Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

আমাদের গ্যাডগিল স্যার

Madhab
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • January 15, 2026
  • 7:34 am
  • 2 Comments

ঠিক দু- বছর আগে, শীতের এক সকালে তাঁকে নিয়ে একটা নিবন্ধ লিখেছিলাম গুরুচন্ডালি পত্রিকার পাতায়। উপলক্ষ ছিল তাঁর এক দুর্লভ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাবার সানন্দ অবসর – বিশ্বের আরও পাঁচজন বরেণ্য পরিবেশবিদদের সঙ্গে এক তালিকায় ঠাঁই হয়েছিল অধ্যাপক মাধব ধনঞ্জয় গ্যাডগিল এর নাম , Champions Of The Earth Award এর সম্মাননীয় প্রাপক হিসেবে। এই পুরস্কার প্রাপ্তির সংবাদে তিনি নিজে কতটা আনন্দিত হয়েছিলেন , কতটা ভেতরে ভেতরে আন্দোলিত হয়েছিলেন,তা জানিনা কিন্তু ‘পশ্চিমঘাট পর্বতের নজরদার’ বা রখ‌ওয়ালার এই স্বীকৃতি আমাদের ভীষণভাবে গর্বিত করেছিল। সম্মিলিত জাতিসংঘের পক্ষ থেকে মাধব গ্যাডগিল স্যারকে লাইফ টাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড বা জীবনকৃতি সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছিলো দু বছর আগে ২০২৪ সালে। নিজের কর্মমুখর জীবনে অনেক পুরস্কার, অনেক স্বীকৃতি পেয়েছেন তিনি, তবে প্রচার বিমুখতার কারণে সেইসব নিয়ে ঢাকঢোল পিটিয়ে নিজেকে কখনোই গুরুর আসনে বসানোর কথা ভাবেননি । পরিবেশের প্রতি নিজের গভীর অভিনিবেশের কারণেই তিনি হয়ে উঠেছিলেন সকলের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার পাত্র। আজ তাঁর চিরবিদায় নেবার পর ওই আবেগঘন মুহূর্তের কথাগুলোই বড্ড বেশি করে মনে পড়ছে। গত ৭ জানুয়ারি,২০২৬ সামান্য রোগভোগের পর তাঁর অতিপরিচিত পুনে শহরেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

তাঁর বিদায়ে সত্যিই যেন একটা কর্মমুখর যুগের অবসান হলো। আমরা হারালাম এক সংবেদনশীল মানুষকে, যিনি আমাদের নতুন করে ভাবতে শেখালেন তাঁর জীবন যাপনের মধ্য দিয়েই।মাধব স্যারের জন্ম ১৯৪২ সালের ২৪ মে পরাধীন ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনেতে। পিতৃদেব ধনঞ্জয় রামচন্দ্র গ্যাডগিল ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ , কেমব্রিজের স্কলার। ছেলে মাধবের মধ্যে প্রকৃতির প্রতি আগ্রহ আর ভালোবাসা জন্মানোর জন্য এনে দিয়েছিলেন একগোছা পাখির ছবি সম্বলিত পিকচার কার্ড। সেই সব ছবি দেখতে দেখতেই একসময় বড়ো হয়ে উঠলেন মাধব। ভর্তি হলেন পুনের বিখ্যাত ফার্গুসন কলেজে। বিষয় জীববিজ্ঞান। স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করার পর উচ্চতর স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পাঠের জন্য জন্য মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগে যোগদান করেন। পরের গন্তব্য ছিল বিখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানেই গবেষণা সূত্রে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। এসব‌ই ছিল ভাবী কর্মযজ্ঞের জন্য তিলতিল করে নিজেকে নির্মাণের প্রচেষ্টা। ১৯৭৩ সালে ব্যাঙ্গালুরুস্থিত IISC তে অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। এখানেই দীর্ঘ কর্মজীবনের পর্ব চলে ২০০৩ সাল পর্যন্ত।তবে এইসব মামুলি পরিচিতির মোড়কে আটকে থাকার মানুষ তিনি ছিলেন না। তিনি যথার্থই ছিলেন একজন মানবতাবাদী পরিবেশ বিজ্ঞানী। তাঁর মত ছিল খুব স্পষ্ট – মানুষকে বাদ দিয়ে, মানুষের দৈনন্দিন জীবনের চাওয়া পাওয়াকে উপেক্ষা করে কোনো সংরক্ষণবাদী নীতি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। সত্যিকারের সংবেদনশীল মানুষ হিসেবে মানুষের প্রতি গভীরভাবে দায়বদ্ধ থাকার মানসিকতাই তাঁকে অনন্য করে তুলেছে। এমন উপলব্ধির কারণেই অধ্যাপক মাধব ধনঞ্জয় গ্যাডগিল স্যার সবার থেকে স্বতন্ত্র।

