Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

এক ডাক্তারবাবু ও আম আঁটির বিপ্লব

WhatsApp Image 2025-05-07 at 9.58.56 AM (2)
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • May 8, 2025
  • 7:17 am
  • 10 Comments

আজ আপনাদের কোলকাতার এক ডাক্তারবাবুর কথা বলবো।  এই মুহূর্তে অবশ্য ঠিক চিকিৎসক হিসেবে নয় , একজন সামাজিক উদ্যোগপতির ভিন্ পরিচয় নিয়ে তিনি আর্ক ল্যাম্পের নিচে এসে দাঁড়িয়েছেন। কলকাতায় থাকলেও তিনি কিন্তু জন্মসূত্রে বাঙালি নন ,পঞ্চনদীর দেশের মানুষ পঞ্জাবি সর্দার। মানুষটির নাম জস্মিত সিং অরোরা, বয়স ৫১ । কলকাতায় বসে তিনি সারা দেশ জুড়ে এক নতুন ধরনের আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন। নতুন এক ভাবনার মন্ত্রে দেশের কৃষিজীবী মানুষদের উদ্বুদ্ধ করে , নতুন এক কৃষি বিপ্লবের আহ্বান জানিয়েছেন। আমরা আজ এই মানুষটির ব্যতিক্রমী কাজ কর্মের সাথে পরিচিত হব , জানবার চেষ্টা করবো একজন চিকিৎসক থেকে “গুটলি ম্যান অব ইন্ডিয়া” বা ভারতের আঁটি মানুষ হয়ে উঠলেন কীভাবে? তাঁর এই কর্মপ্রয়াসের সূত্রে অনাদরে পড়ে থাকা আমের আঁটি আজ আমাদের রাজ্যের ও দেশের কোণে কোণে থাকা কৃষক বন্ধুদের নতুন স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছে। আভাস পাওয়া যাচ্ছে বড়োসড়ো পরিবর্তনের।

উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবীর জলবায়ুর পরিবর্তনের বিষয়টি আজ শুধু তত্ত্বকথা নয়, সবাই এই পরিবর্তনের প্রতিফল হারে হারে টের পাচ্ছি। পরিমিত বৃষ্টিপাতের অভাবে একদিকে যেমন বাড়ছে খরার দাপট , অন্যদিকে প্রবল বৃষ্টি হঠাৎ করে ডেকে আনছে বন্যা। আবহাওয়ার এই খামখেয়ালিপনার কারণে ভারতের মতো ক্রান্তীয় মৌসুমী বৃষ্টিপাতের দেশেও জলের জোগানে ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। এই অনিশ্চয়তা দেশের কৃষি ব্যবস্থার পক্ষে মোটেই অনুকূল নয়। দেশের পূর্ব ও দক্ষিণ ভাগের রাজ্যগুলোতে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি বলে এখানে অতিরিক্ত জলের চাহিদা যুক্ত ধান চাষ করা হয়। অথচ ধানের উৎপাদন তুলনামূলক ভাবে কম। উৎপাদন কমে গেলে কৃষকের জীবনে হতাশা নেমে আসে। কৃষকদের এই অবস্থা থেকে মুক্ত করতে ডঃ জস্মিত আম গাছ লাগানোর কথা বোঝাচ্ছেন কৃষকদের। তাঁর বিশ্বাস এর ফলে কৃষকরা সুনিশ্চিত আয়ের সুযোগ পাবেন, কার্বন নিঃসরণ কমবে, রক্ষা পাবে জীববৈচিত্র্য। কৃষি – বনায়নের আদর্শের সূচনা হলো এই প্রচেষ্টার সূত্রে।তাঁর এই একান্ত বিশ্বাসকে পুঁজি করেই ডঃ জস্মিত সিং অরোরা নিরলস প্রচার করে চলেছেন। তার ফল মিলছে হাতেনাতে। কোলকাতা থেকে জোগাড় হয়েছে প্রায় ২০০০০০ আমের আঁটি। দেশের অন্য রাজ্য থেকে সংগৃহীত হয়েছে আরও ১০০০০০ আমের আঁটি।  কীভাবে জোগাড় হলো এতো এতো আমের আঁটি? ডঃ জস্মিত তাঁর অভিনব পরিকল্পনার কথা স্কুলে স্কুলে ঘুরে ঘুরে প্রচার করে আবেদন করেছিলেন আম খাবার পর আঁটিগুলোকে যত্র তত্র ফেলে না দিয়ে জমিয়ে রাখতে। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলোর পাশাপাশি সেনাবাহিনীর জ‌ওয়ানদের কাছেও আবেদন করেছিলেন আঁটি সংগ্রহের এই অভিনব প্রয়াসে সামিল হতে। কেউ জস্মিতের এই আবেদন এড়িয়ে যেতে পারেননি। ফলে একটু একটু করে ভরে উঠেছে আঁটির বোঝা। ডাক্তারবাবু স্বপ্ন দেখেন এক সবুজ সমৃদ্ধতর গ্রামীণ ভারতের, যেখানে কৃষকেরা এক সুস্থিত জীবনের সোয়াদ পাবেন। আঁটি সংগ্রহের কাজ হচ্ছে তার প্রথম পদক্ষেপ।ডঃ জস্মিত সিং অরোরার এমন আশ্চর্য উত্তরণের কাহিনি কম রোমাঞ্চকর নয়। ডাক্তারি ডিগ্রি হাসিলের পর আর পাঁচজনের মতো তিনিও চেম্বার খুলে রোগী দেখার কাজ শুরু করলেন। কিন্তু ঘড়ি ধরে প্রতিদিন রোগী দেখা, সমস্যা অনুযায়ী তাদের নিদানের পরামর্শ দেওয়া, ব্যস্ত এম. আর দের সঙ্গে বাজারে নতুন আসা ওষুধপত্র নিয়ে কথা বলা – এমন গতানুগতিকতায় রীতিমতো হাঁপিয়ে উঠেছিলেন তিনি। তাই স্বাদ বদলের আশায় আই.টি.সেক্টরে যোগদান করেন। এখানেই শেষ নয় ফার্মাসিউটিক্যালসের কারবারি হয়ে এখন তিনি পুরোদস্তুর উদ্যোগপতি, সমাজসেবী।

বিগত কয়েক দশকে তিনি রাজ্যের প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় ঘুরে বেড়িয়েছেন কেবলমাত্র সেখানকার ভূমিস্তরে বসবাসকারী কৃষিজীবী মানুষদের দুঃখ দুর্দশা অনগ্রসরতার কারণগুলোকে সরজমিনে দেখে আসতে। সুন্দরবন,পুরুলিয়া, বাঁকুড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে তিনি চাক্ষুষ করলেন ঐসব প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষজনের জীবনসংগ্রামের বাস্তব অবস্থা। কৃষকেরা শুধুমাত্র প্রাকৃতিক অনিয়মের শিকার নন, কৃষি ঋণের সমস্যা, সামান্য আয়ে সারাবছর সংসার প্রতিপালনের সমস্যা, মহাজনদের উৎপাত , উৎপন্ন ফসলের উপযুক্ত দাম না পাওয়া – এমন‌ই হাজারো সমস্যার জাঁতাকলে নিষ্পেষিত হয় দেশের কৃষক জীবন।এসব নিজের চোখে দেখে জস্মিত সিং নিজেকে প্রত্যক্ষভাবে সমাজসেবার কাজে উৎসর্গ করলেন। পরিবেশ পরিষেবার মাধ্যমে সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করলেন তিনি। প্রচলিত রাসায়নিক কৃষির পরিবর্তে জৈব কৃষিকে জনপ্রিয় করতে তিনি আদাজল খেয়ে মাঠে নেমে পড়লেন। ফসলের উৎপাদন বাড়াতে যথেচ্ছভাবে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে , জৈব সারকে গুরুত্ব দিয়ে  ফসলের উৎপাদন বাড়াতে হবে। জস্মিত জানান, রাসায়নিক সারের ব্যবহার আমাদের জমির গুণগত বৈশিষ্ট্যগুলোকে নষ্ট করে দিয়েছে। চটজলদি লাভের আশায় জমিতে রাসায়নিক সার আর কীটনাশক ব্যবহার করে কৃষি বাস্তুতন্ত্রের শৃঙ্খলা ধ্বংস করে ফেলেছি আমরা। তাই বিকল্প পথের সন্ধান ছাড়া মুক্তি নেই। এমন চিন্তা ভাবনা থেকেই আমের আঁটি সংগ্রহের পরিকল্পনা গ্রহণ করার কথা ভেবেছেন তিনি। আজ থেকে ছয় বছর আগে এই প্রকল্পের সূচনা। আগামী দিনে তাকে আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে চান তিনি।

