। গান্ধী থেকে সুভাষ ।
স্বপ্ন দেখা পাগলরা আয় এবার ফিরে ঘরে।
বহুমাসের যুদ্ধ এটা, এইভাবে কেউ লড়ে?
চাইবে ওরা , শরীরপাতে ধ্বস্ত তোরা হোস,
ও শিরদাঁড়া-সেনা, তোরা রাজনীতিবিদ ন’স,
সিস্টেমের এই পচন থেকে সার পাওয়া পরগাছা
ভুলেই গেছে আলো জল আর মাটির রসে বাঁচা,
‘জো হুজুর’এর তেল মারাটাই যখন বাঁধাগৎ
তোরা তখন চাস যদি সব স্বচ্ছ এবং সৎ,
কয়েকজনই থাকবে তবে সত্যি তোদের পাশে
দুর্নীতি যে এখন সবার রুটিনে অভ্যাসে,
যেখানটাতে সুবিধা হয় ক্যাশ গুঁজে বামহাতে
সক্কলে দেয় সোনামুখে, দোষ খোঁজে না তাতে,
তোরা যতই ঘা দিতে চাস এই পচা সিস্টেমে ,
অত সহজ নয় রে বাছা যাওয়া এ বিষ নেমে।
আমরা, যারা হাবড়া বুড়ো, আঁধারে অভ্যস্ত,
নতুন দিনের ভোর করেছি তোদের হাতে ন্যস্ত।
তোদের বয়েস ছিলো যখন, তখন দিলে বাধা,
যে আগামী ‘আজ’ হয়েছে, হতোই তা আলাদা,
এড়িয়ে গেছি পাশ কাটিয়ে, মানিয়ে আর মেনে
কুলুপ মুখে চুপ থেকেছি সব ঘোটালা জেনে,
‘ওসব ভীষণ নোংরা খেলা কোন ভালো লোক ঢোকে!’
সেই ছুতোতে চোরবালিতে নামাই প্রজন্মকে!
ডুবতে দেখি শিক্ষাকে আর রাজ্যকে তার সাথে,
হঠাৎ তোরা উদয় হলি মশাল নিয়ে হাতে,
একখানা মেয়ে প্রাণ দিয়ে তার আনলো গাঙে বান,
এই জীবনে প্রথম বুঝি শিরদাঁড়া টানটান।
আমরা তো স্রেফ পদাতিকই, সেনাপতি তোরা,
চাইছি আরো অনেকদূরে ছুটুক দ্রোহের ঘোড়া।
রাষ্ট্র তো চায় অনশনে ধুঁকুক মন আর শরীর
আজ বাদে কাল পাতলা হবেই আমজনতার ভিড়,
অস্ত্র তোদের গান্ধীগিরি, ওদের সেটা না’রে
নানান ভাবে টের পেয়েছে মানুষ হাড়ে হাড়ে
ওরা এখন আপনমনে জ্বলতে দেবে দ্রোহ,
অভিজ্ঞতায় জানে লোকে হারাবে আগ্রহ,
ভগৎ আজাদ হওয়া কঠিন, ও পথ তোদের নয়,
কিন্তু যদি ওদের মনে জাগাতে চাস ভয়,
সময় তবে সুভাষ বোসের হাতে মশাল দেওয়ার
থ্রেটের থেকে চাই আজাদি, ইটস নাও অর নেভার।
ওদের মাথায় ঢুকবে না এই অনশন-এর লেবার,
ভাবছে ওরা ,ও পথ ভালো দ্রোহের আগুন নেভা’র,
স্ট্র্যাটেজি হোক যুদ্ধটাকে অন্যদিকে নেওয়ার।
স্বপ্ন দেখা পাগলগুলো, ফের রে ঘরে এবার।
আর্যতীর্থ










বড্ড বেশি রকমের সত্য