Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

পরিবেশ পরিষেবায় সপ্তসারথি (প্রথম পর্ব)

cover 1
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • January 8, 2026
  • 7:19 am
  • 2 Comments

মহাভারতের একটি বিয়োগান্তক ঘটনা। অর্জুন এবং সুভদ্রার পুত্র অভিমন্যু গিয়েছেন যুদ্ধে। মহারণে সামিল হয়েছে কৌরব এবং পাণ্ডবরা। রণসজ্জা আর রণকৌশলে কে কাকে টেক্কা দেবে তার‌ই তুমুল মহড়া চলছে যেন। কৌরব পক্ষের সেনাপতি মহাগুরু দ্রোণাচার্য দুর্ভেদ্য চক্রব্যুহ রচনা করেছেন। পাণ্ডবদের কপালে ভাঁজ ফেলেছে এই আয়োজন। এই ব্যুহ ভাঙ্গার কৌশল যে পাণ্ডবদের অজানা। তাহলে উপায়? এগিয়ে এলো কিশোর অভিমন্যু,বয়স সবে ষোড়শ বৎসর অতিক্রম করেছে।

“ আমি চক্রব্যুহ ভাঙব, সেই প্রকৌশল আমার অজ্ঞাত নয়। জ্যেষ্ঠতাত , আপনি আমাকে অনুমতি দিন। আমি ব্যুহ ভঙ্গ করে শস্ত্রবিদ্যায় আমাদের মহান পারিবারিক পরম্পরাকে গরিমান্বিত করি”। – বীরদর্পে ঘোষণা করেন অভিমন্যু। সভাস্থ মানুষরা প্রথমে আৎকে ওঠেন। তারপর ক্ষাত্রধর্মের কথা স্মরণ করে সকলে একযোগে বলে ওঠেন – “ সাধু! সাধু! এমন কথা তোমার মুখেই শোভা পায়। তুমি বিজয়ী হ‌ও।

এরপরের কাহিনি,করুণ পরিণতির কাহিনি তা ১আমাদের সকলের‌ই জানা। মাতৃগর্ভে থাকাকালীন অভিমন্যু জ্ঞাত হয়েছিলেন চক্রব্যুহ ভাঙার কৌশল সম্পর্কে, কিন্তু ব্যুহ ভেঙে বেরিয়ে আসার উপায় জানা ছিলনা তাঁর। তাই কুরুপক্ষের বাঘা বাঘা যোদ্ধাদের সম্মিলিত অন্যায় আক্রমণে কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের ত্রয়োদশতম দিবসে প্রাণ হারালেন অমিতবিক্রম কিশোরবীর অভিমন্যু। মহাভারতের এ এক অতীব বিয়োগান্তক কাহিনি।

মাঝেমাঝেই আমার মনে হয় আমাদের দশা ঐ অভিমন্যুর মতো। আমরা কেবল উন্নয়নের ব্যুহে ঢোকার গা জোয়ারি ছলাকলাটাই জানি, সেখান থেকে নিরাপদে বেরিয়ে আসার উপায় সম্পর্কে আমরা অজ্ঞাত। ফলে শুধু গুটিকয় মানুষ নয়, পৃথিবীতে বসবাসকারী সকলেই আজ বিপন্ন। মুখে মুখে টেকস‌ই ব্যবস্থাপনার, টেকস‌ই যাপনের কথা যতই বড়াই করে বলিনা কেন, আদতে আমরা এক ভঙ্গুর জীবনকে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চাইছি। আমাদের কাজকর্ম যত‌ই বিকাশ বা উন্নয়নমুখী বলে প্রচার করা হোক সত্যিই তা তেমন নয়। আমরা অভিমন্যুর মতো উন্নয়নের চক্রব্যুহে আটকে পড়েছি আর তিলতিল করে শেষ প্রহরের (!) অপেক্ষা করছি।

