Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

বাঁধ ভেঙে দাও……

Dam
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • June 16, 2026
  • 7:39 am
  • 4 Comments

সকলের খুব পরিচিত এক কবিতার দুটি চরণকে বদলে নিয়ে বলি – নদীকে আপন খাতে বহিবার / কেন নাহি দিবে অধিকার? বৃহত্তর মানবকল্যাণের নামে, নদীর স্বাভাবিক গতিতে বয়ে চলার আকুল আকুতিকে রুদ্ধ করে কংক্রিটের প্রাচীর তুলে দেবার দিন বোধহয় এবার শেষ হয়ে এলো! অন্ততঃ ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো থেকে তেমন‌ই এক বার্তা খুব সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়েছে গোটা দুনিয়ায়।

নদী মানেই হলো কলকলিয়ে কথা বলা এক আশ্চর্য কিশোরী যে নিরন্তর কথা বলতে ভালোবাসে, নিজের তরঙ্গ হিল্লোলে মাতিয়ে রাখে তার একান্ত গুণগ্রাহী মানুষজনের মন। সেই দুরন্ত কিশোরী তটিনীকে যদি শাসনের বেড়ি পরিয়ে আটকে রাখা হয়, তাহলে সে কথা ক‌ইবে কার সঙ্গে ?

এ্যাঞ্জেলা ওর্টিগারা, নেদারল্যান্ডের WWF এর এক বরিষ্ট আধিকারিক জানিয়েছেন – “ When a river is alive,it has a sound.”– বাধা হীন নদী যখন জীবিত, তখন সে কথা বলে, নিজের সুখ- দুঃখ, আনন্দ -বেদনার কথা। উপল বিছানো পথে চলতে চলতে সে তরঙ্গ ছন্দে মনকে ছুঁয়ে যায়। তাঁর কোল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা সবুজ বনরাজি সপ্রাণ,ঋজু ভঙ্গিতে তাঁকে অভিবাদন করে। নদী হলো জীবনের ছন্দময় প্রবাহ– It is this flow of life । গোটা ইউরোপ জুড়েই এখন এই হারিয়ে যাওয়া শব্দের অণুরণন শোনা যাচ্ছে নতুন করে। ইউরোপীয় মানুষজনের কাছে এ এক আনন্দের মুহূর্ত।

এনভায়রনমেন্টাল কোয়ালিশন গ্রুপ, যাঁরা ইউরোপে নদীর পথ আগলে থাকা বাঁধগুলোকে সরিয়ে দেবার কাজ করছে, জানিয়েছে ফেলে আসা বছরে সমগ্র ইউরোপ মহাদেশের নদীগুলোর ওপর থেকে রেকর্ড সংখ্যক ৬০৩ টি বাধা ভেঙে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে এর ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নদীর স্বাভাবিক গতিতে বয়ে চলার ওপর কতটা প্রভাব ফেলছে তা বুঝে নেওয়া সহজ হবে।নদীতে বাঁধ দিয়ে তাকে বেঁধে ইতিহাস নেহাৎই একালের তা মনে করার কিন্তু কারণ নেই। নদী হলো প্রাকৃতিক জলের বহমান উৎস। জল ছাড়া জীবন অচল। সুতরাং জলের ওপর অধিকার কায়েম করতে বহুকাল আগে থেকেই মানুষ উদ্যোগী হয়েছে। বাঁধের পেছনে ধরে রাখা জলে সে নানান প্রয়োজন মিটিয়েছে ,কুল ছাপানো বন্যার হাত থেকে রক্ষা করেছে নিজেদের কৃষি জমি, বসতি এলাকা। এই মুহূর্তে পৃথিবীতে প্রায় ৫০০০০ বাঁধ জলধরার কাজে সক্রিয় রয়েছে।

