Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

সংসার চলবে কী করে, নাম কাটার ‘দায়’ও মেয়েদের কাঁধে

Screenshot_2026-04-21-00-00-41-88_40deb401b9ffe8e1df2f1cc5ba480b12
Swati Bhattacharjee

Swati Bhattacharjee

Journalist, women's right activist.
My Other Posts
  • April 21, 2026
  • 6:25 am
  • No Comments

এক একটা বিপদ আসে, আর এক একটা নতুন শব্দ ঢোকে গ্রামের মানুষের মুখের ভাষায়। ২০১৮-তে ‘নোটবন্দি।’ ২০২০-তে ‘লকডাউন।’ আর এ বারে, এই ২০২৬-এ মুখে মুখে ঘুরছে ‘ডকুমেন্ট।’ পাথরপ্রতিমার দক্ষিণ রায়পুর। গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান ছন্দা মণ্ডলকে ঘিরে বসে আছেন মেয়েরা। মেয়েরাই কেন? চার নম্বর সংসদের সদস্য রাজু গায়েন জানালেন, এখানে ১১০ জনের নাম ‘ডিলিট’ হয়েছে, তাঁদের ৭৪ জন মহিলা।

এ বার অনলাইনে আপিল চলছে। মেয়েদের হাতে ব্যাগ, কোনওটায় ছাপার অক্ষরে লেখা ‘মা রেহেনা সেবাসদন,’ কোনওটায় ‘মা কালী টেলিকম।’ ভিতরে কী? উত্তর এল, ‘ডকুমেন্ট’।

শব্দটা রহস্যময়। সরকারি আবাসের নথি থেকে পোলিয়ো টিকার কার্ড পর্যন্ত সব ঢুকেছে ব্যাগে। যদি একটা-দুটোও ‘ডকুমেন্ট’ বলে জমা নেয়। তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন ‘ডকুমেন্ট’। টাকা খসালে স্থানীয় সাইবার কাফে বংশলতিকা বার করে দিচ্ছে। দিস্তে দিস্তে বংশলতিকায় সই করতে করতে প্রধানের রক্তচাপ বাড়ছে। এতে কী হবে? “কী জানি? ওরা বলছে, সই করে দিচ্ছি,” বললেন ছন্দা। মেশিনে শার্ট সেলাই করে, কাপড়ে জরি লাগিয়ে এই মেয়েদের সপ্তাহে রোজগার দুশো-পাঁচশো টাকা। তাঁদের হাতে তিনশো টাকার ‘ডকুমেন্ট’ দেখে বলার সাহস হয় না যে, নির্বাচন কমিশনের কাছে বংশলতিকা বৈধ প্রমাণপত্র নয়।

‘ডকুমেন্ট’ বড় বিচিত্র জিনিস। আসমা বিবি বছর দুয়েক আগে মায়ের মৃত্যুর শংসাপত্রের আবেদন করেছিলেন পঞ্চায়েতে। কর্মীর ভুলে মৃতা মায়ের নামের জায়গায় বসে গিয়েছে আসমার নাম। ব্যস, আধার কার্ড, রেশন কার্ড, সব খারিজ— “কম্পিউটার আমারে মেইরে দিসে।” দু’বছর রেশন, লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ। নিজেকে ‘জীবিত’ প্রমাণ করতে আদালতে হাজার তিনেক টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে। “দু’বছর ইদে নতুন কাপড় কিনতে পারিনি,” আসমা বললেন সজল চোখে। ‘মৃত’ আসমা বিবি কিন্তু ভোটার তালিকায় জীবিত। ২০০২-এর তালিকায় নাম ছিল যে!

‘ডকুমেন্ট’ হওয়ার লড়াইয়ে নেমে মেয়েদের কাগজ কোতল হয় বেশি। কাগজের দোষ, না মেয়ে হওয়ার দোষ, কে জানে? সবর ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষণ, ৬৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে ‘ডিলিট’ হওয়া ভোটারদের ৬০ শতাংশেরও বেশি মহিলা। ১৩১টি বিধানসভায় ৫৫-৬০ শতাংশ মহিলা। মোট ২৫৮টি বিধানসভা ক্ষেত্রে খারিজ ভোটারদের অর্ধেকেরও বেশি মহিলা। রয়েছে বৈষম্যের আরও দুটো অক্ষ — জাতপাত ও শ্রেণি। পাথরপ্রতিমার তৃণমূল বিধায়ক সমীরকুমার জানা জানান, এলাকায় ৮০০০ ভোট কাটা গিয়েছে, ৯৫ শতাংশই মুসলিম। দরিদ্র, মুসলিম, মেয়ে— তেমাথার মোড়ে যেন খাঁড়া হাতে দাঁড়িয়ে প্রশাসন।

একেই ভোটার তালিকায় মেয়েদের সংখ্যা কম। তার উপরে কেন মেয়েরা বাদ পড়ছে? প্রশাসনের জবাব, জন্মের শংসাপত্র, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড, জমির দলিল— যা যা চাই, সে সব দিতে পারছে না মেয়েরা। দিলেও বিস্তর গরমিল বেরোচ্ছে। মেয়েদের প্রশ্ন, তা হলে তারা প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর, উজ্জ্বলা গ্যাস পেল কী করে?

