বন্ধ চা বাগানের ভয়াবহ পরিস্থিতি, অপুষ্টি-অনাহারে শ্রমিক মৃত্যু নিয়ে অনেক আলোচনা হয়। কিন্তু চালু চা বাগানগুলোর কী অবস্থা? তথাকথিত ‘ভালো’ কোম্পানির ‘ভালো’ চা বাগানে কেমন আছেন শ্রমিকরা? পাহাড়-তরাই-ডুয়ার্সের চা শ্রমিকরা কেমনভাবে কাটাচ্ছেন তাদের প্রতিটা দিন?
দার্জিলিং পাহাড়ের মার্গারেটস হোপ গুডরিক কোম্পানির চা বাগান। তথাকথিত ‘ভালো’ কোম্পানির ‘ভালো’ চা বাগান। অতীতে ১৯৫৫ সালে ‘স্বাধীন’ ভারতবর্ষে শ্রমিকদের ওপর প্রথম গুলিচালনার ঘটনায় ৬ জন শহীদ হয়েও চা শ্রমিকদের জন্য নানা অধিকার আদায় করে নেওয়ার ইতিহাসের সাক্ষী এই মার্গারেটস হোপ। সেই বাগানের ১৫০ বছর উপলক্ষ্যে তৈরী হয়েছিল একটা প্রমোশনাল ডকুমেন্টরি ফিল্ম, যেখানে স্বাভাবিকভাবেই এক স্বর্গরাজ্য হিসেবে দেখানো হয়েছিল এই চা বাগানকে।
স্থানীয় যুবকরা বাস্তবচিত্র তুলে ধরবেন বলে ঠিক করলেন। শুরু হল তাদের পথচলা। বাঁধা হতে থাকলো গান। বাগানের জীবন, অভিমান, গান আর পথচলা একাকার হয়ে গিয়ে তৈরী হয়েছে এই নেপালি তথ্যচিত্র— ‘নবোল্দা নবোল্দৈ…’, বাংলায় যার মানে ‘না বলে বলেই…’। বাংলায় এই তথ্যচিত্রটির নাম ‘বয়ে চলে নীরবতা’ রাখা যাক।
Activist Canvas ইউটিউব চ্যানেল থেকে নেওয়া।
মার্গারেটস হোপ এবং রিংটং চা বাগানের মাঝে ফোর পোলে শ্রমজীবী স্বাস্থ্য উদ্যোগ হিল প্ল্যান্টারস এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সহযোগিতায় একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালায়।










