Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

এক আদিবাসী পরিবার ও বিকশিত (!) ভারত

cover11
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • July 12, 2025
  • 8:13 am
  • 12 Comments

খবরটা পড়ে চমকে উঠলাম। ঘটনার কেন্দ্রস্থল মহারাষ্ট্রের পুনেতে যাকে বলা হয় মারাঠি সংস্কৃতির আঁতুড়ঘর, সেই পুনে জেলার অন্তর্গত একটি গ্রাম থেকে এক আদিবাসী পরিবারের ১৪ জন সদস্যকে সম্প্রতি রাজ্যের আইনি সহায়তা বিভাগ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা মুক্ত করলেন বন্ডেড লেবারের অভিশাপ থেকে। স্বাধীনতা লাভের সাত দশক পরেও এমন অত্যাচার সহ্য করতে হচ্ছে দেশের মানুষকে। ভীল জনগোষ্ঠীর এই মানুষদেরকে বিগত ১৮ মাস ধরে একরকম জবরদস্তি করে আটকে রাখা হয়েছিল। চলুন একটু ভেতরে ঢুকে খোঁজ খবর নিই।

পুনে সংলগ্ন জলগাঁও ও ধুলে জেলার আদিবাসী পরিবারের সদস্যরা আখের ক্ষেতে কাজ করতে এসেছিল পুনেতে সেই ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে। এমনটা নতুন কিছু নয়।রুটি রুজির টানে এভাবে নিজেদের চেনা পরিচিত জায়গা ছেড়ে দূরান্তের পথে পা বাড়ানো একটি পরিচিত ব্যবস্থা। খবরের শিরোনামে উঠে আসা আদিবাসী পরিবারের সদস্যরা এভাবেই এসেছিল শিরপুরের রঞ্জনগাঁও – সান্দাস গ্রামের রঙ্গকিসে ভাইদের খামারে। তাদের বলা হয়েছিল অতিথি হিসেবে থাকবে, কোনো ধরনের অসুবিধা হবে না। আদতে যেমনটা হলোনা। পরিবারটি মিষ্টি কথার ফাঁদে পড়ে বন্দিদশা মেনে নিতে বাধ্য হলো। আসলে পরিবারটি নন্দু রঙ্গকিসে ও আপ্পা রঙ্গকিসের কাছ থেকে ১ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা ধার নিয়েছিল। কথা হয়েছিল দীর্ঘ তিন মাসের কাজের আগাম বাবদ এই টাকা নেওয়া হলো। আশ্চর্যের বিষয় হলো এই যে পরিবারটি হাতে পেয়েছিল মাত্র ৮৫০০০ টাকা। বাকি টাকা গেল দালালের কব্জায়। চমৎকার ব্যবস্থা !

এই দলের অন্যতম সদস্যা জীজাবাঈ ভীলের ( ৪৬ বছর) কথায় – নিয়োগের সময় আমাদের সঙ্গে কথা হয়েছিল যে আখ কাটার সময় মেয়াদের তিন মাস আমরা রঞ্জনগাঁওতে থাকবো এবং তারপর দেশে ফিরে যাব। কিন্তু কাজের শেষে দেশে ফিরে যাবার কথা বলতেই তাঁরা আমাদের পণবন্দি করে আটকে রাখে এবং বলে টাকা শোধ না হলে আমরা দেশে ফিরে যেতে পারবোনা।

ঋণ শোধের নামে তাদের ওপর শুরু হলো শারীরিক ও মানসিক পীড়নের পর্ব। দীর্ঘ দেড় বছর ধরে অমানুষিক পরিশ্রমে তাদের বাধ্য করা হয় যা মানবিক অধিকারের সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে গেছে। “ আমাদের মাথাপিছু গড়পড়তা ৫০ টাকা মজুরি দেওয়া হতো ১৪ ঘন্টা হাড়ভাঙা পরিশ্রমের জন্য। আমাদের চিকিৎসার জন্য কোনোরকম সুযোগ ছিলনা। আপদেবিপদে নিয়োগকর্তাদের তরফে মিলতো না কোনো রকম সাহায্য। আমাদের যথেচ্ছ চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিলো। একটা নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে থাকতে হতো আমাদের।” – নিজেদের দুর্দশার কথা মুখফুটে প্রকাশ করে দলের অন্যতম সদস্য বছর ৩৫ এর দাদাভাউ ভীল। তিনি আরো জানান – “আমাদের মোবাইল ফোন ব্যবহার করার অনুমতি ছিলো না পাছে আমরা আমাদের দুর্বিষহ জীবন যাপনের কথা আমাদের আত্মীয় স্বজনদের জানাতে পারি। ধরা পড়লে অকথ্য গালিগালাজ আর শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে আমাদের। পরিবারের সাত জন সদস্যের কোনো সাপ্তাহান্তিক ছুটি ছিলো না। সারা মাসের খাটাখাটনির পর পরিবারপিছু মাসের শেষে মজুরি মিলতো মাত্র ৩০০০ টাকা।”এভাবেই হয়তো তাদের বাকি জীবনটা কেটে যেত যদি না পরিবারের অন্য কয়েকজন সদস্য তাদের সঙ্গে দেখা করতে আসতো ! তারাই বাইরে গিয়ে বাকিদের দুর্দশার কথা সবার কাছে তুলে ধরে। পরিবারের এক বরিষ্ট সদস্য পঁয়ষট্টি বছরের মাঙ্গা ভীল, স্বয়ংসেবী সংগঠন জন সাহসের সঙ্গে যোগাযোগ করে। কিছুটা আশার আলো দেখতে পায় বন্দি পরিবারটি। তাঁরা পরিযায়ী শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষার জন্য গঠিত সরকারি দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এই

