Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

একটি অতিমাত্রায় কাল্পনিক গল্প

FB_IMG_1737224126517
Dr. Bishan Basu

Dr. Bishan Basu

Cancer specialist
My Other Posts
  • January 20, 2025
  • 8:59 am
  • No Comments

একটি রাজ্যের পুলিশ – এমন রাজ্য যেখানে অভিযোগ-অপরাধ প্রচুর এবং এমন পুলিশ যারা চটপট অপরাধী ধরে ফেলে – তাঁদের ডাকা হয়েছে প্রতিবেশী আরেক রাজ্যের পুলিশের এফিশিয়েন্সি বাড়ানোর মহৎ লক্ষ্যে। আশা এই, একটি স্বল্পকালীন ওয়ার্কশপের মাধ্যমে প্রতিবেশী রাজ্যের পুলিশের কর্মদক্ষতা বাড়ানো সম্ভবপর হবে।

ওয়ার্কশপের প্রথম দিন। উন্নত রাজ্যের পুলিশের বড়কর্তা প্রতিবেশী রাজ্যের বড়কর্তাকে নিয়ে বসলেন।

– প্রথমে বলুন, আপনাদের রাজ্যে পুলিশের মাইনে কত?

– আজ্ঞে স্যার, সর্বত্র যেমন হয় আরকি। সরকারি চাকরির মাইনে আর যেরকম ডিএ সবাই পায়।

– অ্যাঁ, ‘যেরকম ডিএ সবাই পায়’! বলেন কী?

– কেন স্যার?

– আহ্‌, ঠিকঠাক মাইনে পেলে লোকে কাজ করবে কেন? কম মাইনে পেলে তবেই না পুলিশ দৌড়াবে, কারণে-অকারণে মামলা রুজু করবে, সেসব থেকে… যাক গে, শুনুন, আমাদের নিয়ম হলো, কমপক্ষে দুটো পে-কমিশন পিছিয়ে রাখা আর নো ডিএ – এবং সেটাই আমাদের সাফল্যের চাবিকাঠি।

– কিন্তু স্যার, আচমকা মাইনে কমিয়ে দিলে সবাই রেগে যাবে না?

– যাবে। বিশেষ করে আপনারা যখন লাই দিয়ে মাথায় তুলেছেন, তখন তো যাবেই। আমাদের এখানে পুলিশকে চাবকে সিধে রাখা হয় – থানায় মাঝেমধ্যে এমন ইয়ে করা হয়, যাতে পুলিশ ফাইল মাথায় দিয়ে টেবিলের তলায় লুকোয় – তারপর থেকে কোনও শালা ট্যাঁফোঁ করে না। কিন্তু আপনারা তো দেরি করে ফেলেছেন। তবে বেটার লেট দ্যান নেভার। এরপর থেকে মাইনেবৃদ্ধি ডিএ সব বন্ধ করে দিন – ‘ভালো কাজ’ করলে বখশিশ দেবার ব্যবস্থা করবেন – দেখবেন তরতর করে এফিশিয়েন্সি এগোবে।

দ্বিতীয় দিন উন্নত রাজ্যের পুলিশের বড়কর্তা প্রতিবেশী রাজ্যের পুলিশের মাঝারি মাপের অফিসারদের নিয়ে বসলেন।

– আপনারা খুনখারাপির তদন্ত কীভাবে করেন?

– আজ্ঞে স্যার, যেভাবে করার কথা সেভাবেই। মানে, প্রমাণ জোগাড় করা আর সেখান থেকে প্রমাণের সঙ্গে মিলিয়ে অপরাধী ধরা।

– প্রমাণ জোগাড় করা, তারপর সেই প্রমাণ ধরে ধরে…ওফ্‌! তাতে তো অনেক দেরি হয়ে যাবে আর পরিশ্রমও অনেক বেশি। পুরো উল্টো রাস্তায় তদন্ত করেন! আপনারা কি পাগল নাকি?

– মানে?