কিন্তু এই পরিণতিকে সবাই নিঃশব্দে মেনে নিচ্ছেন তেমনটাও নয়। সীমিত সামর্থ্য আর অদম্য ইচ্ছাশক্তিতে ভর করে কিছু প্রাণবন্ত লড়াকু মানুষ নিজের নিজের একান্ত পরিমন্ডলে, নিভৃতে, কোনো রকম প্রচারের অপেক্ষা না করেই কাজ করে চলেছেন গোপনে গোপনে। আর হয়তো এইসব মানুষের কর্মপ্রচেষ্টার কারণেই পৃথিবী এখনও মরুভূমি হয়ে ওঠেনি। এদের চোখ দিয়েই এখনও আমরা নতুন এক পৃথিবীর নির্মাণের স্বপ্ন দেখি। আজ এমন‌ই সপ্তসারথির সঙ্গে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেবো, যাঁদের কাজের কথা শুনলে বা পড়লে আমরা ঐ চক্রব্যুহ থেকে পৃথিবীকে হয়তো খানিকটা মুক্তি দিতে পারবো। এঁরা একলব্যের মতোই গোপনে নতুন নির্মাণের কর্মযজ্ঞে নিজেদের সঁপে দিয়েছেন। কেউ সংরক্ষণ করছেন তাঁর এলাকার পাহাড়, কেউবা নিজেই গড়ে তুলেছেন গোটা একটা বনভূমি,কেউ বাঁচিয়ে তুলেছেন নষ্ট হয়ে যাওয়া নদীকে। আসলে কাজের তো কোনো শেষ নেই, ধরিত্রীর প্রতিটি ক্ষেত্র‌ই যে আজ দাবি করে একটু সহানুভূতি,একটু বিবেচনা,একটু ভালোবাসা।পিছনে ফেলে আসা বছরে গোটা দেশজুড়েই চলেছে এমন‌ই সব কর্মযজ্ঞ । আমাদের স্তুতি বা প্রশংসার জন্য অপেক্ষা করেননি এইসব নিরলস মানুষেরা। এঁদের কাজের সূত্রেই পরিবেশ পরিমন্ডলে একটু করে লেগেছে পরিবর্তনের ছোঁয়া। এঁরাই হলেন আসলে পরিবর্তনের মূল কাণ্ডারি, অগ্রদূত। আসুন, এইসব অনন্য মানুষদের পরিষেবার সঙ্গে পরিচিত হ‌ই। এঁদের ভাবনা সঞ্চালিত হোক আমাদের তন্ত্রীতে তন্ত্রীতে। পৃথিবী পরিবেশ প্রাণময় হয়ে উঠুক।

১. ডক্টর শঙ্কর লাল গর্গপেশায় অধ্যাপক ডঃ শঙ্কর লাল গর্গ মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের বাসিন্দা। অবসরের পর যখন কেউ কেউ খানিকটা বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন সময় কাটানোর উপায় খুঁজতে, শঙ্কর লাল সেই জাতের ছিলেন না। ইন্দোরে, তাঁর বাড়ির কাছেই থাকা ছোট্ট টিলাটার শরীর জোড়া গাছপালা কেটেকুটে কবেই সাফ করে ফেলেছে লোকজন। শঙ্কর মনে মনে ভাবলেন – এলাকাটাকে আবার সবুজে ঢেকে দিলে কেমন হয়? যেমন ভাবা তেমন‌ই কাজ। রুক্ষ শুষ্ক উষর হয়ে যাওয়া প্রায় ২২ একর জমিতে ৪০০০০ গাছ লাগিয়ে তার চেহারাটাই বদলে দিয়েছেন ডঃ শঙ্কর লাল গর্গ মশাই। ২০১৯ সালে আগুন লাগার ফলে তাঁর নিজের হাতে লাগানো প্রায় ১০০০ গাছ নষ্ট হয়ে যায়। ভেঙে না পড়ে নতুনভাবে কাজ শুরু করেন তিনি। আরও উদ্যমে কাজে নামেন । তাঁর হাতেই নতুনভাবে সবুজের সমারোহে ভরে ওঠে কেশর পর্বত। গাছ থাকলে তা থেকে হয়ে উঠতে পারে বন। আর বন তৈরি হলেই সেখানে এসে ভিড় করে বন্য প্রাণিরা। নষ্ট হয়ে যাওয়া পরিবেশ আবার তার জীবনীশক্তি ফিরে পায়। জয় হয় এক অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপকের নিরলস প্রচেষ্টার। অধ্যাপক মশাইয়ের হাত ধরে আজ অনেক সবুজ ইন্দোর।

