Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

মন্বন্তরে মরি নি আমরা মারী নিয়ে ঘর করি

IMG-20200120-WA0062
Dr. Jayanta Bhattacharya

Dr. Jayanta Bhattacharya

General physician
My Other Posts
  • March 31, 2020
  • 8:35 am
  • 5 Comments

উইলিয়াম ডারলিম্পল জানিয়েছেন একেবারে শুরুতে যে ভারতীয় স্ল্যাং ইংরেজি ভাষায় ঢুকে পড়ে তাহল “লুট”। এ শব্দটির এমনই সামাজিক-অর্থনৈতিক মহিমা যে ক্লাইভের স্ত্রী ভারত থেকে তখনকার মূল্যের ২০০,০০০ পাউন্ডের রত্ন নিয়ে যান। আর খোদ ক্লাইভ সব মিলিয়ে ১,২০০,০০০ পাউন্ড। তো লুটের লোভে গরম, জলাভূমি, মশাভর্তি দেশে ঘাঁটি গেড়ে বসার পরে কিছু দুর্বিপাক শুরু হল। তার মধ্যে প্রধান হল বেশ কয়েকটি মহামারী।

আজ হতে ১০০ বছর আগে ১৯১৮-১৯ সালে ২০২০-র করোনাভাইরাস অতিমারীর মতোই উপনিবেশিক ভারতের শাসক সমাজ কেঁপে উঠেছিল বলা যায়। ভারতে ১৯১৮ সালে শুরু হল অতিমারী ইনফ্লুয়েঞ্জা। এর উৎস সেসময়ের অতিমারী “স্প্যানিশ ফ্লু”। তৎকালীন বোম্বেতে ১৮ জুন, ১৯১৮-তে ফ্লু আক্রান্ত নাবিকদের নিয়ে একটি জাহাজ এলো (এখন উড়োজাহাজ আসে) এবং মহামারী ছড়ালো। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যত সৈনিক মারা গিয়েছিল তার চেয়ে বেশি, প্রায় দু কোটি, মানুষ মারা গেলো। ভারতীয় জনসংখ্যার ৬% প্রাণ হারালো। জুনের পরে সেপ্টেম্বরে আবার এর সক্রিয় আক্রমণ শুরু হলো। ১৯১৯ অব্দি চললো ধ্বংস লীলা। উপনিবেশিক ভারতের ৯টি প্রদেশ এবং ২৩১টিরও বেশি জেলা আক্রান্ত হয়েছিল। সেসময়ে গাঁধি বলেছিলেন বেঁচে থাকার সমস্ত ইচ্ছে চলে যাচ্ছে। নামী হিন্দী লেখক সুর্যকান্ত ত্রিপাঠির স্ত্রী মারা গেলেন ইনফ্লুয়েঞ্জায়। সেসময় টাইমস অফ ইন্ডিয়াতে বারংবার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ভিড় এড়িয়ে চলতে, আক্রান্তের সংস্পর্শে না আসতে। আজকের করোনাভাইরাস অতিমারীর সাথে কোন মিল পাওয়া যাচ্ছে?

এ মহামারীর সময়ে আরেকটা ঘটনা ঘটেছিল। হেলথ ইন্সপেক্টর জে এস টার্নারের পর্যবেক্ষণ ছিল বোম্বে ডকের ঐ জাহাজ থেকে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। কিন্তু উপনিবেশিক কর্তাদের দৃঢ় সিদ্ধান্ত ছিল ভারতবাসীর মধ্য থেকেই এই রোগ ছড়িয়েছে। ভারতকে শাসন করেছে ব্রিটিশ শক্তি, কিন্তু সবসময়েই ভারতকে “সভ্য” ইংল্যান্ডের “অপর” হিসেবে নির্মাণ করেছে, যেখানে সমস্ত রোগ এবং কুশ্রীতার উৎস নিহিত আছে। স্প্যানিশ ফ্লু প্রতিসৃত হয়ে ভারতের রোগ হল। এমনকি এ ভাবনাও কাজ করেছে যে ভারত থেকে প্রত্যাগত সমস্ত সৈনিক, মিশনারি এবং অন্যান্যরা যেন এ রোগ নিজেদের দেহে “রেজিস্টার” করে ঘরে ফিরছে।