– আরে ভাই, প্রথমে একজনকে চিহ্নিত কর যার বিরুদ্ধে প্রমাণ জোগাড় করা সহজ আর তারপর প্রমাণ সাজাও আর সেখান থেকেই…

– ব্যাপারটা ঠিক বুঝতে পারলাম না, স্যার।

– বুঝবে কী করে হে? ডিএ পেতে পেতে বুদ্ধিতে চর্বি জমে গেলে এই হয়। আচ্ছা, একটা উদাহরণ দিয়ে বোঝাই। কোনও খুনের তদন্ত চলছে এই মুহূর্তে? মানে, গত দুদিনে কোনও খুন হয়েছে?

– না স্যার।

– হয়নি? কী মুশকিল! অপ্রত্যাশিত মৃত্যুও কিছু ঘটেনি?

– না, সেরকম মৃত্যু… একটা ঘটনা ঘটেছে অবশ্য। একটি হাসপাতালে দু’জন রোগী মারা গিয়েছে, অপারেশনের পরেই। সরকার ডাক্তারদের একটা টিম পাঠিয়েছে তদন্ত করতে। ফাইনাল রিপোর্ট আজ আসবে। সম্ভবত নিম্নমানের ওষুধ। সেক্ষেত্রে কোম্পানির মালিককে আমরা ডাকব। তারপর…

– বলো কী? হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে আর ডাক্তাররা তদন্ত করছে! আরে, ডাক্তারই যদি তদন্ত করে, তাহলে পুলিশ বসে কি আঙুল চুষবে?!

– কিন্তু স্যার, মৃত্যুর কারণ তো…

– সে যা-ই হোক, তদন্ত তো করবে পুলিশ। আচ্ছা, এই কেসটাকেই স্যাম্পল কেস হিসেবে তোমাদের শেখানো যাক।

– ইয়েস স্যার!

– মৃত্যুটা তো অপ্রত্যাশিত। তাহলে তদন্ত করা দরকার। মানো তো?

– ইয়েস স্যার!

– তদন্ত করার জন্য মাইনে পায় কারা?

– আমরা, স্যার।

– তাহলে তদন্ত করতে হবে আমাদেরই। বুঝেছ?

– ইয়েস স্যার!

– এবারে তদন্তের ডিটেইলস-এ আসি। শুরুতেই যেটা বললাম, মৃত্যু যখন অপ্রত্যাশিত, তখন ধরেই নিতে হবে কারও না কারও দোষ। কিন্তু কী কারণে মৃত্যু, সেসব খতিয়ে দেখতে গেলে সময় নষ্ট হয়ে যাবে। অতএব, আমাদের দেখতে হবে, কার বিরুদ্ধে প্রমাণ জোগাড় করা সহজ… আহা, অমন মুখ করে তাকিয়ে রইলে কেন? বুঝতে পারছ না? আচ্ছা, ঘটনাটা সংক্ষেপে বলো।

– স্যার, পেশেন্টের অপারেশন হচ্ছিল। খুব জটিল কিছু ওটি নয় আর অপারেশন চলছিল ঠিকঠাক। কিন্তু আচমকা পেশেন্ট খারাপ হতে শুরু করে একটা স্যালাইন শুরু হতেই। আইসিইউতে পাঠানো হয়। সেখানে যথাসাধ্য চেষ্টা হলেও… ওষুধ-স্যালাইনে গোলমাল থাকার সম্ভাবনা, এমনটাই ডাক্তাররা বলছেন।

– ব্যাস, তাহলে তো কেস সলভড। ডাক্তারদেরই দোষ।

– মানে?

