Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ক্লিনিক ডায়েরি

IMG-20200727-WA0045
Dr. Nishantadeb Ghatak

Dr. Nishantadeb Ghatak

Paediatrician
My Other Posts
  • July 28, 2020
  • 7:30 am
  • 3 Comments

‘সিং ভেঙে বাছুরের দলে’-র  উল্টোটা কি হয় আপনাদের কারোর জানা আছে? ওই সেইদিন চেম্বারে নিজের অবস্থানটা ঠিক তেমনি মনে হচ্ছিল।

এক ঠাকুমা বড়ছেলের ঘরের নাতিকে নিয়ে দেখাতে এসেছিলেন। ছোট ছেলের ঘরের নাতির সাথে বয়সের পার্থক্য মাত্র ১৫ দিনের। ছোটটার বয়স এখন তিনমাস। বছর খানেক বাদে বাড়ির লোকজনের কি হাল ওরা করবে সহজেই অনুমেয়।

বড় নাতিকে দেখিয়ে একরাশ কুণ্ঠা ভরে ঠাকুমা বললেন, ডাক্তারবাবু জানি আপনি কৌটোর দুধ দিতে মানা করেন ৬ মাসের নিচে বাচ্চাদের, কিন্তু ছোট নাতিটার জন্যে একটা দুধ লিখে দিলে খুব ভাল হয়।

-কেন, কি হল?

-ওর মার খুব জ্বর। পাঁচ দিন হয়ে গেল। ১০৩-১০৪ করে জ্বর আসছে। দুবার অমুক বাবুকে দেখানো হয়ে গেছে। অ্যান্টিবায়টিকও তো দিয়েছেন। রক্ত পরীক্ষাও তো করলেন। বললেন কিছু তেমন নেই রিপোর্টে। এখন করোনা টেস্ট করতে বলছেন। সেই শুনে মা ভয় পেয়ে গেছে আর বলছে দুধ খাওয়ালে বাচ্চারও যদি হয়ে যায়!

-মায়ের ওই রোগ হয়েছে কে বললো? জ্বর ছাড়া আর কি কষ্ট আছে?

-খুব মাথা যন্ত্রণা বলছে।

-সর্দি, কাশি, হাঁছি এসব কিছু আছে?

-না, ডাক্তারবাবু।

গত ৯ বছর ধরে জীবনের বেশি সময়ই কেটেছে ফুটফুটে শিশুদের রোগ আর কষ্টের কথা শুনে। সুযোগ পেলে অপেক্ষাকৃত সুস্থ, সদ্য দাঁত ফোটাগুলোকে কাতুকুতু দিয়ে তাদের ওই নির্মল হাসি দেখার সুযোগ পুরোদস্তুর নিয়েছি। পাকা পাকা কথা বলা গিন্নি বুড়িদের হেয়ার ব্যান্ড বা জামার ফুলটা নিয়ে খুনসুটি তো উপরি পাওনা হিসাবে ছিলই। এই সব করতে করতে এখন বড় মানুষদের রোগ নিয়ে অদ্ভুত একটা আড়ষ্ঠতা তৈরি হয়েছে। মন থেকেও আর ভাল লাগেনা ঠিক। জ্ঞানও সীমিত।

পুঁচকে দুধের শিশুটা মার দুধ খেতে পাবেনা?
অদ্ভুত একটা সেন্টিমেন্ট কাজ করলো। এখনও আমার মনে হয় ওই পুঁচকেগুলোর ওটা একটা খুব বড়ো অধিকারের জায়গা। এই অধিকার নিয়ে সোচ্চার হতে গিয়ে বিভিন্ন স্তরে অনেক গলাবাজিও করতে হয়েছে, তবুও আমি আজও বিশ্বাস করি এটি একটি শিশুর সুস্থ দেহ আর বুদ্ধিমত্তা নিয়ে বড় হয়ে ওঠার অত্যাবশ্যক উপাদান।

ওই শিশুটির কথা ভেবে সব আড়ষ্ঠতা কাটিয়ে ভেতর থেকে মাটিকে সুস্থ করে তোলার এক অদ্ভুত অনুপ্রেরণা কাজ করতে থাকে। শিশু চিকিৎসক হয়ে নিজের পরিমিতি বোধ, একরাশ দোনা-মোনাকে সাথে নিয়েই একটু ভাবলাম ওনার রোগটা নিয়ে। ওই ভদ্রমহিলাকে বললাম ঘরে গিয়ে ওনারা কেউ যেন রোগিণীর গোপন জায়গাগুলো একটু খেয়াল করেন। বিশেষত শরীরের খাঁজ আর ভাঁজগুলো। একটা ছোটো ক্ষত, ছেঁকার মত কোনো দাগ পেলে যেন আমায় মোবাইলে ছবি তুলে দেখিয়ে যান।

আধ ঘণ্টার মধ্যে ওই রোগিণীর স্বামী হন্ত দন্ত হয়ে স্মার্টফোন নিয়ে ছুটে আসেন।
বললেন ডান দিকের বগলের নিচের দিকে, যেখানে ব্লাউজের হাতাটা শেষ হয় ঠিক সেই জায়গায় একটা এমন কিছু পেয়েছেন।

