র মাতৃদুগ্ধ খেয়েই বড় হয়। কিন্তু ছয় মাসের পর শিশু তার বৃদ্ধির সমস্ত উপাদান যেমন ক্যালরি, ভিটামিন ও মিনারেল এর সঠিক যোগান শুধুমাত্র মাতৃদুগ্ধ থেকে পায় না। তাই এই সময়ে মাতৃদুগ্ধের সাথে সাথে বাইরের কিছু খাবার খাওয়ান অত্যাবশ্যক হয়ে পড়ে। অন্নপ্রাশনের রীতি হয়ত এই বৈজ্ঞানিক কারণের ওপর ভিত্তি করেই তৈরি হয়েছে।

সাধারণত সারাদিনে দুই থেকে তিনবার বাইরের গাঢ খাবার দিলে দেখা গেছে এই বয়সের শিশুটির পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয়ে যায়।কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে, যে শিশু ছয় মাস ধরে পাতলা তরল স্তনদুগ্ধ পান করে এসেছে তাকে রাতারাতি গাড় খাবারে অভ্যস্ত করা বেশ কঠিন। তাই এই অভ্যাসটি খুব ধীরে ধীরে পরিবর্তন করাতে হবে।

এই বার আসা যাক শিশুটি কি খাবে সেই বিষয়ে। আর্থসামাজিক ও ধর্মীয় রীতি মেনে শিশুটির খাবার ঠিক করা বাঞ্ছনীয়। খাবারের মধ্যে কার্বোহাইড্রেট ,প্রোটিন, ফ্যাট , ভিটামিন ও মিনারেল যেন সুষম ভাবে থাকে।

সাধারণভাবে খিচুড়ি যেটি কিনা চালডাল সবজি দিয়ে খুব নরম ভাবে তৈরি হয়, তার সাথে অল্প একটু ঘী অথবা মাখন দিয়ে দিলে সেটি সুষম আর পুষ্টিকর খাবারে পরিণত হয়। মনে রাখতে হবে যে সবজিটি ব্যবহার হবে সেটি ছিবড়ে যুক্ত না হওয়াই বাঞ্ছনীয়। নরম সবজি যেমন লাউ পেঁপে কুমড়ো পালং শাক ইত্যাদি দেওয়া যেতে পারে। খাবারের মধ্যে একটি রঙিন সবজি যেমন গাজর,কুমড়ো,টমাট ইত্যাদি থাকলে ভালো হয়। অসময়ের সবজি ব্যবহার না করাই ভাল। খিচুড়ি ছাড়াও গলা ভাত,সুজি, চিঁড়েসেদ্ধ,পাকা কলা, ফলের রস ইত্যাদি দেওয়া যেতে পারে ।

সাধারণত দুধ ছাড়া অন্য প্রাণিজ প্রোটিন ৮-৯ মাসের পরে দেওয়াই ভালো। দেখা গেছে খুব তাড়াতাড়ি প্রাণিজ প্রোটিন শুরু করার সাথে ভবিষ্যতে শিশুর এলার্জির প্রবণতার একটা সরাসরি সম্পর্ক আছে। তাই মাছ ডিম মাংস দিতে হলে তা ৮-৯ মাস এর পরেই শুরু করুন।

এইবার স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে খাওয়াবেন কিভাবে? কোলে বসিয়ে অথবা অন্য কোন জায়গায় বসিয়ে পিঠে কিছু ঠেক দিয়ে চামচ বাটিতে খাওয়ানোই সবচেয়ে বিজ্ঞানসম্মত। এতে করে খাওয়ার শ্বাসনালিতে যাওয়ার প্রবণতা অনেকটা কমে যায়। ফিডার অথবা গোঁদল দিয়ে শুইয়ে গাঢ় খাবার না খাওয়ানোই উচিৎ। এগুলিতে খাবার শ্বাসনালীতে ঢুকে বিষম লাগার সম্ভাবনা যেমন থাকে পাশাপাশি বারবার পেটের গন্ডগোল এর সমস্যা,কানে ইনফেকশান ইত্যাদি হতে পারে।

শিশুটিকে খাওয়ানোর আগে বাটি ও চামচ গরম জলে ফুটিয়ে নিলেই ভালো হয় । আর খাওয়ানোর আগে হাত অবশ্যই সাবান দিয়ে পরিষ্কার করে ধুতে ভুলবেন না।