পাথরপ্রতিমার মেয়েদের কথায় আগুনের হলকা — “আমরা লক্ষ্মীর ভান্ডার পাই, দিদিকে ভোট দিই, তাই আমাদের নাম কাটা গেল।” বিজেপি সমর্থক মেয়েরাও ছাড় পায়নি। বনগাঁ উত্তর আর দক্ষিণ, দু’টি বিধানসভা ক্ষেত্র (দুটোতেই বিজেপি বিধায়ক) মিলে ২৬ হাজারেরও বেশি নাম কাটা গিয়েছে, অধিকাংশই মেয়ে।

কিন্তু ক্ষোভকে বহু গুণ ছাড়িয়ে যাচ্ছে ভয়। বনগাঁ দক্ষিণের ছয়ঘরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির ‘কমিউনিটি সার্ভিস প্রোভাইডার’ কাজলরানি অধিকারী। ঋণ দেওয়া আর আদায়ের সূত্রে পাঁচ হাজারেরও বেশি মহিলা সদস্যের সঙ্গে নিত্য যোগাযোগ। কাজল বললেন, “যেখানেই মিটিং করছি, সেখানেই মেয়েরা কান্নাকাটি করছে, যদি আর ঋণ না পায়? ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যায়?” বাংলাদেশে ঠেলে দেবে কিনা, শিবিরে বন্দি করবে কিনা, সে পরের কথা। কাল-পরশু কী হবে? বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতা বন্ধ হবে? “আমার মেয়ে বি এসসি (নার্সিং)-এর এন্ট্রান্স পরীক্ষায় বসবে। যদি ভোটার তালিকায় বাবা-মায়ের নাম দেখতে চায়?” বললেন সিন্দ্রানীর (বাগদা) রাখী পাল।

‘স্বচ্ছ’ ভোটার তালিকা তৈরির এমন ধুম পড়েছে যে, নাম কাটা গেলে ঠিক কী কী কাটা যাবে, তা রয়ে গিয়েছে অস্বচ্ছ। ভোগান্তি মেয়েদেরই বেশি। “বাড়ির লোক খুব বকাবকি করছে। আমার বাবার নামে ভুলের জন্য ছেলেমেয়ের ভবিষ্যৎ শেষ হয়ে যাবে,” ধরা গলায় বললেন বনগাঁর রেখারানি সরকার। স্বামী রবিন সরকার গজগজ করলেন, “ভোটার কার্ডে শ্বশুরের নাম খোকন তরফদার, আধার কার্ডে মানিক তরফদার। এই জন্যই তো তোমার নাম কাটল।” বহু মেয়ের কথায় ক্ষোভের চাইতে আক্ষেপ বেশি। “আমার নামেই তো গ্যাস, কারেন্ট, সব কিছু। নাম কাটা যাওয়ার জন্য যদি সব বন্ধ হয়, কী হবে বাড়ির লোকের?” এসআইআর প্রক্রিয়ার অস্বচ্ছতা, অযৌক্তিকতা, যথেচ্ছাচারের দায় চাপছে সংসার-সামলানো মেয়েদের কাঁধে।

নির্বাচনী রাজনীতিতে মেয়েরা একটা শক্তি হয়ে উঠেছিল। কিন্তু রাজনীতির খেলা বদলে দিয়েছে এসআইআর। আগে অন্যায় বঞ্চনার প্রতিবাদে মেয়েরা নেতাদের ঘেরাও করত, ধর্নায় বসত। এসআইআর ‘ডেটা’-র অদৃশ্য দেওয়াল তুলে মেয়েদের অস্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছে। মেয়েরা কার পথ আটকাবে? ডেটা-সর্বস্বতার শীতল নীতি আন্দোলনের উত্তাপে গলে না, নড়ে না। এই প্রতিপক্ষ মেয়েদের অপরিচিত।

