Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

করোনার দিনগুলি পর্ব ২৪

IMG_20200423_003451
Dr. Aindril Bhowmik

Dr. Aindril Bhowmik

Medicine specialist
My Other Posts
  • April 23, 2020
  • 9:12 am
  • One Comment

রোজই বেরোতে হচ্ছে। আগে সোদপুরে স্কুটারে যেতে সময় লাগত কুড়ি মিনিট। এখন আট মিনিটেই পৌঁছে যাচ্ছি।

প্রথম প্রথম রোমাঞ্চ লাগত ফাঁকা রাস্তায় স্কুটার চালাতে। মনে হত অন্যরা যখন ঘরে দরজা জানলা বন্ধ করে এক অজানা শত্রুর ভয়ে কাঁপছে, আমি তখন সেই ভয়ঙ্কর শত্রুর চোখে চোখ রেখে লড়াইয়ে নেমে পড়েছি। এই লড়াইয়ের সুযোগ অনেক চিকিৎসক সারাজীবনেও পায় না। আমি সেই সুযোগ পেয়েছি।

কিন্তু যত দিন যাচ্ছে, সেই রোমান্টিকতা বদলে যাচ্ছে। বড্ড একঘেয়ে লাগতে শুরু করেছে। কিসের যুদ্ধ? কার বিরুদ্ধে যুদ্ধ? কাদের জন্য যুদ্ধ?

প্রতিবেশী দেশের সাথে যুদ্ধ করার সময় এদেশের সৈনিকেরা সব রকম সুযোগ সুবিধা পান, আধুনিক অস্ত্র শস্ত্র পান। দেশের মানুষের কাছে সম্মান পান।

আর আমরা হতভাগ্য চিকিৎসকেরা না পাচ্ছি অস্ত্র শস্ত্র। না পাচ্ছি সরকারি সহযোগিতা। বরঞ্চ প্রতি মুহূর্তে মাথার উপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা। সন্দেহ হলেও কাউকে সাথে সাথে কোভিড-১৯ এর পরীক্ষা করা যাবে না। এমনকি কারো মৃত্যু হলে মৃত্যুর কারণ ঠিক করবে আলাদা একটি কমিটি।

আর দেশের অনেক মানুষ সম্মান প্রদর্শন তো দুরের কথা, মহামারীর সাথে যুদ্ধরত স্বাস্থ্যকর্মীদের পাড়া ছাড়া করতে পারলে হাঁফ ছেড়ে বাঁচে।

তাছাড়া শত্রু কি একটা! কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের ক্রসিং’এ স্কুটার নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম। যদিও রাস্তায় আর কোনও গাড়ি নেই, তবু সিগন্যালের রঙ লাল হয়ে আছে। একটি বাচ্চা ছেলে ডাকল, ‘বাবু এক কেজি চাল কিনে দেবে? ভাত খাবো।’ এর আগে অনেক ভিক্ষুক দেখেছি। অনেকে পয়সা না চেয়ে চা খাওয়াতে বলেছে, বিস্কুট কিনে দিতে বলেছে। কিন্তু এরকম ভাবে কেউ চাল চায়নি।

মহামারীকে ঠেকানোর জন্য আমরা লক ডাউনকে অস্ত্র করেছি। কিন্তু সেই অস্ত্রের সত্যিকারের ব্যবহার আমরা আদৌ জানি তো? বহু গরীব মানুষের চোখের জলে ভেজা এই লকডাউন আমরা আদৌ কাজে লাগাচ্ছি কি?

এসময়ে দরকার ছিল সন্দেহজনক রোগীদের প্রচুর টেস্ট করা এবং পজিটিভ রোগীদের আইসোলেটেড করা। টেস্টের সংখ্যা সমস্ত ভারতবর্ষে হতাশাজনক ভাবে কম। আর সবচেয়ে কম আমাদের পশ্চিমবঙ্গেই।

এমন ভাবে চললে দ্বিতীয় দফা লকডাউনের শেষে ৩ই মে তারিখে আমরা একই অবস্থায় বা আরও খারাপ অবস্থায় থাকবো। তখন কি হবে? আরও কুড়ি দিন লক ডাউন বাড়বে? সেই কুড়ি দিন পরে কি হবে? একটা মহামারীর হাত থেকে বাঁচতে আমরা একটা মন্বন্তর সৃষ্টি করছি নাতো?

আসলে মহামারীতে সব শ্রেণীর জনগোষ্ঠীর আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। কিন্তু মন্বন্তরের আঁচ উচ্চবিত্ত এবং উচ্চ মধ্যবিত্তের উপর তেমন পড়ে না।

দুবেলাই নিম্নবিত্ত মানুষের অসহায়তা দেখছি। কিন্তু সেসব লেখার মতো কলমের জোর আমার নেই। আজ দরকার ছিল মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় অথবা শরৎচন্দ্রের মতো মরমী কলমের। একজন মধ্যবিত্ত শ্রেণীর প্রতিনিধি হিসাবে আমি মধ্যবিত্তদের অসহায়তার কথা বলতে পারি।

