Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

আশ্বিনের প্রাক শারদীয়া সন্ধে

846594053_4508569422790012_7930080764718086685_n
Dr. Sukanya Bandopadhyay

Dr. Sukanya Bandopadhyay

Medical Officer, Immuno-Hematology and Blood Bank, MCH
My Other Posts
  • October 17, 2026
  • 6:36 am
  • No Comments
আশ্বিনের প্রাক শারদীয়া সন্ধে, বুধবার
অনেকদিন ডায়েরি লেখা হয়নি। বিষয়বস্তুর অভাব ঘটেনি, মনকে সংহত করতে অপারগ হয়েছি।
পথে আলো, ঘাটে আলো, হাটে-বাটে-মাঠে আলো, আকাশে বাতাসে ঈশ্বর তথা মনুষ্যসৃষ্ট হাজার আলোকমঞ্জীরের অভিঘাতে চোখ এবং মন দুই-ই ধাঁধিয়ে গিয়েছে।
আচ্ছা, ঠিক যে ভাষায় ও ভঙ্গিতে আজ আমার মনের ভাব প্রকাশ করছি, দশ বছর পরে পশ্চিমবাংলায় এমন করে কেউ ডায়েরি লিখবে? এমন উদ্ভট সব শব্দমালা গেঁথে গেঁথে ভরিয়ে তুলবে লেখার সাজি? সংশয় হয়।
গতকাল সন্ধেবেলা আলোকিত রেড রোড ধরে আসতে আসতে রাজ্যের প্রতিটি জেলার সুচিত্রিত এবং সুসজ্জিত ফ্লেক্স চোখে পড়ল রাস্তার দু’ধারে। উত্তর দিনাজপুর নামটি দেখে চোখ অজান্তেই ঝাপসা হয়ে গেল। অথচ নিশ্চিত জানি, মানসপটে যে গ্রাম্য, পিছিয়ে পড়া জেলাটি তার সমস্ত সীমাবদ্ধতা নিয়ে পরম মমতায় সারাজীবনের জন্য আঁকা হয়ে গিয়েছে, তার সঙ্গে বর্তমান উন্নত উত্তর দিনাজপুরের বিশেষ সাদৃশ্য নেই। তাতে কী?
এখনও দুর্গাপুজো বলতে বাবার সঙ্গে রিকশায় যেতে যেতে আধো অন্ধকার বিটি রোডের ধারে সবুজ টিউবলাইট আর রঙবেরঙের টুনিবাল্বে সাজানো ন্যাশনাল টোব্যাকোর মাঠের মৃন্ময়ী মায়ের মুখই প্রথম ভেসে ওঠে মনে।
কলেজজীবনে পুজোর একটা দিনে মায়ের সঙ্গে মিল কোয়ার্টার থেকে রিকশা করে আশেপাশের ঠাকুর দেখা ছিল অবশ্যকর্তব্য – রিকশাওয়ালা ঘন্টা পিছু কত করে নিত আজ আর মনে নেই।
কালিয়াগঞ্জেও পুজোয় মাকে নিয়ে বেরোতাম – দাসমুন্সি বাড়ির একচালার প্রতিমা, শেঠকলোনির জগমগে বোম্বাই অনুকরণের আলোকসম্পাতের সঙ্গতে আধুনিক দেবীমূর্তি, মহেন্দ্রগঞ্জ আর ইশকুলপাড়ার সাবেকি ঠাকুর – সব দেখার বাহন সেই একই, রিকশা।
সারদাপার্কে এসেছি তিরিশ বছর হয়ে গেল। বাবা যে বছর চলে গেল, সেই বছরই শেষবার মাকে নিয়ে রিকশা চেপে দুর্গাঠাকুর দেখা আমার। শিবরামপুর ক্লাব, কেঠোপোল সম্মিলনী, শকুন্তলা পার্ক এভারগ্রিন ছাড়িয়ে রায়দিঘির শীতলামন্দির অবধি গিয়েছিলাম মনে আছে। ফেরার পথে রাস্তার ধারের দোকান থেকে চিলিচিকেন কিনে নিয়ে আসা হয়েছিল, রাতে রুটির সঙ্গে খেয়েছিলাম তিনজনে। সেটা ছিল অষ্টমী। দশমীতে টিভির মেট্রো চ্যানেলে দেখিয়েছিল ‘সোনার কেল্লা’। তিনজনে বসার ঘরে থেবড়ে বসে বহুবার দেখা ছবি দেখেছিলাম একসঙ্গে – শেষবারের মতো।
একাদশীতে বাবা ভর্তি হতে গেল হাসপাতালে। সেটা অক্টোবরের চব্বিশ তারিখ। এগারো দিন পরে ছুটি হয়ে গেল বাবার – বোহেমিয়ান বুড়ো চলে গেল নিরুদ্দেশে।
