আজ ‘সংবাদ প্রতিদিন’ এর পক্ষ থেকে আমার নামে একটা প্রতিবেদন বিভিন্ন জায়গায় চোখে পড়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে কিছু কথা বলা প্রয়োজন বলে আমার মনে হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, টাকার বিনিময়ে স্লোগান দেওয়া, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া এবং এই আন্দোলন ভোট পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হবে — এসব কথা আমি নাকি ছাত্রদের কাছে বলেছি। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এই ধরনের উক্তি বা বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে আমি কখনো সমর্থন করি না এবং আমি কখনোই কোনভাবে কারো কাছে এই ধরনের বক্তব্য রাখিনি। অথচ যে ‘ভাইরাল ভিডিও’র উপর ভিত্তি করে এই খবর করা হয়েছে, সেই ‘ভাইরাল ভিডিও’ বা অডিও আমরা কোথাও দেখতে পেলাম না। আশ্চর্যজনকভাবে ওই প্রতিবেদনটি লেখার সময় প্রতিবেদকও সেই ‘ভাইরাল ভিডিও’র লিংক শেয়ার করলেন না। ওই সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে যা বলা হয়েছে তা সরাসরি মিথ্যে এবং গভীর ষড়যন্ত্রমূলক বলে আমি মনে করি। আমি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাবে বলতে চাই, অবিলম্বে ওই ‘ভাইরাল ভিডিও’ প্রকাশ্যে আনা হোক এবং তার সত্যতা যাচাই করা হোক।
সরকার এবং শাসকদলের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার আমি ও আমার সহপাঠী আন্দোলনকারীরা। এমডি পাশ করার পরেও গত ৬ মাস ধরে আমাকে আর জি কর মেডিকেল কলেজে সিনিয়র রেসিডেন্ট পোস্টে জয়েন করতে দেয়নি রাজ্য সরকার, এমনকি আদালত আমার পক্ষে রায় দিলেও। সিনিয়র চিকিৎসক সহ নাগরিক সমাজ — সকলের কাছেই দিনের আলোর মতন এটা পরিষ্কার যে, এই সময় একটা মহতি আন্দোলনকে কালিমা লিপ্ত করবার উদ্দেশ্যেই এই মিথ্যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সংবাদ মাধ্যম সত্য সামনে আনবে এটাই কাম্য। কিন্তু কিছু সংবাদ মাধ্যম মিথ্যেটাই প্রচার করে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য সিদ্ধ করছে। নিঃসন্দেহে গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে এটা একটা বিপদজনক সংকেত।









