মারাঠি না বলায় কারা যেন মেরে কার মুখ ফাটালো মহারাষ্ট্রতে
সময় নেয়নি সেই ক্ষমা চাওয়া ভিডিওটি ভাইরাল হতে,
পেছনে গর্বিত মারাঠিদের ‘জয় মহারাষ্ট্র’ শ্লোগান।
ভাষার দিনের কথা জ্ঞাত আছে সেই সব ভাষা-মস্তান?
সম্প্রতি কর্নাটকে নাকি ফতোয়া এসেছে
শিক্ষার মাধ্যম যত ইংরাজি হোক,
ভিনরাজ্যের থেকে আসা পড়ুয়ার বাধ্যবাধক
জানতেই হবে কন্নড়..
ভাষার তারিখে তারা উৎসব-পালনে কি হবে তৎপর?
এভাবেই প্রদেশে প্রদেশে , ভাষার খবরদারি
বহুবিভাজিত দেশে আরো খাল কাটে,
আর কোনো ভাষা নেই এই তল্লাটে,
তাই বলে হুংকার দেয় একভাষাভাষী যত রাজনীতি-বোড়ে ,
একুশে ফেব্রুয়ারি নিজের ভাষাকে নিয়ে
মিছিলে বেরোবে তারা কখনো কী ভোরে?
তবে যে বাংলাভাষী বাধ্যত বহুযুগ ভিটেমাটি ছাড়া.
কাজের সুবাদে থাকে অবাংলা-প্রদেশে,
বাংলা বলার দোষে কাঁটাতার পার করে ফেলেছে পুলিশ ওপারে,
সেখানে বিদেশী বলে জেলে গেছে সে…
দুদেশে বেখাপ্পা লোক, জায়গা জোটেনি যার নাগরিক-খাপে,
একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলার নাম শুনে তার বুক কাঁপে।
যে ভাষা শাসানি হয় বিভাজক-ঠোঁটে,
যে ভাষা দাবার চাল কারো কোনো ভোটে,
যে ভাষা থামাতে চায় বাকি ভাষা-ভাষীদের জিভ
যে ভাষা এলাকা মেপে ক্রমাগত করে ত্রিসীমানা জরিপ,
যে ভাষা আগ্রাসী,
বুলডোজারের মতো বাকিদের ঘর ভাঙে শাসকের গড় হবে বলে,
যে ভাষা সর্বনাশী,
প্যারাসাইটের মতো আশ্রয়ী ভাষা মারে বিষের ছোবলে,
রবি কাজীর দিব্যি,
ঈশ্বরচন্দ্রের দিব্যি,
আজীবন যেন সেই সব ভাষাদের তীব্র বিরোধী হতে পারি।
কলমে সে শক্তি দিও , একুশে ফেব্রুয়ারি।











