Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

শুরু হোক ইতিহাস তৈরির এক নতুন লড়াই।

FB_IMG_1727029935028
Doctors' Dialogue

Doctors' Dialogue

আমরা ডাক্তার। কারও কাছে আমরা ভগবান। আবার কেউ ভাবেন আমরা মৃত্যুদূত। কারও আমাদের প্রতি অগাধ বিশ্বাস। কেউ ভাবেন সবটাই ব্যবসা।
My Other Posts
  • October 28, 2024
  • 8:11 am
  • No Comments

আর.জি.করে অভয়া কান্ডের‌ পর রাজ্য জুড়ে এক অভূতপূর্ব গণআন্দোলন চলছে। ১৪ই আগষ্ট মেয়েদের রাত দখলের ডাক এই আন্দোলনকে এক ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে যায়। ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ হয়ে ওঠে আপামর জনগণের হৃদয়ের স্লোগান। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রশ্ন এই আন্দোলন থেকে উঠে আসে। হুমকি-সংস্কৃতি ও ধর্ষণ-সংস্কৃতির বিরুদ্ধে নাগরিক সমাজের আন্দোলন এক নতুন বাতাবরণ তৈরি করে। আদ্যন্ত রাজনৈতিক, কিন্তু দলীয় নিয়ন্ত্রণ ছাড়া এই আন্দোলন ক্রমশ তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে ওঠে। এই বাতাবরণের মধ্যে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন এক নির্দিষ্টতাতে গড়ে। সহকর্মীর খুন ও ধর্ষণের প্রতিবাদে নিজেদের তারা সংঘবদ্ধ করে, ১০ই আগষ্ট মিছিল করা দিয়ে যা শুরু হয়েছিল। ১৪ই আগষ্ট আর.জি.করে তৃণমূলের হামলা জুনিয়র ডাক্তার ও সিনিয়র ডাক্তারদের ঐক্যকে আরো প্রসারিত করে। ফল কি হলো? যে স্বাস্থ্য সচিব আন্দোলনের প্রথম দিকে জুনিয়র ডাক্তারদের কথা শুনতেই চায়নি, তাকে অপসারণের দাবী জোরালোভাবে সামনে এলো। পরতে পরতে স্বাস্থ্য দুর্নীতির স্বরূপ উন্মোচিত হলো। কি ভয়াবহ পরিস্থিতি স্বাস্থ্যদপ্তরে তৈরি হয়েছে, সেটাও স্পষ্ট হলো। অভয়া-কান্ড যে এই পরিস্থিতি ও তার নাটের গুরুদেরই কাজ, এবং, তার পিছনে যে রাজ্য সরকারের মদত ও তৃণমূল দল আছে, এটাও রাজ্যের মানুষ বুঝতে পারলো। স্বাস্থ্য-ভবনের সামনে অবস্থান থেকে ধর্মতলায় আমরণ অনশন, জুনিয়র ডাক্তারদের মরনপন লড়াইয়ের সাথে বহু বহু মানুষ যুক্ত হন। তাদের ভালোবাসা,আবেগ, সমর্থন জুনিয়র ডাক্তারদেরও অনুপ্রাণিত করে।

এই পর্যায়ে মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য প্রশাসন কি করেছে?
১) অভয়া কান্ডের তথ্য প্রমাণ লোপ করার চেষ্টা করেছে।
২) মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং আন্দোলনকারীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে হুমকি দিয়েছেন।
৩) অভিযুক্তদের বাঁচাতে সক্রিয় থেকেছেন।
৪) নানা প্রকার বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ও একটি বাজে আইন তৈরী করে নজর ঘোরাবার চেষ্টা করেছেন।
৫) এই আন্দোলনকে তৃণমূল ও বিজেপি বাইনারিতে ভাগ করার প্রানপণ চেষ্টা করেছেন।