শিশুটিকে খাওয়ানোর জন্য যে জল ব্যবহার করবেন সেটি ১০-১৫মিনিট ফোটানো প্রয়োজন। এতে করে জলবাহিত রোগ হওয়ার প্রবণতা অনেকটা কমে যায়।

আরেকটা কথা বলা ভীষন জরুরী সেটা হল কখনোই শিশুটিকে জোর করে,ইচ্ছার বিরুদ্ধে খাওয়াবেন না। চেষ্টা করুন খিদে পেলে তবেই খাওয়াতে। তা না হলে জোর করার ফলে খাওয়া জিনিস টার উপরেই শিশুটির ভীতি তৈরি হতে পারে। কাঁদতে কাঁদতে খেলে খাবার শ্বাসনালীতে চলে যাওয়ার একটা সম্ভাবনা থেকে যেতে পারে। খাবার সময় কখনোই মোবাইল ,কার্টুন ,টিভি ব্যবহার করা ঠিক নয়। এমন জায়গায় খাওয়ান যেখানে ডাইভারশন একটু কম থাকে ও শিশুটির মনোযোগ কেবল খাবারের দিকেই থাকে। শিশুটিকে গল্প বলতে বলতে বা গান করতে করতে খাওয়ানো যেতে পারে।

বিভিন্ন মানুষের পছন্দ যেমন বিভিন্ন রকমের হয় ঠিক একইভাবে বিভিন্ন শিশুর স্বাদের পছন্দও বিভিন্ন হয়। আপনার শিশুটি মিষ্টি, টক, নোনতা কোনটি পছন্দ করে তা আপনাকে সবগুলির ট্রায়াল দিয়ে দেখতে হবে। সাধারণভাবে ছোটরা মিষ্টি পছন্দ করে তবে এর ব্যতিক্রম আছে। কোন খাবার শুরু করলে অন্তত দুই সপ্তাহ ওই খাবারটি চালিয়ে যান যদি দেখেন তারপরও শিশুটি খেতে চাইছে না তখন বুঝবেন শিশুটির ওই স্বাদ টি পছন্দ নয়। তখন অন্য খাওয়ার এর কথা ভাবুন। কোন বিশেষ স্বাদে জীভটি সংবেদনশীল হতে প্রায় দু সপ্তাহ লেগে যায়। আর জীভটি ওই খাবারে সংবেদনশীল হলে তবেই শিশুটি ওই খাবার ভালবেসে খাবার প্রশ্ন আসে। বাইরের খাবার শুরুর এই পরীক্ষায় আপনি পাস করলেন কিনা, তার মাপকাঠি কিন্তু শিশুটির ওজন বৃদ্ধি। যদি দেখেন ওজন ঠিক বাড়ছে না, তবে অবশ্যই ডাক্তার বাবুর সাথে যোগাযোগ করুন।

আর একটা কথা যেটা নিয়ে মাদের অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন আমাদের হতে হয় “সেটা হল ফর্মুলা মিল্ক ও বেবি ফুড”। একটা কথাই বলি যদি সময়সব প্রাকৃতিক খাদ্য সুষম ভাবে দেওয়া যায় সেটাই সবচেয়ে বেশি কা্র্যকরী। আমি মায়েদের একটা কথাই বলি,বাড়িতে একটি ফর্মুলা মিল্ক বা বেবি ফুড রেখে দিতেই পারেন যেদিন আপনি খুব বেশি ব্যস্ত থাকবেন সেদিনের জন্যে। অথবা বাইরে কোথাও বেড়াতে গেছেন, যখন আপনার হাতে সময় বা সুযোগ নেই খাবার তৈরি করে দেওয়ার, সেদিন আপনি এই ফর্মুলা মিল্ক অথবা বেবি ফুডগুলি ব্যবহার করতে পারেন। তবে ফর্মুলা মিল্ক ও বেবি ফুড ব্যবহার না করাই ভালো।

চেষ্টা করুন কাজের মহিলার ওপর সন্তানকে খাওয়ানোর দায়িত্ব না দিয়ে নিজে হাতে খাওয়াতে। এতে শিশুটি যেমন খুশি হয়ে খায় ,আর সন্তানের সাথে একটা ইমোশনাল বন্ডিং তৈরী হয়,যেটি শিশুটির মানসিক ওশারীরিক বিকাশে সাহায্য করে।

PrevPreviousডায়াবেটিসে কিভাবে পায়ের যত্ন নেবেন?
Nextস্বাস্থ্য শিক্ষা নির্মাণ ও প্রচেষ্টা-র যৌথ উদ্যোগে যুক্তিসম্মত চিকিৎসা শিবিরNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
9 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Dr. Ram Ranjan Ganguly
Dr. Ram Ranjan Ganguly
6 years ago

ভালো হয়েছে। খুব সহজ ভাষায় লিখেছো।

0
Reply
Dipanwita
Dipanwita
6 years ago

Daktar babur bibechona khubi jukti jukto.
arekta khub jaruri ta holo Dhoirjo?.

