Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

হলুদ গাঁদার ফুল ২

407293856_7476165345729129_6564491003702125662_n
Dr. Aniruddha Deb

Dr. Aniruddha Deb

Psychiatrist, Writer
My Other Posts
  • December 17, 2023
  • 9:23 am
  • No Comments
৪
অনুপস্থিত অ্যাসিস্ট্যান্ট হেডমাস্টার বাদে ডিনারে সব টিচারই এসেছিলেন। শুরুতে বেশ ফর্মাল ডিনারের রূপ নিয়ে শুরু হলেও, কিছুক্ষণের মধ্যেই বেশ হইচই আমুদে পার্টির আকার নিল, কোথা থেকে গিটার বের করে আনলেন আর্ট টিচার, গানে গলা মেলালেন অনেকেই। খাবার টেবিলে বসেও এমনই হালকা মেজাজে আলোচনা হচ্ছিল, এমন সময় ইংরিজির একজন টিচার — ভদ্রমহিলার নাম মনে নেই — হঠাৎ আমাকে জিজ্ঞেস করে বসলেন, আপনি তো স্যার কিছুই বলছেন না। আপনার কি কিছুই জানার নেই আমাদের সম্বন্ধে?
আমি তেমন কিছু না ভেবেই বলেছিলাম, একটা কথা দুপুর থেকে মাথায় ঘুরছে, জিজ্ঞেসই করলেন যখন, বলেই ফেলি। আজ সকালে এখানে আসার পথেই মনে হয়েছিল, একটা ফুল-প্রেমী কমিউনিটিতে ঢুকছি। স্কুলে এসেও দেখলাম, স্কুলে সকলেই প্রায় বাগান করেন — এবং সবাই প্রায় ফুলের বাগান ভালোবাসেন।
বুঝলাম সবাই মন দিয়ে শুনছেন। বললাম, কিন্তু একটা কথা বার বার মনে হয়েছে দুপুর থেকে — আমাদের দেশে শীতের একটা প্রধান ফুল হলো গাঁদা। এখানে অনেকই গাঁদা দেখলাম। অজস্র গাঁদা, কিন্তু আশ্চর্য, গাঁদার সবচেয়ে উজ্জ্বল এবং সবচেয়ে কমন ভ্যারাইটির হলুদ রংটা কোত্থাও দেখলাম না। সকালে পাহাড় বেয়ে ওঠার সময়েও না, আর এত বড়ো স্কুলের এত বাগানেও না…
টেবিলের চারিপাশে সকলেই আমি কথা বলা শুরু করা মাত্র চুপ করে গেছিলেন। সেটাই স্বাভাবিক। আমি অতিথি, তার ওপরে আর কিছুদিন পরেই আমি হয়ত অ্যাসিস্ট্যান্ট হেড হব, এবং ক্রমে ক্রমে হেডমাস্টার, সুতরাং আমি কথা বললে না-শুনবে এমন ক-জনই বা থাকবে?
কিন্তু নৈঃশব্দ্যটা খুব চট করে ভদ্রতা থেকে পিন-ড্রপ হয়ে অস্বস্তিকর হয়ে গেল। ফলে আমার প্রশ্নটাই শেষ হলো না। কেমন থতমত খেয়ে চুপ করে গেলাম।
সকলেই আমার দিকে তাকিয়ে। আমি প্রবল অস্বস্তিতে। এরকম সামান্য একটা প্রশ্নে সবাই কেন এমন চুপ করে যাবে আমার বোধগম্য হচ্ছিল না। নিস্তব্ধতাটা এতক্ষণ ধরে চলছে, যে আমার মনে হতে শুরু হয়েছিল আমারই কিছু বলা উচিত, কিন্তু কী বলব? আমি দুঃখিত, আপনাদের অস্বস্তিতে ফেলার উদ্দেশ্য আমার ছিল না? না কি আর কিছু বলা উচিত? না কি কেবলই বিষয়টা বদলে অন্য কিছু বলব? এমন সময় আমাকে বাঁচালেন হেডমাস্টার নিজে।
বললেন, স্যার, আই মাস্ট কনগ্র্যাচুলেট ইউ অন ইওর ওয়ান্ডার্ফুল পাওয়ার্স অফ অব্জারভেশন। সত্যিই আমরা কেউ এখানে হলুদ গাঁদা লাগাই না। তবে এ বিষয়টা এখানে আলোচ্য নয়, আমি কথা দিচ্ছি, এর উত্তর আমি আপনাকে আপনি যাবার আগে দেব।
মুহূর্তে ডিনার টেবিলের থমথমে ভাবটা কেটে গেল, সবাই প্রায় একসঙ্গেই নানা বিষয় কথা বলতে শুরু করল, এবং আমিও হাঁপ ছেড়ে বাঁচলাম।
৫
