Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

স্কুলে পড়েও স্কুলছুট

Oplus_131072
Deepalok Bhattacharjee

Deepalok Bhattacharjee

My Other Posts
  • January 8, 2026
  • 7:20 am
  • 2 Comments

কোচবিহার জেলার এক প্রত্যন্ত অঞ্চলের উচ্চ-মাধ্যমিক স্কুল। এগারো ক্লাসের রেজিস্ট্রেশনের আজই শেষ তারিখ। বছর দুয়েক থেকে অনলাইনেই হচ্ছে এসব কাজ। ব্যাপারটা খুব জটিল কিছু নয়। ছাত্র-ছাত্রীদের ছবি তোলা হবে মোবাইলে। তারা কালো কালিতে সই করবে একটা কাগজে। স্বাক্ষরটি স্ক্যান করা হবে। এগুলো আবার নির্ধারিত ওয়েবসাইটে আপলোড করতে হবে। সঙ্গে কী কী বিষয় তারা পড়বে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে, সেসব সিলেক্ট করা। এই হল কাজ। প্রায় সবারই হয়ে গেছে। দু’ একজনের বাকি। এরকমটা হয়েই থাকে গ্রামাঞ্চলের ইস্কুলে। মাধ্যমিক কিংবা উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে স্কুল-ছুট কী হারে বাড়ছে, তা তথ্যাভিজ্ঞ মহলের অজানা নয়।

হঠাৎ বেজে উঠল ক্লাস টিচারের ফোন। অজানা নম্বর। ‘হ্যালো’ বলতেই ফোনের অপর প্রান্ত থেকে হড়বড় করে বলা শুরু করল ক্লাস ইলেভেনের ইসমাইল (নাম পরিবর্তিত), “স্যার, আজকে নাকি লাস্ট ডেট, রেজিস্ট্রেশনের? আমার এক বন্ধু ফোন করে বলল।”

“হ্যাঁ, তুই কোথায়? তাড়াতাড়ি আয় স্কুলে। সার্ভারের সমস্যা হলে কিন্তু মুশকিল হবে”, শ্রেণী শিক্ষক বললেন।

“স্যার, আমি তো তিনচুলেতে।”

“ওখানে কী করছিস? বেড়াতে গেছিস নাকি?”

“না স্যার। এখানে অনেক নতুন রিসর্ট, হোম-স্টে’র কাজ হচ্ছে, জানেন তো। কী আর বলি, লেবারির কাজ করছি”, একটু থমকে বলল ইসমাইল, “স্যার, কত বললাম কিন্তু কন্ট্রাক্টর ছুটি দিল না। এখন বাড়ি এলে আমার কাজটা চলে যাবে স্যার। বলছি, একটু করে দিন না।”

“কিন্তু তোর ছবি, সিগনেচার, আরো তো কিছু তথ্য লাগবে, সেসব?”

“স্যার, আপনার মোবাইলে সেলফি আর সাইনের ছবি পাঠাচ্ছি। আর রেজিস্ট্রেশনের টাকাটাও অনলাইনে পাঠিয়ে দিচ্ছি। প্লিজ, একটু করে দেবেন। আর আমার বন্ধু আমার আধার কার্ড আর মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডের জেরক্স দেবে আপনাকে। একটু মিলিয়ে নেবেন প্লিজ।”

“সে তো হল। কিন্তু সাবজেক্ট কী কী নিবি, সেসব…”

“সে আপনি যা কিছু একটা দিয়ে দেবেন না হয়।”

“কিন্তু ইলেভেন এর অ্যানুয়াল পরীক্ষা?”

“ইলেভেনের পরীক্ষায় আবার আটকাবেন নাকি? প্লিজ স্যার। টুয়েলভে ঠিক মেক আপ করে নেবো স্যার। বোঝেনই তো, বাড়ির অবস্থা ভাল না।”

স্যার কী বলবেন ইসমাইলকে ভেবে পায় না। কীই বা বলার আছে?

