Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

খরতাপ ও কিছু গভীর আশঙ্কা

Heat
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • April 27, 2026
  • 8:03 am
  • No Comments

যাব, যাব করেও আর যাওয়া হয়ে উঠছিল না। রোজ‌ই একটা না একটা ছুতোয় নিজেকে গুটিয়ে রাখছিলাম ইচ্ছে করেই। মনের এই দোনোমনা ভাবটা আগাম আঁচ করতে পেরে গিন্নি ফোঁড়ন কেটে বলেন – বুড়োমিতে ধরেছে তোমাকে। এই কথার পরে নিশ্চিত ভাবে আর পিছিয়ে যাওয়া চলেনা। জয় মা বলে বেড়িয়েই পড়ি। বাড়ি থেকে সামান্য দূরেই টোটো স্ট্যান্ড। সেখানে দাঁড়িয়ে কোরিয়া, বুড়ো, ঝন্টুরা কাতর দৃষ্টিতে প্যাসেঞ্জারের পথপানে তাকিয়ে আছে। উঠে বসলে ওদের পকেটে দুটো পয়সা আসে বটে, তবে ডাক্তারবাবু বলেছেন – রোজ রোদে পুড়ে শরীরে ভিটামিন ডি তৈরি করুন। নাহলে ওষুধ সেবন করতে হবে।  আপাতত আরও খানিকটা হেঁটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম।

ইদানিং বেশ কয়েকটা সান্ধ্য টি ভি সিরিয়ালেই দেখছি হঠাৎ করে হামলে পড়া সংকট থেকে উত্তরণের আশায় সিরিয়ালের নায়ক অথবা নায়িকা গনগনে আগুনের ওপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। এসব দৃশ্য জুড়লে নাকি দর্শকদের সেন্টিমেন্টে বেশ খানিকটা সুড়সুড়ি দেওয়া যায়, সিরিয়ালের টি আর পি চড়চড় করে বেড়ে যায়। আগুনে গরমে তেতে থাকা রাস্তায় গুটিগুটি পায়ে পায়ে এগিয়ে যেতে গিয়ে আমার‌ও তেমনি মালুম হলো। তাপদাহে সত্যিই অসহনীয় পরিস্থিতি।এই মুহূর্তে দেশের একটা বড়ো অংশ জুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে। পৃথিবীর ওলটপালট হয়ে যাওয়া বাতাবরণ কতোরকম খেলাই যে দেখাচ্ছে তার আগাম আন্দাজ করতে গিয়ে খোদ আবহবিদরাই হিমসিম খাচ্ছে। তবে শুষ্ক পশ্চিমা তাপপ্রবাহের থেকে আমাদের গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের শুকনো আর্দ্র বাতাস কিন্তু অনেক ভয়ঙ্কর। কেন বলছি এ কথা ? এমন অসহনীয় তাপীয় অবস্থার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার একটা স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা আমাদের দেহযন্ত্রের রয়েছে। তা হলো ঘাম।আমরা যখন ঘামি তখন তেতে ওঠা শরীরী তাপের একটা বড়ো অংশ স্বেদ বিন্দুর আকারে বাইরে বেরিয়ে আসে। দেশের পশ্চিমাংশের বিপুল সংখ্যক মানুষ এভাবেই গরমের সময় নিজেদের মানিয়ে নিতে পারেন। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কম থাকায় শরীরের বাড়তি জল সহজেই বাতাস শুষে নেয়। কিন্তু আমাদের এখানে বাতাসের আর্দ্রতা বেশি থাকায় ব্যাপারটা বেশ জটিল হয়ে পড়ে। ঘাম সহজে বাষ্পীভূত হতে পারে না ফলে শরীর ঠাণ্ডা হবার কাজটা বিঘ্নিত হয়।এরফলে রক্তচাপ বেড়ে যায়, শরীরের একাধিক অঙ্গের কাজকর্ম বিঘ্নিত হয় । চরম ক্ষেত্রে মৃত্যু অনিবার্য পরিণতি হয়ে ওঠে।আমাদের শরীরের ওপর এই ধরনের তাপ পরিবেশ গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ঠিক এমন কারণেই আমাদের দেশের উপকূলীয় এলাকার মানুষজনের ওপরেও এর সুগভীর প্রভাব পড়তে চলেছে বিশেষ করে এমন একটা সময়ে যখন মৌসুমী বায়ু জলীয় বাষ্পের পসরা সাজিয়ে মৃদুমন্দ গতিতে এগিয়ে আসছে মূল ভূখণ্ডের দিকে। আমরা কিন্তু এই ব্যাপারে খুব একটা সচেতন ন‌ই।