মহারাষ্ট্রের মানুষ হিসেবে সামান্য তফাতে থাকা সহ্যাদ্রি পর্বতমালা ছিল তাঁর চিন্তা ভাবনা ও কর্মের আঁতুরঘর, প্রয়োগশালা। সহ্যাদ্রির সঙ্গে তাঁর সখ্যতা ছিল অনেকটা ‘মায়ে পোয়ের’ সম্পর্কের মতোই সুগভীর এবং হৃদয়ের কেন্দ্র থেকে উৎসারিত। উত্তরে গুজরাট রাজ্য থেকে দক্ষিণে কেরালা রাজ্যের দক্ষিণ প্রান্তবিন্দু পর্যন্ত প্রায় ১৬০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই চ্যুতি পর্বতমালা একে একে ছুঁয়ে গেছে গুজরাট, মহারাষ্ট্র, গোয়া, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু এবং কেরালা রাজ্যকে। ভারতের পশ্চিম উপকূলরেখার সমান্তরালে প্রসারিত এই পর্বতশ্রেণিটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষ ও প্রকৃতির নিবিড় ভালোবাসার সম্পর্কের অগণিত আখ্যান। এই সম্পর্ক গভীরভাবে আকৃষ্ট করতো মাধব স্যারকে। আর তাই উন্নয়নের ধুয়ো তুলে যখনই এই পর্বতমালার ওপর বুলডোজারের থাবা নেমে এসেছে তখনই প্রতিবাদে সরব হয়ে গর্জে উঠেছেন তিনি। পশ্চিমঘাট পর্বতের ওপর এমন ঘটনা বারংবার ঘটছে সমস্ত সতর্কতা সংকেতকে অগ্রাহ্য করেই।     ‌‌গ্যাডগিল স্যার এক সাক্ষাৎকারে একসময় স্পষ্টভাবে জানিয়ে ছিলেন যে —

