আরও একটা বছর কেটে যাচ্ছে পায়ে পায়ে। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে ধীরে ধীরে প্রস্তুতি নিচ্ছে সকলেই। নতুন বছর মানেই অনেক আশা ভরা চোখে ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে থাকা আর ফেলে যাওয়া দিনগুলোতে পাওয়া আর হারানোর চুলচেরা হিসেব নিকেষ করা। পৃথিবী ক্রমশই অসহিষ্ণু হয়ে পড়ছে। এই অসহিষ্ণুতার পেছনে ধরিত্রী মায়ের সন্তানদের ভূমিকা যে মোটেই কম নয় তা বোধহয় নতুন করে বলার নেই। আজ এই নিবন্ধে সেই ফেলে আসা সময়ের হিসেব নিকেষ করার চেষ্টা হয়েছে। আগামী দিনগুলো আরও প্রাণময় হোক।
আরও একটা বছর কেটে যাবার মুখে। ডিসেম্বর মাসের দিনগুলো ক্যালেন্ডারের পাতা ছুঁয়ে তরতরিয়ে এগিয়ে এলেই হিসেবনিকেশের পর্ব শুরু হয়ে যায় যেন। আমিও আজ বসেছি খাতা খুলে, ফেলে আসা দিনগুলোর পাওয়া আর না পাওয়ার ফর্দ নিয়ে। দেখবো গোটা দুনিয়ার প্রেক্ষাপটে বিগত দিনগুলোতে আমাদের দেশে ঘটে যাওয়া বিপর্যয়ের ঘটনাগুলোকে। সন্ধান করবো পৃথিবীর কোন্ কোন্ দেশে বিগত বছরে বা তার আগের ফেলে আসা সময়ে জলবায়ু পরিবর্তনের গভীর ছাপ পড়ছে আমাদের ওপর।
খুব সম্প্রতি একটি গবেষণা রিপোর্টে বলা হয়েছে যে,বিগত তিন দশক সময়কালের মধ্যে ভারতবর্ষ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ব্যাপক বিপর্যয় ও ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এই তালিকায় অবশ্য ভারতবর্ষ একা নয়, আরও দশটি দেশের সঙ্গে এই তালিকায় ঠাঁই হয়েছে আমাদের। এর ফলে বিপুল পরিমাণ সম্পদের অপচয়ের পাশাপাশি মানুষের জীবনে নেমে এসেছে ঘোরতর বিপর্যয়। এই ক্ষয়ক্ষতির প্রভাব সহজে কাটবে, এমনটা কখনোই নয়।
ব্রাজিলের বেলেম শহরে অনুষ্ঠিত সদ্য সমাপ্ত COP30 সম্মেলনে এই রিপোর্টের খসড়াটি প্রকাশ করা হয়েছে। রিপোর্টে ১৯৯৫ এবং ২০২৪ সালের অন্তর্বর্তী সময়ে আবহিক বিপর্যয়ের ফলে সবথেকে বিপর্যস্ত দশটি দেশের মধ্যে ভারতের ঠাঁই হয়েছে নয় নম্বরে। এই অবস্থান নির্ধারিত হয়েছে নতুন Climate Risk Index ( CRI ) এর নিরিখে। উদ্বেগের বিষয় হলো এই যে, সবথেকে বিপর্যয়ের শিকার হয়েছে এমন দশটি দেশই পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত। তালিকায় ক্রমানুসারে থাকা দেশগুলো হলো – ১.ডোমিনিকা, ২. মায়ানমার,৩.হন্ডুরাস ,৪. লিবিয়া, ৫. হাইতি, ৬. গ্রানাডা, ৭. ফিলিপাইন্স, ৮. নিকারাগুয়া, ৯. ভারতবর্ষ এবং ১০. দ্যা বাহামা। দেশগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান ও আর্থসামাজিক পরিস্থিতি সম্পর্কে যাদের কিছুটা ধারনা আছে তাদের বুঝতে অসুবিধা হবে না যে, প্রাকৃতিক কারণে বিপর্যস্ত হলে এই ছোটোখাটো উন্নতিকামী দেশগুলোর পক্ষে মাথা তুলে উঠে দাঁড়ানোর লড়াইটা কতোটা কঠিন। এই তালিকায় ভারতের ঢুকে পড়াটা নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করে বৈকি!
