Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

‘শেষ যুদ্ধ শুরু আজ’: ‘রক্তকরবী’র নতুন পাঠ

raktakarabi
Gopa Mukherjee

Gopa Mukherjee

Teacher of History, Social activist
My Other Posts
  • June 1, 2026
  • 6:36 am
  • One Comment

রক্তকরবী নাটক দেখতে গিয়েছিলাম ২৭ মে একাডেমিতে। জয়রাজ ভট্টাচার্যের পরিচালনায় এই নাটকের কথা শুনছিলাম কিছু দিন ধরে। সংগ্রামী কমরেড কুশল দেবনাথ এবং বন্ধু উর্বীর ফেসবুক পোস্টে নাট্যপ্রতিক্রিয়া পড়েছিলাম। তাই এই নাটকের ব্যাপ্তি, রাজনৈতিক তাৎপর্য এবং সময়োপযোগী নির্মাণ বিনির্মাণ সম্পর্কে একটা ধারণা নিয়েই গিয়েছিলাম। বিভিন্ন বয়সে রবীন্দ্রনাথের রক্তকরবীর কাছে ফিরে ফিরে যাওয়া, বহুরূপীর নাটক দেখার সৌভাগ্য না হলেও শ্রুতিতে ধরে রাখার চেষ্টা, খালেদ চৌধুরীর কিংবদন্তি মঞ্চসজ্জাকে ছবির মাধ্যমে কল্পনা করা – এই সব অনুষঙ্গ জড়িয়ে ছিল রক্তকরবীর সঙ্গে বহু বহু বছর ধরে। কিন্তু আজ রক্তকরবীর উপস্থাপনা এই নাটকের সঙ্গে পরিচিতি, এই নাটকের থেকে প্রত্যাশা – সব কিছু ওলটপালট করে দিল।

এ নাটক রূপকধর্মী। পুঁজিবাদ আর ধনতন্ত্রের জনক যন্ত্রসভ্যতার প্রতীক যক্ষপুরীর আলো আঁধারি আর জালের ওপারে দৃষ্টিগ্রাহ্যতার বাইরে ক্ষমতার অমোঘ নিয়ন্ত্রক – জালের এপারে ‘অগম পারের দূতী’, স্বতস্ফূর্ত আনন্দ, অপার ভালবাসা আর শক্তির নির্ঝরিণী নন্দিনী। যক্ষপুরীর মাটির নিচের সোনা তুলে আনার জন্য পাতালে সুড়ঙ্গ খোদাই করে খোদাইকররা। এই বিরাটপুরীর খাদ্য জোগায় কর্ষণজীবীরা। দুর থেকে ফসল কাটার গান ভেসে আসে। নাটকের প্রস্তাবনায় লেখক বলেন “কৃষিকাজ থেকে হরণের কাজে মানুষকে টেনে নিয়ে কলিযুগ কৃষিপল্লীকে কেবলি উজাড় করে দিচ্ছে।” রক্তকরবীর নাট্যপরিচয়ে লেখকের কাছ থেকে আমরা জানতে পারি “নাট্যঘটনার সমস্তটাই এই রাজমহলের জালের জানলার বাহির – বারান্দায়। …প্রাসাদের সেই জালের আবরণ এই নাটকের একমাত্র দৃশ্য।”

জয়রাজের রক্তকরবী বাহির বারান্দা থেকে সরে এসে আলো দেখায় খনির অন্ধকারে। মাঠের পাকা ফসলকাটার গানে মিশে থাকে যৌথশ্রমের শক্তি। চারদিক ঘিরে মঞ্চসজ্জার মাঝে দর্শকরা নাট্যদৃশ্যের চরিত্র হয়ে ওঠে।

নাটক শুরু হয় খনিশ্রমিক ফাগুলালের দেহাতি হিন্দিতে তার দিন গুজরানের গল্প দিয়ে। তীব্র সাইরেনের আওয়াজ ঢেকে দেয় ফাগুলালের কণ্ঠ। প্রথম দৃশ্যেই বোঝা যায় জালের আড়াল ছিঁড়ে দেবে এই নাটক। ধনতন্ত্রের নির্লজ্জ লোভ, শোষণজীবী সভ্যতার অবিরাম লুণ্ঠনকে প্রথম দৃশ্য থেকে প্রকট করে দেওয়াই পরিচালকের উদ্দেশ্য।

“মাটির উপরিতলে যেখানে প্রাণের যেখানে রূপের নৃত্য, যেখানে প্রেমের লীলা”, “সেই সহজ সুখের সেই সহজ সৌন্দর্যের” নন্দিনী কুর্তি জিন্স আর স্নিকার পরে বব ডিলানের গান করে “Hey Mr Tambourine Man, play a song for me/ I am not sleepy and there is no place I am going to” । এই গানের রেশ ধরে বিশুপাগলের গলায় গুমরিয়ে ওঠে দুখ জাগানিয়ার সুর -“বুঝি আমার ব্যথার আড়ালেতে দাঁড়িয়ে থাকো… ওগো ঘুম ভাঙানিয়া তোমায় গান শোনাবো।”

