Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

আবার এক সংগ্রামী বন্ধুর চিরবিদায়!

FB_IMG_1773404733310
Dipak Piplai

Dipak Piplai

Retired government employee and social worker.
My Other Posts
  • March 15, 2026
  • 7:51 am
  • No Comments

আবার এক বন্ধুর বিয়োগ ঘটলো আমাদের।

‘আমাদের’ – মানে সরকারবিরোধী সংগ্রামী জনতার।

বিশেষভাবে শ্রমিক তথা মেহনতী শ্রমজীবী মানুষের রুটি রুজির লড়াইয়ে দীর্ঘদিনের অবিচল সাথী কমরেড সমুদ্র দত্ত, যিনি বাবু দত্ত নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন, হঠাৎ করেই ৮ মার্চ ২০২৬ চিরবিদায় নিলেন সবার কাছ থেকে! ৬৮ বছর বয়সে। যাদবপুরের এক বেসরকারি হাসপাতালে। পশ্চিমবাংলার বুকে বড্ড প্রয়োজনীয় সময়ে ঘটলো তাঁর এই প্রস্থান!

শ্রমজীবী মানুষের বন্ধুমহল থেকে, নানা বিচ্যুতির কারণে দক্ষিণপন্থী সরকারের তাঁবেদার বাহিনীতে নাম লেখানোর এক বেদনাদায়ক ধারা চলছে বেশ কিছুদিন যাৎ। ‘সরকার’ সবসময়েই শোষক রাষ্ট্রযন্ত্রের সেবক ও পাহারাদার। তাই মেহনতী মানুষের সঙ্গে সরকারের দ্বন্দ্ব, সংঘাত ও সংঘর্ষ অনিবার্য হয়ে ওঠে। অনেক শ্রমজীবী-বন্ধু অনেকসময়েই ঘর পাল্টে সরকারের তাঁবেদার হয়ে ওঠে‌ন। সমুদ্র ছিলো এই সুবিধাবাদী প্রবণতার তীব্র বিরোধী। আজীবন।

অনেক ছোটবেলা থেকেই বাবু দত্ত যুক্ত হয় নক্সালবাড়ি ধারার কমিউনিস্ট আন্দোলনের সঙ্গে। বিভিন্ন সময়ে সিপিআই (এম-এল) দলের নানা অংশের সঙ্গেই ছিলো তাঁর সাংগঠনিক যোগ। সর্বক্ষণের রাজনৈতিক কর্মী হিসাবেই তিনি সর্বদা সক্রিয় ছিলেন। সময়ের সাথেসাথে, নানারকম মতপার্থক্যের কারণে সেইসব যোগাযোগ ক্রমেই শিথিল হয়ে যায়। কিন্তু শ্রমজীবী মানুষের জীবনসংগ্রামে তাঁর ভূমিকা ছিলো ধারাবাহিক। কখনও বেলেঘাটার কাঠকলে; কখনও হয়তো তপসিয়া-তিলজলা অঞ্চলে ট্যানারি শিল্পে; কখনও গড়িয়ার মহামায়াতলায় বয়লার কারখানায়; আবার কখনও বানতলায় লেদার ট্যানারি কমপ্লেক্সে। সরাসরি তাঁর নেতৃত্বে, প্রায় দশহাজার ট্যানারি শ্রমিকদের কলকাতায় পথ-অবরোধ, শ্রমিক আন্দোলনের এক মাইলফলক হয়ে আছে। সংঘবদ্ধ শ্রমিকদের উত্তপ্ত মেজাজ দেখে, পুলিশের বড়ো কর্তারাও সেদিন আর ঘাঁটান নি। এই ছিলো বাবু। জাতি-জাত-ধর্ম নির্বিশেষে, শ্রমিক তথা শ্রমজীবী জনগণের ঐক্য ছিলো তাঁর সবসময়ের লক্ষ্য।