যেমন সুমেধা বলেছিলেন, আমার অনুরোধ অনুযায়ী সকাল সাড়ে ছটাতেই দরজায় টোকা দিয়ে বেয়ারা বেড টি নিয়ে এল। চা খেয়ে জগিং-এ বেরিয়ে পড়লাম। কালকেই দেখে রেখেছিলাম কোথায় যাব। আধ কিলোমিটার মতো গিয়ে মস্তো লেকটার চারপাশে ঘুরলে কিলোমিটার দুয়েক হয়, আন্দাজ করেছিলাম, এক পাক মেরে হেঁটে ফিরলাম বাড়ি। পকেটে রাখা মোবাইল জানান দিল, আমি সবসুদ্ধ তিন কিলোমিটার সাতশো মিটার গিয়েছি। আজকের পক্ষে এ-ই যথেষ্ট।
ভিতরের বসার ঘরের মধ্যে দিয়েই প্রায় যেতে হবে, কারণ বাড়িটার এই অংশে কোনও দেওয়াল নেই। হেডমাস্টার আর সুমেধা চা খাচ্ছেন। সাহেবি কায়দায় অভিবাদন জানালাম। ওঁরাও উত্তর দিলেন। হেডমাস্টার বললেন, আপনাকে নিয়ে একটু বেরোব। ব্রেকফাস্টের পরেই। আপনার আপত্তি নেই তো?
আমি বললাম, না, না। অবশ্যই। আমি আটটাতেই আসছি ব্রেকফাস্টের জন্য।
যথাসময়ে হাজির হলাম খাবার ঘরে, চান করে, দাড়ি কামিয়ে। ব্রেকফাস্ট নিয়ে তৈরি সুমেধা। বললেন, আজ আপনার ইন্টার্ভিউ, কিন্তু সকালেই উনি আপনাকে নিয়ে বেরোবেন।
আমি হেসে বললাম, তাতে অসুবিধে নেই।
এমন সময়ে হেডমাস্টার এসে পড়ায় সুমেধা আর কিছু বললেন না।
খেয়ে দেয়ে হেডমাস্টার আর সুমেধা আমাকে নিয়ে বেরোলেন। হেডমাস্টার সুমেধার জন্য পেছনের দরজা খুলে ধরেছেন। নিজেই চালাবেন, তাই আমি বসলাম ওঁর পাশে। স্কুলের বাইরে যেতে হলো। একটু গিয়েই পাহাড়ের গা বেয়ে একটা রাস্তা চলে গেছে ডানদিকে। পাহাড় বেয়ে নামার রাস্তা দিয়ে না গিয়ে সেই রাস্তায় মোড় নিলেন হেডমাস্টার। বললেন, এখানে যদি আসেন, তাহলে পাহাড়ে গাড়ি চালানোর লাইসেন্স নিতে হবে।
হেসে বললাম, আমার মাতৃভাষায় একটা প্রবাদ আছে, কবে রাধা নাচবে, সাত মণ তেল পুড়বে।
উনিও হাসলেন। বললেন, আপনার সম্ভাবনাই বেশি।
কিছুক্ষণ স্কুলের দেওয়াল সঙ্গে চলল, তারপরে সে রাস্তার সংসর্গ ত্যাগ করে অন্য দিকে ঘুরল, রাস্তার দু দিকে আবার বসতবাড়ি। হেডস্যার বললেন, এখানকার বাসিন্দারাও স্কুলের কর্মচারী, বা শিক্ষক ছিলেন, রিটায়ার করে এখানেই থেকে গেছেন।
বেশিদূর যেতে হল না। রাস্তাটা একটা পাহাড়ি বাঁক নিল, আর আমার সামনে, গাড়ির উইন্ডস্ক্রিন প্রায় পুরোটা জুড়ে দেখলাম একটা বাড়ি। যেমন এই পাহাড়ের সব বাড়ি — তেমনই, বাংলোর মতো। তার বাগান বেশি বড়ো নয়, কিন্তু প্রায় পুরোটা জুড়ে কেবল হলুদ গাঁদা। বাগানে হলুদ গাঁদা, বাংলোর বারান্দায় হলুদ গাঁদা, বারান্দার আলসে থেকে ঝুলছে ছোটো ছোটো টবে হলুদ গাঁদা… এত হলুদ গাঁদা আমি একসঙ্গে কখনও দেখিনি। হাজার হাজার ফুল বাড়িটার চতুর্দিকে।
গাড়িটাকে রাস্তার মাঝখানেই দাঁড় করিয়ে ইঞ্জিন বন্ধ করে দিলেন হেডমাস্টার। আমি একবার পেছনে ঘুরে বললাম, রাস্তাটা আটকে দাঁড়ালেন?
উনি বললেন, এই রাস্তা এই বাড়িতেই শেষ। এখানে গাড়ি আসবে না।
তারপরে বললেন, বলছিলেন না, এখানে কেন হলুদ গাঁদা নেই? এই দেখুন তার কারণ।
বলার ভঙ্গীতে কোনও অনুভূতি নেই। কেমন যেন মরা গলায় বললেন কথাগুলো।
এত হাজার হাজার হলুদ গাঁদা একসঙ্গে দেখা সত্যিই এক আশ্চর্য অভিজ্ঞতা, কিন্তু আমার মনে হলো আরও কিছু আছে। তা না হলে এ ভাবে আমাকে গাড়ি করে স্বামী-স্ত্রী দুজনে মিলে এই ফুলের বাড়ি দেখাতে আনতেন না।
