- স্বাস্থ্য মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত হোক।
- স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার প্রধান দায়িত্ব রাষ্ট্রের। নাগরিকদের কাছ থেকে নেওয়া করের টাকায় সরকার এই পরিষেবা দেবেন।
- জি ডি পি র অন্তত তিন শতাংশ সরকারকে স্বাস্থ্য খাতে খরচ করতে হবে।
- স্বাস্থ্য পরিষেবাকে পণ্য হিসেবে গণ্য করা চলবে না। তাকে কনজিউমার প্রটেকশন অ্যাক্ট এর আওতা থেকে বার করে আনতে হবে।
- নাগরিক পরিষেবা পাবেন প্রধানত সরকারি পরিকাঠামো থেকে। চিকিৎসক, চিকিৎসা কর্মী এবং স্বাস্থ্য কর্মী বেতন পাবেন সরকারের কাছ থেকে।
- কোন ক্ষেত্রে যদি সরকারি পরিকাঠামো পর্যাপ্ত না থাকে তাহলে তাহলে সরকারকে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পরিকাঠামোর ঘাটতি পূরণ করতে হবে। ততদিন অবধি বেসরকারি পরিকাঠামো থেকে পরিষেবা কেনা যেতে পারে। কিন্তু এই পরিষেবা রোগী কিনবেন না, রোগীর হয়ে কিনবেন সরকার।
- রোগীর কোন উপসর্গ থাকলে কি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে, কোন ওষুধ দিতে হবে, কখন বিশেষজ্ঞের কাছে রেফার করতে হবে, তা নির্দিষ্ট করার জন্য থাকুক স্ট্যান্ডার্ড ট্রিটমেন্ট গাইডলাইন।
- ডাক্তার দেখানো, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা, ওষুধ নেওয়া কোনটার জন্য রোগীকে খরচ করতে হবে না।
- সরকার প্রাথমিক, দ্বিতীয় স্তর এবং অন্তিম স্তরের কোন কোন পরিষেবা দেবেন তা ঠিক করা থাক ন্যাশনাল হেলথ প্যাকেজে। রাজ্য বিশেষে এই প্যাকেজ-এর উপাদান আলাদা আলাদা হতে পারে।
- ওষুধের ব্যবহার যুক্তিসঙ্গত হোক। প্রতিবেশী বাংলাদেশ যে কাজ ৪৪ বছর আগে করতে পারে, তা আমাদের দেশ করতে পারবে না কেন? কেবলমাত্র অত্যাবশ্যক ওষুধগুলো উৎপাদিত হোক। অপ্রয়োজনীয়, ক্ষতিকর এবং ফালতু ওষুধ উৎপাদন বন্ধ হোক। কেবলমাত্র জেনেরিক নামেই ওষুধ উৎপাদিত হোক। তাহলে চিকিৎসকরা ব্র্যান্ড নামে ওষুধ লিখতে পারবেন না।
- স্বাস্থ্য পরিষেবার পণ্য রূপ লোপ পেলে চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মীদের উপর হিংসার ঘটনা কমে আসবে।চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে হিংসার ঘটনা ঘটলে সরকার তাকে দৃঢ় হাতে দমন করুক।
- মেডিক্যাল কমিশন নয়, গণতান্ত্রিক দুর্নীতিমুক্ত মেডিকেল কাউন্সিল চাই।
- স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবসার বিষয় হতে পারে না। মেডিকেল, প্যারামেডিকেল, এলায়েড মেডিকেল শিক্ষা পুরোপুরি সরকারি নিয়ন্ত্রণে সরকারি প্রতিষ্ঠানে হোক। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাষ্ট্রায়ত্ত করা হোক।
২০১৯- এর লোকসভা নির্বাচনের আগে এই দাবি সনদ রাজনৈতিক দলগুলির কাছে পেশ করা হয়।