ক্লাস টেনের চম্পা রায় (নাম পরিবর্তিত)। লম্বা, রোগা পাতলা গড়ন, শেষ বেঞ্চে চুপচাপ বসে থাকা মেয়ে। এপ্রিলে প্রথম সামেটিভ পরীক্ষার প্রথম দিন নাম, রোল নম্বর ধরে অনেক ডাকাডাকি করে ইনভিজিলেটর উপস্থিতির খাতায় ফুটকি বসিয়ে দিলেন।

দ্বিতীয় দিনে পরীক্ষা দিতে হাজির চম্পা। দায়িত্ব প্রাপ্ত ইনভিজিলেটর, যিনি আবার চম্পাদের ক্লাস টিচারও বটে, উপস্থিতির খাতা দেখে ব্যোমকে গেলেন। শিক্ষাবর্ষের প্রথম মাসে দিন কয়েক স্কুলে এসেছিল চম্পা। তারপর আজ হাজির পরীক্ষা দিতে। মাঝের দু’ মাস একদিনও আসেনি।

সেই শিক্ষিকা আবার একটু কড়া ধাঁচের। চম্পাকে চেপে ধরাতে প্রথমে কিছুই বলতে চায় না। দৃষ্টি মাটিতে। একেবারে স্পিকটি নট।

কিছুক্ষণ পর একটু একটু করে মুখ খোলে চম্পা। যেটা জানা গেল, চম্পাদের নিজস্ব জমি নেই। বাবা-মা অন্যের জমিতে কৃষি শ্রমিকের কাজ করে। সারা বছর কাজ থাকে না। তাই ‘সিজিনে’ ওরা চলে যায় তিস্তার চরে। সেখানে বাদাম, পটল কিংবা তরমুজ খেতে সারাদিন ধরে খাটে। মজুরি ছাড়াও জোটে এটা ওটা।

কিন্তু বাড়ির কাজকর্ম, ঘরকন্নার কাজ কে করবে? চম্পার নিচে আরো দুটো ভাই বোন আছে। একজন প্রাইমারি স্কুলে। অন্যজন চম্পাদের স্কুলেই ক্লাস সিক্স। তারা নিয়মিত স্কুলে যায়। কিন্তু তাদের দেখভাল, গৃহস্থালীর টুকিটাকি, পোষ্য ছাগল-মুরগিদের দেখেশুনে রাখা, এসব কে করবে?

চম্পা কিংবা চম্পাদের মতো অনেকেরই তাই নিয়মিত স্কুলে আসা হয় না। পারিবারিক আয়ের নিয়মিত যোগানের গেরোয় উপেক্ষিত থাকছে চম্পাদের লেখাপড়া। অবশ্য এ নিয়ে তেমন বিচলিত নয় কেউই। বাড়ির লোকের সোজাসাপ্টা মত, “যা অবস্থা, তাতে লেখাপড়া করে হবেটা কী, হ্যাঁ? সে তো বছর কয়েকের মধ্যেই যেতে হবে পরের বাড়ি। তার চেয়ে বাড়িতে থাকুক। কাজকম্ম করুক। না হলে পয়সা আসবে কোথা থেকে?”

তবে সকালে সপ্তাহে তিনদিন এক মাস্টারের কাছে ‘পেরাইভেট’ পড়ে চম্পা। সব ‘সাবজেট’ পড়ায়। চারশো টাকা মাইনে। ওর ভাই বোনদেরও ‘পেরাইভেট মাস্টার’ আছে। এই টাকা জোগাতে ওর বাবা মার হিমসিম অবস্থা।

“এই যে একটা পরীক্ষা দিলি না, ইস্কুলেও আসিস না, বাড়িতেও পড়িস না। পাশ করতে পারবি মাধ্যমিক?” কড়া শিক্ষিকার প্রশ্নের জবাব দেয় না চম্পা।

২০২৪ সালের মাধ্যমিকে অকৃতকার্য হয়েছে ১৫৭৭৬১ জন। আগামীবছর এই তালিকায় চম্পা কিংবা চম্পাদের মত আরো অনেকেরই নাম থাকলে মোটেও আশ্চর্য হবার কিছু নেই। আসলে, পাশ ফেলের সংখ্যাতত্ত্ব নিয়ে মিডিয়ার টক শো কিংবা খবরের কাগজের উত্তর সম্পাদকীয় কলামে ঝড় উঠলেও যাদের নিয়ে এত চর্চা, তাদের খুব একটা আসে যায় না এতে। পাশ আর ফেলের ব্যবধান অনেকের কাছেই ক্রমশ কমছে দিনদিন।

শুধু উঁচু ক্লাস নয়। সেভেন এইটেও অনেক সময় এমন হয়, ক্লাস ঘর খাঁখাঁ। অন্য সময় বসার জায়গা নিয়ে ঝগড়া। কী হল হঠাৎ?