কিছুক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকার পর আমি বুঝলাম, আমার কিছু জিজ্ঞেস করা উচিত। বললাম, কিন্তু সারা পাহাড়ের কোনও বাড়িতে, এমনকি আপনার স্কুলের বাগানেও যে ফুল নেই, এই একটা বাড়িতে সেই ফুল কেন?
ভদ্রলোক বললেন, এর পেছনের ঘটনাটা অদ্ভুত। যেন গল্পের বইয়ের কাহিনি। এই বাড়িটা — আপনাকে বলেছি, পাহাড়ের সব বাড়ির মতোই, এই স্কুলের একজন কর্মচারীর। তিনি শিক্ষক নন। মেইন্টেনেন্স এর স্টাফ। এঞ্জিনিয়ার।
একটু চুপ করে থেকে বললেন, এঞ্জিনিয়ারদের এ জমি পাওয়ার কথা নয়, কিন্তু ইনি পেলেন কারণ উনি বিয়ে করেছিলেন আমাদের স্কুলেরই এক সিনিয়র শিক্ষকের মেয়েকে। বিয়েতে শিক্ষক রাজি ছিলেন না, কিন্তু তার উত্তরে মেয়ে বলে তাদের আটকানো যাবে না — বিয়ে তারা করবেই। মেয়েটির অনেক গুণ ছিল, কিন্তু পড়াশোনায় ছিল দুর্বল। ফলে নিজের ক্ষমতায় কিছু করতে পারবে বলে মা-বাবার আশা ছিল না। ভাবতেন, ভালো বিয়ে দেবেন, মেয়ের সংসারী হবার অনেক গুণই রয়েছে। এবং সেজন্যই তিনি শেষ অবধি নিজের জন্য কিনে রাখা এই জমিটি মেয়ে-জামাইকে দেন, যাতে মেয়ে চোখের সামনে থাকতে পারে। এবং বিয়েটা হয়ে যায়।
এবারে পেছন থেকে সুমেধা বললেন, এখানে যে যা-ই বলুক, এ বিষয়ে সন্দেহ নেই যে স্বামী তাঁর স্ত্রীকে খুবই ভালোবাসতেন। অনেক স্বামী দেখেছি যারা মুখের কথা খসতে না খসতে বউয়ের ইচ্ছাপূরণ করেন, কিন্তু ইনি তার এককাঠি ওপরে। বউয়ের মনের কথা পড়ে নিতেন প্রায়।
বি দ্যাট অ্যাজ ইট মে, একটু জোর দিয়েই বললেন হেডমাস্টার। দে ওয়্যার হ্যাপি। সেটাও ফ্যাক্ট। ওই যে বললাম, মেয়েটার সংসার করার সব গুণই ছিল। আর এঞ্জিনিয়ারও যে স্বামী হবার সব যোগ্যতাই রাখেন, সে-ও সন্দেহাতীত।
মেয়েটির খুব বাগান করার সখ ছিল। আবার পেছন থেকে বললেন সুমেধা। আর প্রিয় রং — সে কী ছিল তা নিশ্চয়ই বলে দিতে হবে না আপনাকে। সারা বাগানের সব ফুলের রং ছিল হলুদ। বাড়ির রংও হলুদ। সে এক দেখবার মতো দৃশ্য।
আমি বললাম, বাড়ির রং তো এখন হলুদ নয়?
হেডমাস্টার বললেন, উই আর গেটিং অ্যাহেড অফ আওয়ারসেল্ভ্‌স। বিয়ের প্রথম শীতকালের আগে বউ বলেছিল, আই উইশ সারা বাড়ি আর বাগানে শুধু হলুদ ম্যারিগোল্ড থাকবে। ওপর থেকে নিচ, বারান্দায়, বাগানে… কেবল হলুদ ম্যারিগোল্ড। আর প্রেমে পাগল এঞ্জিনিয়ার শহরে গিয়ে ফুলের দোকানির সঙ্গে বোঝাপড়া করে এসেছে, যে সে বছর দোকানের সব হলুদ গাঁদার বীজ, আর কাউকে সে বিক্রি করবে না, সব ও-ই নিয়ে যাবে।
সুমেধা বললেন, বেশ ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। কেউ আর নতুন করে হলুদ গাঁদা কিনতে পারেনি। তবে স্বামী-স্ত্রী সেটা সবাইকে বুঝিয়ে বলেছিল — আর কেউ হলুদ গাঁদা পাবে না, তা ওরা চাইনি। শুধু চেয়েছিলাম, কটেজটা হলুদ গাঁদায় ভরিয়ে দিতে। সব উদ্বৃত্ত বীজ দিয়ে দিয়েছিল সবাইকে।
হেডমাস্টার বললেন, যা-ই হোক, সুখেই ছিল দুজনে, কিন্তু সে সইল না।
সুমেধা বললেন, মেয়েটা মারা গেল।
আমি বললাম, সে কী! কবেকার কথা এ সব? কী হয়েছিল?
হেডমাস্টার বললেন, বিয়ের বছর তিনেকও হয়নি। একটা ফুটফুটে বাচ্চাও হয়েছে সবে। শীতকাল ছিল। গাঁদাফুল হয়েছে থরে থরে।
