Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ক্রোমিয়াম ও জল দূষণের নাসিক এপিসোড

WhatsApp Image 2026-10-25 at 7.30.01 AM
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • October 28, 2026
  • 6:49 am
  • No Comments

নাসা বা নাক থেকেই নাকি নাসিক নামের উৎপত্তি। সেবার মুম্বাই যেতে গিয়ে আমাদের ট্রেন নাসিক স্টেশনে বেশ খানিকটা সময় দাঁড়িয়েছিল। নাসিকের মাটিতে ওই আমার প্রথম ও শেষ পদার্পণ। যদিও মনে মনে যত্রতত্র হাঁটাহাঁটি করতে করতে আমি কখনোসখনো নাসিকেও পা রাখি, অবসর মতো কয়েকদিন কাটিয়ে আবার মনোযানে চড়ে ফিরে আসি আমার পরিচিত আস্তানায়।

নাসিকের শরীর জুড়ে অনেক অনেক তকমা, কোনটা ছেড়ে কোনটার কথা আগে বলি ? – গোদাবরী নদী তীরবর্তী এই পুণ্যভূমিতেই নাকি শ্রীরামচন্দ্র , সীতা দেবী ও লক্ষণ বনবাসী জীবন কাটিয়েছিলেন। এখানেই রক্ষরাজ রাবণের প্রিয়তমা ভগিনী শূর্পণখার নাসিকা ছেদন করেছিলেন লক্ষণ। সেই থেকেই নাকি এই অঞ্চলের নাম হয় নাসিক। পৌরাণিক কাহিনির সঙ্গে এভাবেই জড়িয়ে আছে নাসিকের নাম।

এখানেই তো শেষ নয়। নাসিক হলো ভারতের অন্যতম পবিত্র কুম্ভমেলা স্থল। প্রয়াগরাজ ছাড়া ভারতের আর যে তিনটি জায়গায় পর্যায়ক্রমে কুম্ভমেলার আয়োজন করা হয় সেগুলো হলো  – হরিদ্বার, উজ্জয়িনী এবং অবশ্যই গোদাবরী নদী তটবর্তী নাসিক । পৌরাণিক বিচারের পাশাপাশি ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও নাসিক গুরুত্বপূর্ণ।

যদি বলি নাসিকের সঙ্গে আমার আপনার রান্নাঘরের নিত্যদিনের যোগাযোগ তাহলেও একদম ভুল বলা হবে না। নাসিক হলো ভারতের পেঁয়াজের রাজধানী বা ওনিয়ন ক্যাপিটাল। এই শহর থেকে বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ বিদেশে রপ্তানি করা হয় যা রাজ্যের কৃষি অর্থনীতির পুষ্টি সাধনে বড়ো ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি নাসিক ভারতের ওয়াইন ক্যাপিটাল‌ও বটে। ওয়াইনের নাম শুনলেই যাঁদের গলা শুকিয়ে পিপাসা জাগে , তাঁরা এই খবর শুনে নিশ্চয়ই খুশি হবেন।এমন‌ই এক বিখ্যাত জনপদ এই মুহূর্তে আলোচনার শিরোনামে উঠে এসেছে ভয়ঙ্কর মাত্রায় জল দূষণের কারণে।

সর্বভারতীয় দৈনিক সংবাদপত্রগুলোতে যথাযথ গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত হয়েছে এই সংবাদ। নাসিকের আম্বাড় এলাকায় ভৌমজলে রাসায়নিক শিল্প দূষক হেক্সাভেলেন্ট ক্রোমিয়ামের উপস্থিতির বিষয়টি ধরা পড়েছে মহারাষ্ট্র পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ডের অনুসন্ধানে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে MPCB এর পক্ষ থেকে ১৭ টি শিল্প ইউনিটকে নোটিশ দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

দূষণের বিষয়টি প্রথম বোর্ডের নজরে আনেন স্থানীয় বাসিন্দারা। টিউবওয়েল থেকে সমানে হলুদ জল উঠে আসছে দেখে তাঁরা স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নজরে আনেন বিষয়টি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তৎক্ষণাৎ অকুস্থলে হাজির হয়ে আম্বাড় শিল্প উপনগরীর অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন টিউবওয়েল এবং বোর‌ওয়েল থেকে জলের নমুনা সংগ্রহ করে। খবর শুনেই সেখানে দলবল নিয়ে হাজির হয়ে যান অন্যান্য সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা। তাঁরাও স্থানীয়দের প্রতিদিনের ব্যবহৃত জলের নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে গেছেন ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য।