কিন্তু স্বাস্থ্য ভবনের সামনে ১১ দিনের অবস্থান আন্দোলনের চাপে মুখ্যমন্ত্রী ছুটে আসতে বাধ্য হলেন। বারবার আলোচনা হলো। কলকাতা পুলিশ কমিশনারের অপসারণ ও স্বাস্থ্যদপ্তরের ঘুঘুর বাসা ভাঙ্গার প্রক্রিয়া শুরু হলো। সবচেয়ে বড় কথা, ‘এই রাজ্যে মমতাই শেষ কথা বলবে’ বলে যে আবহাওয়া তৈরী করা হয়েছে, সেটাও ভাঙ্গতে শুরু করলো। ‘সব টার্ম একা এক ব্যক্তি ঠিক করে দেবে না’, এই বাতাবরণ সৃষ্টি হলো। রাজ্যের মানুষ প্রত্যক্ষ করলেন শাসকের চোখে চোখ রেখে প্রতিস্পর্ধা প্রদর্শনের এক নতুন দৃশ্য। কিছু দাবী আদায় হলো, কিছু অমীমাংসিত থাকলো। সাগর দত্ত হাসপাতালের ঘটনা, কিছু অমীমাংসিত দাবী, সুপ্রীম কোর্টে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার প্রতিবাদে আবার পথে নামলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সমর্থনে পাশে এসে দাঁড়ালেন সিনিয়র ডাক্তার সহ হাজার হাজার সাধারণ মানুষ। ধর্মতলার অনশন মঞ্চ আন্দোলনের তীর্থ হয়ে উঠলো। ‘দুর্গাপূজার সময়ে আন্দোলন করা যায় না’, এই মিথ ভেঙে গেলো। ষষ্ঠীর দিন পূজামণ্ডপে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগান দেওয়ার অপরাধে ৯ জন ছাত্রকে ভুয়ো মামলায় হাজতে ঢোকালো পুলিশ। কিন্তু কোথায় কি! প্রবল জনমতের চাপে অষ্টমীর দিনেই বেনজির ভাবে বিশেষ আদালত বসিয়ে তাদের জামিন দিয়ে দিলো কলকাতা হাইকোর্ট! মমতার সাধের কার্নিভাল মুখ থুবড়ে পড়লো দ্রোহের কার্নিভালের কাছে। অনশন আন্দোলনের পক্ষে জনসমর্থন আরো বেড়ে গেলো। ১৬দিনের মাথায় আলোচনা হলো। শর্ত দেওয়া হয়েছিল অনশন তুলে আলোচনাতে আসতে হবে। সেই শর্ত খারিজ করে অনশন আন্দোলন জারি রেখেই আন্দোলনকারীরা গেলেন। গিয়ে দেখা গেলো লাইভ স্ট্রিমিং হচ্ছে। অথচ স্বাস্থ্য ভবনে আলোচনার সময় আন্দোলনকারীরা যখন দাবী করেছিলেন লাইভ স্ট্রিমিং করতে হবে, মমতার যুক্তি ছিলো বিষয়টি সাবজুডিশ আছে বলে লাইভ করা যাবে না। কবে সাবজুডিশ ছিল আর কবে উঠলো? একটা পুরনো গল্প মনে পড়ে গেলো। এক ভিক্ষুক ভিক্ষা করতে এসেছে। বাড়ির দারোয়ান বললো, ভিক্ষা হবে না। ভিক্ষুক ফিরে যাচ্ছিল। উপর থেকে মালিক ডেকে পাঠালো। ভিক্ষুক গেলো। মালিক বললো, ভিক্ষা হবে না। ভিক্ষুক বললো, হবে না তো গেটেই বলেছিল, খামোকা আমাকে উপরে ডাকলেন কেন? উত্তর এলো, বাড়ীর মালিক কে ? দারোয়ান, না আমি?

জুনিয়র ডাক্তাররা যখন লাইভ টেলিকাস্ট চাইলেন, মুখ্যমন্ত্রী বললেন, হবে না। সাবজুডিস। ভাবখানা হলো, ‘হুঁঃ! ওরা বললেই লাইভ করবো! মুখ্যমন্ত্রী কে? আমি না ওরা! লাইভ যখন আমি বলবো, তখন হবে।’ স্তাবক আমলারাও যখন মাননীয়া ‘না’ বলেছিলেন, তখন সুরে সুর মিলিয়ে বলেছিলেন, হবে না হবে না। যেই উনি বললেন ‘হবে’, ওনারাও বললেন, হবে হবে। হীরক রাণীর রাজ্যেই বোধহয় এই নির্লজ্জ চাটুকারিতা সম্ভব!

আলোচনাতে দেখা গেল, মমতা দুর্নীতি গ্রস্থ ও ধর্ষকদের আড়াল করছেন, আর জুনিয়র ডাক্তাররা যূথবদ্ধভাবে তাঁদের বক্তব্য চোখে চোখ রেখে বলছেন। কেউ সমগ্র দাবী রাখছেন। স্বাস্থ্যদপ্তর সহ সমগ্র মেডিকেলের গণতান্ত্রিকরণের বিষয়ে বলছেন। কেউ অভয়ার ন্যায় বিচার, কেউ আর.জি.করে দুর্নীতি ও ধর্ষকদের বিরুদ্ধে বলছেন। কেউ ‘অভিযুক্ত ও দোষীর পার্থক্য’ মমতাকে ধরিয়ে দিচ্ছেন। কেউ মমতা যখন বলতে দিচ্ছেন না, তখন তার প্রতিবাদ করছেন। মমতা উত্তেজিত করার চেষ্টা করলেও তাঁরা উত্তেজিত হননি। শান্ত অথচ দৃঢ় ভাবে নিজেদের বক্তব্য রেখেছেন। স্বাস্থ্য সচিবের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগও জমা দিয়েছেন। আরও একটা অভয়া-কান্ড যাতে না হয়, সেই পরিবেশ তৈরীর দাবী করেছেন। টোটাল টীম ওয়ার্ক। সবাইকে অনেক অনেক অভিনন্দন।

সংক্ষপে দেখলে, দীর্ঘ এই আন্দোলনের ফলে কি কি হলো?
১) আর.জি.করের অধ্যক্ষ, যিনি ‘আত্মহত্যা’ বলে অভয়ার খুন ও ধর্ষণের ঘটনাকে আড়াল করতে চেয়েছিলেন, তিনি সাস্পেন্ড হলেন, গ্রেফতার হলেন।
২) লোকাল থানার ও.সি-কে গ্রেফতার করা হলো।
৩) স্বাস্থ্য দপ্তরের দু’জন শীর্ষ অধিকর্তা অপসারিত হলেন।
৪) অনেক টালবাহানার পর পুলিশ কমিশনারও অপসারিত হলেন।
৫) আর.জি.কর, কল্যাণী সহ বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে ‘থ্রেট-সিন্ডিকেটের’ সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগে এক একটি জায়গায় ৪০-৫০ জন করে বা তারও বেশি ব্যক্তিকে সাস্পেন্ড করা হলো।
৬) মেডিকেল কলেজগুলোয় চিকিৎসকদের সুরক্ষা বাড়ানোর জন্য তড়িঘড়ি কাজ চালু হলো। বিভিন্ন কমিটি তৈরি করে তাতে ডাক্তার সহ স্বাস্থ্যকর্মীদের গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে অংশগ্রহণের প্রক্রিয়া চালু হলো। ছাত্রসংসদ নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দিতে বাধ্য হলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী।
এগুলোই সব নয়। বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখলে, বাংলার রাজনীতিতে তৃণমূল-বিজেপির বাইনারি জোর ধাক্কা খেলো। লিঙ্গ-সাম্যের চির-উপেক্ষিত ধারণা সজোরে সমাজের সামনে এলো। ভয়ের বিরুদ্ধে, শাসকের চোখ রাঙানীর বিরুদ্ধে মানুষ মুখ খুলতে শুরু করলো। ‘মমতাই এরাজ্যে শেষ কথা বলবে’, এই মিথ, এই দর্প চূর্ণ হলো। প্রতিষ্ঠিত দলগুলোর দলীয় নেতৃত্বকে অস্বীকার করেও যে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে উঠতে পারে, সেই সত্য প্রতিষ্ঠা হলো।

হ্যাঁ, একই সাথে এটাও ঠিক, যে আন্দোলনের সব দাবী অর্জিত হয়নি। বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, ‘এক মাঘে শীত যায় না।’ শাসকের চক্রান্তও চলবে, তার বিরুদ্ধে আন্দোলনও চলবে। নিজের জীবন দিয়ে স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে একটা জনজাগরণের সূচনা ঘটিয়ে গেলো ‘অভয়া’, যা সহজে থামার নয়। সেই বিচারে, একটা বড় আন্দোলন শেষ নয়, শুরু হলো মাত্র! অভয়ার বাবা ও মায়ের অনুরোধে অনশন প্রত্যাহার করেও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার যে সিদ্ধান্ত জুনিয়র ডাক্তাররা নিলেন, তা সময়োপযোগী, সর্বান্তকরণে সমর্থনযোগ্য।