সুমেধা বললেন, একটা ফ্রিক অ্যাক্সিডেন্টে। বিশ্রী, যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যু। এক বছর একা ছিল ছেলেটা। বাবা… প্রতিবেশীরা দেখাশোনা করত। তারপরে আবার বিয়ে করেছে। এখন প্রায় পাঁচ বছর হলো দ্বিতীয় বিয়ের।
কিন্তু এখানে তখন থেকে আর কেউ হলুদ গাঁদাফুল লাগায় না। হলুদ গাঁদা হয় কেবল এই বাড়িতে। আর ওর স্বামী আর দ্বিতীয় স্ত্রী দুজনেই প্রতি শীতে বাড়িটা ওই মেয়েটার স্মৃতিতে হলুদ গাঁদাফুলে ভরিয়ে দেয়, আর এই একই কারণে এই পাহাড়ে আর কোথাও আপনি হলুদ গাঁদাফুল দেখতে পাবেন না।
শেষ কথাটা বলে হেডমাস্টার গাড়ি চালু করলেন আবার। বললেন, চলুন, আলাপ করিয়ে দিই। এখন অবশ্য এঞ্জিনিয়ার নেই, স্কুলে মেন্টেনেন্সের কাজে আছেন। তবে গৃহিণী আছেন।
গেট দিয়ে ঢুকে গাড়ি দাঁড়াল, আমরা সকলেই নামলাম। ভেতর থেকে বেরিয়ে এল একজন পরিচারিকা, বলল, গুড মর্নিং, স্যার, ম্যাম… মিস আসছেন, আপনারা ভিতরে এসে বসুন।
হেডমাস্টার বললেন, আমরা বসব না। মিসকে বলো, আমার গেস্টকে বাগান দেখাতে এনেছি।
দেখতে দেখতে বেরিয়ে এলেন একজন অতীব সুন্দরী মহিলা। এঁর ছবি আমি দেখেছি হেডমাস্টারের বাড়িতে। আমার সমবয়সী না হলেও বয়স আমার চেয়ে সামান্যই কম। বললেন, হ্যালো ড্যাডি, হ্যালো মাম্মি… তারপরে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, ইনিই কী…? বাক্যটা শেষ না করলেও শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্নটা বুঝতে অসুবিধে হয় না।
হেডমাস্টার ঘাড় হেলালেন। আমাকে বললেন, আপনারা দুজনেই দুজনের কথা জানেন। আপনি যে ইন্টার্ভিউয়ে আজ বসবেন, সেই পোস্টের জন্য ইনিই আপনার কম্পিটিটর — আমার বড়ো মেয়ে, পুষ্পা। পুষ্পাকে আমার নাম বললেন। পুষ্পা এখানকার সাহেবি দস্তুর মতো হ্যান্ডশেক করলেন, নমস্কার নয়।
পুষ্পা বললেন, আপনারা ভেতরে আসবেন? বলে একটু ভেতরের দিকে তাকিয়ে বললেন, হি হ্যাজ গন টু ওয়ার্ক।
হেডমাস্টার ঘাড় নেড়ে বললেন, আজ না, বলে আমার দিকে দেখিয়ে বললেন, আজ ওঁর ইন্টার্ভিউ। তাই আমি চাই না উনি ক্লান্ত হয়ে পড়ুন। ছেলে কই?
যেন এই প্রশ্নটার জন্যই অপেক্ষা করছিল এমনভাবে প্রায় ভেতর থেকে ছুটে বেরিয়ে এল একটি বছর ছয় সাতেকের ছেলে। গ্র্যান্ডপা, গ্র্যানি… দুজনকে একে একে জড়িয়ে ধরে ছেলেটি বলল, ওন্ট ইউ কাম ইন?
পুষ্পা ছেলের মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, গ্র্যান্ডপা আর গ্র্যানির সঙ্গে গেস্ট আছে, সান্‌। বলে আমার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন। আমরাও করমর্দন করলাম। তারপরে আমি পুষ্পাকে শুভেচ্ছা জানালাম, জানতে চাইলাম আজই ওঁরও ইন্টার্ভিউ কি না, উনি বললেন না, আগামী রবিবার। তারপরে উনি আমাকে আজকের জন্য শুভেচ্ছে জানালেন, এবং আমরা আবার গাড়িতে উঠে ফিরে এলাম হেডমাস্টারের বাড়িতে।
এ বিষয়ে সারাদিন আলোক বা সুমেধা কিছু বলেনওনি, বা আমিও কোনও প্রশ্ন করিনি। শুধু ভেবেছি, মেয়ের সঙ্গে হেডমাস্টারের কোনও মনোমালিন্য দেখা গেল না। তবে তিনি কেন চান না মেয়ে অ্যাসিস্ট্যান্ট হেড পদে আসুন?
৬