ডেভিড আর্নল্ড তাঁর সুবিখ্যাত গ্রন্থ কলোনাইজিং দ্য বডিঃ স্টেট মেডিসিন অ্যান্ড এপিডেমিক ডিজিজেস ইন ইন্ডিয়া-তে তিনটি প্রধান মহামারি নিয়ে আলোচনা করেছেন – স্মল পক্স, কলেরা এবং প্লেগ।

স্মল পক্সকে ব্রিটিশরা “ভারতের দৈব অভিশাপ” বলে অভিহিত করেছিল। অন্য সমস্ত রোগ মিলিয়ে যত মৃত্যু হত এক স্মল পক্সেই মৃত্যুর সংখ্যা তার চেয়ে বেশি ছিল। প্রাক-১৮৭০ নির্ভরযোগ্য তথ্য না থাকলেও অনুমান করা হয় ৩০ লক্ষের বেশি জনসংখ্যার কলকাতা শহরে ১৮৩৭ থেকে ১৮৫১ সালের মধ্যে ১১,০০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল (এর মধ্যে ১৮৪৯-৫০-এ মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৬,১০০)। এবং ১৮০২ সালে জেনারের ভ্যাক্সিন প্রয়োগের পরের চিত্র এটা। এখানে উল্লেখ্য যে স্মল পক্সের টিকা দেবার একটি দেশজ পদ্ধতি যাকে চিকিৎসার পরিভাষায় ভ্যারিওলেশন বলা হত তা ভারতের মূলত গ্রামীণ অঞ্চলে এবং শহরাঞ্চলেও চালু ছিল। এমনকি উপনিবেশিক রাষ্ট্রের তরফেও এ পদ্ধতিকে একটি সময় পর্যন্ত উৎসাহিত করা হয়েছে। জেনারের আবিষ্কৃত টিকা (ভ্যাক্সিনেশন) ভারতে আসার পরে এ চিত্র আমূল বদলে যায়। ১৮০২ থেকে ১৮০৪ সালের মধ্যে ১৪৫,০০০ মানুষকে ভ্যাক্সিন দেওয়া হয়। ১৮০০ থেকে ১৮০২ সালের মধ্যে ভ্যারিওলেশনের সংখ্যা ২৬,০০০, অর্থাৎ ভ্যাক্সিনেশনের এক-চতুর্থাংশ।

ভ্যারিওলেশন বনাম ভ্যাক্সিনেশনের লড়াই একাধিক বিষয়কে সামাজিক এবং রাষ্ট্র পরিচালনার স্তরে প্রতিষ্ঠিত করল –

প্রথম, ইউরোপীয় শ্রেষ্ঠত্ব এবং ঔৎকর্ষ এতদিন সীমাবদ্ধ ছিল সার্জারিতে, এবার সেটা প্রসারিত হল মেডিসিনের জগতে; দ্বিতীয়, সবাইকে সার্বজনীন ভ্যাক্সিনেশনের আওতায় আনার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র ভারতীয় দেহের ওপরে এর অধিকার প্রতিষ্ঠা শুরু করল; তৃতীয়, রাষ্ট্রের নজরদারির বাইরে কেউ থাকতে পারবেনা এই দার্শনিক অবস্থান রাষ্ট্রিক নীতির চেহারা নিল; চতুর্থ; রাজা এবং প্রজার সম্পর্ক ধীর অথচ অমোঘ গতিতে রাষ্ট্র এবং নাগরিকের সম্পর্কে রূপান্তরিত হতে শুরু করল। সর্বোপরি, দেশজ চিকিৎসাপদ্ধতি একেবারে প্রান্তিক হয়ে উঠল। এখানে উল্লেখ করা দরকার ১৮০৬ সালে জেনার যখন ভারতে আসেন তখন বাংলা থেকে ৪,০০০ পাউন্ড তাঁকে দেওয়া হয় – উচ্চবর্গের তরফে ইউরোপীয় মেডিসিনকে বরণ করে নেবার একটি দৃষ্টান্ত। কিন্তু নিম্নবর্গের তরফে প্রতিরোধ সবসময়েই ছিল।