২. পঙ্কজ কুমার 

ভারত নদী মাতৃক দেশ । প্রতিদিন বেনারসের গঙ্গার ঘাটে গঙ্গা মাইয়ার উদ্দেশ্যে আরতি করা হয়। হাজার হাজার মানুষ সেই দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেন। এর পাশাপাশি যমুনা নদীর করুণ দশা দেখলে রীতিমতো আৎকে উঠতে হয়। এমন দ্বৈধতা নিয়েই বাঁচতে আমরা অর্থাৎ ভারতবর্ষের মানুষেরা বেশ অভ্যস্ত হয়ে গেছি। গঙ্গাকে একদিকে মাইয়া বলে অর্চনা করবো পুণ্য লাভের জন্য, অন্যদিকে এই নদীকেই দেশের দীর্ঘতম পয়প্রণালীতে পরিণত করতে আমাদের সামান্যতম লজ্জাবোধ হয়না। অবশ্য সবাই যে এক‌ই ছাঁচে ফেলা মানুষ হবেন তেমনটাও নয়। এই যেমন বাবু পঙ্কজ কুমার।দিল্লি নিবাসী পঙ্কজ কুমার ছিলেন একজন কর্পোরেট সংস্থার কর্মকর্তা। দিব্যি ছিলেন, হঠাৎ দুম্ করে চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে দেশের নদীগুলোর হাল ফেরাতে পুরোদস্তুর ময়দানে নেমে পড়লেন। গড়ে তুললেন এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন Earth Warriors , যাঁদের প্রাথমিক কাজ হলো যমুনা নদীকে ভয়াবহ দূষণের হাত থেকে কিছুটা রক্ষা করা , সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দেওয়া। যমুনার তীর বরাবর হাঁটাহাঁটি করতে গিয়ে পঙ্কজ লক্ষ করেন কীভাবে প্লাস্টিক আর নাগরিক বর্জ্যের কবলে পড়ে যমুনা তার গতি হারিয়েছে, কীভাবে শহরের যাবতীয় দূষিত জল নালা নর্দমার পথ বেয়ে জমা হচ্ছে যমুনার জলে। তীব্র আত্মধিক্কারে ক্ষতবিক্ষত হয়ে পঙ্কজ কুমার এবং তাঁর সহযোদ্ধারা নেমে পড়লেন যমুনা রক্ষার সংকল্প যাত্রায়।প্রতিটি সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে পঙ্কজ ও তাঁর বিশ্বস্ত সহযোগীরা যমুনার জল থেকে তুলে আনেন ভাসমান বর্জ্য পদার্থ। পাশাপাশি নদী তীরবর্তী এলাকায় থাকা পয়প্রণালী পরিমার্জনের জন্য স্থাপিত প্ল্যান্টগুলোর ওপর চালানো হয় তীক্ষ্ণ নজরদারি , প্রচার চালানো হয় পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন রাখতে । দিল্লি সহ ১২ টি রাজ্যে চলে তাঁদের এই কর্মসূচি। পঙ্কজ কুমারের এই আন্তরিক প্রচেষ্টার কল্যাণে যমুনার হাল কিছুটা হলেও ফিরেছে। তবে এখন‌ই হাত গুটিয়ে নেবার কথা ভাবছেন না তাঁরা। পঙ্কজ কুমার জানেন, আরও অনেক কিছু করতে হবে। তাই পঙ্কজ এবং তাঁর তৈরি স্বেচ্ছাসেবকরা নিরলস নিজেদের কাজে। হাঁটতে হবে অনেক পথ।