– আরে ভাই, তুমি কি এখন ওষুধ-স্যালাইন সব টেস্ট করে দেখবে? তারপর সেই কোম্পানির বাকি স্যালাইন টেস্ট করবে? তারপর সেই কোম্পানির ফ্যাক্টরিতে গিয়ে ম্যানুফ্যাকচারিং ইত্যাদি প্রভৃতি সব চেক করবে? তারপর কোম্পানির মালিককে ডাকবে? সে তার ম্যানেজারকে ডাকবে? ম্যানেজার ম্যানুফ্যাকচারিং তদারকি করার দায়িত্ব যার তাকে ডাকবে? তারপর সেখানে সব ঠিক থাকলে আসা-যাওয়ার পথে কোনও গোলমাল হয়ে থাকলে সেসব দেখতে হবে। স্যালাইন-ওষুধ স্টোর করতে গিয়ে গোলমাল হলে সেসব চেক করতে হবে। ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ খারাপ মাল কিনলে সেসব দেখতে হবে। তারপর… ওহ্‌, এত জটিল চিন্তা করতে করতে মাথাটাই ঝিমঝিম করছে! ওরে একটা, দিনের বেলা যখন, চা এনে দে! তো শোনো, তদন্তের মূল কথাটা হলো – কিপ থিংস সিম্পল!

– তাহলে স্যার?

– ইয়েস। অপারেশন কে করছিল? আইসিইউ-এ কে পাঠালো? গাফিলতি তাদের। ইন ফ্যাক্ট, আইসিইউ-তে গিয়েও পেশেন্ট বাঁচেনি। তাদেরও গাফিলতি।

– আর কার কার নামে কেস দেওয়া যাবে, স্যার?

– কেন? ওই ডিপার্টমেন্টের বাকি ডাক্তারদের নামে। ইংরেজিতে একটা কথা আছে না, দ্য মোর দ্য মেরিয়ার। যত বেশি, ততই ভালো। যাকে বলে অধিকন্তু ন দোষায়।

– কিন্তু বাকিরা তো ছিল না, স্যার।

– আরে, ছিল না সেটাও তো গাফিলতি। থাকলে এবং ওটি করলে একরকম গাফিলতি। না থাকলে ছিল না বলে আরেকরকম গাফিলতি। বুঝলে তো?

– কিন্তু স্যার, এরকম করলে ডাক্তাররা কি আর…

– ওরে ভাই, ওসব ভাবার দায়িত্ব পুলিশের নয়। দুনিয়ার ভার কি সরকার পুলিশের উপর ছেড়ে গেছে? আর তাছাড়া আমার রাজ্যে এমনিতেই পাঁচজন ডাক্তার মিলে দশজনের কাজ সামলায়, তাতেও ওই পাঁচজনের মধ্যে চারজন সাত চড়ে রা কাড়ে না, এসব কেসে ফাঁসিয়ে বাকি সেই একজনের মুখ বন্ধ করা গেলে…

ওয়ার্কশপের এই অংশটুকু অব্দিই জানতে পেরেছি।

আর এই ওয়ার্কশপের সারবস্তু যে অসাধারণ গল্পটি থেকে ‘অনুপ্রাণিত’ – এবং সেই অনুপ্রেরণার প্রকাশ মূলের তুলনায় অতিমাত্রায় কাঁচা – পারলে হরিশঙ্কর পরসাই-এর সেই গল্প ‘ইনস্পেকটর মাতাদিন চাঁদ পর’ পড়ে দেখুন।

PrevPreviousবাংলা চলচ্চিত্র এবং মহিলা চিকিৎসক
Nextশিয়ালদা কোর্টের রায় আদৌ সন্তোষজনক নয়Next
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

April 16, 2026 No Comments

১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ ​সম্প্রতি কলকাতার এক প্রবীণ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ (Cardiologist) সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন যে, নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্লোগান দিলে তিনি ফি-তে ছাড় দেবেন। ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম

পথের সন্ধানে

April 16, 2026 No Comments

ভারতের ইতিহাসে কালো দিনের তালিকায় আর একটি দিন যুক্ত হল – ১৩ এপ্রিল, যেদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোরের সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষিত হবার

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

April 16, 2026 No Comments

সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ চিৎকার করে আসে না। কিছু নিয়ন্ত্রণ আসে ভালোবাসা, দায়িত্ব, অপরাধবোধ আর ভয়–এর মোড়কে। 💔🌫️ Emotional Blackmail হলো এমন এক ধরনের মানসিক প্রভাব

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 16, 2026

পথের সন্ধানে

Gopa Mukherjee April 16, 2026

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

Dr. Aditya Sarkar April 16, 2026

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

618008
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]