১৮১৭ সালে প্রথম কলেরা মহামারির পরে ১৮১৯ সালে উপনিবেশিকদের তরফে একে “সবচেয়ে ভয়ঙ্কর এবং মারণান্তক রোগ” বলা হয়। ১৮১৭ থেকে ১৮৬৫ সালের মধ্যে দেড় কোটি এবং ১৮৬৫ থেকে ১৯৪৭ সালের মধ্যে ২ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ মারা যায়। এর মধ্যে ১৮৫৪ সালে ইংল্যান্ডে জন স্নো প্রমাণ করেছেন কলেরার উৎস অশুদ্ধ জল এবং জল পরিবহনের দূষিত ব্যবস্থা। এর অভিঘাতে এদেশে স্যানিটেশন এবং হাইজিনের ওপরে জোর পড়ে। বিভিন্ন কমিটি তৈরি হয়। এছাড়াও একাধিক প্রত্যক্ষ কারণ ছিল। একদিকে, সৈনিকেরাও মারা যাচ্ছিল এবং অন্যদিকে, ক্রম-হ্রাসমান জনসংখ্যা সরকারের রেভেন্যু আদায় নির্মমভাবে কমিয়ে দিচ্ছিল। কলেরার মতো মারণ রোগ প্রতিহত করার মধ্য দিয়ে মেডিসিন সাম্রাজ্যবাদের মানবিক মুখ হয়ে উঠল। আরও দুটি ঘটনার জন্ম দিল কলেরা – প্রথম, কলেরায় মৃত অজ্ঞাত পরিচয় ভারতীয় দেহের শবব্যবচ্ছেদ হল – আধুনিক মেডিসিনের ঔৎকর্ষ এবং রোগের অঙ্গ-স্থানিকতা আরেকবার দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হল; দ্বিতীয়, ১৮৬৭—র পরে বাণিজ্যিক কারণে সুয়েজ খালে কোয়ারান্টাইন এড়ানোর জন্য ব্রিটিশরা কলেরাকে বলছিল ডায়ারিয়াল ডিজিজেজ। পলিসির এই পরিবর্তনে কলেরা সংক্রান্ত গবেষণা থমকে গেল।

কলেরা আন্তর্জাতিকভাবে গ্রাহ্য রোগ ছিল। কিন্তু প্লেগের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার ভয় ছিল। প্লেগে মৃত্যুর হার একসময়ে ১০০০-এ ৪১.৩ ছিল। প্লেগ নিবারণের জন্য রাষ্ট্রের তরফে যেসব দানবীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল তার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের দাঙ্গা পর্যন্ত হয়। ভারতবর্ষে সর্বমোট মৃত্যুর সংখ্যা ৯ লক্ষের কাছাকাছি পৌঁছয়। কিন্তু রাষ্ট্রের তরফে অনুগত, বাধ্য এবং নিয়ম-মেনে-নিতে অভ্যস্ত নাগরিক তৈরির প্রক্রিয়া চলতেই থাকে। অনেকাংশে সফলও হয়।

সবশেষে, প্লেগ শুরু হবার পরে ১৮৯৭ সালে যে এপিডেমিক ডিজিজেজ অ্যাক্ট চালু করা হয় তার প্রাসঙ্গিকতা ২০২০ সালেও রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিহত করার জন্য এই অ্যাক্ট আবার চালু করেছে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রেও রয়েছে অপরিবর্তিত উপনিবেশিক আইন।

(এই রচনার এক পরিবর্তিত রূপ আনন্দবাজার পত্রিকা, নদীয়া সংস্করণ, ২৩.০৩.২০২০-এ প্রকাশিত হয়েছে।)

PrevPreviousOne Pandemic, Many Possibilities
Nextমারীর দেশের বাতিওয়ালাNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
5 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
AVIK MUKHERJEE
AVIK MUKHERJEE
6 years ago

দারুণ লাগল এই প্রতিবেদনটি। হিন্দি লেখকের পেন-নেমটা ইউজ করলে হয়তো আরও সহজে চেনা যেত — নিরালা। আপনাদের লেখাগুলো খুব মন দিয়েপড়ি। ?

