Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

করোনার দিনগুলি, পর্ব ৭ঃ স্পিরিট

IMG-20200326-WA0006
Dr. Aindril Bhowmik

Dr. Aindril Bhowmik

Medicine specialist
My Other Posts
  • April 2, 2020
  • 8:57 am
  • No Comments

মনটা খিঁচড়ে ছিল। সকালে ডাঃ কৌস্তভ রায়ের ফোনটা পেয়ে ভালো হয়ে গেল।

ওনাকে কোনোদিন মুখোমুখি দেখিনি। বালিতে ওনার চেম্বারে বসে ফোন করছেন।

সাইক্রিয়াট্রির ডাক্তারবাবু। এই মহামারীর সময় দিব্যি ঘরে থাকতে পারতেন। তা না করে চেম্বার খুলে বসে আছেন। জ্বরের রোগী দেখছেন। বললেন, ‘সকাল থেকে দুজন রোগী দেখেছি। কেউই পয়সা দিতে পারেনি। এখন বসে বসে ভ্যারেণ্ডা ভাজছি।’

তারপরেই পীযূষদার ফোন পেলাম, ‘কিরে, বেঁচে আছিস? আমি এই চেম্বারে চললুম।’

বিষন্নতা পুরোপুরি কেটে গেল। আমার অনেক সিনিয়ার রা রোগী দেখে চলেছেন। অনেকেই নানা রকম স্পেশালিষ্ট। ডিগ্রী- টিগ্রী চুলোয় দিয়ে তাঁরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জ্বরের রোগী দেখছেন। অথচ এ সময় একমাস বাড়িতে বসে থাকলে তাদের তেমন কোনো অর্থনৈতিক ক্ষতি হতো না।

কাল থেকে বড়ো একা একা লাগছিল। দুই সিনিয়ারের সাথে কথা বলে একাকিত্ব পুরোপুরি কেটে গেল। তারপর আরও একটা ভালো করা খবর পেলাম, গত চব্বিশ ঘণ্টায় নতুন কোনো করোনার কেস ধরা পড়েনি।

মনটা যখন ভালোই হল, তখন একটা মন ভালো করা গল্পই শোনাই। গতকালই আমার অন্তিম হ্যান্ড স্যানিটাইজারের বোতলটি শেষ হয়ে গেছে। স্যানিটাইজারের অভাবে বারবার সাবান দিয়ে হাত ধুচ্ছি। একটা বড় বোতল স্পিরিট জোগাড় করেছি। তাই দিয়ে মাঝে মাঝে স্টেথো, বি পি মেশিনের হ্যাণ্ডেল মু্ঁছছি।

অনেক দিন বাদে স্পিরিট ব্যবহার করছি। এই জিনিসটাকে আমি যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলি। কারণ আমার জীবনের প্রথম এমারজেন্সি নাইটে স্পিরিটের জন্য আমি প্রায় মরতে বসেছিলাম।

কি ভাবছেন, স্পিরিটে আগুন লেগে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছিল? সেসব কিছু নয়। তার থেকেও মারাত্মক। জীবনের প্রথম এমারজেন্সি নাইটেই আমি বুঝেছিলাম, ডাক্তার হওয়া মানেই রোজ আজব আজব ঘটনার সম্মুখীন হওয়া।

বরাবরই আমার উৎসাহ একটু বেশি। তার উপর সবে মাত্র ডাক্তার হয়েছি। এমারজেন্সিতে দৌড়াদৌড়ি করে কাজ করছি। এই শ্বাসকষ্টের রোগীকে নেবুলাইজেশন দিচ্ছি, পরক্ষণেই পেটে ব্যথার রোগীকে ইনজেকশন দিতে ছুটছি। প্রস্রাব আটকে গেছে, আঠারো সাইজের ক্যাথেটার পরিয়ে দিচ্ছি। আটটা থেকে রাত সাড়ে বারোটা অব্ধি দৌড়ে একটু নিশ্বাস ফেলার সময় পেলাম। সহযোগী কো-ইনটার্ন মেয়েটি আমার জন্য লুচি তরকারি বানিয়ে এনেছে। এর মধ্যে অনেকবার বলেছে, ‘ঐন্দ্রিল খেয়ে নে।’

