Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

অথ অনশন আখ্যান

FB_IMG_1728496546408
Dr. Sabyasachi Sengupta

Dr. Sabyasachi Sengupta

General physician
My Other Posts
  • October 10, 2024
  • 7:04 am
  • No Comments

হাঙ্গার স্ট্রাইক। ভুখ হরতাল। অনশন আন্দোলন। যে নামেই ডাকুন না কেন এটিকে, এই একটি বিশেষ পদ্ধতি বরাবরই ‘সরকার’, ‘শাসক’, ‘রাজা’ র জন্য সবিশেষ অস্বস্তির কারণ। বা বলা ভালো যে, অন্তত ছিল– কারণ; অস্বস্তিতে পড়বার। ঢোঁক গেলার। নড়েচড়ে বসার। শাসকের। ছিল ছিল ছিল। বরাবরই। আবহমান-কাল ধরেই।
কিন্তু কেন? অস্ত্র নয়, শস্ত্র নয়, নখ দাঁত বা এমনকি মুঠো করা হাতও নয়। সবচাইতে অস্বস্তি এই আমরণ-অনশনেই। আশ্চর্য না? নাঃ, মোটেও আশ্চর্য না এটা। আচ্ছা বুঝিয়ে বলি বরং ।

খুবই অপ্রাসঙ্গিক এবং ফালতু টাইপের একটা উদাহরণ-সহ বলি আমি শুনুন। বুঝাইয়া। হ্যাঁ, পুনর্বার সতর্ক করা প্রয়োজন এমত যে, যে উদাহরণটি আমি পেশ করিতে চলিয়াছি তাহা, একেবারেই সস্তা। বর্তমানের সহিত তাহার তুলনা করা একপ্রকার মহা-পাপের সমতুল্য। বুঝিয়াছেন? বেশ। মনোনিবেশ করুন এইবারে তবে–

ধরুন একজন তস্কর। অর্থাৎ মামুলি ছিঁচকে চোর একজন। চুরি করতে গিয়ে সে ব্যাটা একদিন ধরা পড়লো গেরস্থের বাড়িতে বমাল। এক্কেবারে যাকে বলে–ক্যাচ কট কট। চুরির মালপত্তর সমেত, চোরব্যাটা পাকড়াও হলো হাতেনাতে। অতঃপর…,যা হয় আর কি! সুসভ্য সমাজে! চোর বাবাজিকে জমা করে দেওয়া হলো আইন-রক্ষকদের জিম্মায়। বিচার হলো তার ‘All rise’ ধর্মাবতারের ন্যায়ালয়ে। দোষও প্রমাণ হলো নির্ভুল। এবং সাজা হলো তিন মাসের জেল, দেড়শত টাকা জরিমানা। অনাদায়ে, আরো পনেরো দিনের জেল-হাজত এক্সট্রা।

সব মিলিয়ে মামুলি বিষয়। পেটি-কেস। আকছার ঘটে, ঘটেই চলে যেমত। তাই তো! তাই না! কিন্তু গোলটা বাঁধলো এরপর-পরই। চোর বাবাজীবন জেলে গিয়েই আচমকা খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিলেন। বললেন, অবিচার হয়েছে নাকি তাঁহার উপরে। এবং সেই অবিচারের বিরুদ্ধেই এই প্রতিবাদ। একদিন গেল, দুই দিন গেল, চার, সাত, একুশ দিনও গেল পেরিয়ে। সান্ত্রী এসে খটাস স্যালুট ঠুকে বললো কারাধ্যক্ষকে– হুজুর, চোরটা তো মরে যাবে হুজুর মনে হচ্ছে হুজুর।
জেলার সাহেব বেঁকা হাসলেন যদিও,- ধ্যাস চোর মরলো তো বয়েই গেল। মরতে দাও। ফোটো দেখি এখন মানেমানে তুমি! যাও!

