বলছিলাম কী চোরেরও হিসেব চাইবার অধিকার আছে। চোর যদি রাজনৈতিক চোর হয় তবে তো তার অধিকার ও গলা আরো বেশি!
জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনে কারা টাকা দিচ্ছে? এ প্রশ্ন বিশিষ্ট চোরেদের তরফে উথ্থাপিত হয়েছে বলে শুনেছি( বিধিসম্মত সতর্কীকরণ- যা প্রচারিত হয়েছে তার ভিত্তিতে বলছি চোরের মন্তব্যের সত্যতা যাচাই করা হয় নি)। মূল উদ্দেশ্য কুৎসা প্রচার।
কারা দিয়েছে এই টাকা ? সন্তানসম জুনিয়র ডাক্তাররা যারা ‘মেরুদন্ড বিক্রি নেই ‘বলে মিছিল করে রাজ্যবাসীর কাছে বিবেকের ভূমিকা নিয়েছেন তাদের কে নিশ্চয় ভোটের দলগুলোকে লুকিয়ে টাকা দিয়ে ধরা পড়া মিঃ গোয়েঙ্কা কিংবা মিঃ বাটপাডিয়ারা থাকবেননা এটা হলফ করে বলা যায়।ওরা টাকা দিয়েছিল ভোটের পর সরকার মারফত ঐ টাকার কয়েকগুণ জনগণ থেকে লুটবে এই আশায়।
WBJDFকে টাকা দিয়েছে তাদের দেশ বিদেশের অজস্র শুভানুধ্যায়ী চিকিৎসক , চিকিৎসক সংগঠন ও সাধারণ মানুষ। এটা চোরেরা কিংবা চোরের দলেরা কল্পনা করতে পারবে না। হলফ করে বলা যায় বালি চোর , কয়লা চোর, রেশন চোর, গরু চোর এরা কিংবা আরো ‘বিশিষ্ট ‘বডলোকেরা এদের তহবিলে দান করার কথা স্বপ্নেও ভাববেন না।
আমরা চোরটাকে বলতে চাই – হ্যা আমরা ডাক্তাররা ও সাধারণ মানুষ এই আন্দোলনের শুভাকাঙ্খীরা দলে দলে WBJDF তহবিলে টাকা দিয়েছি।আবারো দেব। বারে বারে দেব । তোরা দেখবি আর জ্বলবি।
চোরদের চ্যালেন্জ জানিয়ে আসুন আমরা সকলে অনশন মন্চের পাশে বড দেয়ালে সগর্বে আমাদের চাঁদার কথা ঘোষণা করি । এ কোনো চুরির টাকা নয় । পরিশ্রমের টাকা ,ন্যায় বিচারের জন্য দিয়েছি।
চোর ভন্ডগুলো জেনে রাখ রবীন্দ্রনাথের ‘নগরলক্ষীর ‘এ কটা লাইন-
“আমার ভাণ্ডার আছে ভরে
তোমা-সবাকার ঘরে ঘরে।
তোমরা চাহিলে সবে
এ পাত্র অক্ষয় হবে।”
চোর চূডামণিকে বলি-পড়বি আর জ্বলবি!
বাঁচার লড়াই