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে মুখ্যত দুটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে CRI ‘এর সূচক মান নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিষয় দুটি হলো – চরম জলবায়ু পরিস্থিতি কোনো দেশের অর্থনৈতিক পরিকাঠামোর ওপর কতটা প্রভাব ফেলেছে এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবন কতটা বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। যে দেশ এই তালিকায় যত ওপরে রয়েছে সেই দেশে বিপর্যয়ের মাত্রা তত বেশি। এই নিয়মে তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করে থাকা ডোমিনিকার অবস্থা রীতিমতো উদ্বেগজনক। একটা কথা আজ দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে গেছে যে মানুষী কার্যকলাপ বা প্রাকৃতিক তন্ত্রের ওপর মানুষের নিরন্তর খবরদারির কারণেই বিপর্যয়ের তীব্রতা, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ক্রমশই বাড়ছে। এই রিপোর্টে দীর্ঘদিন ধরে ঘটে চলা বিপর্যয়ের ঘটনাগুলোকে বাদ দিয়ে খুব আকস্মিকভাবে যে সমস্ত দুর্বিপাক নেমে এসেছে প্রকৃতি পরিবেশ তথা মানুষের জীবনে যেমন প্লাবন, ঝড়, প্রবল দাবদাহ, মেঘ ভাঙ্গা বৃষ্টি,দাবানল, হিমবাহ হ্রদের বিস্ফোরণ, সেগুলোকেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সমুদ্র জলতলের বেড়ে চলা উচ্চতা, হিমবাহের পশ্চাদপসরণ, সমুদ্র জলের অম্লত্ব বৃদ্ধি,গড় তাপমাত্রার বেড়ে যাওয়ার মতো ধীরে ধীরে ঘটে যাওয়া বিপর্যয়গুলো এই হিসেবে ধরা হয় নি।CRI সূচক অনুসারে ২০২৪ সালে ভারতের অবস্থান ছিল ১৫ নম্বরে।সেখান থেকে ৯ নম্বরে উঠে আসার বিষয়টিও সত্যিই খুব উদ্বেগজনক। এই ক্রমতালিকায় উঠে আসার অর্থ হলো ভারতবর্ষে বিপর্যয়ের তীব্রতা বেড়ে চলেছে। বিষয়টি যে গভীর উদ্বেগের তা বোধহয় বুঝিয়ে বলার প্রয়োজন নেই। সমীক্ষা রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতবর্ষ লাগাতার ভাবে বিভিন্ন ধরনের বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে। এরফলে অর্থনৈতিক পরিকাঠামোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন বারংবার তছনছ হয়ে গেছে। তথ্যানুসারে মোট ৪৩০ টি চরম আবহিক পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে ভারতবর্ষ যার মধ্যে রয়েছে বন্যা এবং ভূমিধস, তাপপ্রবাহ, প্রবল ঘূর্ণিঝড় এবং দীর্ঘমেয়াদি খরা পরিস্থিতি। এইসব ঘটনার ফলে দেশের প্রায় দশ কোটিরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৭০ বিলিয়ন ডলার। এইসব ঘটনার ফলে মারা গিয়েছেন প্রায় ৮০০০০ জন মানুষ। এক বিপুল ক্ষতির সামনে পড়তে হয়েছে ভারতবর্ষকে। ২০২৪ সালে বিপর্যস্ত মানুষের সংখ্যার বিচারে মানুষের ভারতের স্থান ছিল বিশ্বের মধ্যে তিন নম্বরে। এমন একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কারও কোনো হেলদোল লক্ষ করেছেন? না। আম জনতা থেকে আমদরবার আলো করে থাকা কর্তাব্যক্তিরা কেউই এসব নিয়ে সামান্য চিন্তিত নন। সকলেই এখন উন্নয়নের ডঙ্কা বাজিয়ে নিজের নিজের স্বার্থসিদ্ধির কাজে ব্যস্ত। এমন অনভিপ্রেত অবস্থায় থাকা ভারতবর্ষ , তালিকায় পাশে পেয়েছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশ এবং ফিলিপাইন্সকে। সবক্ষেত্রেই বন্যার দাপটে বিপর্যস্ত মানুষের সংখ্যা সবাইকে ছাপিয়ে গেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০২৪ সালে গোটা দুনিয়ার ৫০ মিলিয়ন মানুষ বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ধনী,নির্ধন কেউই বাদ যায়নি।