Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

নব্য-উদারপন্থী ভাইরাস

IMG-20200322-WA0012
Attrayo Mondal

Attrayo Mondal

Medical student
My Other Posts
  • March 28, 2020
  • 9:11 am
  • 5 Comments

লকডাউনের প্রয়োজন অনস্বীকার্য। জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী অনেকবার তা বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। অনেক উদাহরণ দিয়েছেন এবং কোনো পরিস্থিতিতেই এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করার ইচ্ছা লেখকের নেই।

রাজ্যেও মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। আপৎকালীন পরিস্থিতিতে এইসব প্রয়াসকে সাধুবাদ জানাচ্ছি, তবুও কিছু প্রশ্ন করতে হল।

স্মৃতির সরণি বেয়ে যখন একবার তিন বছর আগের ঘটনার দিকে তাকাই তখন মনে পরে যায় মুম্বই হাইকোর্টের সেই বিখ্যাত উক্তি,”যদি কাজ করতে ভয় পান তবে ঘরে থাকুন।”

আজ পর্যাপ্ত পি পি ই ছাড়াই চোয়াল শক্ত করে কাজে নেমে পরেছে ডাক্তাররা। ৫৬ ইঞ্চির ছাতি নেই কিন্তু মানবতাটা এখনো বিসর্জন দিতে পারেনি ডাক্তাররা। গ্লাভস,মাস্ক হ্যাজমেট কভার অল সুটস – এইসবের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ১৫,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে আসছে দুসপ্তাহে সুনামির আকার নিতে চলেছে করোনা। বিশ্বায়ন পরবর্তী বিশ্বে এই বিশ্বব্যাপি বিপর্যয় আগে দেখা যায়নি। বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশেরাও আজ হিমশিম খাচ্ছে করোনা ঠেকাতে।

নব্য-উদারপন্থী পৃথিবীর এই ভাইরাসও নব্য-উদার পন্থা অবলম্বন করেছে।

ব্যাঙ্ক, কর্পোরেট এবং বড় ব্যবসায়ীদের আর্থিক মন্দা থেকে মুক্ত করতে গিয়ে ক্যাপিটালিজম ভুলে গেছে তার প্রতিশ্রুতি। ফরাসি বিপ্লবের তিন প্রতিশ্রুতি- স্বাধীনতা, সাম্য এবং সৌভ্রাতৃত্ব।

ডেনমার্ক ৫০ বিলিয়ন ডলার এবং ইউ কে ৪০০ বিলিয়ন ডলার দিয়ে ব্যবসা এবং অর্থনৈতিক দপ্তরকে সহায়তা করছে। ট্রাম্পের ইউ এস এ দিয়েছে ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলার। তাছাড়াও বিভিন্ন কর্পোরেটকে তারা দিয়েছে ৭০০ বিলিয়ন ডলার, কিন্তু বেকারত্ব দূর করার ক্ষেত্রে এর সিকিভাগ খরচ হয়নি। এর সমতুল্য টাকা স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং সামাজিক উন্নতির খাতে খরচ হয়নি। স্ক্যান্ডেনেভিয়ান এয়ারলাইনস ১০,০০০ কর্মীকে ছাঁটাই করেছে এই করোনার প্রকোপে।

ইউ কে মাত্র কিছুদিন আগে লকডাউন ঘোষণা করে। বরিস জনসন একে বলেছেন ভার্চুয়াল লকডাউন। সেখানকার রাজনীতিবিদদের বক্তব্য,” The virus mostly kills the old, ill, undernourished poor and we do not really care whether such unproductive people live or die”। অর্থনীতির এই যুক্তিকেই সামনে রেখে তাদের প্রশ্ন করা যায়,”প্রতি বছর যখন ৮,০০০ ক্ষুধাতুর শিশু মারা যায় তখন আপনারা অর্থনীতির কথা ভেবে কেন খাদ্য সরবরাহ করেন না?”