“পৃথিবীর বদলে যাওয়া জলবায়ুর প্রেক্ষাপটে ভারতের পশ্চিম উপকূলের ভবিষ্যৎ অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সমুদ্রতলের উচ্চতা বাড়ছে, অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে উপকূল অঞ্চলে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক মানুষের রুটি- রুজি বাস্তুর ভবিষ্যৎ। মানুষের ক্রমবর্ধমান হস্তক্ষেপের কারণে ক্রমশই উষ্ণ হয়ে উঠছে সমুদ্রের জলরাশি ফলে স্থলভাগ ও জলভাগের মধ্যে তাপীয় ভারসাম্য বজায় রাখার প্রাকৃতিক ব্যবস্থাটাই বিশৃঙ্খল হয়ে পড়েছে। বঙ্গোপসাগরের চেনা আস্তানা ছেড়ে বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়েরা এখন ভিড় করছে পশ্চিম উপকূলের লাগোয়া আরব সাগরে। এই অবস্থায় পশ্চিমঘাট পর্বতের ওপর উন্নয়নের খড়্গ নামিয়ে আনা হলে তা হবে আত্মনাশী কর্মকাণ্ড। উপকূলের জমি হাতাতে অনেক আগেই কেটে কুটে প্রায় সাফ করে দেওয়া হয়েছে ম্যানগ্রোভ বনভূমির প্রাকৃতিক আড়াল । অদূর ভবিষ্যতে এরজন্য চরম মাশুল দিতে হবে গোটা দেশের মানুষকেই।”এই বিষয়ে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিতে বারংবার তাঁদের মাঝখানে গিয়েছেন মাধব স্যার। এতোটাই উদ্বিগ্নতা ছিল তাঁর মধ্যে। শহুরে পরিবেশবিদদের মতো নিছক পরিবেশ নিয়ে জ্ঞানগর্ভ চর্চায় মেতে থাকতে চাননি তিনি, মানুষ‌ও যে পরিবেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ সেই কথা বারংবার বোঝানোর চেষ্টা করে গেছেন তিনি। অনেকক্ষেত্রেই তিনি মনে করেছেন যে, বন্য পশু সংরক্ষণ এবং পরিবেশ আইনের ধ্বজা উড়িয়ে ভূমিপুত্রদের অধিকারকে খর্ব করা হয়েছে। মানুষের সঙ্গে বন্যপ্রাণিদের সম্পর্কটা যে কখনোই সংঘর্ষ সংঘাতের নয় সেই কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েও তাঁর অভিমত – মানুষ আক্রান্ত হলে তাঁকে প্রতিহত করার অধিকার মানুষের থাকা উচিত। মানুষদের বাদ দিয়ে পরিবেশ ভাবনার বৃত্ত কখনোই পূর্ণতা লাভ করতে পারে না। দ্ব্যর্থহীন ভাষায় একথা বলে গেছেন তিনি।অতি সম্প্রতি ব্যঘ্র সংরক্ষণের নামে বনাঞ্চলের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মানুষদের উৎখাতের আয়োজন চলছে। এমন উদ্যোগে তিনি মোটেই খুশি ছিলেন না।আজ যখন আমাদের সামনে থেকে সেই দীর্ঘ গাছের ছায়াটা সত্যি সত্যিই সরে গেল তখন আমরা কীভাবে নিজেদের এগিয়ে নিয়ে যাবো ? – এই প্রশ্নটা খুব বড়ো হয়ে উঠবে। সরকারের ওপর ভরসা করে বসে থাকলে সমস্যা বাড়বে, কেননা সরকার এখন উন্নয়নের ডঙ্কা বাজাতে ক্রমশই মরীয়া হয়ে উঠেছে। পশ্চিমঘাট পর্বতের পরিবেশ স্থিতি নিয়ে মাধব গ্যাডগিল স্যারের রিপোর্ট একটি প্রামাণ্য দলিল। রিপোর্টে খুব স্পষ্টভাবেই উল্লেখ করা হয়েছিল যে পশ্চিমঘাট তথা সহ্যাদ্রি পর্বতমালা একটি স্পর্শকাতর এলাকা। সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই এখানে যত্রতত্র বাগিচা ফসলের চাষ করা হয়েছে। হাল আমলে তা নিয়ন্ত্রিত হয়েছে এমন‌ও নয়। এই পর্বতমালাকে ঘিরে চলছে উন্নয়নের মহোৎসব। খনি,খাদান, খানদানি সব রিসোর্ট তৈরি চলেছে অবাধে। তাঁর একান্ত ভালোবাসার বর্ষাবন, অরণ্যবাসী আশ্চর্য জীবকুল ও মানুষজন, সহ্যাদ্রির তরঙ্গায়িত গিরি শিখর আর পর্বতের সানুদেশ – সব একে একে উজাড় হয়ে যাওয়া গভীর যন্ত্রণায় নিয়ত বিদ্ধ করেছে তাঁকে। তাই হয়তো রিক্ততার গভীর বেদনা নিয়েই খানিকটা অভিমান করে চলে গেলেন তিনি। ভার দিয়ে গেছেন আমাদের ওপর তাঁর ভালোবাসার সহ্যাদ্রিকে প্রাণবান রাখার। আমরা কি সবাই প্রস্তুত লড়াইটাকে তাঁর স্বপ্নপথে পরিচালনা করতে?

