★
যার কন্যা খুন, শুধু সেই কেঁদে বলে
কী ভাবে প্রমাণ মোছা হল অকুস্থলে।
ছেঁড়া মৃতদেহখানি কোন লিফটে নামে।
কে সে রাতে জেগেছিল দূরে ঝাড়গ্রামে।
অথবা সে হতভাগা আর হতভাগিনী
কিছুই না জেনেই কাঁদে… কেন যে জাগিনি!
সুবিদিত এই তথ্য লুক্কায়িত থাক।
ফিরি অনশন মঞ্চে। মহা হাঁকডাক।
কী ব্যাপার। কেন এল স্বরাষ্ট্র ও মুখ্য?
অনশন কষ্ট দেখে উছলেছে দুঃখ।
আজ নৌকার চাল হবে কোণাকুণি।
লাইভ স্ট্রিম সাবজুডিস। তাই ফোনাফুনি।
এসো। ভাঙো অনশন। খাও ফ্রুট জুস।
আন্দোলন করে কেন মারছ মানুষ?
কতখানি দূর থেকে আসে ওই ডাক।
কালীঘাট তিন কিমি। সবাই অবাক।
ইমেল এসেছে ফের সেদিনই বিকেলে।
ফের আলোচনা হবে।(টোপ যদি গেলে!)
আলোচনা হবার তো কোনও মানে নেই
দাবী যে হবে না মানা, বলেছে আগেই।
তবুও আসতে হবে, অনশন তুলে,
এবারে উঠবে ঘৃত, বাঁকানো আঙুলে।
শুনে যাবি কৌশলী বকম বকম।
বড়ই কাজের চাপ। হাতে টাইম কম।
ভোট আসছে। অগ্নিমূল্য শাক সবজি ঝিঙে।
এ সব সামলে যাব ডাণ্ডিয়া কোচিং-এ।
প্রমাণ? হ্যাঁ, মুছিয়েছি। সব খুঁটিনাটি।
ও মনোজ, ওদেরকে দাও চুষিকাঠি।










