শ্রী শ্রী মা দুর্গা
কৈলাশ, মানস সরোবর
হিমালয়
নেপাল
মা,
তুমি তো প্রবাসী ।
চলে যাওয়ার পর সব খবর পাও কিনা জানি না।
তাই তোমাকে এই চিঠি ।
চিঠিটি জুড়ে দিলাম নিচে
ইতি
তোমার সনাতনী।
দেশের খবর রাখো?
এখন রাত দুটো।
জাতীয় পতাকা উড়িয়ে এক ২৯ বছরের দুর্গা
স্বাধীন দেশে বন্দী !
রাত জাগছে অপরাধীদের সেলে ।
তাঁর বোধন হয়েছে
তাঁর নিজের বা পরিবারের কারোর নাম কাটে নি।
তবু তেরো কোটি ডিলিট হওয়া দেশবাসীর জন্য
সেই দুর্গা এখন লড়ছে রাজধানীর পথে!
পিছনে ছুটছে রাষ্ট্রবাদ পুলিশের উর্দি পরে !
দুর্গা আর একা নন। একজন দুর্গা নন।।
প্রতিবাদী দুর্গারা নেমে এসেছে রাজপথে
অত্যাচারিতা দুর্গারা কেঁপে কেঁপে ওঠেন
অসুরের উল্লাসে!
অসুর নিরামিষী ! বড়ই সনাতনী। ধর্ম একটু বেশিই করেন।
ধর্ষণে তার রুচি বেশি।
মটনকষা, লাল মদিরায় থাকেন মস্তিতে
যাঁরা তাঁকেই মেনেছে অবতার
তাঁরাই সবাই দেশভক্ত !
অসুর বলছে, সব দোষ তো দুর্গারই ,
সেও তো প্রবাসী। “বিদেশের ফান্ডিং নিয়েই এখানে এসে জন্ম দিয়েছে এতো দুর্গা, তাই এত্ত তেলাপোকা !
তাই এত্ত লাশ,
সুনার বাংলায় প্যান্ডেলে মৃত্যুর উৎ শব! সনাতনী না হলে
তোমাকে ছোঁয়া যাবে না।
তোমার কি জাত চলে যায় তাতে?!
বেশ, চিঠি তো লেখা যাবে!
তাই চিঠিতেই সব জানালাম।
চোরবাগানের চোর ধরতে বসছে কমিশন
মা, এর আগেও বসেছে অভয়া কমিশন
সত্যি করে বলতো মা,
জাস্টিস ফর বিচার হবে কবে ?