বন্যার পরেই মানুষের জীবনে প্রবল থাবা বসিয়েছে তাপপ্রবাহ। বিজ্ঞানীরা লাগাতার ভাবে এই বিষয়ে সবাইকে সচেতন করে যাচ্ছেন। বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তনের সবথেকে বড়ো ইঙ্গিত আমরা পাই তাপমাত্রার বেড়ে যাওয়ার ঘটনা থেকে। তাপপ্রবাহের কারণে পৃথিবীর প্রায় ৩৩ মিলিয়ন মানুষ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে বেড়েছে বৃষ্টিহীন খরা পরিস্থিতি যার ফলে প্রভাবিত হয়েছে বিশ্বের প্রায় ২৯ মিলিয়ন মানুষ। থমকে গেছে কৃষি উৎপাদন। পুষ্টির জোগানে টান পড়েছে ব্যাপকভাবে। বন্যা আর খরার পর পৃথিবীতে প্রবল দাপট দেখিয়েছে ঘূর্ণিঝড়। পরিচিতির সুবিধার জন্য এখন ঝড়ের নামকরণের প্রথা চালু হয়েছে।তাতে সুবিধা হয়েছে এই যে, ঝড়ের অনুপুঙ্খ বিবরণী তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে ভবিষ্যতের কথা ভেবে। ২০২৪ সালে ঘূর্ণিঝড় ত্রামির সন্ত্রাসী হামলায় ফিলিপাইনে শতাধিক মানুষের জীবনহানি ঘটে, বিপর্যয়ের মুখে পড়ে দশ লক্ষাধিক মানুষ। ২০২৪ সালে মৌসুমী বৃষ্টিপাতের কারণে ভারতের পশ্চিম প্রান্ত এবং পূর্ব প্রান্তের অবস্থা রীতিমতো সঙ্গিন হয়ে পড়ে। গুজরাট, মহারাষ্ট্র এবং ত্রিপুরা রাজ্যের প্রায় ৮ মিলিয়ন মানুষের জীবনে নেমে আসে বিপর্যয়ের করাল ছায়া।CRI রিপোর্ট আমাদের আগামীদিনে গভীর উদ্বেগের মধ্যে কাটাতে বাধ্য করবে। রিপোর্টে ফিলিপাইন্স, নিকারাগুয়া এবং হাইতির সঙ্গে এক তালিকায় ভারতের নাম যুক্ত হয়েছে। বলা হয়েছে যে এই দেশগুলোর সামনে ধারাবাহিক বিপর্যয়ের ভ্রুকুটি রয়েছে আগামীদিনে। এসব যে নিছক কথার কথা নয় তার প্রমাণ আমরা বারবার পেয়েছি। ভারতবর্ষ এই মুহূর্তে প্রাকৃতিক বিশৃঙ্খলার এক ভয়াবহ লীলাভূমিতে পরিণত হয়েছে। হিমাচল প্রদেশের অতি সাম্প্রতিক বন্যার সময় দেখেছি কীভাবে হড়পা বানের জলের সঙ্গে ভেসে এসেছে কেটে ফেলা গাছের অংশ। এসব তো আর প্রাকৃতিক শক্তির কারণে হয়নি,সব আমাদেরই কীর্তি। প্রাকৃতিক শক্তিগুলোকে নিরন্তর উস্কে দিয়ে আমরাই বিপর্যয়ের মাত্রা বাড়িয়ে তুলছি। আর এসবের জন্যই বিপর্যয়ের সঙ্গে সহবাস করতে হবে আমাদের। এই প্রভাব ক্রমযৌগিক। ফলে এক ভয়াবহ ভবিষ্যৎ আমাদের জন্য অপেক্ষমান।আসুন জেনে নিই আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে কী বলেছেন Vera Kunzel, বরিষ্ঠ পরামর্শদাতা, climate change adaptation and human rights,Germanwatch–
“হাইতি, ফিলিপাইন্স এবং ভারতবর্ষ এই মুহূর্তে CRI প্রকাশিত পৃথিবীর বিপজ্জনক ১০ টি দেশের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। এই বিষয়টি কখনোই স্বস্তির নয়। এই দেশগুলোতে বন্যা, তাপদাহ অথবা ঘূর্ণিঝড় প্রায় নিয়মিত ব্যবধানে আঘাত হেনেছে যার প্রভাবে এই দেশগুলোর মানুষের জীবন ও অর্থনৈতিক অবস্থা বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে দীর্ঘ দিন অপেক্ষা করে থাকতে হবে। হয়তো এর মধ্যেই নতুন করে বিপর্যয়ের শিকার হবে এই হতভাগ্য দেশগুলো। এইসব ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন যাতে করে এই মানুষেরা আবার তাঁদের চেনা জীবনের পথে ফিরতে পারে। নাহলে এই দূরপনেয় ক্ষয়ক্ষতিকে মেনে নিতে হবে যা এককথায় অসম্ভব।”