বিশু পাগলের Jamaican farewell-এর পাশাপাশি নন্দিনীর কণ্ঠে “এই সুরে কাছে দূরে জলে স্থলে বাজায়/ বাজায় বাঁশি ভালোবাসি ভালোবাসি” – এই সাংস্কৃতিক সমন্বয় এবং নাটকের সমকালীন পুনর্নির্মাণ দর্শকের কাছে সহজ স্বাভাবিক মনে হয়।

বিশু পাগল খনির শ্রমিক। খনি প্রতিনিয়ত তার ফুসফুস থেকে হরণ করছে প্রাণবায়ু। তাই বিশু পাগল খানিক কথা বলে পকেট থেকে বার করে ইনহেলার নেয়। গানের মূর্ছনায় স্পষ্ট হয় শ্বাসাল্পতা।

নিপুণভাবে গোঁসাইকে ব্যবহার করা হয়েছে এই নাটকে। গেরুয়া উত্তরীয় পরিহিত দীর্ঘদেহী পুরুষ মঞ্চে এলেই এক অদ্ভুত সুর বাজতে থাকে, যে সুরে মিশে আছে ধর্মের তীব্র মদিরা। সর্দার প্রভুপাদকে প্রণাম করে ‘হের হিটলার’-এর ভঙ্গিতে। কখনো পিছনে বাজে’ঘুসপেটিয়া’ তাড়ানোর হুঙ্কার। কখনো সমস্ত মঞ্চ আর দেওয়াল জুড়ে কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের ছবি। এক অনিবার্য অতীত আর এক আসন্ন ভবিষ্যতের ইঙ্গিত শ্বাসরোধ করে দর্শকদের।

নন্দিনী গোঁসাইকে ভয় পায় না। প্রাণের সহজ শক্তি দিয়ে খনি শ্রমিক আর কৃষকদের মধ্যে বেঁচে থাকার ইচ্ছা আর স্পর্ধা সঞ্চারিত করে নন্দিনী । অপেক্ষা করে রঞ্জনের, যে এসে সবার ভয় ভাঙ্গিয়ে দেবে, মাথা উঁচু করে বাঁচার মন্ত্র শেখাবে সকলকে। রক্তকরবীর মঞ্জরী দিয়ে রঞ্জনের কাছে বার্তা পাঠায় নন্দিনী। এক প্রকাণ্ড কাঠের মই নিয়ে জালের আড়াল ভেঙে বেরিয়ে আসে ক্ষমতার নেশায় মত্ত রাজা। মই এর উপরে রক্তকরবীর মঞ্জরী হাতে রঞ্জনের নিথর দেহ এক ঝলক যেন মনে করিয়ে দেয় নব্বই এর দশকের গোড়ায় ছত্তিশগড়ের খনি অঞ্চলে পুঁজিবাদী চক্রের হাতে নিহত শ্রমিক নেতাকে, শ্রমিক, কৃষক এবং অসংখ্য মানুষকে জিয়ন কাঠির স্পর্শে জাগিয়ে তুলেছিলেন যিনি। মনে হয় এখনই যেন কেউ বলে উঠবে ‘জেল কা তালা টুটেগা/ হামারা সাথী ছুটেগা …।’

রঞ্জনের মাথায় নীলকণ্ঠ পাখির পালক পরিয়ে জয়যাত্রা শুরু করে নন্দিনী, রঞ্জনের রক্তে রাঙা পথ দিয়ে বরণ করে নেয় শেষ মুক্তিকে। যক্ষপুরীর সব মানুষ লুটেরা ব্যবস্থাকে ভেঙ্গে ফেলার জন্য এক হয়। ক্ষমতার দাসত্ব থেকে মুক্তি নিয়ে জালের আড়াল থেকে বেরিয়ে রাজাও যোগ দেন এই ভাঙনের উৎসবে–
“শেষ যুদ্ধ শুরু আজ কমরেড / এস মোরা মিলি একসাথ”

অভিনেতা দর্শক সমবেত ভাবে ইন্টারন্যাশনাল গাওয়া এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা।

গান, নাচ, পেশিসৌষ্ঠব, শারীরিক কসরৎ – এই সব কিছু নিয়ে মঞ্চ দাপিয়ে অভিনয় করেছেন নন্দিনী- শ্রাবন্তী ভট্টাচার্য। বিশু পাগলও অনবদ্য। রাজা, অধ্যাপক, সর্দার, ফাগুলাল, চন্দ্রা, কিশোর এবং অন্যান্য প্রত্যেকের অভিনয় যথাযথ।