গতকাল এক স্কুলের বন্ধু ফোন করেছিল। ওর মায়ের চার্নক হাসপাতালে ডায়ালিসিস চলছিল। একজন ডায়ালিসিস রোগীর কোভিড-১৯ ধরা পড়ার পরে ও তাঁর মৃত্যুর পরে রাতারাতি চার্নক হাসপাতাল বন্ধ হয়ে গেছে। ঐ হাসপাতালের নাম শুনলে অন্য কোনও হাসপাতাল ডায়ালিসিস করতে রাজি হচ্ছে না। কাকিমার সপ্তাহে তিনদিন ডায়ালিসিস লাগে। ঐ বন্ধু পাগলের মতো এখানে ওখানে ছোটাছুটি করছে।

মাঝে মাঝেই বিভিন্ন হাসপাতাল বন্ধের খবর আসছে। আজ মেডিকেলের প্রসূতি বিভাগ বন্ধ হচ্ছে, তো কাল এন আর এসের মেডিসিন বিভাগ। দলে দলে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী কোয়ারাণ্টাইনে যাচ্ছেন। মহামারী প্রতিরোধে পরিকল্পনার অভাব মাঝে মাঝেই অত্যন্ত হতাশাজনক ভাবে বেআবরু হয়ে যাচ্ছে।

এসময় যাঁরা অন্যান্য মারাত্মক অসুখে ভুগছেন, তাঁরাও সমস্যায় পড়েছেন। ক্যানসার রোগীদের কেমো থেরাপি, রেডিও থেরাপি বন্ধ। নানারকম সার্জারির ডেট পিছিয়ে যাচ্ছে। সরকারি হাসপাতালে বহুদিন অপেক্ষা করে যাঁরা বিভিন্ন সার্জারির ডেট পেয়েছিলেন, তাঁরা অকুল পাথারে। লকডাউন ওঠার পর আবার কবে ডেট পাবেন, ভগবানও বলতে পারবেন না। যাঁরা সরকারি হাসপাতাল থেকে সুগার, প্রেশারের ওষুধ নিয়মিত খেতেন, অনেকেই যানবাহনের অভাবে হাসপাতালে যেতে পারছেন না। তাঁদের মধ্যে অনেকেই ওষুধ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়ে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।

এই সময়ে জাত-পাত, রাজনীতির রঙ ভুলে আমাদের সকলের দৃঢ় কণ্ঠে বলার সময় এসেছে, স্ক্রিনিং আর টেস্ট, টেস্ট, টেস্ট, টেস্ট এবং টেস্ট…। একমাত্র টেস্ট ও পজিটিভ রোগীর আইসোলেশনই পারে লকডাউনের সময় সীমা কমাতে।

PrevPreviousগাইডলাইন, আরো গাইডলাইন – আর আমরা
Nextস্বাস্থ্যকর্মী সহ প্রথম সারির কর্মীদের যে কোনো হামলা থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবেNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
আশিস, নবদ্বীপ
আশিস, নবদ্বীপ
6 years ago

ভালো লাগলো।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

আঁধারের শেষ যেখানে (চা বাগান পর্ব, কার্শিয়ং)

June 19, 2026 2 Comments

মাথাভাঙ্গার মাসিক স্বাস্থ্য শিবির শেষ করে শ্রমজীবীর টিম রওয়ানা হল মাথাভাঙ্গা স্টেশনের দিকে। আসন্ন সন্ধ্যার শেষ রশ্মিপাতে’ রাঙা হয়ে উঠেছে পশ্চিমাকাশ। রাস্তার দু ধারে ঘন

ভোটুরে রাজনীতির সার্কাস বেশ জমে উঠেছে!

June 19, 2026 No Comments

(এক) বাস্তব ঘটনাই সবচেয়ে ভালো শিক্ষক। অসংখ্য লেখালেখি বা বক্তৃতা যা বোঝাতে পারে না, চোখের সামনে ঘটতে থাকা ঘটনাবলী তা অতি অল্প সময়েই বুঝিয়ে দেয়।

কিশোর বেলার স্মৃতি, সমীর দা এবং টিটেনাস

June 19, 2026 8 Comments

১. আমার কিশোর বেলার এক মর্মান্তিক মৃত্যুর কথা আজ মনে পড়লো। সমীর দা,সমীর সেনগুপ্ত নামে আমাদের পাড়ার এক সিনিয়র দাদা ছিলেন। ছ’ফুটের ওপর লম্বা, রীতিমতো

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এ এইচ এস ডি-র প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎকার

June 18, 2026 No Comments

১৬ জুন, ২০২৬, সন্ধ্যায় এএইচএসডি-র সাত সদস্যের এক প্রতিনিধিদল স্বাস্থ্যভবনে মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে তাঁকে পুষ্পস্তবক দিয়ে স্বাগত জানায়, সার্ভিস

ফেয়ারনেস ক্রিম কতটা ক্ষতিকর?

June 18, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

আঁধারের শেষ যেখানে (চা বাগান পর্ব, কার্শিয়ং)

Gopa Mukherjee June 19, 2026

ভোটুরে রাজনীতির সার্কাস বেশ জমে উঠেছে!

Dipak Piplai June 19, 2026

কিশোর বেলার স্মৃতি, সমীর দা এবং টিটেনাস

Somnath Mukhopadhyay June 19, 2026

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এ এইচ এস ডি-র প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎকার

Association of Health Service Doctors June 18, 2026

ফেয়ারনেস ক্রিম কতটা ক্ষতিকর?

Dr. Koushik Lahiri June 18, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

633282
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]