আর কখনও রিকশা চড়ে ঠাকুর দেখা হয়নি আমার। রিকশার সংখ্যাই কমে গিয়েছে কত।
নিজের সাধের চারচাকা কেনার আগে, বেহালা চৌরাস্তা থেকে অটোতে এসে বেশিরভাগ দিনই নেমে পড়তাম শিবরামপুর চৌমাথায়। বাজারহাট করার থাকত কিছু না কিছু। বাড়িটা পাড়ার অনেকটা অন্দরে হওয়ায়, শিবরামপুর থেকে রিকশা নিতেই হতো। কয়েকজন চালকের সঙ্গে রীতিমতো আলাপ পরিচয় হয়ে গিয়েছিল, পারস্পরিক সুখদুঃখের গল্প হতো অনেক।
“মা এখন কেমন আছে, দিদি?”
“আপনার বাবা মস্ত বাজাড়ু ছিলেন কিন্তু, ফি রোববার আসতেন – বাড়ির গেটে নেমে আর ব্যাগ বইতে পারতেন না, আমি কতবার পৌঁছে দিয়েছি রান্নাঘর অবধি”।
“মেয়েটা এবার উচ্চমাধ্যমিকে ভাল রেজাল্ট করেছে, জানেন তো? এই যোতশিবরামপুর গার্লসে প্রথম পাঁচজনের মধ্যে আছে – ওকে বিবেকানন্দ কলেজে ভর্তি করে দেব ভাবছি। আমাদের ঘরে তো আর ডাক্তার বদ্যি তৈরি করতে পারব না – গ্র্যাজুয়েট অন্তত হোক, কী বলেন দিদি?”
ওঁদের আমি দাদা বলে সম্বোধন করতাম, ওঁরা দিদি বলেই ডাকতেন আমাকে।
আমি গাড়িটা কেনায় খুব দুঃখিত হয়েছিলেন, মনে আছে।
সেদিন শিবরামপুর চৌমাথা পেরোনোর সময় স্ট্যাণ্ডে একজন পুরোনো ‘দাদা’কে দেখতে পেলাম – পা-দানিতে বসে রয়েছেন মাথা নামিয়ে। যাপনক্লান্তি কী হরণ করে নিয়েছে তাঁর স্বপ্ন দেখার শক্তিকে? নেমে জিজ্ঞাসা করা আর হয়ে ওঠেনি। কত প্রশ্নের উত্তর এমন অজানাই থেকে যায়, যাবেও।
পুজোর জৌলুস আর রঙ, আলো আর উচ্ছ্বাস বেড়েছে না কমেছে, দেশের বিক্ষুব্ধ অস্থির আর্থসামাজিক পরিবেশে স্বস্তি আসছে না চলে যাচ্ছে, সমাজমাধ্যমে অধৈর্য ঘৃণা ও বিতণ্ডার চাষ সাময়িক না চিরস্থায়ী – এই সব কূট তর্কে যেতে চায় না উদাসীন মন।
আনন্দ কৃপণ, নিঃশব্দ পদক্ষেপে আমার আঙিনা পেরিয়ে যায় অলক্ষে – তাকে পিঁড়ি পেতে বসতে দেওয়ার তাগিদ আমারও থাকে না বড় একটা।
আমার কাছে এখন আনন্দ বলতে নীরক্ত ব্লাডব্যাঙ্ক থেকে জনাকয় থ্যালাসেমিয়ার শিশুর বরাদ্দ রক্তটুকুর জোগাড় করে দিতে পারা। সারাবছর ধরে যে কয়েকটি অভাবী মানুষ তাদের ‘অড জব’গুলি সার্থকভাবে সুসম্পন্ন করার ফলে অল্প কর্মী সম্বল করেও ব্লাডব্যাঙ্কের ঘূর্ণায়মান চাকা কখনওই অবরুদ্ধ হয় না, সেই মুন্না, শম্ভু, তারাশঙ্করদের হাতে কিছু অতিরিক্ত টাকা পুজোর উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া।
আর একা একাই দূর মফস্বলের তথাকথিত ম্যাড়মেড়ে, জাঁকজমকহীন মণ্ডপে ঘুরে ঘুরে অনামা শিল্পীদের গড়া অনুপম মাতৃমূর্তিদের মাঝে আমার গর্জনতেল মাখা শৈশব-কৈশোরকে খুঁজে ফেরা।
হে চিন্ময়ী———
নবনীলিমায় বাজে মহাভেরী
দিকে দিকে তব মাধুরী যে হেরি
সুললিত তালে তালে সুধা আনে
আলোকেরই সাথে –
হে চিন্ময়ী —
ছবি : আন্তর্জাল
PrevPreviousঅমলেন্দুভূষণ চৌধুরী এবং বাবুন চ্যাটার্জির উপর আক্রমণকারীদের শাস্তি চাই।
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