পরিবারটির ওপর চলতে থাকা অত্যাচার সম্পর্কে জানান। গত ২৭ জুন ২০২৫ পুনে জেলার আইনি সহায়তা প্রদান বিভাগের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সঙ্গে বহুউদ্দেশিয়া বিকাশ সংস্থার কর্মীদের সহায়তায় অভিযান চালানো হয় ওই আখের খামারে।

কাজটা কিন্তু মোটেই সহজ ছিলনা আধিকারিকদের পক্ষেও । গ্রামের মানুষজন তাদের ঘিরে ধরেছিল ,বাধা দেয় বন্দিদের ছাড়িয়ে নিয়ে যেতে। এতবড় একটা অভিযানে মাত্র একজন পুলিশকর্মী। স্বাভাবিকভাবেই প্রথম দিনের অভিযান এক রকম অসমাপ্ত রেখেই ফিরে যেতে হয় সকলকে। পরের দিন সরকারের বিভিন্ন বিভাগের প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে আবারও অভিযান চালানো হয়। সম্মিলিতভাবে অভিযান চালানোর জন্য চাপের কাছে নতিস্বীকার করে বন্দি ভীল পরিবারের সদস্যদের মুক্ত করতে সক্ষম হয় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্যরা, তবে অসংলগ্ন পুলিশি জবানবন্দির কারণে অপরাধীদের এখনও গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি বা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়নি। ইয়ে হ্যায় ইন্ডিয়া যেখানে অর্থবলে ক্ষমতাশালীরা শত অপরাধ করেও পার পেয়ে যায়।ছাড়া পেলেও পরিবারটি এখনও সমস্যা মুক্ত নয়। ভবিষ্যতে কাজ পেতে হলে তাদের নতুন করে নাম নথিভুক্ত করতে হবে সরকারি প্রকল্পের তালিকায়। পরিবারটির পাশে রয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্যরা এইটি নিঃসন্দেহে একটি ভরসার বিষয়। এমন ঘটনার কথা সবাইকে বিস্মিত করেছে। স্বাধীনতার এত বছর পরও এমন মধ্যযুগীয় ব্যবস্থা বহাল তবিয়তে টিকে আছে দেখে চমকে গেছেন সকলেই । বিকশিত ভারতের এই চেহারায় যুগপৎ হতাশ ও লজ্জিত আমরাও।

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

জুলাই ৭, ২০২৫

PrevPreviousবৃন্দা
Nextএ এক অন্য চিতাNext
5 2 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
12 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Anjana Mukhopadhyay
Anjana Mukhopadhyay
4 months ago

লেখকের নজর বিচিত্র বিষয়ে। এরফলে তাঁর লেখার মধ্য দিয়ে আমরা নানান বিষয়ে জানতে পারি। স্বাধীনতার এতোদিন পরেও দেশের এক শ্রেণীর মানুষ এমন অন্যায়ের শিকার হচ্ছেন জেনে সত্যিই হতাশ ও লজ্জিত হ‌ই।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Anjana Mukhopadhyay
4 months ago

দুঃখটা সেখানেই যে এতো দিন ধরে এই ব্যবস্থা এখানে টিকে আছে। সমস্যার গভীরে পৌঁছে তাকে দূর করার সদিচ্ছা নেই।

0
Reply
Soumen Roy
Soumen Roy
4 months ago

এতো ভয়ঙ্কর ঘটনা।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
4 months ago

এমন ঘটনা এদেশে ঘটে, আমরা তার কতটুকু খবর পাই। এতো বৈষম্য নিয়ে দেশ এগোতে পারে? ভয়ঙ্কর খবর বলেই হয়তো নজরে পড়ে। অন্যদের নজরে আনার জন্য কলমে শান দিই।