0
Reply
Dr Nishantadeb Ghatak
Dr Nishantadeb Ghatak
6 years ago

একদম ঠিক

0
Reply
Dr.Subhasis Mukherjee
Dr.Subhasis Mukherjee
6 years ago

Khub valo likhecho Dada,ami akta mayeder boli je khabar toiri kore bachhar na ker samne olpo khon khabarta rakhte,ta te smell korbe bachha and acceptance barbe,tomar opinion janabe ei byapare

0
Reply
Dr Nishantadeb Ghatak
Dr Nishantadeb Ghatak
Reply to  Dr.Subhasis Mukherjee
6 years ago

Good concept.kortei pari amra ete flavour sensitisation o hobe.

0
Reply
গৌতম মিস্ত্রী
গৌতম মিস্ত্রী
6 years ago

শিশুর খাবারে নুন আর চিনি না থাকলেই ভাল। জাপানে তেমনটাই চল। এতে শিশু বড় হয়ে ঐ দুইটি অস্বাস্থ্যকর খাবারে আসক্ত হবে না।

0
Reply
Dr Nishantadeb Ghatak
Dr Nishantadeb Ghatak
Reply to  গৌতম মিস্ত্রী
6 years ago

নুন ছাড়া খাবার মনে হয় না হওয়াই ভাল। কারন
1) অতিরিক্ত না কিন্ত কিছুটা লবনের তো মেটাবলিক নিড আছে, বিশেষ করে গরম কালে।
2)দু বছরের পর শিশু তো ফ্যামিলি ফুড এ অভ্যস্ত হবে বা বাইরের খাবার খেতে শুরু করবে। এমন অভ্যাস হলে তো অন্য খাবার মুখেনিতে পারবেনা।
অবশ্যই সবটা পরিমিত হওয়াই বান্ছনীয়।

0
Reply
Tithi Samanta
Tithi Samanta
6 years ago

Khub vlo likhechen.anek Kichu jana chilona.anek dhyonnobad.

0
Reply
সোমা
সোমা
6 years ago

গর্ভাবস্থায় মায়ের মনখারাপ কি বাচ্চার ওপর কোনো খারাপ প্রভাব ফেলে?

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

SIR এবং আমাদের পশ্চিমবঙ্গের মানুষ

April 15, 2026 3 Comments

ভোটের দোরগোড়ায় পশ্চিমবঙ্গবাসী। ইতিমধ্যে SIR তথা Special Intensive Revision (বিশেষ নিবিড় সংশোধন)-এর কল্যাণে এবং প্রযুক্তিগত হস্তক্ষেপে প্রায় ৯১ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। সহজ কথায়,

What Does it Mean to Be a Revolutionary Doctor Today? (Part 3)

April 14, 2026 1 Comment

Micro-Institutions in Practice: A Workers’ Health Model In the earlier parts, I tried to touch upon the dilemmas faced by young professionals and the broader

।।অভয়া আন্দোলন দ্রোহের দলিলঃ একটি প্রতিবেদন।।

April 14, 2026 No Comments

ডাঃ পুণ্যব্রত  গুণ সম্পাদিত “অভয়া আন্দোলন দ্রোহের দলিল” বা ডক্টরস ডায়লগ সংকলন এক কথায় এই দশকের প্রতিষ্ঠান বিরোধী গণ আন্দোলনের যে ধারাবাহিকতা বা দুর্নীতিপরায়ণ শাসকের

সাম্প্রতিক পোস্ট

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

SIR এবং আমাদের পশ্চিমবঙ্গের মানুষ

Dr. Jayanta Bhattacharya April 15, 2026

What Does it Mean to Be a Revolutionary Doctor Today? (Part 3)

Dr. Avani Unni April 14, 2026

।।অভয়া আন্দোলন দ্রোহের দলিলঃ একটি প্রতিবেদন।।

Shila Chakraborty April 14, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

617791
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]