অক্ষর সেকুলার হয়।
তার ওপরে ধর্মের জুজু লাগু নয়।
ব্যাকরণকৌমুদী জানতেই পারে যে কেউ,
শিখে নিতে পারে আরবি ফারসি গ্রীক হিব্রু ল্যাটিন,
ঈশ্বর-বিষমতা বর্ণমালারা কিছু বোঝে না আদৌ,
আরবি-তে রাম লেখো ,
সংস্কৃততে লেখো আল্লাহ-রসুল,
আপত্তি করবে না সে ভাষার অক্ষরমালা কোনোদিন।
যারা করে, তারা সব খণ্ড-মানব।
ঈশ্বর ঘিরে বেড়া দিতে ভালোবাসে,
গ্রন্থের কথাগুলো খাঁচা বলে ভাবে,
একচুল শব্দ এদিক ওদিকে এলাকা ভরাতে পারে মানুষের লাশে,
অক্ষর নিংড়ে তারা রক্তের ফোঁটা খোঁজে,
ধর্মের ভাঁজে ভাঁজে হিংসা লুকিয়ে রাখে..
তেইশ জোড়া জিন নিয়ে যে প্রাণীর আয়ু ছুঁলো মোটে তিন লাখে,
সে এত বিষ পায় কোথা থেকে স্বপ্রজাতি মারবার,
অক্ষরে অক্ষরে লড়ে কেন বারবার,
প্রকৃতি কিছুতে বোঝে না,
বিলিয়ন সালে তার এটা নয় চেনা
নিজের ডিমকে ভেঙে খায়নি কখনো কোনো
টিরানো বা টেরোডাকটিল,
কোটি কোটি প্রজাতি’র কারো সাথে মানুষের নেই কিছু মিল ।
প্রকৃতি সন্দেহ করে গ্রন্থগুলোকে,
যা পড়লে ধুলো ঢোকে মানুষের কানে আর চোখে,
এতটা অন্ধতা,
বিপরীত বর্ণের শিশু মরে গেলে তারা উল্লাসে মাতে,
এত বধিরতা,
কানেই আসে না যদি নিত্য আঘাতে তারা থাকে কাতরাতে,
যত মুখরতা শুধু মার আর কেটে ফেল বলতেই লাগে,
প্রকৃতি অক্ষরকে সন্দেহ করে,
স্বজাতি নিধন এত কোনো জিনে ঘটেনি তো আগে।
প্রকৃতি বোঝেনি, অক্ষর সেকুলার হয়,
ছেচল্লিশ জিনধারী হোমো স্যাপিয়েন্সরাই সুবিধার নয়।
পরের মিউটেশনে
প্রজাতির থেকে হয়তো সে মুছে দেবে বর্ণপরিচয় ।











বেশ ভালো