
পুঁজিবাদের আওতায় মানুষের ‘উচ্ছেদ’ নতুন কিছু না
বাংলায় একটা কথা চালু আছে, “ভাত দেবার মুরোদ নেই, কিল মারার গোঁসাই”। দশকের পর দশক ধরে, হকার সমস্যা নিয়ে সরকারগুলোর মনোভাব আমাদের বারবার সেই কথাটা

বাংলায় একটা কথা চালু আছে, “ভাত দেবার মুরোদ নেই, কিল মারার গোঁসাই”। দশকের পর দশক ধরে, হকার সমস্যা নিয়ে সরকারগুলোর মনোভাব আমাদের বারবার সেই কথাটা

(এক) বাস্তব ঘটনাই সবচেয়ে ভালো শিক্ষক। অসংখ্য লেখালেখি বা বক্তৃতা যা বোঝাতে পারে না, চোখের সামনে ঘটতে থাকা ঘটনাবলী তা অতি অল্প সময়েই বুঝিয়ে দেয়।

(এক) ‘বাঙালি’ মানে কখনোই শুধু ইসলামিরা নন। শুধু হিন্দুরাও নন। অন্যান্য ধর্মবিশ্বাসীরাও নন। ধর্মীয় বিচারে ‘বাঙালি’ যা-কিছুই হতে পারে। কিন্তু ভাষিক বা সাংস্কৃতিক বিচারে যাঁরাই

(এক) সময়ের সঙ্গেসঙ্গে মানুষ কী সভ্য হচ্ছে? নাকি অসভ্যতা বাড়ছে? কোনদিকে চলছে ‘সভ্যতা’? এটাই বর্তমানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুশ্চিন্তার বিষয়। আগে ‘বহিরাগত’ আর ‘অনুপ্রবেশকারী’ শব্দদুটো কখনও

ক্ষমতা হাতছাড়া হয়ে যাওয়ায় খুবই খারাপ লাগছে, রাগ হচ্ছে। তাই না? আপনি অবশ্য জানিয়েছেন – আপনি নাকি হারেন নি, আপনার ওপর জোর করে হার চাপিয়ে

(এক) এখন সংসদীয় ভোটের দামামা বেজেছে পশ্চিমবাংলায়। বিধানসভার। দলবদলের ছক্কা হাঁকাতে ব্যস্ত অনেক তাবড় নেতা। “আমাদের এতো জনকে ভাগিয়ে নিয়েছিলো ওরা। এবার দ্যাখ কেমন লাগে!

বুক চিতিয়ে মাথা উঁচু করে বীরের মতো বাঁচবো, নাকি নতজানু হয়ে করুণা ভিক্ষার মতো দাসত্বের পথেই হাঁটবো? বিচার করার জন্য মাস্টারমশাই কেউ নেই। এই প্রশ্নের

আবার এক বন্ধুর বিয়োগ ঘটলো আমাদের। ‘আমাদের’ – মানে সরকারবিরোধী সংগ্রামী জনতার। বিশেষভাবে শ্রমিক তথা মেহনতী শ্রমজীবী মানুষের রুটি রুজির লড়াইয়ে দীর্ঘদিনের অবিচল সাথী কমরেড

(এক) “যে যত পড়ে, সে তত মূর্খ হয়”। সত্তরের দশকে রাজনীতির জগতে এই কথাটা বেশ নাড়া ফেলেছিলো। বহু তর্কাতর্কি ও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিলো। কিন্তু

(এক) শ্রেণীবিভক্ত সমাজে ‘সরকার’ সবসময়েই রাষ্ট্রযন্ত্রের সেবাদাস ও পাহারাদার। ‘ইউনিয়ন’ সরকার হোক বা ‘রাজ্য’ সরকার। সরকারি ‘দল’-এ তফাৎ হয়। তার রঙ বদলায়। নেতৃত্ব পাল্টায়। সরকার

(এক) এক অদ্ভুত ছ্যাবলামো শুরু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে! ‘বিজেপি বিরোধী’ হিসেবে নাটুকে ভূমিকা চালিয়ে যাচ্ছে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী, তৃণমূল কংগ্রেস। জন্মলগ্ন থেকেই এঁরা আরএসএস-বিজেপি’র আশির্বাদ ও