সীমিত সামর্থ নিয়ে দীর্ঘ আড়াই মাস ধরে জুনিয়র ডাক্তাররা যেভাবে লড়লেন, কোন প্রশংসাই তার জন্য যথেষ্ট নয়। অভয়া কান্ডের পর যেভাবে অসহনীয় পরিস্থিতির বিরুদ্ধে মানুষ পথে নেমেছে, তাকে সুনির্দিষ্ট ভাবে আরো এগিয়ে নিয়ে গেলো জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন। অবশ্যই নাগরিক সমাজের সমর্থন এই আন্দোলনকে আরো শক্তিশালী করেছে। কিন্তু আমরা যদি শুধু চিকিৎসকদের আন্দোলনের দিকেই তাকিয়ে থাকি, সম্ভবত ভুল করবো। যে নারীরা সমগ্র বন্ধন ভেঙে পথে নেমেছিলেন ১৪ই আগষ্ট, তাঁরাও এই লড়াইকে আরো শক্তিশালী করুন। পাড়ায় পাড়ায় শাসকদের বিরুদ্ধে চোখে চোখ রেখে কথা বলুক সাধারণ মানুষ। গ্রামে গ্রামে গ্রাম-সভার দাবী জোরালোভাবে সামনে আসুক। শ্রমজীবী মানুষেরা অধিকার আন্দোলনে পথে নামুন। দিকে দিকে গড়ে উঠুক প্রতিবাদী মানুষের মহা-জোট। সাহসের সাথে কোমর বেঁধে বাংলায় সার্বিক ভাবেই শুরু হোক ইতিহাস তৈরির এক নতুন লড়াই।

‘ভয় যেমন সংক্রামক, সাহসও তেমনি সংক্রামক’!

লেখকঃ কুশল দেবনাথ

PrevPreviousবাহুতে নবীন বল, দুয়ারে নতুন দল
Nextব্যাজটা সামলে রেখোNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

ঝাড়খন্ডের ছাত্র আন্দোলনের সংহতিতে

August 23, 2026 No Comments

ঝাড়খণ্ডে ছাত্র আন্দোলন শেষ ১৬ দিন ধরে গোটা রাজ্যকে উত্তাল করেছে। আমরা এই ন্যায্য আন্দোলনের সংহতি তে রয়েছি প্রথম থেকেই। এই আন্দোলন যদিও প্রশ্নপত্র ফাঁসের

যাদবপুরে “বিদ্যার্থী”দের “গেরুয়া” তাণ্ডব এবং গণপ্রতিক্রিয়া

August 23, 2026 1 Comment

২১.০৮.২০২৬-এ প্রকাশিত দুটি প্রথমসারির সংবাদপত্রের প্রথমপৃষ্ঠার শিরোনাম আশা করি এতক্ষণে সবাই পড়েছেন, দেখেছেন এবং জেনে গেছেন. (আনন্দবাজার – ২১.০৮.২০২৬) (দ্য টেলিগ্রাফ – ২১.০৮.২০২৬) (দ্য ওয়াল

We deserve justice. কেউ আটকাতে পারবে না।

August 23, 2026 No Comments

২২ আগস্ট ২০২৬ “তুমি কি ভেবেছো চুনকাম করলেই ইতিহাস মুছে যায়?প্রতিটি ইঁটের পাঁজরে ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে অমাবস্যায়।” “We Want Justice” এই লেখা বাঙালীর মন,

অভয়া মঞ্চর যূথবদ্ধ অবস্থান আজ আক্রান্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে

August 22, 2026 No Comments

এক ১৪ আগস্ট মধ্যরাতে তৎকালীন শাসকের প্রশ্রয়পুষ্ট গুণ্ডারা, যাদের সংবাদমাধ্যম মিষ্টি করে দুষ্কৃতী বলে,এই শহরের এক অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে যথেচ্ছ ভাঙচুর করেছিল

আন্তর্জাতিক নারী কৃষক বর্ষ ও ভারতীয় বৈষম্য

August 22, 2026 No Comments

২০২৬ সালটিকে ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল এসেম্বলির তরফ থেকে “আন্তর্জাতিক মহিলা কৃষক বর্ষ” হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। কৃষির সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে, আমাদের খাদ্যের

সাম্প্রতিক পোস্ট

ঝাড়খন্ডের ছাত্র আন্দোলনের সংহতিতে

West Bengal Junior Doctors Front August 23, 2026

যাদবপুরে “বিদ্যার্থী”দের “গেরুয়া” তাণ্ডব এবং গণপ্রতিক্রিয়া

Dr. Jayanta Bhattacharya August 23, 2026

We deserve justice. কেউ আটকাতে পারবে না।

Abhaya Mancha August 23, 2026

অভয়া মঞ্চর যূথবদ্ধ অবস্থান আজ আক্রান্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে

Vishag Gupta August 22, 2026

আন্তর্জাতিক নারী কৃষক বর্ষ ও ভারতীয় বৈষম্য

Somnath Mukhopadhyay August 22, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

669537
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]