খোঁজ নিয়ে জানা গেল, ছেলেমেয়েরা সব ভিড় জমিয়েছে লঙ্কা খেতে। তৎপর হাত দিয়ে ফটাফট ছেঁড়া লঙ্কা বস্তাবন্দী হয়ে চলে যায় কাছের পাইকারি বাজারে। সেখান থেকে বড় লরিতে সোজা চালান ভিন রাজ্যে।

অনেকে নিজেদের চাষের লঙ্কা ছেঁড়ে। অনেকেই আবার ‘পার্ট টাইম শিশু শ্রমিক’। প্রতি কেজি লঙ্কা ছেঁড়ার চার-পাঁচ টাকা দর এই ক্ষুদে শ্রমিকদের। দিনের শেষে আয় বড়দের বিচারে স্বল্প হলেও এটাই ওদের কাছে অনেক।

এমনিতেই মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা, ভোট, কিছু স্কুলে ভোটের জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর থাকার ব্যবস্থা, দীর্ঘ গ্রীষ্ম অবকাশ — এসবের সাঁড়াশি চাপে বছরে ক’টা দিন লেখাপড়ার জন্য বরাদ্দ থাকে ছাত্র-ছাত্রীদের? তার উপর এই অনুপস্থিতির প্রবণতা।

“স্কুলে না এলে শিখবে কী করে?”, “শুধু পড়াশুনো নয়, মিড ডে মিলের পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিশুরা।” এ সব কথার একটাই জবাব, “ধুর, অত পড়ে কী হবে স্যার? কয়েক বছর আগে ফার্স্ট ডিভিশন কিংবা ষ্টার পাওয়া দাদা দিদিরা কী করছে এখন, একটু খবর নিন।”

ব্যস। হাওয়া চুপসে গেল কি না এবার?

২০২২ সালের হিসাব অনুযায়ী এ দেশের ১৪.৬ শতাংশ পড়ুয়া স্কুলছুট হয়েছে বিভিন্ন কারণে। অতিমারি উত্তর পর্বে সংখ্যাটা আগের বছরগুলোর তুলনায় বেড়েছে, এটা হলফ করেই বলা যায়। কিন্তু খাতায় কলমে স্কুলে পড়েও যারা প্রায় ‘ড্রপ আউট’, তাদের কথা ভাবার সময় এসেছে।

এরাজ্যের ‘Annual Status of Education Report (ASER)’ উদ্ধৃত করে হিন্দুস্থান টাইমস দৈনিক লিখেছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীতে পাঠরত তিরিশ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রী দ্বিতীয় শ্রেণীর পাঠ্য বই পড়তে পারে না। সমীক্ষায় আরো উঠে এসেছে, পঞ্চম শ্রেণীর অর্ধেকের কম ছাত্র-ছাত্রী দ্বিতীয় শ্রেণীর পাঠ্য বই পড়তে পারছে। আরো উঁচু ক্লাসে গেলে সংখ্যার হেরফের হবে কিছুটা। তবে যে ক্লাসে যা শেখা উচিৎ সেটা শিখছে না মোটেও – মোটের ওপর বিষয়টা একই।

একমাত্র স্কুলে নিয়মিত হাজিরাই এ ক্ষতে কিছুটা মলমের প্রলেপ লাগাতে পারে। এক দিন স্কুলে এসে পরের তিন দিন গড়হাজির থাকলে স্বাভাবিকভাবেই চতুর্থ দিন ক্লাসে বসে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকতে হবে মাস্টারমশাই বা দিদিমনির দিকে। যা পড়ানো হচ্ছে, সেটা দিনের পর দিন বুঝতে না পারলে কে আর রোজ রোজ স্কুলে আসতে চাইবে?