তা, চলে গেল বটে সান্ত্রী। এবং সান্ত্রীও চলে গেল আর সেই দিনের ভোরেই মরে গেল চোরটি। হুলুস্থুল বেঁধে গেল মুহূর্ত থেকেই।
কেন? কারণ একটা মানুষ না খেয়ে খেয়ে, স্বেচ্ছায় তড়পে তড়পে মৃত্যুবরণ করলো যখন, তখন আলবাত এ লোকটার প্রতিবাদের যুক্তি আছে কিছু না কিছু একটা।

– জেলের পরিবেশ দূষিত। এই পরিবেশে মানুষের সংশোধন তো দূরস্থান, কুকুরও বেঁচে থাকতেও পারে না একদিনের বেশি। তার বিরুদ্ধেই তস্কর-বাবুর প্রতিবাদ ছিল এটা।
বললো, অ- সংবাদপত্র।

– একটা লোক না খেতে পেয়ে ধুঁকছে অন্যদিকে কোটি কোটি টাকার হর্ম্য-হাঁকিয়ে বিলাস করছে কিছু হাতে গোনা লোক। চুরি করবে না তো কী করবে? এটাই, তস্কর-চূড়ামণির প্রতিবাদের প্রধান কারণ।
বললো, আ–মিডিয়া।

আচমকা দেশ জুড়ে দেখা গেলো অসংখ্য জনতাকে যাদের বুকে লেখা– মেরা বাপ চোর হ্যায়। গান লেখা হলো– বেশ করেছি, বেশ করেছি, নিজেকে নিজেই আমি শেষ করেছি। আর সামান্য তস্কর চোখের পলক ফেলতে না ফেলতে হয়ে গেলেন দ্রোহী। শহীদ। বিপ্লবী।
আর গদি টলমল করছে দেখে রাজাকে বাধ্য হয়ে নিজের রাজসভায় পাস করাতে হলো, কারা-সংশোধনী বিল( জেলখানার পরিবেশ উন্নতি প্ৰকল্প)। ক্রোক করতে হলো বেশ কিছু বেমক্কা-বড়লোকের সম্পদ। আর লজ্জার মাথা খেয়ে নিজের রাজ্যেই ফিতে কাটতে হলো, তস্কর-মূর্তির।

অর্থাৎ, অনশন বেশ ভয়ের বটে। সে অনশন অকারণ বা অযৌক্তিক হলেও।
******

আর ঠিক এ কারণেই বরাবর এসবকে এড়িয়ে এসেছে সভয়ে সরকার। ব্রিটিশ নাগরিক ম্যারিয়ন ডানলপ একশত খানিক বছর পূর্বে, 1909 এ যখন আচমকা অনশন শুরু করেছিলেন– রাজনৈতিক-বন্দী স্ট্যাটাস পাওয়ার জন্য তখন তড়িঘড়ি তাঁকে এ জন্যই মুক্ত করেছিল তৎকালীন বিলেতি-সরকার। আর সেই দেখে বাকি কয়েদীরাও যখন শুরু করলো হাঙ্গার স্ট্রাইক তখন তাদের নাকে নল গুঁজে জোর করে ঢুকিয়ে দেয়া শুরু হলো খাদ্য। মোটমাট কথা, এসব অনশন-ফনোশন বরদাস্ত করা যাবে না মোটেই। এ বড় অস্বস্তির। এসব মানুষকে, মুখহীন জনতাকে, ভোটব্যাংককে…প্রশ্ন করার, আঙুল তোলার সাহস যোগায়। আন্দোলন গড়ে তোলে অচলায়তনে।

হ্যাঁ, ইতিহাস সাক্ষী যে ,এ ঘটনার বছর বিশেক পরে, অর্থাৎ 1929 সালে, 1909-এ ঘটে যাওয়া এই ডানলপের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ব্রিটিশ-বেনিয়ারা নল গুঁজে খাদ্য ঢোকাতে চেয়েছিল যতীন নামক বাঙালির পেটের পাকস্থলীতে। হয়নি সফল। যতীন দাস মরে গিয়েছিলেন। আর তার ফলাফল দেখুন। ভালো করে দেখুন। চোখ কচলে। অনেক মেট্রো স্টেশনের নাম স্পর্ধাভরে পরিবর্তন করে ফেললেও ‘যতীন দাস পার্ক’ স্টেশনটির নাম এখনো পরিবর্তন করা সম্ভব হয়নি । আজও। যতীনের কারা-যাপনের আরো একশত বছর পরেও।