আমেরিকার চিত্রটা অন্যরকম। মানে ওই সেম ওয়াইন ইন নিউ বটল। ৩০ মিলিয়ন আমেরিকাবাসির কোনো স্বাস্থ্যবীমা নেই তাই তাঁরা নিজেদের করোনা ভাইরাসের জন্য পরীক্ষা করাতে পারছেন না। ১০০ মিলিয়নের বীমা করানো থাকলেও তাতে প্রচুর ডিডিউসিবল আছে। তার সাথে “কো- পে” -টাও কম নয় তাই তাঁরা ডাক্তার দেখাতে বা নিজেদের পরীক্ষা করাতে যাচ্ছেন না। এখানেই শেষ নয় – পরীক্ষায় পজিটিভ এলে চাকরি হারাবার সম্ভাবনা রয়েছে। গত দু’সপ্তাহে আমেরিকায় বেকারত্বের পরিমাণ ঐতিহাসিক। আমেরিকার ইতিহাসে কোনোকালে এত মানুষ একসাথে চাকরি হারায় নি। অর্থনীতির চাকা শুধু থেমে যায়নি দেখা দিয়েছে ঋণাত্মক বৃদ্ধি। আমেরিকা ফার্স্ট করতে গিয়ে ক্যাপিটালিজমের ভীষ্ম পিতামহ সেই দেশের নাগরিকদের শরসজ্জায় শুইয়ে দিয়েছে। সেই দেশে কোয়ারেন্টিনের আইন তো আছে কিন্তু খাদ্য নিরাপত্তা কে দেবে? এয়ারলাইন্স এবং পর্যটন কোম্পানিগুলোকে আয়করে ছাড় দিয়ে আমেরিকা আবার প্রমাণ করে দিয়েছে যে ক্যাপিটালিজমের কাছে কার অগ্রাধিকার বেশি। আজ সেই দেশে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে গ্রাস করেছে বাজার অর্থনীতি। মাস্ক, পরীক্ষার সামগ্রী, সব আজ যার কাছে পয়সা তার হাতে রয়েছে। আমিরেরা বিলাসবহুল জাহাজে, বাড়ির নিচে বানানো বাঙ্কারে আশ্রয় নিচ্ছে। মাস্কের দাম সেখানে প্রায় ১০০০ ডলার। চিকিৎসক, স্বাস্থ্য কর্মীদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে কিছুই নেই। ক্যাপিটালিজমের এই নগ্ন রূপ আজ চাক্ষুষ করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ।

ভারতের কি আগেই সতর্ক হওয়া উচিত ছিল? ভারতের পরিস্থিতি এই মুহূর্তে ঠিক কি রকম?
যে দেশে প্রতি বছর ৮০,০০,০০০ মানুষ মারা যান, ৪,০০,০০০ মানুষ শুধু টি বি তে মারা যান তাঁরা এতদিনেও সবার জন্য স্বাস্থ্যের গুরুত্ব কেন বুঝতে চাননা ?

ভারতের ৩৭% মানুষ নৈমিত্তিক শ্রমে যুক্ত। ৫৫% মানুষ দিনমজুর। ভাইরাসের আক্রমণের প্রকোপে এক তৃতীয়াংশ রেস্তোরাঁ বন্ধ। কর্মহীন ২০ লাখ মানুষ আর তাঁদের ২০ লক্ষ পরিবার। তারা আজ চান “শুধু ভাত একটু নুন”।

সত্যি করোনা নব্য- উদারপন্থী। সে সত্যিই গরীবের মুখের ভাত কেড়ে নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে কোথাও এঁদের জন্য কোনো প্রকল্পের ঘোষণা ছিল না। কিছুদিন আগেই পাশ হয়ে গেছে ২০,০০০ কোটি টাকার পাওয়ার করিডোর রিভাম্প প্ল্যান। সজ্জিত হবে লোকসভা। কেরল সরকার ২০,০০০ কোটি টাকা করোনার মোকাবিলায় বরাদ্দ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

সে যাই হোক শুধু লকডাউন কি পরিস্থিতি সামলাতে সক্ষম?

না। এর জন্য চাই পরীক্ষা। মার্চের ২৩ তারিখ অবধি ভারতে ১৭,৯৯৩ জনের করোনার জন্য পরীক্ষা করা হয়। ভারতে এই মুহূর্তে সার্টিফাইড ল্যাবের সংখ্যা ১২২। এর মধ্যে ১১৬ টি সরকারি হলেও মাত্র ৮৯ টি ল্যাবে পরীক্ষা করানো যাবে। ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতির উন্নতি হবে আশা করা যায়।

এইবার বলব দক্ষিণ কোরিয়ার কথা যেইখানে রোজ প্রায় ১৭,০০০ মানুষের পরীক্ষা করা হচ্ছে অভিনব পদ্ধতিতে যেমন – “ড্রাইভ থ্রু টেস্টিং কিট”, “টেলিফোন বুথ” এর মাধ্যমে। এইভাবে তাঁরা বাগে আনতে পেরেছেন মহামারিকে।

পিছিয়ে নেই তুরষ্ক। ইরানের সীমান্তবর্তী এই দেশে আজ অবধি মৃতের সংখ্যা ২ (২৩ শে মার্চ)। তাঁরাও এই রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষার মাধ্যমেই এই সাফল্য অর্জন করেছে।

আইসল্যান্ড দেশের অর্ধেক নাগরিকের পরীক্ষা করে ফেলেছে ইতিমধ্যে।

আমাদের ভারত সরকার অনুরোধ করেছে পুঁজিপতিদের সামনে এগিয়ে আসতে, সাহায্য করতে। যে সরকার মুহূর্তের সিদ্ধান্তে ডিমনিটাইজেশন করতে পারে, একতরফা ৩৭০ ধারা ছিড়ে ফেলতে পারে, নাগরিক আইন পাশ করতে পারে তারা আজ কেন পুঁজিপতিদের অনুরোধ করবে? আদেশ কেন করবে না?