এই মুহূর্তে বর্জ্য থেকে সম্পদ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে দিকে দিকে। ডঃ জস্মিত তাঁর এই কর্মপ্রয়াসকে সম্পদ সৃষ্টির প্রচেষ্টা বলেই মনে করছেন। গ্রীষ্মকালীন আমের মরশুমে জস্মিত এবং তাঁর সহযোগীরা বাড়ি, স্কুল, হোটেল, বাজার ঘুরে ঘুরে আমের আঁটি সংগ্রহের কাজে কোমর বেঁধে নেমে পড়েন। এরপর সেগুলোকে যথোপযুক্ত ভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে দু তিন দিন ধরে রোদে শুকিয়ে নেওয়া হয়। আর তারপর আঁটি গুলোকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় দক্ষিণ ২৪ পরগণার আমতলায় পাঁচ একর জমির ওপর গড়ে তোলা কৃষি খামারে।এখানে অভিজ্ঞ উদ্যানবিদদের তত্ত্বাবধানে আঁটি থেকে চারা তৈরি করা হয় । এরপর আধুনিক গ্রাফটিং প্রযুক্তির সাহায্যে স্থানীয় ল্যাংড়া , হিমসাগর,গোলাপখাস প্রভৃতি স্থানীয় প্রজাতির গাছে পরিণত করে পরিবেশের উপযুক্ত করে তোলা হয়। এই সমস্ত প্রজাতির আম গাছ দক্ষিণ বঙ্গের আবহাওয়ার পক্ষে মানানসই। এরপর গাছগুলোকে পৌঁছে দেওয়া হয় দক্ষিণ বঙ্গের কৃষকদের কাছে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। এক্ষেত্রে আমাদের রাজ্যের কৃষকদের‌ই প্রাধান্য দেওয়া হয় যাতে তারা তাদের অসুবিধাগুলোকে কাটিয়ে উঠে এক সুস্থিত যাপনে অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারে।

তবে আমগাছ লাগালেই তো আর তাতে ফল ধরবে , চাষিরা তা পেড়ে নিয়ে বাজারে বিক্রি করে উপার্জন করা শুরু করবেন এমনতো নয়, ফলের জন্য বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করে থাকতে হবে। তাহলে কী উপায়? এই সমস্যার কথা মাথায় রেখে ডঃ জস্মিত দ্রুত ফলনশীল কিছু ফলের চারা বিতরণ করেছেন কৃষকদের মধ্যে যাতে কিছুটা সুরাহা হয়। তবে এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষা , জীববৈচিত্রের সংরক্ষণের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এটাও কিন্তু খুব কম জরুরি কাজ নয়। কলকাতার বেশ কিছু স্কুলে গাছ লাগানো হয়েছে। তাদের দেখভাল করতে এগিয়ে এসেছে শিক্ষার্থীরা, তৈরি হয়েছে হাতেকলমে পরিবেশ শিক্ষার সুযোগ। ব্যারাকপুর সেনানিবাসেও পরিবেশ বাঁচানোর এই কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। আগামীদিনে এর গভীর সুফল পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন ডঃ জস্মিত সিং অরোরা।