বহুদিন পর বাংলা নাটকের মঞ্চে এত বিবিধ প্রতিভার সম্মেলন।

ক্রান্তিলগ্নে এই সাংস্কৃতিক লড়াই বাঁচার রসদ জোগায়। নাটক শেষে পরিচালক বলেন এই লড়াই কারোর একার লড়াই নয়। মনে করিয়ে দেন নাটকের শেষে দেবতার ধ্বজাদণ্ড ভেঙ্গে ফেলে নিজের তৈরি বন্দীশালা ভাঙ্গার পথে রাজার উক্তি -“তোমাতে আমাতে দুজনে মিলে কাজ করতে হবে। একলা তোমার কাজ নয়”।

ভয়কে জয় করে ক্ষমতার শিকড়কে টেনে উপড়ে ফেলতে পথে নামে যক্ষপুরীর সব মানুষ। এ কাজ সকলে মিলে করার কাজ। নাটকের মাধ্যমে আরো একবার সোচ্চারে যৌথলড়াই ঘোষণার জন্য জয়রাজ আর থিয়েটার ফর্মেশন পরিবর্তক এর টিমকে সংগ্রামী অভিনন্দন।

“জাগো জাগো জাগো সর্বহারা/ অনশনবন্দী ক্রীতদাস/ শ্রমিক দিয়াছে আজ সাড়া / উঠিয়াছে মুক্তির আশ্বাস”

PrevPreviousনির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাসপাতাল পরিদর্শন
Nextঅভীক-বিরূপাক্ষ চক্র সবচেয়ে বড়ো ক্ষতি করে দিয়ে গেছে মেডিকেল শিক্ষারNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
swapan panda
swapan panda
3 months ago

রক্তকরবীর নতুন এই প্রযোজনা দেখবার জন্য গভীর গভীর আগ্রহ জাগিয়ে তুললেন গোপা মুখোপাধ্যায়। অনেক ধন্যবাদ

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

নিরন্তর ভরসা জোগায়

September 20, 2026 No Comments

কথার গভীরতা মাপতে গিয়ে কবে যে গভীর জলের মাছ হয়ে গেছি, সে সবের কিছুই আর মনে পড়ে না। খুঁজি, আর অনুভব করি, এই সব পূর্ব

তারাদের কথা

September 20, 2026 No Comments

★ মা বলতো, ‘দূর বোকা, মরব কেন? আকাশে চলে যাব। টিপ টিপ করে জ্বলব। জ্বলতেই থাকব।’ আমার প্রায় নাস্তিক বাবা ধমকে উঠত, ‘এই সব ভুলভাল

বনতল সাদা ফুলে ফুলে ঢাকা: হারিয়ে যাওয়া ইছামতী এবং বিভূতিভূষণের খোঁজে

September 20, 2026 No Comments

(এক) তাঁকে স্মরণ এবং প্রণাম “ইছামতী একটি ছোট নদী। অন্তত যশোর জেলার মধ্য দিয়ে এর যে অংশ প্রবাহিত, সেটুকু। দক্ষিণে ইছামতী কুমির – কামট –

ছত্তিশগড় শ্রমিক আন্দোলন ও শহীদ শংকর গুহ নিয়োগী স্মরণ

September 19, 2026 No Comments

বই প্রকাশ (তিনটি) ও তথ্যচিত্র প্রদর্শন  Book release(two books) and Documentary film show স্থান : রামমোহন লাইব্রেরী (সুকিয়া স্ট্রীট ও এ.পি.সি. রোডের সংযোগ স্থল)  ২৮

গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ চাই। ভয়মুক্ত ক্যাম্পাস চাই।

September 19, 2026 No Comments

গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে এন আর এস মেডিক্যাল কলেজের সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের লড়াইয়ের প্রতি সংহতি জানাই। একটি মেডিক্যাল কলেজ শুধু ক্লাস, পরীক্ষা, হোস্টেল আর হাসপাতালের

সাম্প্রতিক পোস্ট

নিরন্তর ভরসা জোগায়

Dr. Bishan Basu September 20, 2026

তারাদের কথা

Dr. Arunachal Datta Choudhury September 20, 2026

বনতল সাদা ফুলে ফুলে ঢাকা: হারিয়ে যাওয়া ইছামতী এবং বিভূতিভূষণের খোঁজে

Bappaditya Roy September 20, 2026

ছত্তিশগড় শ্রমিক আন্দোলন ও শহীদ শংকর গুহ নিয়োগী স্মরণ

Doctors' Dialogue September 19, 2026

গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ চাই। ভয়মুক্ত ক্যাম্পাস চাই।

West Bengal Junior Doctors Front September 19, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

678081
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]