নব্য – উদারপন্থার অন্যতম উপহার- শ্রেণী বিভাগ, জাত বিভাগ, ধর্ম বিভাগ। তাই আজ আমরা নির্বিকার চিত্তে বলতে পারি সোশাল ডিষ্টান্সিং বা সামাজিক দূরত্ব। একবারের জন্যেও ভাবলাম না শারীরিক দূরত্ব ও সামাজিক বন্ধন। ইংরেজিতে ফিজিক্যাল ডিষ্টান্সিং অ্যান্ড সোশাল বন্ডিং।

একেই বলে নব্য-উদারপন্থা আর এই পৃথিবীর ভাইরাসও আজ সেই নব্য-উদারপন্থাই অবলম্বন করেছে।

PrevPreviousকরোনার কবলে মানসিক স্বাস্থ্য
Nextসেরে ওঠা কোভিড ১৯ রোগীদের রক্ত থেকেই আক্রান্তদের চিকিৎসার চেষ্টাNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
5 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Attrayo
Attrayo
6 years ago

ওটা ২০০০ কোটি হবে – কেরালা সরকার তাই ঘোষণা করেছে। টাইপের ভুল হয়েছে। সেই জন্য দুঃখিত

0
Reply
জয়ন্ত ভট্টাচার্য
জয়ন্ত ভট্টাচার্য
6 years ago

চমৎকার লেখা। আজকের অতিমারি এবং নিওলিবারাল ইকোনমির যোগ খুব স্পষ্ট। কাউন্টার পাঞ্চ, মান্থলি রিভিউ সহ অনেকগুলো পত্রিকায় এ নিয়ে প্রবন্ধ বেরিয়েছে।

এ লেখাটিও খুব স্পষ্টবাক। অভিনন্দন আমার অচেনা ভাইকে।

0
Reply
Attrayo
Attrayo
6 years ago

ধন্যবাদ

0
Reply
আশিস, নবদ্বীপ
আশিস, নবদ্বীপ
6 years ago

খুব খুব ভালো লেখা। ছাত্র সুলভ তেজ আছে লেখায়। তথ্যসূত্র দিলে ভালো হোত।

0
Reply
Attrayo
Attrayo
Reply to  আশিস, নবদ্বীপ
6 years ago

নিউ ইয়র্ক টাইমস, স্ক্রোল. ইন, ক্যারাভান, দ্যা হিন্দু

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

SIR এবং আমাদের পশ্চিমবঙ্গের মানুষ

April 15, 2026 3 Comments

ভোটের দোরগোড়ায় পশ্চিমবঙ্গবাসী। ইতিমধ্যে SIR তথা Special Intensive Revision (বিশেষ নিবিড় সংশোধন)-এর কল্যাণে এবং প্রযুক্তিগত হস্তক্ষেপে প্রায় ৯১ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। সহজ কথায়,

What Does it Mean to Be a Revolutionary Doctor Today? (Part 3)

April 14, 2026 1 Comment

Micro-Institutions in Practice: A Workers’ Health Model In the earlier parts, I tried to touch upon the dilemmas faced by young professionals and the broader

।।অভয়া আন্দোলন দ্রোহের দলিলঃ একটি প্রতিবেদন।।

April 14, 2026 No Comments

ডাঃ পুণ্যব্রত  গুণ সম্পাদিত “অভয়া আন্দোলন দ্রোহের দলিল” বা ডক্টরস ডায়লগ সংকলন এক কথায় এই দশকের প্রতিষ্ঠান বিরোধী গণ আন্দোলনের যে ধারাবাহিকতা বা দুর্নীতিপরায়ণ শাসকের

সাম্প্রতিক পোস্ট

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

SIR এবং আমাদের পশ্চিমবঙ্গের মানুষ

Dr. Jayanta Bhattacharya April 15, 2026

What Does it Mean to Be a Revolutionary Doctor Today? (Part 3)

Dr. Avani Unni April 14, 2026

।।অভয়া আন্দোলন দ্রোহের দলিলঃ একটি প্রতিবেদন।।

Shila Chakraborty April 14, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

617796
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]