Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

উচ্চৈঃশ্রবা

FB_IMG_1626854861651
Dr. Arunachal Datta Choudhury

Dr. Arunachal Datta Choudhury

Medicine specialist
My Other Posts
  • July 24, 2021
  • 9:02 am
  • No Comments

(একটি অবান্তর উত্তর-আধুনিক ফ্যান্টাসি)
_________________

হইহই কাণ্ড বেধে গেছে। কী ব্যাপার? না, এক জোড়া ছেলেমেয়ে চুমু খেয়েছে পরস্পরকে।

সে তো বহুকাল ধরেই ছেলেমেয়েরা চুমু খাচ্ছে। এই নির্বোধ আচরণ তো সৃষ্টির আদি থেকেই চলছে। এই নিয়ে হট্টগোলের কী আছে?

আছে, মশাই আছে। নিউরাল নেটওয়ার্কের কেন্দ্রীয় সেন্সরে মনের ভাব লুকিয়ে এই চুমু খাওয়ার ঘটনা ধরা পড়েছে। সেই মত অ্যালার্মও বেজেছে নিরাপত্তা রক্ষীদের পেজারে।

চুমু-আসামী অরূপ নাকি সেই অনন্ত চুম্বন-মুহূর্তে ভাবছিল, এই বারও যদি চাকরির প্যানেল ক্যানসেলড্ হয় তবে সংসার বাঁধবে কী করে।

অন্য আসামীটি মহিলা। মা মরা মেয়ে সরস্বতী যার ডাকনাম সরো, সে ভাবছিল, অরূপ চাকরি পেয়ে ওকে বিয়ে করলে তো নতুন বাসা। বাড়িতে সরোর রোগাভোগা বাবাটাকে দুবেলা ভাত কে বেড়ে দেবে আর ওষুধই বা কে দেবে? ইশ্, মা যে কেন সাততাড়াতাড়ি চলে গেল!

আপাতত হেফাজতে আছে আসামী দু’জন। বহিষ্কারের অর্ডার বেরোল বলে। কলোনি থেকে বহিষ্কার মানে মৃত্যুদণ্ডই একরকম।

আমাদের এই কলোনিতে নিয়মকানুন খুব কঠিন। এখানে মনের ভাব লুকিয়ে কোনও কাজ করা যাবে না। একেবারে সর্বোচ্চ নির্দেশ। ধরা পড়লে, সমস্ত স্মৃতি মুছে দেওয়া তো হবেই। তার পর কলোনি থেকে বহিষ্কার।

বুঝিয়ে বলি।
ছাত্র একটা জিনিস বুঝতে পারেনি ক্লাসে। মাস্টারমশাইকে জিজ্ঞেস করেছে। হতেই পারে, তিনিও জানেন না। জ্ঞানের অভাব ঢাকা দেওয়া চলবে না। বলতে হবে, – আমিও ঠিক জানি না। ক্লাসের শেষে লাইব্রেরি যাব, বই সিডি ইন্টারনেট খুঁজে উত্তরটা বার করব। দরকারে আমার চেয়ে বেশি জানতে পারে এমন কাউকে জিজ্ঞেস করে জেনে নেব। সে তোমাদের মত কোনও ছাত্রও হতে পারে। যদি জানতে পারি, বুঝতে পারি, তোমাকে বুঝিয়ে দেব।

কিম্বা ধরো, অসুখ করেছে। ডাক্তারের কাছে গিয়েছ। তো সে যে সব রোগ ধরে ফেলবে এমন তো না। কিন্তু না ধরেও ওষুধ দিতে হয়। অসুখ সেরেও যায়। আগেকার দিনে ডাক্তারেরা অসুখ ধরতে না পারলেও ভাব দেখাতো রোগ ধরে ফেলেছে ঠিকঠাক। এখন আর সেটি হবার উপায় নেই। আগেই বলে দিতে হবে, – বাপু হে, আমি এই অবধি বুঝেছি। সেই মত ওষুধ। বাকিটা বুঝিনি। বুঝবার চেষ্টা করছি।

কোর্টে খুব গণ্ডগোল হয়েছিল এই নিয়ে প্রথমদিকে। সেখানে তো আসামি ফরিয়াদি জজ উকিল পেশকার সবাই মনের ভাব লুকোতে ব্যস্ত। আদালত উঠে যাবার জোগাড়। তারপরে বাধ্য হয়েই মানিয়ে নিল সবাই। সেন্ট্রাল কাউন্সিলের নির্দেশ বলে কথা। এখন আদাললতে যদি যাও, নো পেন্ডিং কেস। ঝপাঝপ বিচার হয়ে যাচ্ছে পাঁচমিনিটের মধ্যে। লুকোনোর কোনও ব্যাপার নেই তো।

কর্পোরেট আপিস, রিয়াল এস্টেট শুদ্ধ সমস্ত ব্যবসা, মায় চোরা চালান অবধি জব্দ। ওই যে, মনের ভাব লুকোনো যাবে না।

অনেক আগেকার দিনে সিসিটিভি বলে এক বস্তু ছিল বলে নথিতে আছে। সমস্ত সন্দেহজনক জায়গায় নাকি যান্ত্রিক চোখ বসানো থাকত। সে মেশিন উঠে গেছে কবেই। নতুন টেকনোলজি বেরিয়েছে। এখন কোনও জায়গায় গত একশ দেড়শ বছরে কী ঘটেছে, মেশিনে সেই কো-অর্ডিনেট ফেলে সেখানের টাইম লেয়ারড্ ইমেজ চেক করলেই বোঝা যায়। একে বলে স্থানিক স্মৃতি। যে কোনও কো-অর্ডিনেটেই সেখানের স্মৃতি রয়ে যায়। যাক, সে কথা।

