অপরাধী অপরাধ করে।
পুলিশেরা অপরাধী ধরে।
বিচারের দেবী নাকি বুড়ি থুত্থুরে,
হাতের পাল্লা-দাঁড়ি ভারী নড়বড়ে,
যাদের পুলিশ ধরে পাঠায় শ্রীঘরে,
জামিনে বেরিয়ে আসে ফাঁক ও ফোকরে,
মিডিয়াতে ছবি দেয় মালাটালা পরে।
অপরাধী অপরাধ করে।
পুলিশেরা অপরাধী ধরে।
জনগণ দাবী করে জলদি বিচার,
মামলা দশকে যায় দুই থেকে চার,
জজেরা তারিখ দেন তবু বার বার,
তদ্দিনে জেলে করে ভালো ব্যবহার,
বেজামিন অপরাধে পেয়ে যায় ছাড়
অপরাধী অপরাধ করে।
পুলিশেরা অপরাধী ধরে।
তফাৎটা শুধু এইবার,
কেন যেন সে কেড়ে নিতে যায় রিভলভার..
বাধ্য হয়েই হয়.. এনকাউন্টার।
জনগণ হাত তুলে নাচে,
আদালত হাঁফ ছেড়ে বাঁচে,
নেতাগণ রুটি সেঁকে আঁচে।
শাসকটি প্রিয় হয় ভোটারের কাছে।
তারপর..
কপি পেস্ট হতে থাকে একই ঘটনার..
সকলেই কেড়ে নিতে চায় রিভলভার,
পা নয়, মাথা বুক তাক নিশানার,
লাশ দেখে নাগরিক উল্লাসে হেঁকে বলে
আবার আবার..
ক্রমে সে খবর হয় পাঁচের পাতার,
আবার হয়েছে কোনো এনকাউন্টার।
তারপর একদিন..
এনকাউন্টার ঘটে কারণবিহীন।
প্রতিরোধ, প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক,
শাসককে ফেসবুকে কেউ গালি দিক
পাড়াতে অফিসে বাসে বললো কে ধিক..
আইনের মারপ্যাঁচে সবই বনে অপরাধ ঠিক।
ততদিনে সবাই তো জানে,
ও ভীষণ মনে মনে মানে,
অপরাধী অপরাধ করে,
পুলিশেরা অপরাধী ধরে,
বদলার বিচারের নতুন ফিচার,
আদালত দৌড়িয়ে হবে কী বা আর
নিশ্চিত কেড়ে নেবে সে রিভলভার..
এবং ঘটবে ঠিক.. এনকাউন্টার।
শুধু সে সময়,
সে শব্দ শুনলে মনে জাগে ভয়,
সকলে গোপনে দেখে বাছা গেলো কার,
ততদিনে ঘরে আসে তোমার আমার,
সোল্লাসে জয় জয় হেঁকেছিলে যার..
এনকাউন্টার।
তখন করার কারো নেই কিছু আর।











