Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

স্বাস্থ্য অধিকার ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য যিনি লড়াই করেছিলেন

IMG-20240814-WA0064
Nataraj Malakar

Nataraj Malakar

Historian
My Other Posts
  • January 3, 2025
  • 8:54 am
  • One Comment

ডেভিড স্যান্ডার্স (১৯৪৫-২০১৯), স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করার যে বিশ্বব্যাপী আন্দোলন, সেই আন্দোলনের এক অগ্রণী কর্মী। ডেভিডের জন্ম দক্ষিণ আফ্রিকায়। তবে তাঁর বড় হয়ে ওঠা রোডেশিয়ায় (বর্তমানে জিম্বাবুয়ে)। সেই দেশেই তাঁর ডাক্তারি পাশ করা। ডাক্তারি পড়তে পড়তেই র‍্যাডিকাল ধারণার দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন তিনি। গ্রেট ব্রিটেনের ঔপনিবেশিক শাসনের জোয়াল থেকে রোডেশিয়াবাসীর মুক্তির সংগ্রামে অন্যতম অংশীদার হিসেবে নিজেকে যুক্ত করেছিলেন ডেভিড। তিনি মনে করতেন স্বাধীনতার সঙ্গে রয়েছে স্বাস্থ্য অধিকার এবং সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার সম্পর্ক।

১৯৭০-এর দশক। রাজনৈতিক হুমকির মুখে পড়লো তাঁর জীবন। রোডেশিয়া থেকে নির্বাসিত হলেন ডেভিড; রাজনৈতিক অভিবাসী হয়ে আশ্রয় নিলেন ব্রিটিশ যুক্তরাজ্যে। তবে তিনি রোডেশিয়ার স্বাধীনতার পক্ষে তাঁর সওয়াল অব্যাহত রাখলেন। যুক্তরাজ্যে গিয়েও সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করা থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারলেন না তিনি। ডেভিড ছিলেন শিশুরোগ ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ। ব্রিটেনে প্রাইভেট প্র্যাকটিস-এর বিরুদ্ধে মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন এবং ইউকে পলিটিক্স অফ হেলথ গ্রুপ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনে থাকাকালীন, তিনি মার্কসবাদী চিকিৎসক ভিসেন্তে নাভারোর লেখার দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন। ১৯৭৮ সালে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত আলমা আটা ঘোষণার জোরালো সমর্থক ছিলেন তিনি। যুক্তরাজ্যে, ডেভিড ‘ন্যাশনাল হেলথ সিস্টেম’-এও কাজ করেছেন।

১৯৮০ সাল। স্বাধীনতা পেলো ডেভিডের দেশ। সদ্য স্বাধীন জিম্বাবুয়েতে ফিরে এলেন তিনি। জনমুখী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকারের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেন। আলমা আটা ঘোষণাকে সামনে রেখে ডেভিড ও তাঁর সহযোগীরা কাজ শুরু করলেন। তাঁরা জোর দিলেন সম্প্রদায়-কেন্দ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর, যেখানে রোগ প্রতিকারের চেয়ে রোগ প্রতিরোধ বেশি প্রাধান্য পাবে। গ্রামীণ স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করতে গিয়ে ডেভিড ওয়ার্নারের ‘যেখানে ডাক্তার নেই’ বইটি ব্যবহার করতেন। তাছাড়া পিয়াক্সটলা প্রকল্প সম্পর্কেও খুব ভালো করে জানতেন তিনি। তাই তিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ডেভিড ওয়ার্নারকে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ওয়ার্নার ভাগ করে নিয়েছিলেন তাঁর অভিজ্ঞতা। যদিও স্বাস্থ্য বিভাগের অনেকেই পশ্চিমি বা ওয়ার্নারের ভাষায় বলতে গেলে ঔপনিবেশিক চিকিৎসা মডেলের সমর্থক ছিলেন। ডেভিড স্যান্ডার্স মনে করতেন এই পশ্চিমি চিকিৎসা মডেলে স্বাস্থ্যের পরিবর্তে অসুস্থতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় বেশি।