পৃথিবীর প্রাচীনতম নদী বাঁধের নির্মাণ হয়েছিল প্রাচীন জর্ডানে, জাওয়া বাঁধ, খৃষ্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে। তখন তার পরিচিতি ছিল মেসোপটেমিয়া হিসেবে। বিশ্ব যুদ্ধের পরবর্তী সময়ে নতুন উদ্যমে বিভিন্ন পরিকল্পনায় বড়ো বড়ো নদী বাঁধ তৈরির কাজ শুরু হয় নানা দেশে। স্বাধীনতা লাভের পর এই দেশেও শুরু হলো নদীতে বাঁধ বাঁধার কাজ। দামোদর আর তার সহযোগী নদ নদীর ওপর বাঁধ দিয়ে দুরন্ত নদকে শান্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হলো। শতদ্রুর ওপর তৈরি করা হলো সুবিশাল ভাখরা নাঙাল বাঁধ। আর তারপর নাগাড়ে চললো দেশের সব জলধারাকে বাঁধ বন্দী করার খেলা।ইউরোপীয় সংস্থাটি জানিয়েছে যে ২০২৫ সালে নদীর স্বাভাবিক গতিপথকে আগলে রাখতে যত বাধা মানুষ একসময় উন্নয়নের দোহাই দিয়ে খাড়া করেছিল তার সবটাই আজ ভেঙে ফেলছে দেশগুলোর পরিকল্পকরা। বিগত বছরের তুলনায় ২০২৫ সালে এই কাজ প্রায় ১১% বৃদ্ধি পেয়েছে। গতবছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১০০ টির মতো বাঁধ ভেঙে ফেলা হয়েছে। পিছিয়ে নেই আরেক শক্তিধর দেশ চিন। তাঁরাও ইয়াংসি নদীর ওপর তৈরি হ‌ওয়া শতাধিক বাঁধ ভেঙে ফেলে নদীকে আপন পথে চলার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে। বেশ কয়েকবছর আগে থেকেই চিন নদী পথে অতি বৃহৎ বাঁধ তৈরির ভাবনা থেকে সরে এসেছে।

বাঁধের বাঁধন শিথিল করে দেবার ফলে নদীগুলো তাদের দীর্ঘ বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে আবার পুরনো ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে। এতোদিন অভিযোগ উঠেছিল যে অববাহিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে এভাবে নদীতে বাঁধ দিতে গিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে ফেলা হয়েছে, বিপন্নতার শিকার হয়েছ ওই সব এলাকায় বসবাসরত বন্যপ্রাণিরা। এরফলে ঐসব প্রত্যন্ত অঞ্চলের বাস্তুতান্ত্রিক ভারসাম্য পরিবর্তিত হয়েছে, নদীর বয়ে আনা পলি যা নিম্ন অববাহিকার মাটিকে উর্বর, শস্য শ্যামলা করতো তার জোগানে টান পড়েছে, নদীর জলে গা ভিজিয়ে পরমানন্দে বসবাস করতো যে সমস্ত মিঠা জলের মাছেরা তাদের বংশ লোপ পেয়েছে। ইউরোপের নদীগুলোতে বসবাসরত মিঠাজলের পরিযায়ী মাছেদের প্রায় ৭৫% , বিগত সাড়ে পাঁচ দশকের মধ্যে হারিয়ে গেছে। এটা এক বড়ো মাপের ক্ষতি, সন্দেহ নেই।এ পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্গত দেশগুলোর ৩৭৪০ কিঃমিঃ দীর্ঘ নদীপথকে বাঁধ মুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এরফলে নদীগুলোর আন্ত সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। এভাবে বাঁধ অপসারণের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে মহাদেশের ২৪৯৪৫ কিঃমিঃ দীর্ঘ নদীপথকে আবার বাধামুক্ত স্বাভাবিক প্রবাহ পথেই বয়ে চলার লক্ষমাত্রা ধার্য করা হয়েছে।

তবে এই ভেঙে ফেলার কাজটিও যে খুব সহজেই করে ফেলা যাবে তা কিন্তু নয়। বাঁধ ভাঙার ফলে পরিবেশের ওপর তার কী ধরনের প্রভাব পড়বে তার পুনর্মূল্যায়নের প্রয়োজন রয়েছে। বিশদে খতিয়ে দেখতে হবে প্রযুক্তিগত নানান খুঁটিনাটি বিষয় – কীভাবে ভাঙ্গা হবে, কোন্ উপায়ে ভাঙ্গা হলে তার ক্ষয়ক্ষতি কম হবে, সাশ্রয়ী হবে ইত্যাদি। বাঁধের মালিক ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে জড়িত মানুষদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করতে হবে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে। এতো আর বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া নয়!

