**হ্যালো গাইজ** 🐃🐃🐃
আজ মা মনসার পূজা। যে ক’জন দেব-দেবীর সাথে আমার আত্মিক সম্পর্ক, যাদের আমি ভক্তি ভরে প্রত্যহ প্রণাম করি, মা মনসা তাঁদের একজন।
মনসা মঙ্গল কাব্য শ্রেষ্ঠ মঙ্গলকাব্য।
আহা, কীসব ক্যারেক্টার। কীসব ডায়লগ।
“যে হাতে পুজেছি আমি শিব শূলপাণি, সেই হাতে পূজবো না চ্যাংমুড়ি কানি”।
একজন মানুষ চাঁদ সাওদাগর একজন দেবীকে বলছেন এই কথা। ভাবা যায়।
তারপরও দেবী সেই সাধারণ মানুষকে ভস্ম করে দিচ্ছেন না। বরঞ্চ আকুতি জানাচ্ছেন- একটিবার, শুধু একটিবার আমার পুজো করো। সে পুজো যতই অসম্মানের হোক।
তারপর এলো বেহুলা লক্ষিন্দর।
“দেখেছিল; বেহুলাও একদিন গাঙুড়ের জলে ভেলা নিয়ে –
কৃষ্ণা-দ্বাদশীর জোৎস্না যখন মরিয়া গেছে নদীর চড়ায় –
সোনালি ধানের পাশে অসংখ্য অশ্বত্থ বট দেখেছিল, হায়,
শ্যামার নরম গান শুনেছিল – একদিন অমরায় গিয়ে
ছিন্ন খঞ্জনার মতো যখন সে নেচেছিল ইন্দ্রের সভায়
বাংলার নদ-নদী-ভাঁটফুল ঘুঙুরের মতো তার কেঁদেছিল পায়।”
মা মনসার কথা শুনলেই অনিবার্যভাবে এই দৃশ্য ভেসে ওঠে। বেহুলা এক আশ্চর্য মেয়ে।
মা মনসা এক আশ্চর্য দেবী।
তাই আমি মা মনসার প্রসাদ ভক্তি ভরে খাই। এই খুপরিজীবি ডাক্তারের ভাগ্যেও দু- তিনটে পুজোর নেমন্তন্ন জুটে যায়। হয়তো যাওয়া সম্ভব হয় না, কিন্তু খিচুড়ি পায়েস, লাবড়া সব বাড়ি চলে আসে।
এবার খেতে খেতে একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা বলে যাই গাইস🐄🐄🐄🐄🐄
মা মনসা স্বয়ং স্বপ্নে এসে বলে গেছেন সাপে যদি কামড়ায়, তাহলে সাথে সাথে সরকারি হাসপাতালে যেতে হবে।
আর বিষাক্ত সাপ যদি কামড়ায়, ডাক্তারবাবু যদি সেরকম অনুমান করেন, তাহলে প্রথম ১০০ মিনিটে ১০০ ইউনিট এন্টি স্নেক ভেনম দিতে হবে৷
সাপের কামড়ে আর একটিও মৃত্যু নয়।🪱🪱🪱🪱