খাওয়ার আগে হাত ধোয়া জরুরি। হাত ধুতে গিয়ে দেখলাম সাবান নেই। সিস্টার দিদি বললেন, ‘আগে স্পিরিট ঢেলে ভালো করে হাতের কনুই অবধি লাগিয়ে নিন। তারপর জল দিয়ে হাত ধোবেন।’ জামার দু-তিন জায়গায় রক্ত লেগে গেছিল। স্পিরিটে তুলো ভিজিয়ে সেগুলো মুছলাম। জামার নিচের দিকটা স্পিরিটে ভিজে চুপচুপে হয়ে গেল। যাকগে, স্পিরিট উদ্বায়ী পদার্থ। কিছুক্ষণ বাদে উবে যাবে।

আমি খাওয়া শেষ করার পর সিনিয়র মেডিকেল অফিসার বললেন, ‘আমি একটু রেস্ট রুমে যাচ্ছি। খারাপ পেশেন্ট এলেই ডাক দিস।’

কো-ইনটার্ন মেয়েটি বলল, ‘আমি দশ মিনিটের মধ্যে স্বর্ণময়ীতে আমার ঘর থেকে ঘুরে আসছি। বাসন-পত্র গুলো রেখে আসি।’

আমি একা এমারজেন্সিতে। হঠাৎ একদল লোক হইহই করতে করতে ঢুকল। ‘ডাক্তার কই, ডাক্তার কোথায় গেল। শিগগিরী আসুন, খুব সিরিয়াস পেশেন্ট।’

একজন বছর পঁচিশের যুবতী ট্রলির উপর দা্ঁতে দাঁত আটকে হাত-পা টান টান করে শুয়ে আছে। মাঝে মাঝে চোখের পাতা কাঁপছে। আনার আগে জল চিকিৎসা চলেছে। যুবতীর জামা-কাপড় ভিজে চুপচুপে।

আমি অত্যন্ত আনন্দিত হলাম। পেশেন্ট আমার সিলেবাসের মধ্যে পরে গেছে। কনভার্সন রিয়াকশনের টিপিক্যাল কেস। সাধারণত ঝগড়াঝাটি করার মাঝখানে কমবয়সী মেয়েরা এরকম চোখ টোখ উল্টে অজ্ঞান হয়ে যায়। তাকে নিয়ে আসে একদল স্বঘোষিত ঠাকুরপো। এইসব ঠাকুরপোদের মেজাজ অত্যন্ত উচ্চগ্রামে বাঁধা থাকে। আমি একটু আগেই এরকম একটি কেস দেখেছি ও নিজ হাতে চিকিৎসা করেছি। এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসকের চাল চলনে একটুও কনফিডেন্সের অভাব দেখলেই ঠাকুরপোরা মাথায় চড়ে বসবে।

হেলতে দুলতে ট্রলির পাশে দাঁড়ালাম। প্রথমে স্টারনাম অর্থাৎ বুকের একদম উপরের হাড়ের উপর চাপ দিয়ে দেখি। না হলে এমোনিয়াম ক্লোরাইড শোঁকাব।

স্টারনামে জোরে চাপ দিতেই যুবতীটি লাফিয়ে উঠলো। আমি আবার হেলতে দুলতে চেয়ারে এসে বসলাম। বউদিকে উঠে বসতে দেখে দেওররা হতভম্ব হয়ে গেছে। একজন এগিয়ে এসে বলল, ‘ডাক্তারবাবু, একটু অক্সিজেন দিলে হয় না?’

আমি গম্ভীর মুখে বললাম, ‘অক্সিজেন দেওয়া যাবে না। তাহলে অক্সিজেন ওভার স্যাচুরেশন সিন্ড্রোম হয়ে যাবে।’

দেওরটি মাথা নেড়ে আবার বৌদির পাশে গিয়ে দাঁড়াল।

বেশ খানিকক্ষণ কেটে গেছে। ওরা বিদায় নিচ্ছে না কেন? বউদি তার দেওরদের কিছু বলছে। তারা বারবার আমার দিকে তাকাচ্ছে।

একজন ষণ্ডামার্কা দেওর এগিয়ে এলো। বলল, ‘ছি, ছি, আপনার লজ্জা করেনা?’

আমি অবাক ভাবে বললাম, ‘লজ্জা পাওয়ার কি আছে? এই রোগে এভাবেই… ‘

‘রাখুন মশাই। আপনি কি আদৌ ডাক্তার? মেডিকেল কলেজের এমারজেন্সিতে মদ খেয়ে ডিউটি করছেন?’