0
Reply
সুমন
সুমন
4 months ago

অজানা তথ্য। স্বাধীনতার এত দিন পরেও এই অবস্থা

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  সুমন
4 months ago

এটাই হলো সবথেকে অবাক করা কাণ্ড। এমন পরিস্থিতির শিকার হয়তো আরও অনেকেই।তারা অজ্ঞাত থেকে যায়।

0
Reply
Subrata Kr. Pal
Subrata Kr. Pal
4 months ago

প্রতি দিনই এরকম ঘটনা ঘটছে, দেশে নয়তো বিদেশে। তার ই দুএকটা কাগজে রেরোয়। তখন আমরা সেটা পড়ে চমকে উঠি। চিন্তা নেই….2047 এ সব ঠিক হয়ে যাবে।

0
Reply
শর্মিষ্ঠা লাহিড়ী
শর্মিষ্ঠা লাহিড়ী
4 months ago

সত্যি কথা বিষয় বৈচিত্র্যে লেখক যে অনেক অজানা বিষয়কে আমাদের সামনে তুলে আনছেন তাযথার্থ ই অভিনবত্বের দাবি রাখে।আর এখনো এই ধরনের মধ্যযুগীয় প্রথার আশু বিলুপ্তির প্রয়োজন।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  শর্মিষ্ঠা লাহিড়ী
4 months ago

রোজ এই মহান দেশের আনাচে কানাচে এমন ঘটনা ঘটতেই থাকে। তার সামান্য অংশ সামনে আসে। আজ ওড়িশার এক ঘটনা নজরে এলো । বর্বরোচিত বললে কম বলা হবে। প্রয়োজন নাগরিক সচেতনতার। এই লেখা দিয়ে তার উন্মেষ সম্ভব নয়।

0
Reply
Sugata Bhattacharjee
Sugata Bhattacharjee
4 months ago

ভারতীয় হিসেবে খুবই লজ্জার ঘটনা। আমাদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, মূল্যবোধ এর সত্যিই বড় অভাব।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Sugata Bhattacharjee
4 months ago

কেন এমন হাল হলো? আত্মজিজ্ঞাসা দরকার।

0
Reply
DrSouravM
DrSouravM
3 months ago

The further we step out of the cities the darker the picture is… still feudalism is at full force…

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

শাসক ভোলাতে চায়, আমরা নিয়েছি না ভোলার শপথ।

December 5, 2025 No Comments

৯ আমাদের না ভোলার তারিখ। জল নয় রক্ত ছিল আমাদের মেয়ের চোখে। সেই নিষ্ঠুরতা মনে পড়লে আমরা কেঁপে উঠি। শাসক ভোলাতে চায়। মদত পেয়ে দিকে

“ডাক্তারবাবু, দেখুন তো আমি চারে তিন না কি চারে এক” – তামান্নার গল্প

December 5, 2025 No Comments

(ক্লিনিকে বসে যা শুনেছি তাই লেখার চেষ্টা করছি) আমার নাম তামান্না (নাম পরিবর্তিত)। বয়স তেইশ। বাড়ি ক্যানিং। গরীব ঘরে জন্ম। মাত্র ষোল বছর বয়সে শ্বশুরবাড়ি।

রবি ঘোষ

December 5, 2025 No Comments

২৫ নভেম্বর ২০২৫ কোনো একটি বিষয় নিয়ে কোন লেখক কিভাবে লিখবেন, কতটা লিখবেন সেটা তার নিজস্ব ব্যাপার কিন্তু আজকাল বেশকিছু লেখাপত্তর দেখলে খুব বিরক্তি হয়,

খোঁজ মিলল বিষ্ণুপুরের হারিয়ে যাওয়া দুই কিশোরী ছাত্রীর

December 4, 2025 1 Comment

চণ্ডীদা স্মরণে

December 4, 2025 1 Comment

অত্যন্ত সৌভাগ্যবান যে উত্তরবঙ্গ সহ রাজ্যের বিভিন্ন ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক অঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলাম। এরফলে সেখানকার ভূপ্রকৃতি, নিসর্গ, জনজীবন দেখার সুযোগ ঘটে।

সাম্প্রতিক পোস্ট

শাসক ভোলাতে চায়, আমরা নিয়েছি না ভোলার শপথ।

Abhaya Mancha December 5, 2025

“ডাক্তারবাবু, দেখুন তো আমি চারে তিন না কি চারে এক” – তামান্নার গল্প

Dr. Kanchan Mukherjee December 5, 2025

রবি ঘোষ

Dr. Samudra Sengupta December 5, 2025

খোঁজ মিলল বিষ্ণুপুরের হারিয়ে যাওয়া দুই কিশোরী ছাত্রীর

Abhaya Mancha December 4, 2025

চণ্ডীদা স্মরণে

Dr. Gaurab Roy December 4, 2025

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

594255
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]