দেশের আবহ দপ্তর ইতোমধ্যেই সতর্কবার্তা জারি করে বলেছে যে এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যবর্তী সময়ে দেশের পূর্ব, মধ্য এবং উপদ্বীপীয় অংশের বিস্তির্ণ অংশে তাপদাহের স্থায়িত্ব স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে। বিষয়টি নিশ্চিতভাবেই আশঙ্কার। এখনি থার্মোমিটারের পারদ ৪০ ডিগ্রির পাল্লা অতিক্রম করেছে এবং তা আরও ওপরে ওঠার ইঙ্গিত দিচ্ছে। মধ্য ভারতের অনেকগুলো জায়গায় দিন মানের তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়েছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আপেক্ষিক আর্দ্রতার মাত্রা। বিজ্ঞানীদের মতে এই প্রবণতা সত্যিই উদ্বেগের।

আবহবিদরা এই দ্বৈত প্রভাব সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা পাবার জন্য সাধারণ থার্মোমিটারের পরিবর্তে শুষ্ক ও আর্দ্র কুণ্ড থার্মোমিটারের সাহায্যে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন। দীর্ঘদিন ধরে মনে করা হতো যে আমাদের দেহযন্ত্র এই শুষ্ক ও আর্দ্র কুণ্ড থার্মোমিটারের ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় স্বাভাবিক থাকতে পারে। এই তাপমাত্রায় ঘাম ঝরার বিষয়টি সম্পূর্ণ অকার্যকর হয়ে পড়ে। তবে এমন পূর্বানুমানের বিষয়টি যে বাস্তবতা নির্ভর ছিল এমনটাও নয়।

আমেরিকার পেনসেলভেনিয়া স্টেট হিউম্যান হিউম্যান এনভায়রনমেন্টাল এজ থ্রেশহোল্ড (HEAT) এর পক্ষ থেকে করা এক গবেষণায় এই বিষয়ে নতুন নতুন তথ্য উঠে এসেছে সম্পূর্ণভাবে হাতেকলমে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে পাওয়া গেছে। হিউম্যান ভলান্টিয়ার বা মানুষী স্বেচ্ছাসেবকদের ভিন্ন ভিন্ন তাপ ও আর্দ্র প্রকোষ্ঠে রেখে যাচাই করা হয়েছে তাদের শারীরিক সক্রিয়তার মাত্রা। এখান থেকে যে তথ্য পাওয়া গেছে তা রীতিমতো উদ্বেগজনক। দেখা গেছে যে সম্পূর্ণ সুস্থ সুস্বাস্থ্যের অধিকারী তরতাজা যুবকদের তাপীয় পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে চলার স্বাভাবিক ক্ষমতা আর্দ্র ও শুষ্ক কুণ্ড থার্মোমিটারের তাপমান ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে না পৌঁছতেই দ্রুত কমতে থাকে। আগে এই তাপসীমা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বলে মনে করা হতো। গবেষকরা জানিয়েছেন যে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ও ৬০% আপেক্ষিক আর্দ্রতার কারণে মানুষের শরীরের সহজাত তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনাটি অকার্যকর হয়ে পড়ে । এই অবস্থায় শরীরকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে আমাদের বাইরের উপায় অবলম্বন করতে হয়।

এই অসহনীয় পরিস্থিতিতে সবথেকে ভুক্তভোগী মানুষেরা হলেন বয়স্ক ও শিশুরা। বয়স্ক মানুষদের এমনিতেই নানান ধরনের শারীরিক সমস্যার কারণে নানান ধরনের ওষুধপত্রের ওপর নির্ভর করতেই হয়। এইসব মানুষদের দেখভাল করার জন্য চিকিৎসকদের‌ও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। ঠিক কোন পরিস্থিতিতে এই সমস্যা তার সহনমাত্রাকে ছাপিয়ে যাচ্ছে তা আগে থেকেই জানতে পারলে চিকিৎসকদের কাজ খানিকটা সহজ হয়– এমনটাই মনে করেন অধ্যাপক W Larry Kenney, গবেষণা প্রকল্পের মুখ্য সঞ্চালক।

এই বছরের তাপমাত্রা নতুন রেকর্ড গড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। আমাদের শরীরের ওপর দীর্ঘমেয়াদি খরতাপের প্রভাব বিষয়ে প্রায় একই ধরনের সমীক্ষা চালিয়েছিল রিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের অক্ষয় দেওরাসের নেতৃত্বাধীন গবেষকরা। Climate Dynamics পত্রিকায় প্রকাশিত এই নিবন্ধটি থেকে জানা গেছে যে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেশের মানুষজন পশ্চিমের শুষ্ক তাপের প্রভাব নিয়ে যতটা সচেতন, শুষ্ক আর্দ্র তাপের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে মোটেই সচেতন নন। বিগত ৮০ বছরের তাপীয় উপাত্ত বিশ্লেষণ করে তাঁরা দেখিয়েছেন যে এই অসচেতনতার কারণে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা অনেকটাই বেশি। আমরা মানে অপেক্ষাকৃত আর্দ্র অঞ্চলে বসবাসকারী আবাসিকরা কিন্তু এই বিষয়ে খুব সচেতন ন‌ই।