ডেভিড ও তাঁর সহযোদ্ধাদের উদ্যোগের ভালো অগ্রগতি হতে দেখা গেল। আসলে এই অগ্রগতি ছিল স্বাভাবিক। কেননা দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব তখন সদ্য জয়ী স্বাধীনতার বিপ্লবী চেতনায় উদ্বুদ্ধ। তাই তাঁরা স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও গণতান্ত্রিক করতে চেয়েছিলেন; জোর দিয়েছিলেন জনগণের ক্ষমতায়নের ওপর। কিন্তু দুঃখের বিষয়, ইতিহাসের নিয়মের ব্যতিক্রম হলো না সেই দেশ। স্বাধীনতা সংগ্রামের সেই বীর বিপ্লবীরা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে ধীরে ধীরে নিজেরাই অত্যাচারী হয়ে উঠলেন। সম্পদ আবার শীর্ষে কেন্দ্রীভূত হতে শুরু করলো এবং রাষ্ট্র হয়ে উঠলো আরও কর্তৃত্ববাদী। সময়ের সাথে সাথে, জিম্বাবুয়েতে সর্বজনীন প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে এগিয়ে নেওয়ার পথের বাধাগুলি প্রকটভাবে মাথাচাড়া দিতে শুরু করে। সকলের জন্য স্বাস্থ্য ও সাধারণ মানুষকে ন্যায্য চিকিৎসা পরিষেবার দেওয়ার যে স্বপ্ন ডেভিড দেখেছিলেন তা আর পূরণ হলো না। ফলে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন।

১৯৯০-এর দশকের প্রথম দিকে ডেভিড যখন দক্ষিণ আফ্রিকায় গেলেন সেই সময়ে সেখানে বর্ণবাদী শাসন চলছে। তিনি দেখলেন শ্বেতাঙ্গ অভিজাত ও কালো সংখ্যাগরিষ্ঠদের মধ্যে সম্পদ এবং স্বাস্থ্যের বিরাট বৈষম্য। সেখানে চলছে বর্ণ বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন। বর্ণবৈষম্য-এর জন্য সেই সময় চিকিৎসকদের সংগঠনও ভেঙে যাচ্ছে। ব্ল্যাক কনসায়েন্স মুভমেন্টের একজন স্পষ্টভাষী নেতা স্টিভ বিকুর নির্যাতনকে কেন্দ্র করে মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন অফ সাউথ আফ্রিকা (MASA) থেকে কিছু সদস্য বেরিয়ে আসেন এবং ন্যাশনাল মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশন (NAMDA) গঠন করেন। নামডা জাতিগত সমতার জন্য লড়াই শুরু করেছিল। তাঁরা গড়ে তুলেছিলেন কমিউনিটি বা সম্প্রদায়-ভিত্তিক স্বাস্থ্য পরিষেবা নেটওয়ার্ক। প্রথাগত শিক্ষাহীন স্থানীয় মানুষদের প্রশিক্ষণ দিয়ে স্বাস্থ্য কর্মী তৈরি করা হচ্ছিল। ডেভিড যুক্ত হলেন নামডার কর্মসূচির সঙ্গে। বর্ণবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সংহতি জ্ঞাপন করার জন্য আহ্বান জানালেন আন্তর্জাতিক চিকিৎসক সম্প্রদায়ের কাছে। ডেভিডের ডাকে সাড়া দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়েছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। সম্প্রদায়-ভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবার বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য একসঙ্গে কাজ করেছিলেন তাঁরা।

১৯৯১ সালে নিকারাগুয়া ইন্টারন্যাশনাল পিপলস হেলথ কাউন্সিল (আইপিএইচসি) এবং ২০০০ সালে বাংলাদেশের পিপলস হেলথ মুভমেন্ট (পিএইচএম) প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন ডেভিড। তিনি স্বাস্থ্য সংক্রান্ত একাধিক বই ও প্রবন্ধ লিখেছিলেন। ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর প্রথম বই ‘দ্য স্ট্রাগল ফর হেলথ: মেডিসিন অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ আন্ডারডেভেলপমেন্ট’। সেই সময় বেশ সাড়া ফেলে দিয়েছিল বইটি। সকলের জন্য স্বাস্থ্যের দাবিতে লড়াইয়ে উদ্বুদ্ধ করেছিল স্বাস্থ্যকর্মীদের। ১৯৯৭ সালে তিনি ডেভিড ওয়ার্নারের সঙ্গে যৌথভাবে প্রকাশ করেছিলেন ‘কোশ্চেনিং দ্য সলিউশন: দ্য পলিটিক্স অফ প্রাইমারি হেলথ কেয়ার এন্ড চাইল্ড সারভাইভাল’। এই বইতে বলা হয়েছে ওআরএস (ওরাল রিহাইড্রেশন সলিউশন)-এর ব্যাপক উৎপাদনে ডায়রিয়ায় শিশুমৃত্যুর অনেক কমে গিয়েছে। পাশাপাশি শিশু স্বাস্থ্য নিয়ে রাজনীতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। বিগ ফার্মাগুলি এই জীবনদায়ী ওআরএস প্যাকেট থেকে প্রচুর মুনাফা করছে। আর এই মুনাফা অর্জনে সহযোগিতা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফ। ফলে আদর্শের চেয়ে মুনাফা বেশি গুরুত্ব পেয়ে যাচ্ছে। এই মুনাফা করতে গিয়ে লক্ষ লক্ষ শিশুর জীবনহানি হতে পারে। তাই ডেভিডরা গুরুত্ব দেওয়ার কথা বললেন ‘কম ব্যয়বহুল, আরও দ্রুত উপলব্ধ, এবং সম্ভাব্য আরও কার্যকর হোম সলিউশন’এর ওপর।

কৃতজ্ঞতা
ডেভিড ওয়ার্নার, “ডেভিড স্যান্ডার্স: পাইওনিয়ার অফ হেলথ ফর অল”, ওয়ার্ল্ড নিউট্রিশন, ভলিউম ১০, নং ৩, পৃপৃ. ১০২-১০৫।

PrevPreviousআমরণ অনশনে আমার অন্নদাতা
Nextআমি ভয় করব না ভয় করব না।Next
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Rudrani Misra
Rudrani Misra
1 year ago

ঋদ্ধ হলাম🙏

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

গগন মুখুজ্যের মোহর চতুর্থ (শেষ) পর্ব

May 27, 2026 No Comments

পুজো কেটে গেল। কালীপুজো, ভাইফোঁটাও পেরিয়ে গেল ক্যালেন্ডারের ঘর – পলাশকান্তির সঙ্গে আকাশমণির পরিচয়টা আর এগরোলে আটকে রইল না। আলুকাবলি, ফুচকা, নন্দন, অ্যাকাডেমি, প্রিন্সেপ ঘাট,

আয়ুর্বেদে অ্যানাটমি, ফিজিওলজি এবং খাদ্যবিধির নির্বাচিত পাঠ

May 27, 2026 No Comments

শুরুর কথা আমাদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বর্তমান সময়ে কিছু শোরগোল তৈরি হয়েছে। এর সাংস্কৃতিক, সামাজিক এবং রাজনৈতিক চরিত্র ভিন্ন আলোচনার বিষয়। কিন্তু আয়ুর্বেদে বেশ কিছু কৌতুহূলোদ্দীপক

ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল কাউন্সিল নির্বাচন নিয়ে দু -চার কথা

May 27, 2026 No Comments

সত্যি কথা বলতে কাউন্সিলের নির্বাচন নিয়ে রাজ্যের চিকিৎসকদের বড় অংশ খুব একটা খোঁজখবর রাখত বলে মনে হয় না। নির্বাচন কখন হয় কারা পরিচালনা করে, কিভাবে

২১ শতকে সভ্যতা শক্তিশালী হচ্ছে, নাকি অসভ্যতা বাড়ছে?

May 26, 2026 No Comments

(এক) সময়ের সঙ্গেসঙ্গে মানুষ কী সভ্য হচ্ছে? নাকি অসভ্যতা বাড়ছে? কোনদিকে চলছে ‘সভ্যতা’? এটাই বর্তমানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুশ্চিন্তার বিষয়। আগে ‘বহিরাগত’ আর ‘অনুপ্রবেশকারী’ শব্দদুটো কখনও

জয়েন্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল নির্বাচন নিয়ে দু -চার কথা

May 26, 2026 No Comments

সত্যি কথা বলতে কাউন্সিলের নির্বাচন নিয়ে রাজ্যের চিকিৎসকদের বড় অংশ খুব একটা খোঁজখবর রাখত বলে মনে হয় না। নির্বাচন কখন হয় কারা পরিচালনা করে, কিভাবে

সাম্প্রতিক পোস্ট

গগন মুখুজ্যের মোহর চতুর্থ (শেষ) পর্ব

Dr. Sukanya Bandopadhyay May 27, 2026

আয়ুর্বেদে অ্যানাটমি, ফিজিওলজি এবং খাদ্যবিধির নির্বাচিত পাঠ

Dr. Jayanta Bhattacharya May 27, 2026

ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল কাউন্সিল নির্বাচন নিয়ে দু -চার কথা

Dr. Hiralal Konar May 27, 2026

২১ শতকে সভ্যতা শক্তিশালী হচ্ছে, নাকি অসভ্যতা বাড়ছে?

Dipak Piplai May 26, 2026

জয়েন্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল নির্বাচন নিয়ে দু -চার কথা

Dr. Hiralal Konar May 26, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

625611
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]