মোথাবাড়িতে বিচারপতিদের গাড়ির উপরে হামলার ঘটনায় এক মহিলা বিচারপতির আর্ত কণ্ঠ বার বার প্রচারিত হয়েছে — “আমার কিছু হলে হাই কোর্ট যেন আমার ছেলেমেয়েকে দেখে।” পাটুলির রেলবস্তির বাসিন্দা, গৃহপরিচারিকা কাকলি মণ্ডল দিদিমার কাছে মানুষ। ভোটার তালিকায় দিদিমার নাম ‘ডকুমেন্ট’ বলে গণ্য হয়নি। একক মা কাকলি এখন সবাইকে প্রশ্ন করছেন, “আমাকে যদি শিবিরে পাঠায়, কে দেখবে ছেলেমেয়েকে?” আদালত, নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্র, রাজ্য — কারও কাছে এর উত্তর নেই। রাজনীতির শিবিরগুলো মত্ত রয়েছে অন্য প্রশ্নে। কাটা-পড়া ভোটার এর ভোট কাটবে, না কি ওর?

রাজনীতিতে হিংসার জন্য ভারী বদনাম পশ্চিমবঙ্গের। রক্তপাত না হয়ে এখানে নির্বাচন হয় না। এ বার রাজ্য দেখছে এক রক্তপাতহীন হিংসা — শুধু ‘ডকুমেন্ট’ দিয়ে লোককে ‘নেই’ করে দেওয়া। আর সব হিংসার মতো, এ খেলাতেও মেয়েরাই মারা পড়ছে বেশি।

আনন্দবাজার পত্রিকায় ২০ এপ্রিল ২০২৬ প্রকাশিত।

PrevPreviousParkinson’s Disease -এর চারটি প্রধান লক্ষণ
Nextকার যেন এই মনের বেদন?Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

বাদাবনে বাঘে–মানুষে সংঘাত: প্রশমনের সন্ধানে

August 2, 2026 No Comments

প্রতিবেদকের সামান্য কথাঃ পড়াশুনার সময় পড়াশুনা করা হল না। অনিশ্চিত জীবন ছেড়ে অনেক বিলম্বে কর্মজীবনে প্রবেশ। চাকরির সুবাদে জেলা থেকে জেলান্তর। উত্তর, দক্ষিণ ও রাঢ়

একটি বিদ্যামন্দির তথা স্কুলের রাজনৈতিক চিঠি

August 2, 2026 No Comments

(এই চিঠিটি দেওয়া হয়েছে ৩০ জুলাই ২০২৬-এ) রায়গঞ্জের নামী স্কুল সারদা বিদ্যা মন্দির (বাংলা মিডিয়াম) স্কুলের তরফে এই চিঠিটি দেওয়া হয়েছে – “বিদ্যালয়ের আচার্য-আচার্যা, প্রাক্তন

দুই পাগলের গপ্পো – দ্বিতীয় পর্ব

August 2, 2026 No Comments

আজ যে পাগলের কথা বলবো তিনি সত্যিই এক আজব পাগল। জন্মসূত্রে ভারতীয় নন, তবে তাঁর কাণ্ডকারখানা এই ভারতের মাটিকে ঘিরে। ইনি হলেন ক্যারন রন্সলে (

ভবিষ্যতই বলবে, এটা masterstroke ছিল না beginning of the end!!

August 1, 2026 No Comments

সত‍্যিই অভাবনীয়। কিন্তু যদি ভেবে থাকেন এটা সরকারের বিরাট পরাজয়, খুব ভুল করবেন। দাবা খেলায় যেমন দরকারে কোনো বড় পিসও sacrifice করা হয়, ধরে নিন

হাসপাতালে নিরাপদ, ভয়হীন কাজের পরিবেশের জন্য সরকার দায়বদ্ধ হোক

August 1, 2026 No Comments

কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, ভয়হীন কাজের পরিবেশ অভয়া আন্দোলনের এক গুরুত্বপূর্ণ দাবি। বিগত বছরগুলোতে আমরা দেখেছি বারবার নিজেদের কর্মক্ষেত্রে, হাসপাতালে নিগৃহীত হতে হয়েছে চিকিৎসক – নার্স –

সাম্প্রতিক পোস্ট

বাদাবনে বাঘে–মানুষে সংঘাত: প্রশমনের সন্ধানে

Bappaditya Roy August 2, 2026

একটি বিদ্যামন্দির তথা স্কুলের রাজনৈতিক চিঠি

Dr. Jayanta Bhattacharya August 2, 2026

দুই পাগলের গপ্পো – দ্বিতীয় পর্ব

Somnath Mukhopadhyay August 2, 2026

ভবিষ্যতই বলবে, এটা masterstroke ছিল না beginning of the end!!

Dr. Amit Pan August 1, 2026

হাসপাতালে নিরাপদ, ভয়হীন কাজের পরিবেশের জন্য সরকার দায়বদ্ধ হোক

West Bengal Junior Doctors Front August 1, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

657364
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]