হ্যাঁ! এই হলো অনশন আন্দোলনের জোর। তাকৎ। ক্ষমতা।

ফ্যালফ্যাল করে কোটরে ঢুকে যাওয়া দুটো চোখ যখন মরতে মরতে মরতে মরেই যায় পুরোপুরি তখন কায়ামত আসে ‘শেষের সে দিন’ ভয়ঙ্কর হয়ে যাওয়ার বহু বহু আগেই।
****
অনেক জ্ঞানগর্ভ কথা হলো। ফেলে দিন। ফেলে দিন। ফেলে দিন সেসব সটান,– উপচে পড়া পুতিগন্ধময় ডাস্টবিনে।

আসুন এই ক্ষণে আমরা দুই হাজার চব্বিশ সন দেখি চোখ বড়বড় করে। চিমটি কাটি। হাতে। ভাবি, যা হচ্ছে তা কি সত্যিই হচ্ছে? হতে পারছে? এখনো কি সত্যিসত্যিই মাথার উপর আবর্তিত হচ্ছে চন্দ্র-সূর্য-তারা! হতে পারছে! আমরা, রাজাকে ক্ষমতায় বসাই যারা তারা, এতটা অ-মানুষ হলাম বা হতে বেছে নিলাম…. কবে! কেন! কী প্রকারে!।

আসুন প্রত্যক্ষ করি এক আশ্চর্য যুগসন্ধিক্ষণ, শ্বাস বন্ধ করে।
এতদিন অনশন-আন্দোলন বিষয়টি শাসকের চেয়ারে বিঁধে থাকা চোরকাঁটার মতই খচখচ করতো, করে এসেছিল….করেই যেত। বরাবর। এরকমটাই হতো। মানবের, জনতার , আমার-আপনার মানবিক বৃত্তি বারবার বুঝিয়ে এসেছিল এরকমটাই।

কিন্তু ওই যাঃ! ওই ওই ওই…ধরুন ধরুন ধরুন ডানা চিপে…ধ্যাৎ! পারলেন না তো! বেশ! তাহলে ভোগ করুন। যোগ করুন নিজের ডায়েরিতে যে এই যে এই দুর্গোৎসবে সবটা বদলে গেল। আমরা হারিয়ে ফেললাম ‘অনশন’ নামক ভোঁতা অথচ কার্যকরী অস্ত্র।
******
এ এক আশ্চর্য যুগ সন্ধিক্ষণের সাক্ষী থাকছি আমরা। আমরা যারা, পূর্ণগ্রাস সূর্য গ্রহণের ডায়মন্ড রিং দেখেছি। আমরা যারা, হেল-বপ ধূমকেতুর ল্যাজ দেখেছি সন্ধ্যার আকাশে। আমরা যারা দেখেছি– সুনামি, কিম জং, থ্রি ডি সিনেমা, y2k, টুইন টাওয়ার্স, এবং কোভিড নামক কল্পবিজ্ঞান দুনিয়া।

সেই আমরাই এবার নতুন জিনিস দেখব।

আসুন, হাত ধরে দেখাই। দেখুন। দেখুন। দেখুন না, চোখ তাকিয়ে! ওকি! লজ্জা পেলেন! ধ্যাস! আসুন, লজ্জা পাবেন না! আসুন না আমার জাদু-মানিক, আমার সোন্টামনা, দেখুন এবং স্বীকার করুন না যে–

সম্পূর্ণ যুক্তিযুক্ত কারণে, আমার-আপনার সকলের জন্য অনশন করছে যে ছয় সাতটি যুবক যুবতী…তার ফার্লং, কয়েক মিটার দূরেই আমরা যাপন করছি গত বছরের রেকর্ড ভাঙা উৎসব।