সারাদিনের শেষে হেডমাস্টার আমাকে বাস-স্টেশনে নিয়ে যেতে পারলেন না বলে অনেক দুঃখ প্রকাশ করলেন। বললেন, যে দুর্ঘটনার ফলে একজন ছাত্রের পা ভেঙেছে, এবং আরও দুজন সলিল সমাধির হাত থেকে অল্পের জন্য বেঁচেছে, তারই তদন্তে আসবেন স্থানীয় থানার ও-সি।
বুঝতেই পারছেন, সম্পন্ন এবং ক্ষমতাবান বাবা মায়ের ছেলে সব।
মাথা নাড়লাম। আমি যেখানে কাজ করি সেখানেও ছবিটা অনেকটা এক, তবে এতটা নয়। তফাৎ কেবল ডিগ্রির।
হেডমাস্টার বললেন, আমি চেয়েছিলাম, আমিই আপনাকে আবার বাস স্টেশনে নামিয়ে আসব। কিন্তু তা হবে না, এবং বাকি সব সিনিয়র টিচারদেরও পুলিশের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে। তবে আপনি ভাববেন না, আপনাকে নিয়ে যাবার জন্য আমাদের আর একজন সিনিয়র টিচার প্রস্তুত। আর্ট টিচার অভিষেক — আপনার সঙ্গে দেখা হয়েছে, ওই যিনি গিটার বাজালেন… আপনাকে ড্রাইভারের সঙ্গে পাঠাব না।
আমি হাসলাম। ড্রাইভার হয়ত বেশি নিরাপদ হত, তা বললাম না।
অবশ্য চিন্তার কারণ ছিল না। হেডমাস্টারের মতো অভিষেকেরও হাত গাড়ি চালানোয় পাকা, যদিও গাড়িটা একটু পুরোনো, আর পেছনের সিটে নানা অপ্রয়োজনীয় জিনিসের সম্ভার। আমাকে তাকাতে দেখে বললেন, আমার গাড়িতে পেছনের সিটের দিকে তাকানো বারণ।
আমি হেসে আশ্বস্ত করলাম, বললাম, নিজে গাড়ি চালালে পেছনের সিটটা ক্রমে গুদামঘরে পরিণত হয়।
উনিও হাসলেন। বললেন, সে হয়ত আপনার গাড়ি। আমারটাকে গার্বেজ ডাম্প… আস্তাকুঁড় বলুন।
পথে চলতে চলতে কী ভাবে আলোচনাটা শুরু হয়েছিল মনে নেই, তবে এখন মনে হচ্ছে, উনিই বলেছিলেন, হলুদ গাঁদার ফুল দেখলেন?
বলেছিলাম, দেখেছি। সত্যিই দুটো ব্যাপারই মনে রাখার মতো। এক তো অত হলুদ গাঁদা একসঙ্গে আর দুই, একটা গোটা কমিউনিটি কী ভাবে একজনকে মনে রেখেছে, তার স্মৃতিকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছে হলুদ গাঁদার বাগান না করে।
ঘাড় নাড়লেন আর্ট টিচার। বললেন, আসলে কী জানেন, পুরো কমিউনিটিটাই হেডমাস্টারকে খুব শ্রদ্ধা করে। শুধু তাই নয়, সুমেধাও আমাদের সকলের অতি প্রিয়। মেয়েদুটোকে আমরা জন্মাতে না দেখলেও বড়ো হতে দেখেছি।
সন্ধে হয়ে এসেছে, এবং সম্পূর্ণ মনোযোগ রাস্তায়, তাই আমার মুখের ভাবের সামান্য পরিবর্তনটুকু ধরতে পারলেন না, বলে চললেন, প্রীতি পড়াশোনায় ভালো ছিল না হয়ত, কিন্তু বাকি সব কিছু — গানের গলা, বাদ্যযন্ত্র বাজানো, ছবি আঁকা, রান্না, বাগান করা — এককথায় যা কিছুতে মানুষের সৌন্দর্যবোধ লাগে, সবেতেই ও ছিল এক নম্বর।
অন্ধকার হয়ে এসেছে, কিন্তু এখনও হেডলাইট জ্বালানোর মতো অন্ধকার নয়, গাড়ির সামনের আলো মৃদু হয়ে জ্বলে রয়েছে, স্বাভাবিকভাবেই গতি মন্থরতর হয়েছে।
অভিষেক বললেন, দুই বোনের একজনও কিন্তু বয়সকালে বিয়ে করতে চায়নি। তাই যখন ছোটো বোন এই ছেলেটির প্রেমে পড়ল, তখন আমরা সবাই খুব অবাক হয়েছিলাম। অনেকেই প্রীতিকে বারণ করেছিল। বলতে দ্বিধা নেই, আমিও করেছিলাম।
আমি এবারে আর থামতে না পেরে জিজ্ঞেস করেই ফেললাম, কিন্তু আপত্তির কারণ কী ছিল? এঞ্জিনিয়ার ছেলে, চাকরিও করে এই স্কুলেই…
এক লহমা আমাকে দেখলেন অভিষেক। তারপরে বললেন, ও। হেডমাস্টার সবটা বলেননি তাহলে। ওঃ…