0
Reply
Sudipta Basu
Sudipta Basu
4 years ago

অসাধারন প্রতিবেদন, খুব ভালো লাগলো

0
Reply
Sarmishtha Chanda
Sarmishtha Chanda
4 years ago

বেশ ভালো লাগলো ইতিহাসের তরণী বেয়ে মহামারিকে ফিরে দেখা ,বাড়তি পাওনা,,,,, রাষ্ট্রের নজরদারির ভিত্তিস্থাপন।

0
Reply
Soumya Chakraborty
Soumya Chakraborty
4 years ago

Excelent one sir

0
Reply
দেবব্রত গোস্বামী
দেবব্রত গোস্বামী
4 years ago

এটা বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া দরকার। তথ্যসমৃদ্ধ লেখা।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

প্রান্তিক মানুষের উন্নয়ন বলতে জীবনযাত্রার উন্নয়ন

April 28, 2026 No Comments

‘আনন্দবাজার পত্রিকা’-য় আমার এই চিঠিটি প্রকাশিত হয়েছে। ছবি থেকে লেখাটা পড়া মুশকিল, তাই এখানে মূল লেখার পুরোটাই দিয়ে রাখছি। খবরের কাগজে প্রকাশের সময়, স্থানসঙ্কুলানের জন্যই,

প্রতিবাদ ও চরমপত্র

April 28, 2026 No Comments

চিকিৎসক ডঃ তাপস প্রামাণিকের অনৈতিক, মানহানিকর এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আচরণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ। ​১. ধারাবাহিক অসদাচরণের প্রেক্ষাপট: জেপিডি-র অভিযোগ অনুযায়ী, আর.জি.কর মেডিকেল কলেজের সরকারি চিকিৎসক

ভোট ও ভোটার

April 28, 2026 No Comments

গত দুটো সন্ধেতে গোটা শহরটা দাঁড়িয়ে গিয়েছিলো, ঠিক যেন কেউ ‘চাক্কা জ‍্যাম’ ডেকেছিলো, রাস্তায় রাস্তায় পুলিশ, প্রতিটি মোড়ে ‘নাকাবন্দি’, ড্রোন থেকে দেখলে রিকশা-বাইক-উবের-প্রাইভেট-ছোটাহাতি-বাসের অবস্থানে মনে

।। লক্ষ মানুষের নিষ্ফল বেদনা।।

April 27, 2026 No Comments

একজন বৈধ নাগরিক, রাষ্ট্রের মর্জি অনুযায়ী কোনো একটা নির্বাচনে ভোট দেবে আবার কোনোটাতে ভোট দিতে পারবে না, এটা হতে পারে? লক্ষ লক্ষ নাগরিক যাদের আচমকা

খরতাপ ও কিছু গভীর আশঙ্কা

April 27, 2026 No Comments

যাব, যাব করেও আর যাওয়া হয়ে উঠছিল না। রোজ‌ই একটা না একটা ছুতোয় নিজেকে গুটিয়ে রাখছিলাম ইচ্ছে করেই। মনের এই দোনোমনা ভাবটা আগাম আঁচ করতে

সাম্প্রতিক পোস্ট

প্রান্তিক মানুষের উন্নয়ন বলতে জীবনযাত্রার উন্নয়ন

Dr. Bishan Basu April 28, 2026

প্রতিবাদ ও চরমপত্র

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 28, 2026

ভোট ও ভোটার

Arya Tirtha April 28, 2026

।। লক্ষ মানুষের নিষ্ফল বেদনা।।

Pallab Kirtania April 27, 2026

খরতাপ ও কিছু গভীর আশঙ্কা

Somnath Mukhopadhyay April 27, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

619869
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]