Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

মারীর দেশের মুখোশ

WhatsApp Image 2021-02-22 at 16.24.34
Dr. Soumyakanti Panda

Dr. Soumyakanti Panda

Paediatrician
My Other Posts
  • February 24, 2021
  • 9:39 am
  • No Comments

১.

মাস্ক জীবনযাত্রার অঙ্গ হয়ে ওঠার পর আর কার কতখানি ভালো হয়েছে জানি না, আমার অনেকগুলো লাভ হয়েছে।

আমার সাংঘাতিক অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের ধাত। সামান্য ধুলোবালি নাকে ঢুকলেই ফ্যাঁচ ফ্যাঁচ শুরু হয়ে যায়। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর নাকে ঠান্ডা বাতাস ঢুকলে তো আর কথাই নেই। সারাদিন ‘আজি ঝরো ঝরো মুখর বাদর দিনে’। সাথে মাথা ধরে ভার। সে যে কী কষ্ট যার হয় সেই বোঝে। ‘ওই তো সামান্য হাঁচিসর্দি’ বলে বাঁকাচোখে তাকাবেন না প্লিজ। শরীরের কলকব্জাগুলো আমার এমনিতে বেশ ভালো। অ্যালার্জিক রাইনাইটিস আর আইবিএস ছাড়া সেরকম কোনও সমস্যা নেই। ছোটোখাটো চোট-আঘাত তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিই। কাজের জায়গাতেও শরীর খারাপের জন্য ডা. সৌম্য ডিউটিতে যায় নি এরকম উদাহরণ খুব কম। সেই আমি, অ্যালার্জিক রাইনাইটিসে দস্তুরমত নাজেহাল হতাম। মাস্কে নাকমুখ ঢাকা থাকায় সে সমস্যা অনেকখানি কমেছে। ন্যাজাল-স্প্রে বা অ্যালার্জি কমানোর ওষুধপত্র প্রায় লাগছে না বললেই চলে। এমনিতেও মাস্কের সুরক্ষায় সামগ্রিকভাবে সাধারণ ভাইরাল সর্দি-কাশি অনেক কমে গেছে বলেই আমার ধারণা।

আরও একটা বড় সুবিধে হয়েছে। অপরিচিত মানুষ বা পরিবেশে আমার অস্বস্তি হয়। দুটো কথা বলার পর তিন নম্বর কথা বলতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলি। অথচ বিভিন্ন কাজের সুবাদে পরিচিতির বহর বড় কম নয়। হঠাৎ কেউ চিনে ফেললে দাঁত বের করে ভেবলে তাকিয়ে থাকি। পালাতে চাই। মাস্ক এসে সেই প্রয়োজনীয় আড়ালটা দিয়েছে। সব মিলিয়ে, কোভিড চলে যাওয়ার পরেও মাস্ক আমার রোজকার পোশাক হতে যাচ্ছে।

২.

ভুলিনি। কিচ্ছু ভুলিনি।

তখন সদ্য কোভিডকাল শুরু হয়েছে। বাজারে মাস্ক অপ্রতুল। কীভাবে রোগের বিরুদ্ধে লড়া যায় কেউ জানে না। অসুস্থ হ’লে কোথায়, কীভাবে চিকিৎসা হবে সে নিয়ে ধোঁয়াশা। সঙ্গে অপরিসীম আতঙ্ক। বেশিরভাগ চেম্বারেই দু-ফুট দূরত্ব বজায় রেখে বসার মতো জায়গা নেই। ফলে চেম্বারগুলোই কোভিডের ছোট ছোট উপকেন্দ্র হয়ে উঠতে পারতো। এরকম অবস্থায় ছোটোখাটো চেম্বারের ডাক্তাররা রোগী দেখা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। সাথে সাথে বিষোদগার শুরু হয়ে যায়। এতদিন যে প্রাইভেট প্র‍্যাক্টিশনাররা শুধুমাত্র ‘কসাই’ ছিলেন এবার তাঁরাই ‘কসাইখানা’ বন্ধের অভিযোগে বিদ্ধ হলেন।