ভৌমজলে উচ্চ মাত্রায় হেক্সাভেলেন্ট ক্রোমিয়ামের উপস্থিতির ঘটনাটি আরও যে কারণে বিশেষ তৎপরতার সঙ্গে যাচাই করে দেখছে প্রশাসনের আধিকারিকরা তা হলো আগামী বছরে অর্থাৎ ২০২৭ সালে এই নাসিকেই কুম্ভমেলার আয়োজন করা হচ্ছে। দেশ বিদেশের লক্ষ লক্ষ ধর্মপ্রাণ শ্রদ্ধালু মানুষ এসে সমবেত হবেন গোদাবরী তীরে মেলা স্থলে যা আম্বাড় থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এতো বড়ো একটা অনুষ্ঠানের ঠিক প্রাক্কালে জলের গুণমান নিয়ে বড়োসড়ো প্রশ্ন ওঠায় সকলেই এখন চিন্তায় পড়েছে।প্রায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় জলের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। গত ১১ অক্টোবর MPCB ‘ র পক্ষ থেকে রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে । সেই রিপোর্টে আম্বাড়ের প্রতি লিটার জলে ৪৫ মিলিগ্রাম ক্রোমিয়াম পাওয়া গেছে। এক‌ই সঙ্গে মিলেছে অতি উচ্চ মাত্রায় সালফেট ও ক্লোরাইড।

অপরদিকে সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ড্যামস, রিডার্স এন্ড পিপল বা SANDRP প্রকাশিত রিপোর্টে জানা গেছে যে ভৌমজলে উপস্থিত হেক্সাভেলেন্ট ক্রোমিয়ামের পরিমাণ লিটার পিছু ৫০. ৩ মিলিগ্রাম যা উপস্থিত সর্বমোট ক্রোমিয়ামের ( ৫০. ৫ মিলিগ্রাম / লিটার) প্রায় ৯৯.৬১%।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে এই দুটি পরিমাণ‌ই নিরাপদ সীমার থেকে ( ০.০৫ মিলিগ্রাম/ লিটার) ১০০০ গুণ বেশি। ব্যুরো অব ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারিত নিরাপদ মাত্রার তুলনায় অনেক অনেক বেশি পরিমাণে ভৌমজল,বোর‌ওয়েল এবং নদীর জলে ক্রোমিয়াম থাকাটা যে অতীব উদ্বেগের তা মনে করেই ঘুম ছুটেছে সকলের। এমন বিষাক্ত জলের সংস্পর্শে আসার ফলে আম্বাড়ির অধিবাসীদের স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হয়েছে।হেক্সাভেলেন্ট ক্রোমিয়াম কেন আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে এতোটাই চিন্তার বিষয়? একটু খোঁজ নিয়ে দেখা যাক্। গত ৮ অক্টোবর,২০২৬ SANDRP প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে যে আম্বাড়ের জলে প্রাপ্ত ক্রোমিয়ামের পরিমাণ ১৯৯৬ সালের Erin Broncovich ‘এর ক্রোমিয়াম দূষণের মাত্রাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগের।

হেক্সাভেলেন্ট ক্রোমিয়াম শরীরে ক্যান্সারের কারণ। পাশাপাশি এই বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থটি পানীয় জলের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে আমাদের শরীরের লিভার ও কিডনি বিকল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে এই দূষিত জলের সংস্পর্শে আসার ফলে আম্বাড়ের সাধারণ আবাসিকদের মধ্যে নানান শারীরিক উপসর্গ যেমন চর্মের আলসার, ফুসকুড়ি, শরীর জুড়ে চুলকানির মতো উপসর্গ দেখা গেছে।

এই মুহূর্তে নাসিকের আম্বাড় এলাকা ওই অঞ্চলের রকমারি শিল্প যেমন ক্রোম প্লেটিং, জিঙ্ক প্লেটিং এবং পাউডার কোটিং এর প্রায় ৮০ টি ইলেক্ট্রোপ্লেটিং শিল্প ইউনিট রয়েছে। এই শিল্পগুলো থেকে বর্জ্য হিসেবে বর্জিত জল ওই শিল্পাঞ্চলের নালা নর্দমার পথ বেয়ে এসে পড়ছে গোদাবরীর উপনদী নন্দিনী নদীতে।আর তারপর তা ছড়িয়ে পড়ছে গোটা নিম্ন গোদাবরী অববাহিকার আনাচেকানাচে। এরফলে এক গভীর বিপর্যয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে সমগ্র এলাকায়।বিষয়টি যে গুরুতর এবং গভীর উদ্বেগের তা মেনে নিয়েছেন সরকারি আধিকারিকরা। এভাবে পানীয় জলের সঙ্গে বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থের মিশে যাওয়ার ঘটনাকে জনস্বাস্থ্যের পক্ষে চিন্তার বিষয় বলে মনে করছেন সকলেই। আম্বাড়ে প্রায় ২০০০০ মানুষের বসবাস। তাঁরা সবাই এই ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ের শিকার হয়েছেন বা হতে চলেছেন। আগামী বছরের কুম্ভমেলাকে কেন্দ্র করে বহু পুণ্যার্থীর সমাগম হবে। তার প্রেক্ষিতে চিন্তা বাড়ছে সকলের।