মেডিসিনের লোকেরা যখন ডায়াগনোসিসের খুব কাছাকাছি চলে আসে তখন ভেতরে ভেতরে একটা অদ্ভুত গুরগুরে আনন্দ কাজ করে। মেডিসিনের প্রেমে যাঁরা পড়েন তাঁদের প্রেমের উৎসমূল কিন্তু এই আনন্দ। আসলে এটা রোগীদের সুস্থ হয়ে ওঠার হয়ত আগাম বার্তা। আমারও তেমনি একটা অনুভূতি হতে থাকলো। গত ৩-৪ বছরের গোটা ৫০ স্ক্রাব টাইফাস চিকিৎসা করার সুবাদে কেমন যেন মনে হল এটা স্ক্রাব। ট্রিটমেন্ট শুরু করে পাঠাই রক্ত পরীক্ষা করতে। দুদিন পরে রিপোর্ট লোকজনকে অনুরোধ করে হোয়াটসআপ-এ পাঠাতে বলি। আমার সন্দেহই ঠিক হয়। ততদিনে রোগিনী সুস্থ। উনি আর ওনার বাড়ির লোককে তখনও এই রোগ সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। ওনারা এটাতেই খুশি যে ওনার কোভিড হয়নি।

রোগটি সম্পর্কে বলতে গিয়ে যখন বলি কোভিডে মাত্র ৩-৪ শতাংশ রোগীর মৃত্যু হয় আর এই রোগের সঠিক ওষুধ না পড়লে ১০০ শতাংশ রোগীর মৃত্যু হয়। শুনে ওনাদের চোখে মুখে একটু দুশ্চিন্তার ছায়া দেখেছিলাম।

যাওয়ার আগে আমার ফিজ দিতে খুবই জোরাজোরি করছিলেন। বললাম আপনি তো আমার রোগীই না। আমার ওই পুঁচকে রোগীর মুখে মার দুধ বন্ধ না হওয়ার যে খুশি দেখতে পাচ্ছি, ওটাই তো আমার সব চেয়ে বড় ফিজ।।

মরাল অফ দা স্টোরি
১) সব জ্বরই করোনা নয়।

২) জ্বরের সাথে এমন ধূপের ছেঁকার মত কোন দাগ দেখলে ডাক্তার বাবুর পরামর্শ নিন।

৩) স্ক্রাব টাইফাস‌ শুরু হয়ে গেছে। সময় মত চিকিৎসা শুরু হলে বাড়িতে থেকেই সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া যায়।

PrevPreviousকরোনা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি
Nextআইসোলেশনের দিনরাত্রি ৫Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
3 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Bhaskar nath Sinha
Bhaskar nath Sinha
5 years ago

ভীষণ ভাবে উপকৃত হলাম পড়ে।

0
Reply
কৌশিক লাহিড়ী
কৌশিক লাহিড়ী
5 years ago

Excellent

0
Reply
Nishantadeb Ghatak
Nishantadeb Ghatak
Reply to  কৌশিক লাহিড়ী
5 years ago

Thank you

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

A Brief Update of Two Important Legal Developments:

December 6, 2025 No Comments

04.12.25 1) The appointment case of Dr Aniket Mahato: In the case concerning the appointment of Dr Aniket Mahato, the Calcutta High Court had clearly

মূলে ফেরো

December 6, 2025 No Comments

মূলে ফিরে এসো এইবারে। একবার একসাথে লড়ি ওখানে কাজ আছে মান নেই, এখানে উল্টো ঠিক, রোজগার খাড়া বড়ি থোড় থেকে থোড় খাড়া বড়ি, তবুও ফেরত

লাউ মাচা

December 6, 2025 1 Comment

বয়স বাড়ছে। শীত করছে। পাতা ঝরছে। টুপটাপ দিনরাত কত কি যে খসছে। ‘অ বৌমা বেলা হল–ভাত বাড়ো’ –আজকাল এমন গৃহস্থ কথার ওম ওড়াউড়ি করে না

শাসক ভোলাতে চায়, আমরা নিয়েছি না ভোলার শপথ।

December 5, 2025 No Comments

৯ আমাদের না ভোলার তারিখ। জল নয় রক্ত ছিল আমাদের মেয়ের চোখে। সেই নিষ্ঠুরতা মনে পড়লে আমরা কেঁপে উঠি। শাসক ভোলাতে চায়। মদত পেয়ে দিকে

“ডাক্তারবাবু, দেখুন তো আমি চারে তিন না কি চারে এক” – তামান্নার গল্প

December 5, 2025 No Comments

(ক্লিনিকে বসে যা শুনেছি তাই লেখার চেষ্টা করছি) আমার নাম তামান্না (নাম পরিবর্তিত)। বয়স তেইশ। বাড়ি ক্যানিং। গরীব ঘরে জন্ম। মাত্র ষোল বছর বয়সে শ্বশুরবাড়ি।

সাম্প্রতিক পোস্ট

A Brief Update of Two Important Legal Developments:

West Bengal Junior Doctors Front December 6, 2025

মূলে ফেরো

Arya Tirtha December 6, 2025

লাউ মাচা

Dr. Sarmistha Das December 6, 2025

শাসক ভোলাতে চায়, আমরা নিয়েছি না ভোলার শপথ।

Abhaya Mancha December 5, 2025

“ডাক্তারবাবু, দেখুন তো আমি চারে তিন না কি চারে এক” – তামান্নার গল্প

Dr. Kanchan Mukherjee December 5, 2025

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

594346
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]