শাসকের আর অস্বস্তির কারণ নেই।

আমরা, অভিযোজিত হয়ে গেছি।

অতএব যা হবে এরপর ধরে নেবেন সেসব এই আশ্চর্য নির্লজ্জ অভিযোজনের মাশুল।

(নিচের কোটেশনটা জোকারের। গথামের জোকারের। যে বেচারি Folie à deux এ ভুগতো। এ এক আশ্চর্য মানসিক ‘রোগ’। যেখানে একাধিক ব্যক্তি একই দুঃস্বপ্নে ভুগে চলেন।

আমি চাই এটাই কোভিড পরবর্তী বেমারি হোক সর্বগ্রাসী। সুদিনের দুঃস্বপ্ন যেন ধ্বনিত হয় প্রতিটি প্রাণীতে।)

PrevPreviousকাদের জন্য?
Nextউৎসবের খোঁজNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

মাওবাদী তকমা দিয়ে হাসপাতালের ওষুধ আর চিকিৎসা সামগ্রীর অভাব ঢেকে রাখা যাবে না, স্বাস্থ্যমন্ত্রীমশাই!

November 1, 2026 No Comments

সংবাদমাধ্যমে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর একটি সাক্ষাৎকার দেখলাম। বেশ গম্ভীর মুখে তিনি জানাচ্ছেন, চোরবাগান কাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে এবং সরকারি হাসপাতালগুলিতে ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রীর ঘাটতির

JANTAR MANTAR: Inclusive Democracy or Incomplete Struggle? Why Adivasi Participation Matters?

November 1, 2026 No Comments

A renewed awakening among those who cherish democracy is clearly visible across India. The flame of struggle, ignited by students and the youth, is spreading

১০ই অক্টোবর: নতুন সূর্যোদয় 

November 1, 2026 No Comments

কাঞ্চন সরকার ও গোপা  মুখোপাধ্যায় রচিত।   “ভারতবর্ষ হাঁটছে” (অদিতি  বসুরায়) ১৯৪২ এর “ভারত ছাড়ো আন্দোলন” থেকে ২০২৪ এর “রাত দখল আন্দোলন” হয়ে  ভারতবর্ষের গনতন্ত্রপ্রিয়

In solidarity with Dr Randall Sequeira

October 31, 2026 1 Comment

ডা. র‍্যান্ডাল সেকেইরার পাশে দাঁড়ান: মানুষের পাশে থাকার অধিকার রক্ষা করুন, দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান ওড়িশার কালাহান্ডি ও রায়গড়ার প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলের আদিবাসী মানুষের মধ্যে

গণতন্ত্রের ‘এনকাউন্টার’

October 31, 2026 No Comments

প্রথমে গাইঘাটা এবং তারপরে ধুলিয়ান দুটো জায়গায় একই দিনে তথাকথিত ‘এনকাউন্টার’-এ মারা গেলেন একজন ধর্ষণ-খুন এবং অন্যজন খুনে অভিযুক্ত। সরকার বদল হওয়ার পরপরই বারুইপুরে ‘এনকাউন্টার’

সাম্প্রতিক পোস্ট

মাওবাদী তকমা দিয়ে হাসপাতালের ওষুধ আর চিকিৎসা সামগ্রীর অভাব ঢেকে রাখা যাবে না, স্বাস্থ্যমন্ত্রীমশাই!

West Bengal Junior Doctors Front November 1, 2026

JANTAR MANTAR: Inclusive Democracy or Incomplete Struggle? Why Adivasi Participation Matters?

K. Sahadevan November 1, 2026

১০ই অক্টোবর: নতুন সূর্যোদয় 

Kanchan Sarker November 1, 2026

In solidarity with Dr Randall Sequeira

West Bengal Junior Doctors Front October 31, 2026

গণতন্ত্রের ‘এনকাউন্টার’

Pallab Kirtania October 31, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

697287
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]