৩.লাকমেন মেরী নোঙ্গখালো

লাকমেন মেরী মেঘালয়ের মানুষ। বৃষ্টি ভেজা ম‌ঁওসিনরামের কারদেমখলা গ্রামের ইস্কুলের দিদিমণি । দীর্ঘদিন ধরে পড়িয়েছেন সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে। এলাকাটাকে তাই চেনেন,জানেন ভালোবাসেন নিজের হাতের তালুর মতো করে। ম‌ঁওসিনরামে বাস অথচ জলের অভাবে নিয়ত‌ই দীর্ঘশ্বাস ফেলতে হয় এলাকার মানুষজনকে। এ যেন এক নিদারুণ রসিকতা!  লাকমেনের প্রতিদিনের জীবন ছুঁয়ে যায় এলাকার জল সমস্যা। এখান থেকেই শুরু হয় তাঁর অভিযান – তাঁর এলাকাকে জলের জোগানের দিক থেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তোলার প্রচেষ্টা।

হস্থালির কাজ কর্মের জন্য প্রয়োজনীয় জল সংগ্রহ করতে লাকমেনকে প্রতিদিন পাহাড়ি পথ বেয়ে অনেকটা পথ যেতে হতো। এই ট্রেকিং করতে করতেই লাকমেনের মাথায় খেলে যায় নতুন পরিকল্পনা। আচ্ছা ! পাহাড়ের ঢাল বরাবর গড়িয়ে নামা জলকে যদি আটকে রাখা যায়, তাহলে তো জলের সমস্যা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব ! যেমন ভাবা তেমন কাজ। লাকমেন গ্রামের অধিবাসীদের তাঁর পরিকল্পনার কথা খুলে বলেন। স্কুলের দিদিমণির কথায় মান্যতা দিয়ে সবাই মিলে নেমে পড়ে জল ধরার কাজে। বর্ষার আগেই শেষ করতে হবে কাজ। সমবেত উদ্যোগে পাহাড়ের ঢালের আড়াআড়ি ভাবে তৈরি করা হয় চারটি চেক্ ড্যাম, পাঁচটি স্টোরেজ পনড্ , সংস্কার করা হয় পুরনো ছয় ছটি ঝর্ণা। এখানেই শেষ নয়। পাহাড়ের ঢালে জলের গড়ানকে নিয়ন্ত্রিত করতে ঢালের অংশে লাগানো হয়েছে ১৬০০০ গাছের চারা।

লাকমেন মেরী নোঙ্গখালো পৃথিবীর সমস্ত সমস্যার একাই সমাধান করতে পারবেন এমনতো নয়, কিন্তু স্থানীয় মানুষের অসুবিধাগুলো খানিকটা অন্তত সমাধানে উদ্যোগী হতে পারি সবাই। এখন কারদেমখলা গ্রামের মানুষের জলের চাহিদা অনেকটাই মিটেছে। ঢাল বেয়ে ওপরে উঠে জল আনার দিন শেষ ।জল আনার সময় এখন লেখাপড়া শিখতে বা অন্য কোনো কাজে ব্যয় করতে পারছে তাঁরা।আর এসবই সম্ভব হয়েছে লাকমেনের কর্মপরিকল্পনার হাত ধরেই। 

৪. ক্যাপ্টেন ডিসি শেখর 

ছিলেন মার্চেন্ট নেভির কর্মকর্তা।আর সেই সূত্রেই নদী,জল এসবের সঙ্গে ব্যাঙ্গালুরুর ডিসি শেখর সাহেবের একেবারে আত্মার সম্পর্ক। এই ভালোবাসার জন্য‌ই তাঁর সিদ্ধান্ত হলো একেবারে উৎসস্থলেই নদীকে সম্পূর্ণভাবে বর্জ্যমুক্ত করা যাতে তার জন্য নদীর প্রবাহ কখনোই থমকে অবরুদ্ধ না হয়। শেখর সাহেব বিশ্বাস করেন যে, নদী তাঁর গতি হারালে সমাজ‌ও গতিহীন বদ্ধ জলাশয়ে পরিণত হয়। নদীর মৃত্যু মানে সভ্যতার‌ও মৃত্যু।