রাজনৈতিক-সাংগঠনিক অবস্থান যা-ই হোক, শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে তাঁর ছিলো নিয়মিত ও আত্মিক সম্পর্ক। কানোরিয়া জুটমিলের শ্রমিকসংগ্রামে ছিলো তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি। টালিনালার পাশে যুগযুগ ধরে বসবাসকারী মানুষগুলোকে উচ্ছেদের জন্য যখন পুলিশী তাণ্ডব শুরু হয়, বাবু দত্ত তখন ছিলো সক্রিয় প্রতিবাদের একেবারে সামনের সারিতে। সেখানে গণ্ডগোলের মধ্যে এক যুবতিকে লোক্যাল লুম্পেনদের জোর করে ‘সিঁদুর পরানো’-র অপচেষ্টাকে ঠেকানোর জন্য বাবু ঝাঁপিয়ে পড়ে, তাঁকে নিজের বাড়িতে এনে রাখে। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম পর্বেও তাঁর সংগ্রামী ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, দিল্লী, ঝাড়খণ্ড… কোথায় মেহনতি মানুষের পাশে নেই তিনি? সর্বত্র ছুটে বেরিয়েছেন, সারা জীবন।

বাবু দত্ত শুধুই অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক স্বার্থ নিয়ে তৎপর ছিলেন না। শ্রমজীবীদের চিকিৎসা নিয়েও তিনি সজাগ ছিলেন। মহামায়াতলায় শ্রমিকদের বিনা পয়সায় বা নামমাত্র মূল্যে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা শুরু করেছিলেন বন্ধু ডাক্তারদের সহযোগিতায়। ওষুধও দেওয়া হতো সাধ্যমতো। চেঙ্গাইলে যখন ‘শ্রমিক-কৃষক মৈত্রী হাসপাতাল’-এর কাজ শুরু হয়, তিনি ছিলেন সেই উদ্যোগের একজন সক্রিয় সহযোগী। ২০২৪ সালে আরজি কর হাসপাতালে ‘অভয়া’-র প্রশাসনিক ধর্ষণ ও খুনের প্রতিবাদে যেদিন স্বতঃস্ফূর্তভাবে লাখো লাখো মানুষ ‘রাত দখল’ আন্দোলনে পথে নেমেছিলেন, অসুস্থ শরীর নিয়েও তিনি সস্ত্রীক সেদিন গড়িয়ার পথে ছিলেন সারারাত।

কেবলমাত্র কারখানায়-পথে-মাঠে-ঘাটে সংগ্রামরত শ্রমজীবী মানুষের সহযোদ্ধা হিসাবে পাশে হাজির থাকাই না। মিটিং, মিছিল, সেমিনার, পোস্টারিং, পথসভা … সর্বত্রই হাজির থাকতেন তিনি! ট্রেড ইউনিয়ন করতে গিয়ে বারবার মালিকদের রোষে পরেছেন। তাঁর একরোখা জেদ শ্রমিকদের আর্থিক সুবিধা ছিনিয়ে এনেছে বহুবার। কিন্তু মালিকদের আর মালিকের দালাল ‘জনপ্রতিনিধি’(!)-দের রাগও বেড়েছে তাঁর উপর। মিথ্যা মামলায় বছরের পর বছর হয়রান করা হয়েছে তাঁকে। ‘জনদরদী’ সরকার সবসময়েই কালা-বোবা হয়েই থেকেছে! আজ তিনি আর বেঁচে নেই, কিন্তু মামলা আজও রয়ে গেছে!

২০০৫ সাল থেকে তিনি একটি পত্রিকা প্রকাশ শুরু করেন। প্রথমে ‘শ্রমজীবী’ নাম দিয়ে; পরে তার নাম হয় ‘শ্রমজীবী দেশ’; সবশেষে পত্রিকার রেজিস্ট্রেশন পাওয়া যায় ‘শ্রমজীবী ভাষা’ নামে। তিনি যখন হাসপাতালের আইসিইউ-তে শেষ শয্যায়, তখনও প্রেসে থাকা মার্চ মাসের সর্বশেষ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস সংখ্যা’ নিয়ে জানতে চেয়েছেন ঘোরের মধ্যে, মৃত্যুর আগের দিন। তাঁর চিন্তায়-চেতনায়-মননে এই ছিলো পত্রিকার স্থান। দিন-রাত এক করে, দিন-মাস-বছর সমুদ্র দত্ত শুধুই শ্রমজীবী ভাষা নিয়ে বেঁচে ছিলেন। বাবু দত্ত মানেই ছিলো শ্রমজীবী ভাষা; ‘শ্রমজীবী ভাষা’ আর সমুদ্র দত্ত ছিলো সমার্থক। অনেক পত্রিকার উদয় ও বিলয় ঘটেছে বিগত বছরগুলোতে, কিন্তু শ্রমজীবী ভাষা নিরন্তর পথ চলেছে দৃঢ়ভাবে। সব বাধাকে অতিক্রম করে। পত্রিকার কাজে অনেকেই কমবেশি তাঁর সঙ্গে থাকলেও, তিনিই ছিলেন সেই ব্যক্তি যাঁকে ছাড়া শ্রমজীবী ভাষা-র অস্তিত্ব কল্পনাও করা যায় না। পত্রিকার আর্থিক টানাটানির সময়ে, মায়ের পেনশনের টাকা মাসের পর মাস পুরোটাই ঢেলেছেন পত্রিকার জন্য। তাঁর ঘোষিত বিশ্বাস ছিলো, “ভালো কাজ টাকার জন্য আটকে থাকে না।” এইরকম আর একটা বাবু দত্ত কোথায় পাওয়া যাবে!

সমুদ্র দত্তের এক নজির সৃষ্টিকারী পত্রিকা এটি। ব্যতিক্রমী উদাহরণ ছাড়া, নির্দিষ্ট মাসের নির্দিষ্ট তারিখেই প্রকাশিত হয়েছে। ‘করোনা’ কালে লকডাউনের সময়ে শুরু হয় ডিজিটাল এডিশন। পরে, আবার মুদ্রিত আকারে বের হয়। শুধু পত্রিকা প্রকাশেই সীমাবদ্ধ ছিলো না ‘শ্রমজীবী ভাষা’। বাংলাভাগ তথা দেশভাগের তাৎপর্য; আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন; পশ্চিমবাংলার ছাত্র আন্দোলন; ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়েও ‘শ্রমজীবী ভাষা প্রকাশনা’ থেকে পুস্তিকা প্রকাশিত হয়েছে নানা সময়ে।

বর্তমান কালের অন্যতম দুর্ভাগ্যজনক সত্য হলো, প্রগতিশীল শিবিরে প্রতিক্রিয়াশীলদের ক্রমবর্ধমান প্রভাব। সরকারি উচ্ছিষ্টের লোভে, নিজেদের মেরুদন্ড বিকিয়ে দিয়ে বামপন্থী শিবির থেকে বহু জনেই পা-হড়কে দক্ষিণপন্থী শিবিরে ভিড়ে যাবার প্রবণতা! শ্রমজীবী ভাষা এই স্তাবকতার বিরুদ্ধে দণ্ডায়মান যুথবদ্ধ প্রতিবাদের এক বলিষ্ঠ মাধ্যম। দক্ষিণপন্থী রাষ্ট্র ও সরকারের বিরুদ্ধে, বৃহত্তর বামপন্থার এক বাস্তব মিলন ক্ষেত্র। প্রচলিত রাজনীতির রণাঙ্গনে বামপন্থীরা ‘একসাথে চলা’-র কথা মুখে বললেও, কার্যক্ষেত্রে পরস্পরের বিরুদ্ধে কাদা ছোঁড়াছুঁড়িতেই তাঁরা বেশি ব্যস্ত থাকেন! তাঁদের একমঞ্চে এনে কথা বলানোর এক সার্থক মাধ্যম ছিলো এই পত্রিকা। সৌজন্য সমুদ্র দত্ত, ওরফে বাবু দত্ত। যতো দিন যাচ্ছে, এই পত্রিকার প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব ততোই উপলব্ধি করা যাচ্ছে। এবং ভবিষ্যতে আরও বেশি করে উপলব্ধি করা যাবে। ‘ভোট’-এর তাগিদে নয়, পথে মাঠে ঘাটে ক্ষেতে কারখানায় অফিসে আদালতে শিক্ষালয়ে হাসপাতালে… সংগঠিত গণসংগ্রামের প্রয়োজনে। দক্ষিণপন্থা সর্বত্র ও সর্বদাই সর্বনাশের মূল, প্রকৃত বামপন্থাই মুক্তির পথ।