পাশাপাশি পর্যবেক্ষণ করে দেখতে হবে বাঁধ ভাঙার ফলে নদী খাতে পলির জোগান কতটা বাড়বে? নদী খাত সেই পলল ভার সইতে পারবে কিনা? বাঁধ ভাঙার ফলে নদীগুলোতে জলের প্রবাহ মাত্রা বেড়ে গেলে তা নদীর পাড়ে কী ধরনের প্রভাব ফেলবে?– এইসব জটিল প্রশ্ন। বাঁধ ভাঙার ফলে বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য কতটা বজায় থাকবে বা তার ওপর কী প্রভাব পড়বে সেই সব বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষণ করতে হবে সবাইকে যাতে কোনো নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে।বাঁধ ভাঙার বিষয়টি নিয়ে একদল মানুষ যত‌ই উচ্ছ্বসিত হোকনা কেন, এই বিষয়ে সমালোচনাও কম হচ্ছে না। নদীর বুকে বাঁধ তৈরি করে জল ধরে রেখে তাকে সেচের কাজে লাগিয়ে কৃষির উৎপাদনকে বাড়ানো সম্ভব হয়েছে অনেকটাই। কৃষিজীবীদের আশঙ্কা, এভাবে বাঁধ ভাঙার ফলে তাঁদের কৃষি উৎপাদন কমে যাবে,টান পড়বে আয়ের ওপর। গ্রামীণ মানুষেরা এর ফলে ক্ষতির মুখে পড়বেন, চলতি ভূমি ব্যবহার ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

একদল গবেষক সমীক্ষা চালিয়ে দেখেছেন যে বাঁধ থাকার ফলে অনেক আগ্রাসী প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণির অনুপ্রবেশকে ঠেকানো সম্ভব হয়েছে। বাঁধ ভাঙার ফলে এদের বিস্তার সহজ হবে যা কখনোই বাঞ্ছনীয় নয়। নদীর নাব্যতার পরিবর্তন ঘটলে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে অনেক নদীই সুলভ পরিবহন মাধ্যম হিসেবে তাদের সুবিধা হারাবে।তবে অযথা হুড়োহুড়ি না করে, সবদিক আরও অনুপুঙ্খভাবে বিচার করে নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ পথের পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হলে তা যথার্থই সুফলদায়ী হবে বলেই মনে করছেন অনেকেই। আমাদের আশাবাদী হতে হবে এই প্রকল্পের সফলতা বিষয়ে। গ্রহণ ও বর্জন , ভাঙন ও  পুনর্নির্মাণের মধ্য দিয়েই মানুষের সভ্যতা এগিয়েছে এতোদিন ধরে। পথ চলতে চলতেই নতুন নতুন পথের সন্ধান করেছে মানুষ। এও হয়তো এক নতুন পথ খোঁজার প্রচেষ্টা।

জুন ৭,২০২৬

PrevPreviousঅভয়া মঞ্চের অনীক-স্মরণ
Nextঅভয়া মঞ্চ: রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকাল মৃত্যুর বিচার চেয়ে সীমা মুখোপাধ্যায়Next
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
4 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
আশীষ
আশীষ
3 months ago

আমাদের দেশে কাজটি আপনি শুরু করুন, স‍্যার😃

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  আশীষ
3 months ago

শুরু তো একজন না একজনকে করতেই হবে, সেটা আমি করি বা আপনি। সমস্যা সেখানে নয় । সমস্যা তাগিদ আর প্রয়োজনীয়তার।

0
Reply
Soumen Roy
Soumen Roy
3 months ago

প্রাচীন সভ্যতাগুলোর বিকাশে বড় ভূমিকা ছিল নদী বাঁধের ( আধুনিক বাঁধ নয়)। তাই কাজটি ধীরে সুস্থে ,ফলাফল পর্যবেক্ষণ করে এগানো উচিত। লেখকও সেই কথাই বলেছেন।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
2 months ago

এই মুহূর্তে নদীর ওপর বাঁধ ভাঙার কাজ ইউরোপ, আমেরিকা এবং আমাদের প্রতিবেশী চিন দেশেই সীমাবদ্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে। যখন নদীর জল আটকে মানুষ বাঁধ দিয়েছিল তখন‌ও তার মধ্যে এক ধরনের ভাবনা কাজ করেছিল,আজ ভাঙতে গিয়েও কিছু ভাবনা চিন্তা বিশ্লেষণ চলছে তাদের মনে। নদীকে নিজের ইচ্ছেমতো ব‌ইতে দেবার দাবিতে সোচ্চার হচ্ছেন অনেকে। লাভ ক্ষতির হিসাব কষেই এই কাজে হাত দেবেন সংশ্লিষ্ট দেশের বিশেষজ্ঞরা।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

নেপালে রিলিফ যাত্রা

September 16, 2026 No Comments

সুন্দর আর অসুন্দর একসঙ্গে জড়িয়ে থাকে। নুয়াকোটে নির্দিষ্ট যে এলাকায় আমাদের যাওয়ার ছিল, সেখানে পৌঁছাতে পৌঁছাতেই রাত প্রায়‌ ১০ টা। মাথার উপর গাড় নীল আকাশ

“আজও প্রাসঙ্গিক”

September 16, 2026 No Comments

আজ আপনাদের মাঙ্গা বুকস এর গল্প শোনাবো। এই বই হল এক ধরণের “ছবিতে গল্প” এর বই চলতি কথায় আমরা যাকে “কমিকস” বা গ্রাফিক নভেল” বলি।

রেডিওথেরাপি শুরুর গল্প

September 16, 2026 No Comments

বায়ুহীন কাচের টিউবের মধ্যে দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ পার করালে কী কী হতে পারে, সেসব নিয়ে গবেষণা করতে করতে খানিকটা অপ্রত্যাশিতভাবেই উইলহেম কনরাড রন্টজেন যে এক্স-রে আবিষ্কার

আজকের ডাক্তারী পঠন-পাঠন

September 15, 2026 No Comments

আমরা যখন মেডিক্যাল কলেজে ঢুকি, তখন আমরা গল্প শুনেছিলাম স্যারদের থেকে যে তাঁরা যখন ছাত্র ছিলেন, তখন তাঁরা মেডিক্যাল কলেজে পড়তে আসতেন পার্শ্ববর্তী অন্যান্য কলেজ

স্মৃতিভ্রষ্টতার সমস্যা এবং আমাদের পাড়ার ভটচাজদা

September 15, 2026 No Comments

১. স্মৃতিভ্রষ্টতা বা ডিমেনশিয়া রোগের কথাটা নতুন করে শোনা হলো ভটচাজ দার সূত্রে। আমার প্রতিবেশী মানুষ। আমাদের বাড়ি থেকে একটা গলি বাদ দিয়ে পাশের গলিতে

সাম্প্রতিক পোস্ট

নেপালে রিলিফ যাত্রা

Piyali Dey Biswas September 16, 2026

“আজও প্রাসঙ্গিক”

Dr. Samudra Sengupta September 16, 2026

রেডিওথেরাপি শুরুর গল্প

Dr. Bishan Basu September 16, 2026

আজকের ডাক্তারী পঠন-পাঠন

Dr. Subhanshu Pal September 15, 2026

স্মৃতিভ্রষ্টতার সমস্যা এবং আমাদের পাড়ার ভটচাজদা

Somnath Mukhopadhyay September 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

675957
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]