ফেলে আসা সাতটি বছরে আমের আঁটি সংগ্রহের এই অভিনব কর্মকাণ্ড এক নীরব বিপ্লবের চেহারা নিয়েছে। ডঃ জস্মিত সিং অরোরার এই অভিযানে সামিল হয়েছে এই শহরের বেশ কিছু নামিদামী স্কুল। স্কুল কর্তৃপক্ষ আম খেয়ে আঁটি গুলোকে ফেলে না দিয়ে জমিয়ে রাখতে অনুরোধ করেছেন তাঁদের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের। এভাবেই একটু একটু করে জস্মিত সিং অরোরার স্বপ্ন এক নীরব নিভৃত নিরলস গণ আন্দোলনের চেহারা নিয়েছে। জস্মিত প্রমাণ করেছেন যে সব আন্দোলনের জন্য পথে নামার দরকার নেই।নীরব মন্ত্রসাধনাও অনেক গভীর ও স্থায়ী পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে।

জস্মিতের আক্ষেপ, “মানুষ তাঁর সুবিধার জন্য এই পৃথিবীর অনেক ক্ষতি করে ফেলেছে, বদলে ফেলেছে অনেক সুন্দর সহাবস্থানের আদর্শকে।এর মেরামতের প্রয়োজন । নাহলে এই পৃথিবী আর জীবকুলের বাসযোগ্য থাকবেনা। অনেক সময় নষ্ট হয়ে গেছে। এবার সত্যিকারের কাজের সময়।”জস্মিত আশাবাদী মানুষ। স্বপ্ন দেখেন এক সবুজ সমৃদ্ধতর গ্রামীণ ভারতের যেখানে কৃষকেরা এক সুস্থিত জীবনের সোয়াদ পাবেন। সমস্ত প্রতিকুলতার মাঝেও জস্মিতের মতো কিছু মানুষ ভাগ্যিস আমাদের মধ্যে এখনও আছেন তাই স্বপ্নগুলো আজ‌ও পাখা মেলে দূরদূরান্তের পথে পাড়ি দিতে সাহস পায়। আসুন আমরা তাঁর স্বপ্নপথের সহযাত্রী হ‌ই।

ঋণ স্বীকার

সংবাদ পত্রের সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদন।

এপ্রিল ০৭.২০২৫

PrevPreviousমন্দিরের ঘণ্টা
Nextবিরাট জয় লাভ হয়েছে, আনন্দ করুন।Next
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
10 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Sarmistha lahiri
Sarmistha lahiri
11 months ago

এইভাবে প্রকৃতি কে সঙ্গে নিয়ে জীব বৈচিত্র্য ও জীবন বৈচিত্র্যের যে মেল বন্ধন ঘটানো যায় লেখকের এই লেখা আমাদের চোখ খুলে দিল। প্রত্যক্ষ ভাবে না হয়ে ও যে পরোক্ষভাবে ও আমরা প্রকৃতি কে বাঁচিয়ে রাখতে পারি ডঃ জস্মিতের এই কর্মকাণ্ড অনেক অনুপ্রাণিত করলো। সামনে ই আমের সিজনে আমরা এই সুযোগে র সদ্ব্যবহার করলে জস্মিতের মতো আরো অনেক মানুষ এই কাজে ব্রতী হবে।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Sarmistha lahiri
11 months ago

একদম ঠিক কথা। জস্মিতের কাজ হয়তো নতুন করে আমাদের নজর ঘুরিয়ে দিলো। সহজ সুন্দর সার্থক সমাধান।

0
Reply
Dr Sourav
Dr Sourav
11 months ago

Mango-ficent initiative 😇❤️‍🔥😇

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Dr Sourav
11 months ago

Singh Ji ficent as well.

0
Reply
Soumen Roy
Soumen Roy
11 months ago

এভাবে ভাবতে পারার মানুষ খুব কম।সফল হোক ডাক্তার বাবুর প্রয়াস।
লেখককে ধন্যবাদ।তিনি ধারাবাহিকভাবে পজিটিভ ভাবনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছেন।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
11 months ago

নেতি নয়নে সব কিছু দেখার অভ্যাস ছাড়তে হবে। কত সহজ সমাধানের উপায় রয়েছে, অথচ আমাদের নজর টানে না। ভাবতে হবে অবশ্যই।

0
Reply
Bannhi Bhattacharjee
Bannhi Bhattacharjee
11 months ago

কত জিনিসই আমাদের অজানা থাকে, এ তারই প্রমাণ..সাধুবাদ ওঁনাকে…

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Bannhi Bhattacharjee
11 months ago

সাধুবাদ অবশ্যই প্রাপ্য। আসলে কিছু মানুষ এমন‌ই হন। সবসময়ই তাঁরা নতুন কিছু করার নেশায় বুঁদ হয়ে থাকেন। সিংজীর মতো মানুষ আর‌ও প্রয়োজন।

0
Reply
Anjana Mukhopadhyay
Anjana Mukhopadhyay
11 months ago

জসমিত সিং এক অসাধারণ কাজ করে চলেছেন।এ সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। এই লেখাটি আমাদের সে সম্পর্কে অবগত করালো। ধন্যবাদ জানাই লেখককে।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Anjana Mukhopadhyay
11 months ago

যুযুধান পৃথিবীতে এক বিরল প্রয়াস। এখান থেকে আমাদের সজাগ হতে হবে।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

April 22, 2026 No Comments

১৯ এপ্রিল ২০২৬ দুই দ্বারপাল জয় ও বিজয়কে খানিকটা বাধ‍্য হয়েই মানে বড় ঝামেলা এড়াতে বৈকুন্ঠ থেকে নির্বাসন দেন ভগবান বিষ্ণু। দুজনেই তাঁর খুব প্রিয়,

SIR–রাষ্ট্র এবং গণতন্ত্রের সংকট

April 22, 2026 No Comments

২০ এপ্রিল ২০২৫ ফেসবুক লাইভে আলোচিত।

।।দেয়ালে পিঠ।।

April 22, 2026 No Comments

বক উড়ে যায় ঝাঁকে ঝাঁকে দোলন চাঁপার পাতা কাঁপে তাই বলে কি দূর্বা ঘাসে ছিটে ছিটে রক্ত লেগে নেই? পুকুর পাড়ে শ্যাওলা জমে শামুক খোলায়

কার যেন এই মনের বেদন?

April 21, 2026 No Comments

সংসার চলবে কী করে, নাম কাটার ‘দায়’ও মেয়েদের কাঁধে

April 21, 2026 No Comments

এক একটা বিপদ আসে, আর এক একটা নতুন শব্দ ঢোকে গ্রামের মানুষের মুখের ভাষায়। ২০১৮-তে ‘নোটবন্দি।’ ২০২০-তে ‘লকডাউন।’ আর এ বারে, এই ২০২৬-এ মুখে মুখে

সাম্প্রতিক পোস্ট

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

Dr. Amit Pan April 22, 2026

SIR–রাষ্ট্র এবং গণতন্ত্রের সংকট

Doctors' Dialogue April 22, 2026

।।দেয়ালে পিঠ।।

Shila Chakraborty April 22, 2026

কার যেন এই মনের বেদন?

Pallab Kirtania April 21, 2026

সংসার চলবে কী করে, নাম কাটার ‘দায়’ও মেয়েদের কাঁধে

Swati Bhattacharjee April 21, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

618711
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]