কিছুক্ষণ চুপচাপ গাড়ি চলল, তারপরে বললেন, এতটা বলেছি, বাকিটাও বলি তাহলে। ছেলেটা এঞ্জিনিয়ার নয়। মিস্তিরি। এঞ্জিনিয়ার হবার কোনও যোগ্যতাই ওর নেই। আমাদের সবার ধারণা ছিল, ছেলেটা মেয়েটাকে ফাঁসিয়েছে ওর বাবার ধনসম্পত্তির লোভে।
আমি বললাম, একজন স্কুলটিচারের কী আর ধনসম্পত্তি থাকতে পারে?
হেসে অভিষেক বললেন, তাহলেই বুঝুন তার আর্থিক অবস্থা।
তারপরে একটু স্পিড বাড়িয়ে সামনের ট্রাকটাকে ওভারটেক করে বললেন, তবে পায়নি কম। হেডমাস্টারের জমি পেয়েছে, নিজের সঞ্চয় দিয়ে হেডমাস্টার বাড়ি করে দিয়েছেন… খারাপ কি, বলুন, সামান্য মাইনের পাম্পের মিস্তিরির পক্ষে?
আমি কিছু বললাম না।
উনি বলে চললেন, তবে কী জানেন, এত কিছু দিয়েছিলেন হেডমাস্টার, কিন্তু মেনে নেননি জামাইকে। শেষে নাতির জন্মের পরে একটু নরম হয়েছিলেন। তাও বোঝেনই তো অবস্থা। একটা কমন পারিবারিক অনুষ্ঠানে দুজনকে ডাকা যেত না। এ কী করে হতে পারে, যে এই স্কুলেরই একজন মিস্তিরি এই স্কুলের সব সিনিয়র টিচারদের সঙ্গে একসঙ্গে ড্রিঙ্ক করছে, বা কোমর জড়িয়ে নাচছে?
আমি মাথা নাড়লাম। নিজের আত্মীয় স্বজনের মধ্যে এরকম আশ্চর্য অবস্থা আমি দেখেছি বলে জানি।
বললাম, তাও তো মিঃ আলোক বা প্রীতির স্বামীর আত্মীয়স্বজন এখানে থাকেন না। থাকলে আরও সমস্যা হত।
নিঃসন্দেহে, বললেন অভিষেক। তারপরে বললেন, তবে হেডমাস্টার পরের দিকে অনেকটাই নরম হয়েছিলেন। বুঝেছিলেন, ছেলেটা ওঁর মেয়েকে সত্যিই খুব ভালোবাসে। ওকে সব দিক থেকে সুখী করতে চায়। মাঝের থেকে সব ওলটপালট করে দিল অ্যাক্সিডেন্টটা।
বললাম, আমি অবশ্য সবটাই বুঝতে পেরেছিলাম, ওঁরা আমাকে না বললেও। হেডমাস্টারের ভেতরের বসার ঘরের ম্যান্টেলপিসে দুই মেয়েরই ছবি রয়েছে। সদ্যোজাত নাতির ছবি রয়েছে প্রথমে ছোটো মেয়ের কোলে, আর পরে বড়ো মেয়ের সঙ্গে। তখন ছেলেটার বয়স বেড়েছে। কিন্তু সবাই বলছেন মেয়েটার মৃত্যু হয়েছিল অ্যাক্সিডেন্টে। আমি ওঁদের জিজ্ঞেস করতে পারিনি কী অ্যাক্সিডেন্ট।
অভিষেক বললেন, কোথা থেকে একটা ষাঁড় এসে খোলা গেট দিয়ে ঢুকে মনের আনন্দে গাঁদাফুল খেতে শুরু করেছিল। হাজবেন্ড সবে বেরিয়েছে কাজে — মানে স্কুলেই। মেয়েটা ওকে টা টা বলে ভেতরে গিয়েছিল, কাজের মেয়ে চেঁচিয়ে বলেছে গরুতে ফুল খাচ্ছে।
গরু ছিল না, ছিল ষাঁড়। সাধের ফুল খেয়ে নিচ্ছে বলে মেয়েটা বেরিয়ে এসে তাড়াতে গেছে, ষাঁড়টা পাত্তাও দিচ্ছে না। মেয়েটা সাত পাঁচ না ভেবে পিঠে কিল মেরেছে, তারপরে গেছে শিং ধরে সরিয়ে দিতে। ষাঁড়টাও সঙ্গে সঙ্গে মেরেছে গুঁতো। শিংটা সোজা পেটে ঢুকে গেছে।
ইন ফ্যাক্ট শিঙের সঙ্গে আটকে গেছিল, ষাঁড়টা ঝাঁকানি দিয়ে ফেলে দিয়ে চলে গেছিল।
কাজের মেয়েটা গিয়ে দেখে চতুর্দিক রক্তে ভেসে যাচ্ছে। কোনও রকমে তুলে বাড়িতে এনে, স্কুলে ফোন করে খবর দিয়েছিল। ওর স্বামী পড়িমরি করে ফিরল, কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গিয়েছে। এখান থেকে হাসপাতালও প্রায় ঘণ্টাখানেক দূরে। শিং লিভারে ঢুকে গিয়েছিল।
আমি বললাম, কিন্তু তারপরে বড়ো মেয়েও কেন ওকেই বিয়ে করতে গেল? ও-ও কি ছেলেটার প্রেমে পড়েছিল নাকি? এমনটা তো জানা-ই আছে, দুই বোনই একই ছেলেকে ভালোবাসে।
