অভীক-বিরূপাক্ষ চক্র সবচেয়ে বড়ো ক্ষতি করে দিয়ে গেছে মেডিকেল শিক্ষার। কয়েকটা ব্যাচের ছেলেমেয়েদের এরা বুঝিয়েছে যে পড়াশোনা করে পাশ করা একটা অসম্ভব ব্যাপার, এদের পায়ে পড়ে থাকলে পাশ করা যায়, প্রশ্ন পাওয়া যায়, নম্বর বাড়ানো যায়, এমনকি অনার্স পাওয়া যায়। আর সেই আশায় অথবা কিছু ক্ষেত্রে অসহায় হয়েই কিছু ছেলেমেয়ে ডাক্তারি টাও ভালো করে শেখেনি। উল্টে যারা পড়াশোনা করেছে এরা তাদেরকে threat করেছে, নম্বর কমিয়েছে, ফেল করিয়েছে। এই বাচ্চাগুলো কি অবসাদে ভুগেছে এক সময়। নিজের থেকে অনেক অযোগ্য ছেলেমেয়েদের ভুঁড়িভুঁড়ি নম্বর পেতে দেখেছে, এগিয়ে যেতে দেখেছে, কলার উঁচু করে চলতে দেখেছে।
.
কিন্তু এবার? হিসেব কেমন উল্টে গেলো তাই না? থ্রেট চক্রের মাথারা চলে যাবে, কিছুই না শিখে ওই সরকারি চাকরি বাগিয়ে বসে থাকার আশা বোধহয় আর নেই। কম নম্বর পেয়েও যারা ডাক্তারি-টা শিখেছে তারা কিছু না কিছু ঠিক করে নেবে। কিন্তু যারা এই দাদাদের কথায় নেচে, দাদাদের ভরসায় রইলো, তাদেরকে জীবনে অনেক কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে, যে পরীক্ষার প্রস্তুতি ওরা কখনো নেয়নি।
.
তাই জুনিয়র ভাই বোনেদের বলবো যে দল ক্ষমতায় থাক আর যে দলের সমর্থক হও না কেনো, ডাক্তারি পড়তে ঢুকলে, ডাক্তারি শেখার সুযোগটা অবহেলা করো না… ডাক্তারিটা শুধু একটা ডিগ্রি পেয়েই শেষ হয়ে যায় না, আসলে তো পরীক্ষাটা শুরুই হয় ডিগ্রি পাওয়ার পরে…. Only and only your skill and knowledge can save you.