অথচ দেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের তরফ থেকে বারবার এই বিষয়ে সতর্কতা জারি করে চলেছেন। তাঁদের পক্ষ থেকে ১৯৮১ – ২০২০ পর্যন্ত সমীক্ষা চালিয়ে দেখেছেন যে দেশের উপকূলীয় এলাকার শুষ্ক ও আর্দ্র কুণ্ড থার্মোমিটারের তাপমাত্রা ক্রমশই বাড়ছে।এই অবস্থা সাধারণ মানুষের জীবনে বিপর্যয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। মৌসুমী বৃষ্টিপাতের ফলে আমরা একদিকে যেমন স্বস্তি ফিরে পাই তেমনি কিছু আশঙ্কার মেঘ‌ও এসবের আড়ালে জমা হতে থাকে। গবেষকরা জানিয়েছেন যে এই সময়ে শারীরিক ঝুঁকির পরিমাণ স্বাভাবিক অবস্থার তুলনায় ১২৫% বেড়ে যায়। মৌসুমী বায়ুর বিদায় ক্ষণে এই ঝুঁকির সম্ভাবনা উত্তরভাগের অপেক্ষা দক্ষিণে সরে আসতে থাকে। মেঘের গভীরতা কমে গেলেও আর্দ্রতার মাত্রা আরও দীর্ঘায়িত হয় বিশেষ করে কেরলাম সহ দক্ষিণের উপদ্বীপীয় ভূখন্ডের ওপর। প্রায় ৭০% ভারতীয় এরফলে শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। এই বছর অর্থাৎ ২০২৬ সাল সমস্ত পূর্ববর্তী রেকর্ডকে ছাপিয়ে যাবে বলে মনে করছেন আবহবিদরা,তাই দুশ্চিন্তা কমছে না। ২০২৪ এর তুলনায় দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে এই বছরের তাপপ্রবাহ। এই অবস্থার শিকার হতে হবে সকলকেই। প্রস্তুত হতে হবে আজ‌ই।সময়ের সাথে সাথে অনেক কিছুই সয়ে নিয়েছি আমরা। এই পরিস্থিতিটাকে কি সেভাবেই স‌ইয়ে নিতে পারবো? একটু অপেক্ষা করুন। অবশ্যই কম্পিত বক্ষে। কি! রাজি তো?

PrevPrevious​ Formal Statement of Protest and Ultimatum
Next।। লক্ষ মানুষের নিষ্ফল বেদনা।।Next
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

।। লক্ষ মানুষের নিষ্ফল বেদনা।।

April 27, 2026 No Comments

একজন বৈধ নাগরিক, রাষ্ট্রের মর্জি অনুযায়ী কোনো একটা নির্বাচনে ভোট দেবে আবার কোনোটাতে ভোট দিতে পারবে না, এটা হতে পারে? লক্ষ লক্ষ নাগরিক যাদের আচমকা

​ Formal Statement of Protest and Ultimatum

April 27, 2026 No Comments

​April 25, 2026 Formal Protest against the malicious, defamatory, and politically motivated actions of Dr. Tapas Pramanick. ​The Joint Platform of Doctors (JPD), WB representing

নিজের ভোটটা নিজের পছন্দের দল/প্রার্থীকে দিন।

April 26, 2026 No Comments

এই যে বয়ানটা, অমুককে ভোট দিয়ে লাভ নেই, তাহলে তমুক জিতবে, এটার মতো ভাটের কথা কমই শোনা যায়। আপনার যেহেতু কোনও অলৌকিক দিব্যজ্ঞান নেই, এবং

বন্ধু

April 26, 2026 No Comments

বিচ্ছিরি গরমে ঘামতে ঘামতে রোগী দেখছিলাম। ছোট্ট একটা খুপরি। জানলা নেই। একপাশে শুধু রোগী ঢোকার দরজা। যা হাওয়া বাতাস আসে ওই দরজা দিয়েই আসে। দেয়ালে

“বাঙালির বাচ্চার রক্তের তেজ”

April 26, 2026 1 Comment

২২শে এপ্রিল। আজকের দিনে মাত্র ঘণ্টা খানেক আগে বিকেল থেকে শুরু হওয়া রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষ হয়েছে। কর্ণেল ডলাস স্মিথ, ক্যাপ্টেন টেট এবং চট্টগ্রাম ডেপুটি ইন্সপেক্টর

সাম্প্রতিক পোস্ট

।। লক্ষ মানুষের নিষ্ফল বেদনা।।

Pallab Kirtania April 27, 2026

খরতাপ ও কিছু গভীর আশঙ্কা

Somnath Mukhopadhyay April 27, 2026

​ Formal Statement of Protest and Ultimatum

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 27, 2026

নিজের ভোটটা নিজের পছন্দের দল/প্রার্থীকে দিন।

Dr. Bishan Basu April 26, 2026

বন্ধু

Dr. Aindril Bhowmik April 26, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

619681
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]