ইউরোপীয় জলদস্যু ক্রিস্টোফার কলম্বাস ১৪৯২ থেকে ১৫০৪ পর্যন্ত, কোটিকোটি মানুষের উপর বর্বরতম হত্যালীলা লুন্ঠন ও জবরদখলের যে সূচনা করেছিলো আমেরিকার বুকে, তা আজও সমানেই চলছে।

বাংলায় একটা কথা চালু আছে, “ভাত দেবার মুরোদ নেই, কিল মারার গোঁসাই”। দশকের পর দশক ধরে, হকার সমস্যা নিয়ে সরকারগুলোর মনোভাব আমাদের বারবার সেই কথাটা

(এক) বাস্তব ঘটনাই সবচেয়ে ভালো শিক্ষক। অসংখ্য লেখালেখি বা বক্তৃতা যা বোঝাতে পারে না, চোখের সামনে ঘটতে থাকা ঘটনাবলী তা অতি অল্প সময়েই বুঝিয়ে দেয়।

(এক) ‘বাঙালি’ মানে কখনোই শুধু ইসলামিরা নন। শুধু হিন্দুরাও নন। অন্যান্য ধর্মবিশ্বাসীরাও নন। ধর্মীয় বিচারে ‘বাঙালি’ যা-কিছুই হতে পারে। কিন্তু ভাষিক বা সাংস্কৃতিক বিচারে যাঁরাই

(এক) সময়ের সঙ্গেসঙ্গে মানুষ কী সভ্য হচ্ছে? নাকি অসভ্যতা বাড়ছে? কোনদিকে চলছে ‘সভ্যতা’? এটাই বর্তমানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুশ্চিন্তার বিষয়। আগে ‘বহিরাগত’ আর ‘অনুপ্রবেশকারী’ শব্দদুটো কখনও

ক্ষমতা হাতছাড়া হয়ে যাওয়ায় খুবই খারাপ লাগছে, রাগ হচ্ছে। তাই না? আপনি অবশ্য জানিয়েছেন – আপনি নাকি হারেন নি, আপনার ওপর জোর করে হার চাপিয়ে

(এক) এখন সংসদীয় ভোটের দামামা বেজেছে পশ্চিমবাংলায়। বিধানসভার। দলবদলের ছক্কা হাঁকাতে ব্যস্ত অনেক তাবড় নেতা। “আমাদের এতো জনকে ভাগিয়ে নিয়েছিলো ওরা। এবার দ্যাখ কেমন লাগে!

বুক চিতিয়ে মাথা উঁচু করে বীরের মতো বাঁচবো, নাকি নতজানু হয়ে করুণা ভিক্ষার মতো দাসত্বের পথেই হাঁটবো? বিচার করার জন্য মাস্টারমশাই কেউ নেই। এই প্রশ্নের

আবার এক বন্ধুর বিয়োগ ঘটলো আমাদের। ‘আমাদের’ – মানে সরকারবিরোধী সংগ্রামী জনতার। বিশেষভাবে শ্রমিক তথা মেহনতী শ্রমজীবী মানুষের রুটি রুজির লড়াইয়ে দীর্ঘদিনের অবিচল সাথী কমরেড

(এক) “যে যত পড়ে, সে তত মূর্খ হয়”। সত্তরের দশকে রাজনীতির জগতে এই কথাটা বেশ নাড়া ফেলেছিলো। বহু তর্কাতর্কি ও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিলো। কিন্তু

(এক) শ্রেণীবিভক্ত সমাজে ‘সরকার’ সবসময়েই রাষ্ট্রযন্ত্রের সেবাদাস ও পাহারাদার। ‘ইউনিয়ন’ সরকার হোক বা ‘রাজ্য’ সরকার। সরকারি ‘দল’-এ তফাৎ হয়। তার রঙ বদলায়। নেতৃত্ব পাল্টায়। সরকার

(এক) এক অদ্ভুত ছ্যাবলামো শুরু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে! ‘বিজেপি বিরোধী’ হিসেবে নাটুকে ভূমিকা চালিয়ে যাচ্ছে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী, তৃণমূল কংগ্রেস। জন্মলগ্ন থেকেই এঁরা আরএসএস-বিজেপি’র আশির্বাদ ও

ইউরোপীয় জলদস্যু ক্রিস্টোফার কলম্বাস ১৪৯২ থেকে ১৫০৪ পর্যন্ত, কোটিকোটি মানুষের উপর বর্বরতম হত্যালীলা লুন্ঠন ও জবরদখলের যে সূচনা করেছিলো আমেরিকার বুকে, তা আজও সমানেই চলছে।







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে