Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

পৃথিবীতে বেঁটে মানুষদের ভিড় বাড়ছে?

WhatsApp Image 2026-09-07 at 4.55.01 PM
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • September 9, 2026
  • 5:50 am
  • No Comments

১.

আমাদের সাবেক পাড়ায় এক অভিনব পরিবার ছিল। আমরা মজা করে বলতাম – দ্যা গ্রেট লিলিপুট ফ্যামিলি। ঐ বাড়ির‌ই ছেলে নান্টু ছিল আমাদের খেলার সাথী। নান্টুর বাবা চাকরি করতেন রাইটার্স বিল্ডিংয়ে। যে সময়ের কথা বলছি সেই সময়ে গোল দীঘির পাড়ে ঐ লাল বাড়িটিই ছিল প্রধান সরকারি দফতরখানা – দ্যা নার্ভ সেন্টার। নান্টুর মা নন্দিনী মাসিমাও কোন্ একটা স্কুলে পড়াতেন। নান্টুর বোন নন্দা ছিল আমার বোনের বন্ধু। এই চারজনের খর্বাকৃতি পরিবার যখন রাস্তা দিয়ে একসাথে হেঁটে কোথাও যেতো সবাই তাকিয়ে তাকিয়ে থাকতো। বিষয়টি নিশ্চয়ই নান্টুদের‌ও যারপরনাই বিব্রত করতো তবে ওদের কাছে ব্যাপারটা ক্রমশই সহনীয় হয়ে উঠেছিল। গড়পড়তা চার ফুটের বামন পরিবারকে নিয়ে আমরা হাসাহাসি করছি দেখলে মা রীতিমতো ধমক দিয়ে আমাদের বলতেন –” এটা বংশগত সমস্যা। ঠাট্টা ইয়ার্কি করতে নেই এসব নিয়ে।” নান্টুদের মতো দৈহিক সমস্যার বিষয়টি এইসময় সারা দুনিয়া জুড়েই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। তবে জিনগত কারণে এমনটা ঘটছে তা হয়তো নয় । বিষয়টি নিয়ে দু- কথা বলতেই এই নিবন্ধের অবতারণা।

২.

 বিশ্ব উষ্ণায়ন। এই শব্দবন্ধের সঙ্গে পরিচয় নেই এমন একজনকেও বোধহয় এই মুহূর্তে খুঁজে পাওয়া যাবে না। এর ফল পৃথিবীর বাতাবরণের ওপরে পরেই ক্ষান্ত হয়নি,ওই পথ ধরে আমাদের জীবন,জীবিকা, স্বাস্থ্য সবকিছুর ওপর‌ই গভীর ছাপ ফেলেছে। এমন আতপ্ত পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেবার আগেই তা আমাদের বিপর্যস্ত করেছে নানাভাবে। বলা হচ্ছে, এমন পরিবর্তনের সঙ্গে মানানসই করে তুলতে হবে আমাদের আগামীর জীবনকে । অবশ্য এই ক্ষত কতটা গভীর তার খোঁজখবর নিচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। খুব সম্প্রতি এমনই এক বিষয়ের ওপর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তাঁরা। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আগামী প্রজন্মের হবু নাগরিকদের জন্য। তাঁদের মতে এই ভয়ঙ্কর তাপীয় অবস্থার কারণে ভবিষ্যতের পৃথিবী হয়তো ভরে উঠবে বেঁটে, খর্বাকৃতি মানুষের ভিড়ে। খবরটা পড়ে আমার নান্টুদের কথাই নতুন করে মনে পড়লো।

৩.

বিগত কয়েক দশক ধরে আমাদের পৃথিবী এই প্রবণতার সঙ্গে একরকম লড়াই করে চলেছে। তখন অবশ্য মনে করা হতো সুস্থ সবল শিশুরাই আগামী দিনে শ্রমজীবী মানুষের জোগান অব্যাহত রাখবে,তারা জন্মের সময় একটু বেঁটে খাটো চেহারার হলে ক্ষতি কি ? বরং বলা হয়েছে খর্বতাই নাকি সুস্থতার প্রতীক। তবে তেমন হিসেব নিকেষ বদলে যেতে পারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ নোৎতর দামের একদল গবেষকের দাবিকে ঘিরে। আফ্রিকার ৩৪ টি দেশের ১৬ বছরের তথ্যকে বিশ্লেষণ করে তাঁরা জানিয়েছেন যে মনুষ্যসৃষ্ট এই উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে প্রতি ১ ডিগ্রি পিছু ৩. ৪৫ % হারে খর্বকায় শিশুর জন্ম বাড়ছে। এটা রীতিমতো ভাবনার বিষয়!

৪.

এই গবেষণা প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ভারতীয় বংশোদ্ভুত  বিজ্ঞানী অরুণ আগর‌ওয়ালের কথায় – বিষয়টি জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে এক “ অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা ” সমস্যা । দৈনন্দিন উষ্ণতার ১ ডিগ্রি বাড়া কমাকে আমরা খুব একটা গ্রাহ্যই করিনা। কিন্তু গোটা দুনিয়ার প্রেক্ষাপটে এই সামান্য বৃদ্ধিই শিশুদের জন্মকালীন অবস্থাকে রীতিমতো সঙ্গীন করে তুলতে পারে।” বিশেষ করে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় ফলে মানুষের আর্থ সামাজিক পরিস্থিতি এতোটাই প্রভাবিত হয় যে তা প্রসূতিদের উদ্বেগ উৎকন্ঠা বাড়িয়ে দিতে পারে। গর্ভস্থ সন্তানের বৃদ্ধি এর ফলে এমনিতেই প্রভাবিত হয়। জন্ম পরবর্তী বেড়ে ওঠার সময়টাতেও এই সংকটময় পরিস্থিতিতে তাদের যুঝতে হয় ফলে এটিকে একটি কাল্পনিক সমস্যা বলে এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যাওয়া তাপমানে পুষ্টিকর খাবার পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে যা শিশুদের দৈহিক বৃদ্ধির পাশাপাশি মস্তিষ্কের গঠন ও কার্যক্ষমতাকেও নিয়ন্ত্রিত করে গভীরভাবে। পাঁচ বছর পেরোনোর আগেই এই অবস্থা এক আন্তপ্রাজন্মিক দারিদ্র্য শৃঙ্খলে আবদ্ধ করে শিশুদের যা থেকে মুক্তির উপায় এখনও অজানা।

৫.

পরিবেশ পরিস্থিতি জটিল সন্দেহ নেই। এমনিতেই এই সময়ের পৃথিবীতে “হ্যাভস আর হ্যাভ নটসদের” ব্যবধান ক্রমবর্ধমান। তার ওপর এই তাপীয় পরিস্থিতি আমাদের মধ্যের বৈষম্য তথা ব্যবধানকে আরও আরও প্রকটভাবে মেলে ধরেছে। আমাদের দেশের কথাই ধরা যাক। এক চরম বৈষম্যের শিকার ভারতীয় জনসমাজ। সাম্প্রতিক খরার ফলে ভারতে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৩০০০ ছুঁই ছুঁই। এরমধ্যে পরিণত বয়সের মানুষের সঙ্গে পা মিলিয়েছে অপরিণত বয়সের শিশুরা। এ এক গভীর ফাঁদ যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার আশা নেই । সম্পন্ন পরিবারের সন্তানরা প্রয়োজনীয় খাবারের বিকল্প ব্যবস্থা করতে পারে কিন্তু গরীব, হতদরিদ্র পরিবারের শিশুদের সেই সামর্থ্য কোথায়? নিদারুণ অপুষ্টিতে ভোগা এই শিশুরা দেহ মনে ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হয়ে যায়। তারা নিরাপদ আশ্রয় হারায়, ন্যূনতম পুষ্টির জোগান থেকে বঞ্চিত হয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার ফলে বাড়ে স্বাস্থহীনতা , অকালমৃত্যু। কি মর্মান্তিক পরিণতি।

৬.

আফ্রিকার দেশগুলোর অবস্থা এর থেকে খুব বেশি আলাদা নয়। দুর্বিসহ তাপদাহ, আকস্মিক খরা, রাষ্ট্রিয় স্তরে প্রশাসনিক দুর্বলতা, আপৎকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার মতো পরিকাঠামোর অভাব – সবমিলিয়ে এক অসহনীয় পরিস্থিতির শিকার হতে হয় আফ্রিকার অগণিত সংখ্যক মানুষকে। ফলে আফ্রিকার দেশগুলোর আবাসিক নাগরিক বিশেষ করে নবীন প্রজন্মের নাগরিকদের বেড়ে ওঠার গতি শ্লথ হয়ে গেছে। আগামী দিনের আফ্রিকার দেশগুলোর শিশুরা নিদারুণ অপূর্ণতার মধ্যেই বেড়ে উঠতে বাধ্য হচ্ছে।

৭.

আলোচ্য রিপোর্টে এই বিষয়টি যথার্থভাবে উঠে এসেছে যে বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ প্রভাব অনুন্নত দেশের ভাবি নাগরিকদের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে। এইসব দেশের গ্রামীণ মানুষদের ওপর দুর্গতির প্রভাব লাগামছাড়া হতে পারে কেননা তারা প্রকৃতি পরিবেশের ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল। মা ভগ্ন স্বাস্থ্যের হলে সন্তান যেমন রুগ্ন, অশক্ত, অপরিণত হয় আজ ঠিক তেমনি অবস্থা গরীবগুর্বো আফ্রিকান মানুষদের। সামাজিক অপূর্ণতা এই সমস্যাকে নিয়ন্ত্রনের বাইরে নিয়ে যাচ্ছে। “ পৃথিবীর যে সমস্ত দেশের নাগরিকরা মানুষের তৈরি এই বিশ্ব উষ্ণায়নের পেছনে ন্যূনতম ভাবে দায়ি, তারাই আজ সবথেকে বড়ো ক্ষতির সম্মুখীন হতে বাধ্য হচ্ছে।”– এ এক নিদারুণ ট্র্যাজেডি। অপরিণত শরীর নিয়ে এক খর্বাকৃতি প্রজন্ম উপহার দিচ্ছে আফ্রিকা।

৮.

 সমীক্ষার ফলাফল এমন এক সময়ে আমাদের সামনে এসেছে যখন এই খর্বতার বিষয়টি বৈশ্বিক উন্নয়নের সামনে এক বড়ো বাধা হয়ে দাঁড়াতে চলেছে। ইউনিসেফের মতে এই প্রবণতা বজায় থাকলে আগামী ২০২৬ সালের মধ্যে পৃথিবীর প্রায় ৪৫ মিলিয়ন শিশু ছোটো শরীরের মানবক হিসেবে বেড়ে উঠবে।এটা কখনোই অভিপ্রেত নয়। তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় শিশুদের গড় বৃদ্ধির হার কমে গেছে। তাদের উচ্চতা বাড়ছে স্বাভাবিকের তুলনায় কম হারে। প্রশ্ন জাগে – আমরা কি এক নাতিদীর্ঘ মানুষের মিছিলে পা মেলাতে চলেছি?

সেপ্টেম্বর ৭. ২০২৬.

PrevPreviousনেপালে চিকিৎসা ত্রাণে
Nextক্ষতের চেয়ে বড়ো ক্ষতNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

ক্ষতের চেয়ে বড়ো ক্ষত

September 9, 2026 No Comments

ভেবেছিলাম চেপে যাব, জানেন? কী দরকার আমাদের এই সব বিষয়ে কথা বলার? কিন্তু তাও না লিখলে, না বললে দিনের শেষে নিজের সামনে দাঁড়ানো যায় না।

নেপালে চিকিৎসা ত্রাণে

September 9, 2026 No Comments

আমাদের যাত্রাটা শুরু হলো বেশ টান টান উত্তেজনা নিয়ে। যে ট্রেনে নিউ জলপাইগুড়ি যাওয়ার কথা ছিল, ট্রেন ছাড়ার কয়েক ঘন্টা আগে তাতে আমাদের টিকিট ক্যানসেল

এই আদিবাসী মেয়েটিও এক অভয়া, তার ন্যায়বিচারের দাবিতে অভয়া মঞ্চ আন্দোলন গড়ে তুলতে দায়বদ্ধ।

September 8, 2026 No Comments

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের তরুণী চিকিৎসকের খুন ও তার অভিঘাতে জন্ম নেওয়া অভয়া আন্দোলনের ফলে এই রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে — সাধারণ মানুষের ক্ষোভ নির্বাচনের

মুছে ফেলা যায় না

September 8, 2026 No Comments

আজ সকালে দেখলাম, দেয়ালের গায়ে সাদা চুন গড়িয়ে পড়ছে ফোঁটা ফোঁটা। যে মুখটা এতদিন এই দেয়াল থেকে তাকিয়ে ছিল, যার চারপাশে লেখা ছিল “Peace”, “Paix”,

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পোশাক বিধি

September 8, 2026 No Comments

সমালোচনা উপহাস করার আগে আসুন বিজ্ঞান চর্চা হতে যাক একটু। আমাদের গোটা শরীরটাকে যদি মশার কামড় এর লক্ষ্য বস্তু হিসেবে বিবেচনা করি তাহলে দেখবেন শরীরের

সাম্প্রতিক পোস্ট

ক্ষতের চেয়ে বড়ো ক্ষত

Doctors' Dialogue September 9, 2026

পৃথিবীতে বেঁটে মানুষদের ভিড় বাড়ছে?

Somnath Mukhopadhyay September 9, 2026

নেপালে চিকিৎসা ত্রাণে

Piyali Dey Biswas September 9, 2026

এই আদিবাসী মেয়েটিও এক অভয়া, তার ন্যায়বিচারের দাবিতে অভয়া মঞ্চ আন্দোলন গড়ে তুলতে দায়বদ্ধ।

Abhaya Mancha September 8, 2026

মুছে ফেলা যায় না

Dr. Arjun Dasgupta September 8, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

673896
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]