কিছুদিন পর পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হ’ল। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে পিপিই-র অসহ্য কষ্ট নিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা লড়াই শুরু করলেন। বাড়ির নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা আমাদের সহনাগরিকরা স্বাস্থ্যকর্মীদের পাড়ায় ঢুকতে বাধা দিলেন। সোজাসাপটা বক্তব্য ছিল, স্বাস্থ্যকর্মীরা হাসপাতালে নোংরা ঘেঁটে আসে। কাজেই তারা পাড়ায় রোগ ছড়াবে। ঘন্টার পর ঘন্টা, দিনের পর দিন পেটে খাবার নেই, গলায় জল নেই। তারপরও বাড়ি ফিরতে না পারার মানসিক যন্ত্রণা। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে আমাদের বন্ধুস্থানীয় সহনাগরিকরা ছুঁচো গিলতে বাধ্য হলেন বটে কিন্তু ততদিনে সমাজের মুখোশহীন রূপ আমাদের কাছে পরিষ্কার। রাস্তায়-টেলিফোনে-মেসেজে-হোয়াটসঅ্যাপে ফ্রি মেডিক্যাল অ্যাডভাইসের অনুরোধ এলে আমার সেসব দিন মনে পড়ে যায়। খুব সম্ভবত ভুলবোও না কোনোদিন।

৩.

আউটডোরে ঘাড় গুঁজে পেশেন্ট দেখে যাচ্ছি। দেড়টা পেরিয়েছে। এখনো রোগী আসার বিরাম নেই।

সুন্দরবন থেকে এসেছে সবুজ নস্কর। থাইরয়েডের রোগী। রোজ ওষুধ খেতে হয়। অথচ কোন বেয়াক্কেলে আজ তিনমাস ওষুধ বন্ধ রেখেছে! পায়ের পেশীর ব্যথাটা বেড়েছে। রক্তের রিপোর্টও তথৈবচ। তেড়ে গালাগালি করলাম।

সবুজের কোঁচকানো জামা পরা, বেঁটেখাটো, হাতের শিরা ওঠা বাবা লজ্জায় মুখ নিচু করে বললো-

– বড় ভুল হইয়ে গ্যাসে ডাক্তারবাবু। বাইরে খাটাখাটনির কাজ করতুম। লক-ডাউনের জন্যি কাজে যেতি পারি নি। হাতে সেরকম পয়সাও সিল নি। দুইটা নদী, তাপ্পর ম্যাজিক ভ্যান, ট্রেনে করি শ্যালদা, তাপ্পর আবার বাস। কী করি আসব বলঅ… ট্রেনও ত বন্দ স্যালঅ…

প্রফেশনাল মুখোশের আড়াল থেকে বলি-

– সে যাই হোক, তুমি ওষুধ বন্ধ করলে কেন? বাইরে থেকে কিনেও তো খাওয়াতে পারতে। জানো, এর জন্য বাচ্চার কত ক্ষতি হ’ল? তোমাকে তো পরিষ্কার বলে দেওয়া হয়েছে ওষুধ বন্ধ করবে না…

সবুজের বাবা কিছু বলে না। শহরের বড় হাসপাতালের ডাক্তারের সাথে এর চেয়ে বেশি মুখে মুখে কথা বলার অভ্যেস তার নেই। আমি খসখসিয়ে প্রেসক্রিপশন লিখে চলি। সবুজের বাবা, তুমি জানো না- ডাক্তারের চেয়ারে বসা লোকটাও মুখোশের আড়ালে লজ্জায় মরে যায়। এ পৃথিবীটা তোমার মতো গরীব বাপের বাচ্চার জন্য নয়। পয়সা থাকলে গ্যারাজে দামী বিদেশি গাড়ির পাশে ‘স্বাস্থ্য’ও কিনে রাখা যায়।

নাক-মুখ ঢাকা এন-৯৫ আমার লজ্জাও ঢেকে দেয়। ভাগ্যিস!