রিপোর্ট থেকে জানা গেছে যে ডোমিনিকা, মায়ানমার, হন্ডুরাস এবং লিবিয়া তালিকার ওপরের দিকে রয়েছে যার অর্থ অস্বাভাবিক আবহিক বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে সময়ের নিয়মিত ব্যবধানে। ২০০৮ সালে সাইক্লোন নার্গিস এসে আঘাত করে মায়ানমারের ভূখণ্ড। বিশেষজ্ঞরা এই ঘটনাটিকে বিগত তিন দশকের সবথেকে ভয়ঙ্করতম বিপর্যয় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। নার্গিস ঝড়ের দাপটে মায়ানমারের ১,৪০০০০ মানুষের জীবনহানি ঘটে এবং দেশের ৯৫% দুরাবস্থার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মৃত্যুর এমন দীর্ঘ মিছিল কল্পনার অতীত।এখানেই শেষ নয়। ১৯৯৫ – ২০২৪ , এই তিন দশকের সময়সীমায় পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে মোট ৯৭০০ টি বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে যার ফলে প্রাণ হারিয়েছেন ৮,৩২০০০ মানুষ।আর ক্ষতি হয়েছে ৪.৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। দুঃখের বিষয় হলো এই যে, এই ক্ষয়ক্ষতির সবটাই প্রায় ঘটেছে পৃথিবীর দুর্বল আর্থ সামাজিক পরিকাঠামো বিশিষ্ট তথাকথিত দুর্বল উন্নতিশীল দেশগুলোতে যাঁদের একবার কোমর ভেঙে গেলে সোজা হয়ে দাঁড়ানো খুব কঠিন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য না পাওয়ায় বিপর্যয়ের যথাযথ পরিমাপ করা সম্ভব হয় না। এই ফাঁকফোকরের কারণে পুনর্বাসন ও পুনর্গঠনের কাজ অসম্পূর্ণ থেকে যায়।বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তনে আজ ক্রমশই মানুষের ভূমিকা বড়ো হয়ে উঠেছে। তথাকথিত উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য বিঘ্নিত হচ্ছে বায়ুমণ্ডলের শৃঙ্খলা।আর তার প্রভাবেই বাড়ছে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত আবহিক বিশৃঙ্খলা। পরিণামে বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হচ্ছে মানুষকে। এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তিহানি ও লোকক্ষয় আমাদের পিছিয়ে দিচ্ছে বেশ কয়েক কদম। CRI এর তালিকায় ভারতের অন্তর্ভুক্তি আমাদের আশঙ্কায় শিহরিত করে। রাতারাতি এই পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে এমনটা কখনোই নয়। এজন্য চাই নিবিড় অনুসন্ধান, সংযমী যাপন, কঠোর অনুশাসন ও তার অনুশীলন। শিখতে হবে এই সব দুর্বিপাকের সঙ্গে সহবাসের উন্নত প্রকৌশল। বর্ষ শেষের হিসাবনিকাশ যতই আমাদের শঙ্কিত করুক না কেন ভবিষ্যতের দিকে আমাদের আশাভরা চোখেই তাকাতে হবে। এটাই হোক বিদায়ী বছরের অন্তিম যাচনা।
আগের পৃথিবীকে আর ফিরিয়ে আনা মোটেই সম্ভব নয়, কেননা দীর্ঘ সময় ধরে আমরা পার্থিব শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করে ফেলেছি। এই অবস্থা নির্ভর করে পরিবেশের উপাদানগুলোর পারস্পরিক বোঝাপড়ার ওপর। Anthropocene যুগে এটাই বাস্তবতা।
হান্টিংটনের সভ্যতার সংঘাতের তত্ত্ব পন্ডিতদের বিতর্ক সভা আর পরিভাষা কন্টকিত পুঁথির পাতার বাইরে কতটা ছড়িয়েছিল সন্দেহ আছে| এই ভুবনের ভার যাদের করতলে, মেঘের আড়াল থেকে
১. কলকাতার কোল ঘেঁষে যেমন বিধাননগর উপনগরী, মুম্বাইয়ের ঠিক তেমনিই নবি মুম্বাই। একেবারে শুরুতে অবশ্য ডাকা হতো নিউ মুম্বাই নামে,পরে ইংরেজি নিউ শব্দের মারাঠিকরণ করে
যে কোন মহানগরী সেটি যদি জনবহুল হয়, একাধারে বাণিজ্য কেন্দ্র হয়, পর্যটক বিদেশি রা আসেন সেখানে হকার নামক ভ্রাম্যমাণ ছোট ব্যবসায়ীরা থাকবেনই। লন্ডন, প্যারিস, রোম
২১ মে, ২০২৬ অভিনেত্রী অঙ্কিতা চক্রবর্তীর একটি প্রেস কনফারেন্স থেকে আমরা জানতে পারি দেবালয় ভট্টাচার্য নামের এক পরিচালকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগের কথা। গবেষণায় দেখা
আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Ar ferar raasta nei boley money hoy.
Dhirey dhirey ek bhoyonkar bhobishyoter dikey egiye jawa !
আগের পৃথিবীকে আর ফিরিয়ে আনা মোটেই সম্ভব নয়, কেননা দীর্ঘ সময় ধরে আমরা পার্থিব শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করে ফেলেছি। এই অবস্থা নির্ভর করে পরিবেশের উপাদানগুলোর পারস্পরিক বোঝাপড়ার ওপর। Anthropocene যুগে এটাই বাস্তবতা।