মদ? আমি আকাশ থেকে পড়লাম। লুচি তরকারি খেয়েছি। মদ আবার কোত্থেকে এল?

দেওরপো এবার সরাসরি তুইতে নেমে এলো। বলল, ‘জবা বউদি বললো তোর গা থেকে ভুর ভুর করে মদের গন্ধ বেরোচ্ছে। শালা দুনম্বরী ডাক্তার, মদ খেয়ে তুই মেয়েছেলের গায়ে হাত দিয়েছিস। পিটিয়ে তোর ছাল ছাড়িয়ে দেব গাণ্ডু।’

চিতকার চেঁচামেচি শুনে ঘুম চোখে সিনিয়র মেডিকেল অফিসার উঠে এসেছেন। আমাকে প্রায় দশজন মারমুখী দেওর ঘিরে ধরেছে। তিনি পরিস্থিতি বুঝতে না পেরে টাকে হাত বোলাচ্ছেন।

গোলমাল শুনে বয়স্ক সিস্টার দিদিমণি এগিয়ে এলেন। তিনি বললেন, ‘তোমাদের মতো মাথামোটা গর্দভ খুব কমই দেখা যায়। মদ নয়রে হতভাগারা, ওটা স্পিরিটের গন্ধ। এই নে স্পিরিটের বোতল, শুঁকে দেখ।’

সেই থেকে স্পিরিট ব্যবহার করতে ভয় পেতাম। ওয়ার্ডে স্যাভলন ব্যবহার করতাম। করোনার কল্যাণে এতদিন বাদে আবার স্পিরিট ব্যবহার করছি।

PrevPreviousআমরা করব জয়ঃ রাসবিহারী শৈলুষিক
Nextপি-পু-ফি-শু (পিঠ পুড়ছে? ফিরে শুই) #COVID19Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

একজন তরুণী রাজনৈতিক কর্মীকে পাঠানো জীবননাশের হুমকির নিন্দা করুন।

September 21, 2026 No Comments

সমসাময়িক ভারতীয় রাজনীতিতে তরুণ কণ্ঠস্বর নেহা বোরা জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের পিএইচডি গবেষক এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস’ অ্যাসোসিয়েশন (AISA)-এর জাতীয়

একটা গল্প বলি।

September 21, 2026 No Comments

মামুনি কীভাবে আমাদের পরিবারকে একসাথে বেঁধে রেখেছিল, আগেই বলেছি। এর পেছনে একটা কারণ ছিল। ঠাকুমা মারা যাবার পর আমাদের পরিবারটা যেন হঠাৎ ভিত হারিয়ে ফেলল

খুকু

September 21, 2026 No Comments

আমি তখন শিশু বিভাগের ইন্টার্ন। আগের দিন এডমিশন ডে গেছে। সকালে ওয়ার্ডে ছোটাছুটি করে কাজ করছি। হাতে পিজিটি দাদা কাজের লিস্ট ধরিয়ে দিয়েছে। রাউন্ড শুরুর

নিরন্তর ভরসা জোগায়

September 20, 2026 No Comments

কথার গভীরতা মাপতে গিয়ে কবে যে গভীর জলের মাছ হয়ে গেছি, সে সবের কিছুই আর মনে পড়ে না। খুঁজি, আর অনুভব করি, এই সব পূর্ব

তারাদের কথা

September 20, 2026 No Comments

★ মা বলতো, ‘দূর বোকা, মরব কেন? আকাশে চলে যাব। টিপ টিপ করে জ্বলব। জ্বলতেই থাকব।’ আমার প্রায় নাস্তিক বাবা ধমকে উঠত, ‘এই সব ভুলভাল

সাম্প্রতিক পোস্ট

একজন তরুণী রাজনৈতিক কর্মীকে পাঠানো জীবননাশের হুমকির নিন্দা করুন।

Kanchan Sarker September 21, 2026

একটা গল্প বলি।

Dr. Arjun Dasgupta September 21, 2026

খুকু

Dr. Aindril Bhowmik September 21, 2026

নিরন্তর ভরসা জোগায়

Dr. Bishan Basu September 20, 2026

তারাদের কথা

Dr. Arunachal Datta Choudhury September 20, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

678215
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]