৪.

ভোট আসতেই স্বাস্থ্যবীমার ঢক্কানিনাদ শুরু হয়েছে। অনেকে তার চমকে মোহিত হতেও শুরু করেছেন। পরিষ্কার ভাবে জেনে রাখুন, কোনও বীমা দিয়ে জনস্বাস্থ্যের প্রকৃত উন্নতি হয় না। চাই সবার জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সবরকমের সরকারি চিকিৎসা। জিনিসটা খুব অবাস্তব- এরকমও মনে করার কোনও কারণ নেই। পৃথিবীতে ৪১ টি দেশ জনগণের স্বাস্থ্যের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেয়।

স্বাস্থ্য মানুষের অধিকার। বীমার চাকচিক্য দিয়ে যারা সেই বুনিয়াদি অধিকার ভুলিয়ে রাখতে চায় তাদেরও মুখ-মুখোশের তফাতটা বুঝে নেওয়া জরুরি।

আপাতত মারীর দেশের নানা রঙের মুখোশের আড়ালে মুখ খুঁজে পাওয়া ভার!

ছবিঃ গুগল

PrevPreviousগৌ
Nextশুভাংশু পালের কন্ঠে ‘আমি বাংলায় গান গাই’Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

“নতুন সরকার #১”

May 8, 2026 1 Comment

UK বা গ্রেট ব্রিটেন, যে দেশটাকে সংসদীয় গণতন্ত্রের পীঠস্থান হিসেবে ধরা হয় সেই দেশে শ্যাডো ক্যাবিনেট বা ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন বলে একটা প্রথা আছে। যারা

মানসিক রোগ চেনা যায় কি করে?

May 8, 2026 No Comments

আমরা রোগ বলতে সরল ভাবে বুঝি আমাদের দেহে কিছু উপসর্গ বা সিম্পটম ফুটে উঠল এবং তার একটা নির্দিষ্ট কারণ আছে। যেমন ধরা যাক টি বি

২০২৬ – নির্বাচনোত্তর কিছু ভাবনা

May 8, 2026 No Comments

এমন কিছু বেশি বছর আগের কথা নয়, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা- লোকসভা-পঞ্চায়েত/পুরসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে তাঁদের হার অথবা জিতের কারণ দর্শানোর জন্য

নিয়তি

May 7, 2026 No Comments

জিতলে যে ছেলেটাকে মারবে বলে তাক করে রেখেছিলে, জেতার পরে তাকে তুমি ছুঁতেও পারলে না। কারণ চোখের পলক ফেলার আগেই সে তোমার পতাকা তোমার আবির

অভয়ার বিচার কেবল শাসক বদলের ওপর নির্ভর করে না।

May 7, 2026 No Comments

“রাজছত্র ভেঙে পড়ে; রণডঙ্কা শব্দ নাহি তোলে; জয়স্তম্ভ মূঢ়সম অর্থ তার ভোলে; রক্তমাখা অস্ত্র হাতে যত রক্ত-আঁখি শিশুপাঠ্য কাহিনীতে থাকে মুখ ঢাকি” নিজেকে অপরাজেয় মনে

সাম্প্রতিক পোস্ট

“নতুন সরকার #১”

Dr. Samudra Sengupta May 8, 2026

মানসিক রোগ চেনা যায় কি করে?

Dr. Sumit Das May 8, 2026

২০২৬ – নির্বাচনোত্তর কিছু ভাবনা

Dr. Sukanya Bandopadhyay May 8, 2026

নিয়তি

Arya Tirtha May 7, 2026

অভয়ার বিচার কেবল শাসক বদলের ওপর নির্ভর করে না।

West Bengal Junior Doctors Front May 7, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

621241
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]