মাথা নাড়লেন অভিষেক। বললেন, এই ব্যাপারটা আমরা কেউ-ই ঠিকমতো জানি না। এতটুকু জানি, যে প্রীতি মারা যাবার পরে হেডমাস্টার চেয়েছিলেন বাচ্চাটাকে মানুষ করবেন। অনেকবার জামাইকে বলেছিলেন, দত্তক নেবেন। জামাই রাজি হয়নি। পাড়ার লোকের বাড়িতে রেখে কাজে আসত। সে এক সময় গেছে। শেষে হঠাৎ একদিন পুষ্পা বলল, ওকেই বিয়ে করতে চায়। সেই নিয়ে আর এক তাইরে-নাইরে। আমরা অনেকেই ভেবেছিলাম, পুষ্পা কেবলমাত্র বাচ্চাটার জন্যই বিয়েটা করতে চেয়েছে। কিন্তু এখন আমরা কেউ অত শিওর নই। কারণ পুষ্পাও লুকস ভেরি হ্যাপি। দে আর আ হ্যাপি থ্রি-সাম!
বললাম, পুষ্পারও বোনের মতো হলুদ ফুলে, বিশেষ করে গাঁদায় ইন্টারেস্ট — সেটাও আশ্চর্য।
এবারে না সূচক মাথা নাড়লেন অভিষেক। বললেন, না… মানে, ওরা দুই বোনেরই এস্থেটিক সেন্স খুব বেশি, তবে হলুদ গাঁদা কেবল প্রীতিই চাইত। পুষ্পা নয়। হলুদ গাঁদা কেবল প্রীতির প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য।
উপসংহার
প্রায় মাসখানেক পরে স্কুলের বোর্ডের তরফে ইমেইল এল। খুব বিনম্র ভাষায় লেখা, যে সবরকম যোগ্যতা সত্ত্বেও আমাকে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদে বহাল করা গেল না, এ জন্য তাঁরা দুঃখিত। তবে, ভবিষ্যতে আমার যোগ্য কোনও পদ খালি হলে তাঁরা আমাকে জানাবেন, এবং তখন যদি আমি আবার ইন্টার্ভিউ দিতে চাই, তাঁরা যারপরনাই ধন্য হবেন, ইত্যাদি।
হেডমাস্টার চিত্রেশ অলোক আর একটু খোলসা করে লিখলেন কয়েক দিন পরে। তিনি জোরের সঙ্গেই বার বার বোর্ডের কাছে আমার নাম সুপারিশ করেছিলেন। বোর্ড প্রথম থেকেই ঘরের মেয়ের দিকে হেলে ছিল, কিন্তু হেডমাস্টারের জোরাজুরিতেই আমাকে ইন্টার্ভিউয়ের জন্য ডাকা হয়। ডেকে এনে আমাকে চাকরি না দেওয়ার জন্য আমার যে হয়রানি হলো তার জন্য নিজেকেই দায়ী করে আলোক ক্ষমা চেয়েছেন।
বহুদিন পরে দেখা হয়েছিল পুষ্পা চিত্রেশের সঙ্গে। দুবাই শহরে, শিক্ষকদের কনভেনশনে। দেখে আমিও চিনতে পারিনি, উনিও না। নিমন্ত্রিতদের তালিকায় নাম দেখে এগিয়ে গিয়ে আলাপ করেছিলাম। পুষ্পার মনে পড়েছিল। বলেছিলেন, বাবা মা ভালো আছেন। রিটায়ারমেন্টের পরে দেশে ফিরে গেছেন। ওখানে যৌথ পরিবারে আছেন। রাতে ডিনারে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন স্বামী আর চোদ্দ বছরের ছেলের সঙ্গে।
বলেছিলেন, স্বামী এঞ্জিনিয়ার। ওঁদের স্কুলেই কাজ করেন। ছেলের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, তুমি কোন স্কুলে পড়ো? মায়ের স্কুলে?
ছেলে মাথা নেড়েছিল। বলেছিল, না। মা আগে যে স্কুলে পড়াত, সেই স্কুলে।
পুষ্পা বলেছিলেন, ওর স্কুল বদলাইনি। আমার স্কুল তো আপনি দেখেছেন। বড্ড নাক-উঁচু ভাব ছাত্রদের। যেখানে আছে, সেখানে থাকলে অনেক মাটির কাছাকাছি থাকতে পারবে। আমি নিজেও ওই নাক-উঁচু স্কুলেরই ছাত্রী কি না, তাই জানি।
জানতে চাইলাম, হলুদ গাঁদাফুল এখনও হয়, শীতকালে?
বললেন, আসুন একবার ফেব্রুয়ারিতে। দেখে যান নিজের চোখে। উই উইল বি হ্যাপি ইফ ইউ কাম।
PrevPreviousToxic Positivity!
Nextरसेल वाइपरNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