ইতোমধ্যেই বেশ কিছু কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সতর্ক করা হয়েছে বাকিদের। দুটো বোর‌ওয়েল সিল করে দেওয়া হয়েছে যাতে সংক্রমণ বাড়তে না পারে। স্থানীয় প্রশাসনের তরফে মেডিক্যাল ক্যাম্প স্থাপনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে যাতে আরও বেশি সংখ্যক মানুষ দূষণের শিকার না হন। সবটাই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় করা হচ্ছে। নন্দিনীর দূষিত জল গোদাবরীর জলে কতটা বিষ ঢেলে দিয়েছে তার পরীক্ষাও শুরু হয়েছে।২০০৯ থেকে স্থানীয় লোকজনের পক্ষ থেকে অভিযোগ জানানো হয়েছে ক্রোমিয়াম দূষণের বিষয়ে।২০১৬ সালে অভিযোগের কারণে কয়েকটি ইউনিট বন্ধ করে দেওয়া হলেও কিছুদিনের মধ্যেই সেগুলো চালুর ব্যবস্থা করা হয়। এবার সমস্যা আরও গভীরে পৌঁছে গেছে। প্রশাসন কতটা সদর্থক ভূমিকা পালন করে তাই এখন দেখার।

তথ্যসূত্র: দ্যা প্রিন্ট, ডাউন টু আর্থ পত্রিকা এবং অন্যান্য পরিচিত সংবাদ সূত্র।

PrevPreviousআধুনিক সম্পর্কের নতুন পরিভাষা: Ghosting, Breadcrumbing, Dry Texting ও Textpectation
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

আধুনিক সম্পর্কের নতুন পরিভাষা: Ghosting, Breadcrumbing, Dry Texting ও Textpectation

October 28, 2026 No Comments

আধুনিক প্রযুক্তি আমাদের যোগাযোগের ধরনকে আমূল বদলে দিয়েছে। বিশেষ করে জেন-জি প্রজন্মের প্রেম, বন্ধুত্ব এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে এখন অনেক কথাই হয় মোবাইল ফোনের পর্দায়—মেসেজ,

অন্তহীন লড়াই: ফেলে আসা দু’টি বছর  

October 28, 2026 No Comments

উত্তুঙ্গ অভয়া আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ২৮শে অক্টোবর ২০২৪ সিনিয়র চিকিৎসক ও নাগরিক সমাজের উদ্যোগে, নাগরিক সংগঠন গুলির মত বিনিময়ের মাধ্যমে তৈরি হয় অভয়া মঞ্চ। অভয়া আন্দোলনকে

সেই ধারা এখনও কেমন অক্ষত আছে…

October 27, 2026 No Comments

যেসব দলের / শাসকের নিজের কোনো কোয়ালিটি থাকে না, তাদের দুটো কোয়ালিটি থাকে। একটা হচ্ছে আগের কোনো একটা র‍্যান্ডম সরকারের সাথে তুলনা টানা, আর দ্বিতীয়ত

ভারত আমার ভারতবর্ষ – স্বাধীনতার নোনা স্বাদ

October 27, 2026 3 Comments

শুরুর কথা আমাদের ভারতবর্ষ যখন ‘আজাদির অমৃত মহোৎসব’-এ বুঁদ হয়ে আছে সেসময়ও কি ভারতের টুকরো হয়ে যাওয়াকে বাদ দিয়ে কোনভাবে লেখা যায় এ দেশের টুকরো

এক সংগ্রামীর জীবনের অবসান, কমরেড ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায় আর নেই

October 27, 2026 No Comments

বেশ কিছুদিন অসুস্থ থাকার পর আজ রাত ২টা ৩০ মিনিটে বিদ্যাসাগর নিকেতন, বিধান নগরে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তার প্রয়াণে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তবুও কিছু

সাম্প্রতিক পোস্ট

ক্রোমিয়াম ও জল দূষণের নাসিক এপিসোড

Somnath Mukhopadhyay October 28, 2026

আধুনিক সম্পর্কের নতুন পরিভাষা: Ghosting, Breadcrumbing, Dry Texting ও Textpectation

Dr. Sukanti Bhattacharya October 28, 2026

অন্তহীন লড়াই: ফেলে আসা দু’টি বছর  

Gopa Mukherjee October 28, 2026

সেই ধারা এখনও কেমন অক্ষত আছে…

Dr. Subhanshu Pal October 27, 2026

ভারত আমার ভারতবর্ষ – স্বাধীনতার নোনা স্বাদ

Dr. Jayanta Bhattacharya October 27, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

695891
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]