নদীর তীরে পরিভ্রমণের সময় এমন আত্মনাশী কর্মকাণ্ড দেখে ভীষণভাবে মর্মাহত হন তিনি। সেদিন থেকেই এর হাত থেকে মুক্তির উপায় খোঁজা শুরু। মাথা খাটিয়ে বের করলেন স্বল্প খরচে তৈরি এক ভাসমান বাঁধ যা আটকে দেবে নদীর জলে ভেসে যাওয়া আবর্জনা। নদী থেকে এই আবর্জনা পরিষ্কার করে ফেলা হলে কেবলমাত্র নদীই তাঁর বহমানতা বজায় রাখবে তা নয়, সাথেসাথে সমুদ্রের জল‌ও অনেক পরিষ্কার থাকবে। আজ অনেক ক্ষেত্রেই ক্যাপ্টেন শেখরের চিন্তা প্রসূত ভাসমান বাঁধ বা ফ্লোটিং ব্যারিয়ারকে কাজে লাগানো হচ্ছে নদীকে বা নালাগুলোকে পরিচ্ছন্ন রাখতে।  ক্যাপ্টেন আপনাকে স্যালুট ।

PrevPreviousযমজ সন্তান সম্পর্কে
Nextস্কুলে পড়েও স্কুলছুটNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
2 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Dr Sumit Mukherjee
Dr Sumit Mukherjee
3 months ago

ভালো লেখা। সবাইকে পড়তে অনুরোধ।

Last edited 3 months ago by Dr Sumit Mukherjee
0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Dr Sumit Mukherjee
3 months ago

আপনি আচরি ধর্ম শেখাও পরেরে…. মন্তব্য পড়ে এই আপ্ত বাক্যটির কথা মনে এলো।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

নারী ও শ্রম: ছক ভাঙ্গা গল্প

May 1, 2026 No Comments

ঊনবিংশ  শতকের শুরুতে ইংল্যান্ডের সমাজতান্ত্রিক চিন্তাবিদ রবার্ট আওয়েন আট ঘণ্টা কাজ, আট ঘণ্টা বিশ্রাম এবং আট ঘণ্টা খুশি মত সময় কাটানোর দাবি তোলেন যা  শ্রমিক

কতটা কাজ করলে তবে কর্মী হওয়া যায়?

May 1, 2026 No Comments

গত শতকের তিনের দশকে জন মেনার্ড কেইনস বলেছিলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি শিগগিরই এমন সুদিন এনে দেবে, যাতে মানুষকে সপ্তাহে পনের-ষোল ঘণ্টা কাজ করলেই চলবে।

ট্রেন থেকে স্বাধীন ভারতবর্ষ যেরকম দেখায়

May 1, 2026 No Comments

মাঝখানে উজ্জ্বল একফালি জমি, দুধারে ঢাল বেয়ে তরল অন্ধকার গড়িয়ে গিয়েছে, কিনারায় ছায়ার ফাঁকে ফাঁকে তালসুপারিহিজলতমাল যেখানে যেমন মানায় নিপুন হাতে গুঁজে দেয়া, আর্দ্রতার প্রশ্রয়

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

April 30, 2026 No Comments

না! আমি কাউকে বেইমান বলাটা সমর্থন করি না। সন্তানহারা মাকে বলাটা তো নয়ই! এটা অপ্রার্থিত, এবং আদৌ গ্রহণযোগ্য নয়! তবে, রাজনীতির আখড়ায় প্রাচীনযুগ থেকেই এসব

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

April 30, 2026 No Comments

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ইতিহাসে বিশেষ করে ২০১১ থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর পঞ্চায়েত – পুরসভা থেকে বিধানসভা – লোকসভা প্রতিটি নির্বাচন ঘিরে শাসক দলের প্রশ্রয়ে

সাম্প্রতিক পোস্ট

নারী ও শ্রম: ছক ভাঙ্গা গল্প

Gopa Mukherjee May 1, 2026

কতটা কাজ করলে তবে কর্মী হওয়া যায়?

Dr. Bishan Basu May 1, 2026

ট্রেন থেকে স্বাধীন ভারতবর্ষ যেরকম দেখায়

Debashish Goswami May 1, 2026

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

Dr. Koushik Lahiri April 30, 2026

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

Bappaditya Roy April 30, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

620163
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]