
পশ্চিমবাংলার সদ্য-পরাজিত মুখ্যমন্ত্রী, সমীপেষু
ক্ষমতা হাতছাড়া হয়ে যাওয়ায় খুবই খারাপ লাগছে, রাগ হচ্ছে। তাই না? আপনি অবশ্য জানিয়েছেন – আপনি নাকি হারেন নি, আপনার ওপর জোর করে হার চাপিয়ে

ক্ষমতা হাতছাড়া হয়ে যাওয়ায় খুবই খারাপ লাগছে, রাগ হচ্ছে। তাই না? আপনি অবশ্য জানিয়েছেন – আপনি নাকি হারেন নি, আপনার ওপর জোর করে হার চাপিয়ে

(এক) এখন সংসদীয় ভোটের দামামা বেজেছে পশ্চিমবাংলায়। বিধানসভার। দলবদলের ছক্কা হাঁকাতে ব্যস্ত অনেক তাবড় নেতা। “আমাদের এতো জনকে ভাগিয়ে নিয়েছিলো ওরা। এবার দ্যাখ কেমন লাগে!

বুক চিতিয়ে মাথা উঁচু করে বীরের মতো বাঁচবো, নাকি নতজানু হয়ে করুণা ভিক্ষার মতো দাসত্বের পথেই হাঁটবো? বিচার করার জন্য মাস্টারমশাই কেউ নেই। এই প্রশ্নের

আবার এক বন্ধুর বিয়োগ ঘটলো আমাদের। ‘আমাদের’ – মানে সরকারবিরোধী সংগ্রামী জনতার। বিশেষভাবে শ্রমিক তথা মেহনতী শ্রমজীবী মানুষের রুটি রুজির লড়াইয়ে দীর্ঘদিনের অবিচল সাথী কমরেড

(এক) “যে যত পড়ে, সে তত মূর্খ হয়”। সত্তরের দশকে রাজনীতির জগতে এই কথাটা বেশ নাড়া ফেলেছিলো। বহু তর্কাতর্কি ও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিলো। কিন্তু

(এক) শ্রেণীবিভক্ত সমাজে ‘সরকার’ সবসময়েই রাষ্ট্রযন্ত্রের সেবাদাস ও পাহারাদার। ‘ইউনিয়ন’ সরকার হোক বা ‘রাজ্য’ সরকার। সরকারি ‘দল’-এ তফাৎ হয়। তার রঙ বদলায়। নেতৃত্ব পাল্টায়। সরকার

(এক) এক অদ্ভুত ছ্যাবলামো শুরু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে! ‘বিজেপি বিরোধী’ হিসেবে নাটুকে ভূমিকা চালিয়ে যাচ্ছে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী, তৃণমূল কংগ্রেস। জন্মলগ্ন থেকেই এঁরা আরএসএস-বিজেপি’র আশির্বাদ ও

ইউরোপীয় জলদস্যু ক্রিস্টোফার কলম্বাস ১৪৯২ থেকে ১৫০৪ পর্যন্ত, কোটিকোটি মানুষের উপর বর্বরতম হত্যালীলা লুন্ঠন ও জবরদখলের যে সূচনা করেছিলো আমেরিকার বুকে, তা আজও সমানেই চলছে।

নেতা-নেত্রীদের অপকর্ম দেখতে দেখতেই সাধারণ মানুষ ‘রাজনীতি’ সম্পর্কে বীতশ্রদ্ধ হয়ে ওঠেন। টাকা বাড়ি জমি গাড়ি পদ খ্যাতি ইত্যাদির লোভ, রাজনীতির জগতে কদর্য সব উদাহরণ তৈরি

(এক) দুই হাজার বছরের সমৃদ্ধ ইতিহাস যে ‘বাঙালি’ জাতির, তাঁরা আজ নানাভাবে অবহেলিত, শোষিত, অপমানিত। তার সবচেয়ে বড়ো কারণ, তাঁরা নিজেদের ইতিহাসকেই ভুলে বসে আছে!