স্যার! আপনাকে সশ্রদ্ধ প্রণাম।

জানুয়ারি ১২,২০২৬

PrevPreviousসম্মিলিত আন্দোলনই একদিন ছিনিয়ে আনবে বিচার
Nextপ্রসঙ্গ: সম্মতি উৎপাদনNext
3.5 2 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
2 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Ritabrata Gupta
Ritabrata Gupta
7 months ago

Ashamanyo byaktityo, Oshadharon manush !
Eii dharoner manushgulir jonyoi amra ekhono bnechey achi. Eii choley jawa ta poribesh rakkhar khhettrey amader aro pichiye na day!

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Ritabrata Gupta
7 months ago

ধন্যবাদ ঋতব্রত। গ্যাডগিল স্যারের চলে যাওয়া এক বিরাট শূন্যতা তৈরি করে গেল। সত্যিই এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর ভাবনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব এখন আমাদের।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

অভয়া মঞ্চর যূথবদ্ধ অবস্থান আজ আক্রান্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে

August 22, 2026 No Comments

এক ১৪ আগস্ট মধ্যরাতে তৎকালীন শাসকের প্রশ্রয়পুষ্ট গুণ্ডারা, যাদের সংবাদমাধ্যম মিষ্টি করে দুষ্কৃতী বলে,এই শহরের এক অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে যথেচ্ছ ভাঙচুর করেছিল

আন্তর্জাতিক নারী কৃষক বর্ষ ও ভারতীয় বৈষম্য

August 22, 2026 No Comments

২০২৬ সালটিকে ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল এসেম্বলির তরফ থেকে “আন্তর্জাতিক মহিলা কৃষক বর্ষ” হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। কৃষির সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে, আমাদের খাদ্যের

“সারা গায়ে পোকা চরে বেড়াচ্ছে, স্যার”

August 22, 2026 No Comments

বছর ষাটের প্রৌঢ়া। টিকালো নাক,গায়ের রঙ ধবধবে ফর্সা। কিন্তু ইতিমধ্যেই অধিকাংশ দাঁত হারিয়ে গাল চুপসেছে। ফলে, শরীরে  পড়ন্ত প্রৌড়ত্বের সঙ্গে আসু বার্ধক্যের টানাপোড়েন বেশ লক্ষ্যনীয়।

শুধু মৃত্যু-তারিখটা বাকি।

August 21, 2026 No Comments

একটা জিনিস লক্ষ্য করেছেন? ফেসবুক আর “ফেসবুক” নেই — এখন ওটা একটা বিজ্ঞাপনী প্যামফলেট, যেখানে মাঝেমধ্যে মানুষ ভুল করে ঢুকে পড়ে। একটা সময় ছিল, সকালে

এদের সহনাগরিক বলতে লজ্জা হয়

August 21, 2026 No Comments

কিংসফোর্ডকে লক্ষ্য করে ক্ষুদিরাম বসুর ছোঁড়া বোমাটা সেদিন সঠিক লক্ষ্যে লাগেনি। এক অর্থে ব্যর্থ। সেই ব্যর্থ মানুষটিকে নিয়ে লিখতে বসার কিছুতো কারণ থাকবে। সেটা জানার

সাম্প্রতিক পোস্ট

অভয়া মঞ্চর যূথবদ্ধ অবস্থান আজ আক্রান্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে

Vishag Gupta August 22, 2026

আন্তর্জাতিক নারী কৃষক বর্ষ ও ভারতীয় বৈষম্য

Somnath Mukhopadhyay August 22, 2026

“সারা গায়ে পোকা চরে বেড়াচ্ছে, স্যার”

Dr. Subhendu Bag August 22, 2026

শুধু মৃত্যু-তারিখটা বাকি।

Dr. Arjun Dasgupta August 21, 2026

এদের সহনাগরিক বলতে লজ্জা হয়

Dr. Samudra Sengupta August 21, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

669272
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]