প্রতিক্রিয়ার বিরুদ্ধে, প্রশাসনিক অপরাধের বিরুদ্ধে, ধর্ষণ-চুরি-জালিয়াতি-থ্রেট কালচারের বিরুদ্ধে, জনজীবন তথা শ্রমজীবী আন্দোলন তথা গণ-আন্দোলনের উপর রাষ্ট্রীয় আগ্রাসনের বিরূদ্ধে, জনগণের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের সংগ্রাম যতোদিন জারি থাকবে, বামপন্থী আন্দোলনে সমুদ্র দত্তের প্রাসঙ্গিকতাও ততোদিন উজ্জ্বল থাকবে।

PrevPreviousদিল্লীর যন্তর মন্তরে অল ইন্ডিয়া স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ ফেডারেশনের সভাপতি সুভাষ লাম্বার বক্তব্য
Nextভারতের শহরের বিপন্ন বায়ু এবং নাগরিক স্বাস্থ্যNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

মে দিবসের ইতিহাস

May 2, 2026 No Comments

যারা ম্যাক্সিম গোর্কির বিখ্যাত উপন্যাস ‘মাদার’ পড়েছেন তারা পাভেল এবং তার মা আনাকে চেনেন। পাভেলের বাবা মাইকেল ভলাসব ছিল কারখানার শ্রমিক। ভোর হতে না হতেই

একটা গান নিয়ে

May 2, 2026 1 Comment

একটা গান শুনলাম। অভয়া আন্দোলনের উপর। গানের মূল কথা হচ্ছে অভয়া আন্দোলনে বিভিন্ন স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ ও অভয়ার মায়ের সমালোচনা। শুনলাম বামপন্থীরা এই গান তৈরী

নারী ও শ্রম: ছক ভাঙ্গা গল্প

May 1, 2026 No Comments

ঊনবিংশ  শতকের শুরুতে ইংল্যান্ডের সমাজতান্ত্রিক চিন্তাবিদ রবার্ট আওয়েন আট ঘণ্টা কাজ, আট ঘণ্টা বিশ্রাম এবং আট ঘণ্টা খুশি মত সময় কাটানোর দাবি তোলেন যা  শ্রমিক

কতটা কাজ করলে তবে কর্মী হওয়া যায়?

May 1, 2026 No Comments

গত শতকের তিনের দশকে জন মেনার্ড কেইনস বলেছিলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি শিগগিরই এমন সুদিন এনে দেবে, যাতে মানুষকে সপ্তাহে পনের-ষোল ঘণ্টা কাজ করলেই চলবে।

ট্রেন থেকে স্বাধীন ভারতবর্ষ যেরকম দেখায়

May 1, 2026 No Comments

মাঝখানে উজ্জ্বল একফালি জমি, দুধারে ঢাল বেয়ে তরল অন্ধকার গড়িয়ে গিয়েছে, কিনারায় ছায়ার ফাঁকে ফাঁকে তালসুপারিহিজলতমাল যেখানে যেমন মানায় নিপুন হাতে গুঁজে দেয়া, আর্দ্রতার প্রশ্রয়

সাম্প্রতিক পোস্ট

মে দিবসের ইতিহাস

Dr. Aindril Bhowmik May 2, 2026

একটা গান নিয়ে

Kushal Debnath May 2, 2026

নারী ও শ্রম: ছক ভাঙ্গা গল্প

Gopa Mukherjee May 1, 2026

কতটা কাজ করলে তবে কর্মী হওয়া যায়?

Dr. Bishan Basu May 1, 2026

ট্রেন থেকে স্বাধীন ভারতবর্ষ যেরকম দেখায়

Debashish Goswami May 1, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

620410
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]