জন্ম: ১২ সেপ্টেম্বর ১৯২৯, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। মৃত্যু: ০২ অক্টোবর ২০২৫, ঢাকা। রফিকদার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ পরিচয় একত্রিশ বছর আগে (১৯৯৪)। ‘বাবরি মসজিদ’ ধ্বংসের পরবর্তী সময়ে কলকাতায়

(এক) “বাঙলার ভাগ্যাকাশে আজ দুর্যোগের ঘনঘটা।” কথাগুলো লেখা হয়েছিলো শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে; সম্ভবত ১৯১৮ থেকে ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দের মাঝে কোনও সময়ে। সত্যিই সিরাজদ্দৌলার সময়ে ‘বাঙলার

ক্ষমতা হাতছাড়া হয়ে যাওয়ায় খুবই খারাপ লাগছে, রাগ হচ্ছে। তাই না? আপনি অবশ্য জানিয়েছেন – আপনি নাকি হারেন নি, আপনার ওপর জোর করে হার চাপিয়ে

(এক) এখন সংসদীয় ভোটের দামামা বেজেছে পশ্চিমবাংলায়। বিধানসভার। দলবদলের ছক্কা হাঁকাতে ব্যস্ত অনেক তাবড় নেতা। “আমাদের এতো জনকে ভাগিয়ে নিয়েছিলো ওরা। এবার দ্যাখ কেমন লাগে!

বুক চিতিয়ে মাথা উঁচু করে বীরের মতো বাঁচবো, নাকি নতজানু হয়ে করুণা ভিক্ষার মতো দাসত্বের পথেই হাঁটবো? বিচার করার জন্য মাস্টারমশাই কেউ নেই। এই প্রশ্নের

আবার এক বন্ধুর বিয়োগ ঘটলো আমাদের। ‘আমাদের’ – মানে সরকারবিরোধী সংগ্রামী জনতার। বিশেষভাবে শ্রমিক তথা মেহনতী শ্রমজীবী মানুষের রুটি রুজির লড়াইয়ে দীর্ঘদিনের অবিচল সাথী কমরেড

(এক) “যে যত পড়ে, সে তত মূর্খ হয়”। সত্তরের দশকে রাজনীতির জগতে এই কথাটা বেশ নাড়া ফেলেছিলো। বহু তর্কাতর্কি ও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিলো। কিন্তু

(এক) শ্রেণীবিভক্ত সমাজে ‘সরকার’ সবসময়েই রাষ্ট্রযন্ত্রের সেবাদাস ও পাহারাদার। ‘ইউনিয়ন’ সরকার হোক বা ‘রাজ্য’ সরকার। সরকারি ‘দল’-এ তফাৎ হয়। তার রঙ বদলায়। নেতৃত্ব পাল্টায়। সরকার

(এক) এক অদ্ভুত ছ্যাবলামো শুরু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে! ‘বিজেপি বিরোধী’ হিসেবে নাটুকে ভূমিকা চালিয়ে যাচ্ছে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী, তৃণমূল কংগ্রেস। জন্মলগ্ন থেকেই এঁরা আরএসএস-বিজেপি’র আশির্বাদ ও

ইউরোপীয় জলদস্যু ক্রিস্টোফার কলম্বাস ১৪৯২ থেকে ১৫০৪ পর্যন্ত, কোটিকোটি মানুষের উপর বর্বরতম হত্যালীলা লুন্ঠন ও জবরদখলের যে সূচনা করেছিলো আমেরিকার বুকে, তা আজও সমানেই চলছে।

নেতা-নেত্রীদের অপকর্ম দেখতে দেখতেই সাধারণ মানুষ ‘রাজনীতি’ সম্পর্কে বীতশ্রদ্ধ হয়ে ওঠেন। টাকা বাড়ি জমি গাড়ি পদ খ্যাতি ইত্যাদির লোভ, রাজনীতির জগতে কদর্য সব উদাহরণ তৈরি

(এক) দুই হাজার বছরের সমৃদ্ধ ইতিহাস যে ‘বাঙালি’ জাতির, তাঁরা আজ নানাভাবে অবহেলিত, শোষিত, অপমানিত। তার সবচেয়ে বড়ো কারণ, তাঁরা নিজেদের ইতিহাসকেই ভুলে বসে আছে!

জন্ম: ১২ সেপ্টেম্বর ১৯২৯, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। মৃত্যু: ০২ অক্টোবর ২০২৫, ঢাকা। রফিকদার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ পরিচয় একত্রিশ বছর আগে (১৯৯৪)। ‘বাবরি মসজিদ’ ধ্বংসের পরবর্তী সময়ে কলকাতায়

(এক) “বাঙলার ভাগ্যাকাশে আজ দুর্যোগের ঘনঘটা।” কথাগুলো লেখা হয়েছিলো শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে; সম্ভবত ১৯১৮ থেকে ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দের মাঝে কোনও সময়ে। সত্যিই সিরাজদ্দৌলার সময়ে ‘বাঙলার







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে