অ্যাডাম যেদিন ম্যাডাম পাবে সেদিন থেকেই ফ্রীডম
যাবে,
হর ঘরে এই এক কাহিনী, হয় না বদল কোনো ভাবে,
মজার ব্যাপার , ম্যাডামদের এই একই সওয়াল করলে পরে,
ভাব দেখাবেন সংসারে তার বাস আজীবন হাজতঘরে।
এই ধরো না , এই ঘরে রাই নেপোলিয়ন আর হিটলারও,
( মোগল কারো নাম নেবো না, ঝকমারি আজ হয় হাজারো)
আমি নেহাত বাধ্য প্রজা , জো-হুকুমে সটান খাড়া,
কিন্তু তাকে খুশি করা হয় না মোটেই আমার দ্বারা
তিরিশ বছর ঘষটে নাকি পাশ মার্কই পাইনি আজও
হায় কমেনি বেলাশেষেও বৌ-ম্যাডামের কথার ঝাঁঝও
কিন্তু যদি জিগেস করো কেউ কখনো রাইকে গিয়ে,
জবাব পাবে যাবজ্জীবন জেলের আরেক নামই বিয়ে
‘ ওদের তবু প্যারোল আছে, কেউ বা খালাস চোদ্দ সালে,
খাটনি বাঁদির সারা জীবন , বর থেকে যায় রাজার হালে।
মিথ্যে তবু বলবো না ভাই, ভালোই লাগে রাণীর শাসন,
পরের জন্ম থাকেই যদি, চাই না কোনো পুনর্বাসন।
শাস্তি কেবল গঞ্জনা আর হালকা চোপার জুলুমবাজি
কাজী পাওয়া যাক বা না যাক, ফের শাদিতে মিঞা রাজি,
আরে বাবা, পুরনো বৌ ঝাড়েও জেনো এক স্টাইলে
কিসের পরে বলবে কী সে, বললে যাবে সবই মিলে।
একটা শুধু সওয়াল আছে, জবাব যেটার ঠিক জানি না,
রাই কে যদি অফারটা দাও, আমায় আবার বাছবে কিনা।
বাঁদর-গলায় মুক্তোমালা শুরু থেকেই আসছি শুনে,
রাই তা শুনেও গা করে না , নেহাত আমার কপালগুণে
একদিন তো এমন শুনে প্রায় গিয়েছি মারতে তাকে
ধমকিয়ে রাই যেই বলেছে, কী আসে যায় লোক কী ডাকে
দিলাম বলে যায় আসে খুব, এতই করি বৌকে কদর,
ভীষণ রকম খারাপ লাগে তোমাকে কেউ বললে বাঁদর
রাই তাকালো এমনি করে , বদ্ধ পাগল দেখছে যেন,
মনের কথা বললে পরে বউ যে করে এমন কেন!
সেই ঘটনার পরের থেকেই বাড়লো এমন বিবির ইগো
চোখে আঙুল দিয়ে বোঝায় কে মুক্তো কে শাখামৃগ।
কাজেই ভীষণ সামলে চলি, আর করি না কোনো জোকই,
রাইকে আবার খেপিয়ে দিয়ে ধনেপ্রাণে খুন হবে কি!
ফ্রীডম বাকি অ্যাডাম ভাবুন, ইনডিপেন্ডেন্স লাভ না জেনে,
আমার জন্য ডিপেন্ডেন্সে ইন-টা জোড়া এক হাইফেনে,
ইন-ডিপেন্ডেন্স অফ মাই ওয়াইফ, এমন ভাবেই ভালো লেখা,
শব্দটা এক করা বারণ, রাইয়ের কাছে ঠেকে শেখা।
কপালজোরে মুক্তোমালা এই বাঁদরের নিলো ঠেকা, ফ্রীডম নিয়ে করবোটা কী ল্যাজ নাড়িয়ে ঘরে একা।