বিজ্ঞান, ব্যক্তিমানুষ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা – এখন গভীর প্রশ্নের মুখে

June 9, 2026 No Comments

৫ জুন, ২০২৬-এ নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর মতো বিখ্যাত সংবাদপত্রের একটি খবরের শিরোনাম ছিল “Police Remove Diabetes Experts From Conference for Distributing Critique of Trump Administration”

নিয়োগবিহীন ডেন্টাল-দীর্ঘ ৮ বছর!

June 9, 2026 No Comments

পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষের কাছে পূর্বতন তৃণমূল সরকারের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আরেক কঙ্কালসার চিত্র তুলে ধরার সময় এসেছে। ২০১৩ সালে জন্ম হয় WBHRB (West Bengal Health Recruitment Board)

যাদবপুরে রেল হকার উচ্ছেদ

June 9, 2026 No Comments

৮-৬-২০২৬ গতকাল রাতে যাদবপুরে রেল হকার উচ্ছেদ করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী, রেল পুলিশ ও রাজ্য পুলিশ যৌথ অভিযান চালাতে আসে। হকারদের পাশে নিয়ে বামপন্থী, গণতান্ত্রিক নাগরিক

ককরোচ জনতা পার্টি: কেন উত্থান? এরপর?

June 8, 2026 No Comments

একটা দল কখন জনগণের মুখপত্র হয়ে ওঠে? যখন সেই দলের মধ্যে দিয়ে মানুষ খুঁজে পায় তার শ্রেণিস্বার্থ, নেতার প্রতি আইকনিক আকর্ষণ, দলের নীতিতে প্রবল সমর্থন,

গরম কালের অসুখ – হাইপারথার্মিয়া

June 8, 2026 5 Comments

এবছর গরম লম্বা ইনিংস খেলতে নেমেছে যেন। চোত বোশেখের গরম সেভাবে মালুম হয়নি, মাঝে মাঝেই স্বস্তির বৃষ্টি গরমের দাপট রুখে দিয়েছে। জষ্ঠি মাস পড়তে না

সাম্প্রতিক পোস্ট

বিজ্ঞান, ব্যক্তিমানুষ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা – এখন গভীর প্রশ্নের মুখে

Dr. Jayanta Bhattacharya June 9, 2026

নিয়োগবিহীন ডেন্টাল-দীর্ঘ ৮ বছর!

West Bengal Junior Doctors Front June 9, 2026

যাদবপুরে রেল হকার উচ্ছেদ

Sangrami Gana Mancha June 9, 2026

ককরোচ জনতা পার্টি: কেন উত্থান? এরপর?

Parichay Gupta June 8, 2026

গরম কালের অসুখ – হাইপারথার্মিয়া

Somnath Mukhopadhyay June 8, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

629168
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]