অমলেন্দুভূষণ চৌধুরী এবং বাবুন চ্যাটার্জির উপর আক্রমণকারীদের শাস্তি চাই।

October 17, 2026 No Comments

সুনীল আকাশ, সাদা পেঁজা তুলোর মত মেঘ, কাশ ফুল, ঢাকের বাদ্যের সঙ্গে পুজো সংখ্যার বই, গান ও দশভুজার প্যান্ডেলের সামনে বামপন্থীদের বইয়ের স্টল বাংলার শারদ

ইন্ডিয়ান রোড কংগ্রেস ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস নয়

October 16, 2026 No Comments

১৮৮৫ সালে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস তৈরী হয় – একথা এমনকি ডিপ-স্টেটের পে-রোলে থাকা ইতিহাসবিদরাও আমাদের জানতে দিয়েছিলেন। ঘটনা এতই পুরোনো যে এমনকি মোহনদাসজিও তখন প্রাপ্তবয়স্ক

রঙিন

October 16, 2026 No Comments

★ রঙিন ★ জীবনের ব্যাগে রঙ না থাকুক, রাস্তায় সাত রঙ বাধ্য হয়েই দ্রুতগতি যারা, মরে যা তারা বরং! বিদেশে ওরম মাল্টিকালার রাস্তা প্রচুর আছে।

क्या सिर्फ चुनाव से लोकतंत्र बच जाएगा? | सत्य सागर

October 16, 2026 No Comments

Shared from harkara

গর্ভাবস্থায় প্যান্ডেল হপিং

October 15, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

আশ্বিনের প্রাক শারদীয়া সন্ধে

Dr. Sukanya Bandopadhyay October 17, 2026

অমলেন্দুভূষণ চৌধুরী এবং বাবুন চ্যাটার্জির উপর আক্রমণকারীদের শাস্তি চাই।

Dr. Punyabrata Gun October 17, 2026

ইন্ডিয়ান রোড কংগ্রেস ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস নয়

Dr. Bishan Basu October 16, 2026

রঙিন

Dr. Arunachal Datta Choudhury October 16, 2026

क्या सिर्फ चुनाव से लोकतंत्र बच जाएगा? | सत्य सागर

Satya Sagar October 16, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

691491
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]