মাধ্যমিকে ফেল করা ছাত্র-ছাত্রীদের আর তাদের শিক্ষকদের নিয়ে কুৎসিত মিম ভিডিও বানানোই যায়। তার আগে একবার ঘুরে আসুন ফেল করা ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়ি। ড্রপ আউট হতে হতেও কোনওরকমে স্কুলের ইউনিফর্মটুকু আর ছেঁড়া ফাটা মলিন ক’খানা পাঠ্যবই কষ্ট করে টিকিয়ে রেখেছে ওরা।

এবারে সময় এসেছে ইসমাইল, চম্পাদের মতো স্কুলছুটদের নিয়ে একটু ভাবার।

শ্রমজীবী ভাষা পত্রিকায় ১লা ডিসেম্বর ২০২৫ এ প্রকাশিত।

PrevPreviousপরিবেশ পরিষেবায় সপ্তসারথি (প্রথম পর্ব)
Nextকলম্বাস থেকে ট্রাম্প: সাম্রাজ্যবাদী অমানুষতার বর্বর উত্তরাধিকারNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
2 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Pintu
Pintu
8 months ago

দারুণ হয়েছে। প্রতিটা school এর প্রায় একই ছবি, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে।

0
Reply
Deepalok Bhattacharya
Deepalok Bhattacharya
Reply to  Pintu
8 months ago

সহমত

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

আমি কখনও যুদ্ধ দেখিনি।

September 27, 2026 1 Comment

আশ্বিনের ভিজে সন্ধে, জলে ডুবে কুঁচকে যাওয়া শহরতলি রাত ৮টা আমি কখনও যুদ্ধ দেখিনি। মানে যে যুদ্ধ দুই বা তার বেশি দেশের মধ্যে, সীমান্তে বা

বিরিঞ্চিবাবা থেকে বাগেশ্বরবাবা: গুরুবাদের বিবর্তন ও বাঙালির দুর্গাপূজায় পরোয়ানা

September 27, 2026 No Comments

বাংলা সাহিত্যে ভন্ড বাবার ইতিহাস বেশ পুরনো। পরশুরাম আজ থেকে প্রায় একশো বছর আগে তাঁর ‘বিরিঞ্চিবাবা’ গল্পে দেখিয়েছিলেন, কিভাবে একজন অতি সাধারণ, স্কুলের দপ্তরী থেকে

ঘোর তিমিরঘন নিবিড় নিশীথে

September 27, 2026 1 Comment

সার্জিক্যাল স্ট্রাইকেরএর সময় পাকিস্তানে ডায়াপারের বিক্রি বেড়ে গিয়েছিল। #একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি, নকশালবাদ আর সন্ত্রাসবাদের ছায়া…আমরা সবাই সংকল্প নিয়েছিলাম অনেক হয়েছে অত্যাচার এবার মোদী সরকার। #৫০০

নাগরিকের অধিকার হননকারী প্রতিটি পদক্ষেপ বাতিল হোক

September 26, 2026 No Comments

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সংগ্রামী গণমঞ্চ একটি মঞ্চ হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর থেকেই লাগাতার SIR নিয়ে লড়াই করে চলেছে ও এই নিয়ে তার প্রবল বিরোধিতা ব্যক্ত করে

যুদ্ধের নেই ছুটি: হরমুজ প্রণালীর পর বাব-এল-মান্দেদ প্রণালী বন্ধ করে দিল হুথি

September 26, 2026 No Comments

ড্রোনের ঝাঁক: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, সৌদি আরবের উত্তরে থাকা ইরাকে অবস্থিত ইরানের মদতপুষ্ট শিয়া মিলিশিয়া এবং সৌদি আরবের দক্ষিণে অবস্থিত ইয়েমেনের উত্তর ও উত্তর

সাম্প্রতিক পোস্ট

আমি কখনও যুদ্ধ দেখিনি।

Dr. Sukanya Bandopadhyay September 27, 2026

বিরিঞ্চিবাবা থেকে বাগেশ্বরবাবা: গুরুবাদের বিবর্তন ও বাঙালির দুর্গাপূজায় পরোয়ানা

Bhaskar Das September 27, 2026

ঘোর তিমিরঘন নিবিড় নিশীথে

Gopa Mukherjee September 27, 2026

নাগরিকের অধিকার হননকারী প্রতিটি পদক্ষেপ বাতিল হোক

Sangrami Gana Mancha September 26, 2026

যুদ্ধের নেই ছুটি: হরমুজ প্রণালীর পর বাব-এল-মান্দেদ প্রণালী বন্ধ করে দিল হুথি

Bappaditya Roy September 26, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

681578
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]