কেমন লাগছে বলুন এমন একটা অবিশ্বাসের বাতাবরণ?
দুর্নীতি এমন একটা পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে প্রতিটা স্তরে beneficiary আছে। প্রতিটা জিনিসে ভেজাল আছে।
আমি যে ওষুধ লিখছি তাকেও ভরসা করতে পারছিনা, আপনি যে ওষুধ খাচ্ছেন সেটার কোনো ভরসা নেই। Biomedical waste পর্যন্ত নাকি দুর্নীতির মারফত বাজারে ঢুকছে! মানে প্রাইভেট হাসপাতালে বসেও আপনি যে ইনজেকশন নিচ্ছেন, যে suture material দিয়ে আপনাকে stitch করা হচ্ছে, সেটার কোনো ভরসা নেই!
ওষুধ ইনজেকশন স্যালাইন, এমন কি ডাক্তার সবেতেই অবিশ্বাস! কারণ? কারণ আমরা বারেবারে দুর্নীতি দেখেও ignore করেছি। আমরা নেতাদের ঘুষ নিতে দেখেও ignore করেছি, আমরা নিজেরাও হয়তো ছোটো ছোটো দুর্নীতি চক্রের active অথবা passive beneficiary হয়েছি। কেউ ভেবেছি সবাই যখন করছে তখন দেই না ছেলেটাকে একটু ঘুষ দিয়ে ডাক্তারিতে ঢুকিয়ে, কেউ ভেবেছে অনার্স পেলে যদি চাকরি পেতে একটু সুবিধে হয়, নাহয় জোগাড় করি কিছু পয়সা, কেউ ভেবেছেন কি হবে ঝামেলায় জড়িয়ে, তার চেয়ে ওরা বলছেই যখন দেই না হয় নম্বর বাড়িয়ে।
এভাবেই তৈরি হয়েছে, একটা দুর্নীতির পাহাড় একদিনে তৈরি হয়নি আর এখন এই দুর্নীতি এমন সুক্ষ স্তরে পৌঁছে গেছে যে আর আলাদা করা যাচ্ছে না! এবার পরিবারের মানুষ অসুস্থ হলে নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারবেন তো?