হ্যাঁ, যা বলছিলাম! সেই সিসিটিভি গোছেরই এক মেশিন বসানো হয়েছে। সর্বত্র। ডিটেক্টর সিস্টেমটার নাম উচ্চৈঃশ্রবা। অফিস, কাছারি, ব্যবসার জায়গা, রাস্তা, পার্ক, বাড়ি। কেউ কোথাও মনের ভাব লুকোচ্ছে জানতে পারলেই সেন্ট্রাল রিসেপ্টর অ্যানালাইজারে সিগন্যাল চলে যাবে।

তো সেই মনিটরিংএ ধরা পড়েছে অরূপ আর সরো মনের ভাব লুকিয়েছে দুজনেই, ওই চুমু খাবার সময়ে। বিচার শুরু হয়েছে। কিন্তু এই বিচার পাঁচ মিনিটে হবে না। সময় বেশি লাগবে।

পুরোনো নথিতে পাওয়া গেছে, চুমুর সময়ে বিচার্য হচ্ছে যারা চুমু খেয়েছে তাদের মধ্যে সত্যিই ভালোবাসা ছিল কিনা। ভালোবাসা যদি থেকে থাকে, তবে সেই সময়ে মনে অন্য যাই ভাবনা থেকে থাকুক সেটা ওভাররাইট করে ভালোবাসাই রেকর্ডেড বলে ধরতে হবে।

এই ভালোবাসা ছিল কি ছিল না, সেটা নির্ধারণ করার পদ্ধতি জটিল ও গাণিতিক। নানান স্কেলার ও ভেক্টর রাশিকে ইকোয়েশনে ফেলে এই প্রায় অনির্ণেয় ভালোবাসার মান বার করতে হয়।

রেটিনা স্ক্যান, পুরো শরীর ও ব্রেনের থেকে পাওয়া সঙ্কেত, পারিবারিক ও সামাজিক ইতিহাস, স্কুলের রেকর্ড, লোকেশন, স্থানীয় চৌম্বকমান, হিউমিডিটি, তাপমাত্রা আরও লক্ষ লক্ষ অন্যান্য ডেটা যাদের যোগসূত্র সাধারণ মানুষ বুঝবেই না, সেগুলি জোগাড় করা হয়েছে।
প্যারালালি সংযুক্ত দু’টো সুপার কমপিউটার অঙ্কটা কষছে। জটিল হিসেব। যন্ত্রদুটো, ব্যবস্থা নেওয়া আছে যদিও, বিপজ্জনক ভাবে গরম হয়ে উঠেছে।

অনেক পরে হিসেবের ফলাফল জানা গেল। পাশাপাশি দুই গণকের দুই মনিটরে মায়াবী রঙের ব্যাকগ্রাউন্ডে রেজাল্ট ভেসে উঠেছে,
প্রথম মনিটরটায় লেখা,
ভালোবাসা ছিল… আছে… থাকবে!

দ্বিতীয়টা একটু কবি প্রকৃতির যন্ত্র গণক। তার মনিটরেও রায় ভেসে উঠেছে, তাতে লেখা…

প্রেমে না পড়েই ওরা খেয়েছিল কিস্ কি?
ব্যাকরণ মতে সে’টা নিদারুণ রিস্কি।
মিথ্যা ডিটেক্টর
স্কেলার আর ভেক্টর
মেপে ঝুপে বলে,না হে, ব্যাপারটা ইশক্ই!

PrevPreviousধুত্তেরি
Nextস্বাস্থ্য, অসুখ ও স্বাস্থ্য পরিষেবার “কম-চেনা” কাহিনীNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

বারুইপুরের নৃশংসতার প্রতিবাদে

July 11, 2026 No Comments

বৃহত্তর বিধাননগর অভয়া মঞ্চের কর্মসূচি ৭ জুলাই, ২০২৬।

প্রশ্ন

July 11, 2026 No Comments

সে কী কী জানতো তা জানা গেলো না হাতের মুঠোয় ছিলো, কোনোখানে উড়ে চলে যাচ্ছিলো না, মশা বা মাছির মতো মারা যেতো থাবড়িয়ে যখন তখন।

‘ইউ পির পথ, আমাদের পথ, ইউ পির……’

July 11, 2026 No Comments

আমার জীবনের সবচেয়ে পছন্দসই মানুষদের তালিকায় একদম সামনের সারিতে থাকবেন করণদা মানে নিমাই করণ, প্রাক্তন WBCS officer। এখন অবশ‍্য সবদিক থেকেই প্রাক্তন .. যে কোনো

সকালে জমা, বিকেলে খরচ? একি মগের মুল্লুক? এনকাউন্টার কার স্বার্থে?

July 10, 2026 No Comments

দু মাস যেতে না যেতেই শুভেন্দু অধিকারীর ” সকালে জমা বিকেলে খরচ” নীতি ঘোষণা, তারপরেই পুলিশের এনকাউন্টার! বুলডোজারের পর গুণ্ডা দমন নীতি,তারপরেই এনকাউন্টার,এ যেন বাংলায়

বারুইপুরের ‘অপরাজিতা’ গণধর্ষণ ও হত্যা: একটি প্রাথমিক তথ্যানুসন্ধান রিপোর্ট

July 10, 2026 No Comments

গত শনিবার ৪ জুলাই, ২০২৬ দক্ষিণ ২৪ পরগণার বারুইপুরের সূর্যপুরে এক ১২ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। এক দিন নিখোঁজ থাকার পরে ৫

সাম্প্রতিক পোস্ট

বারুইপুরের নৃশংসতার প্রতিবাদে

Abhaya Mancha July 11, 2026

প্রশ্ন

Arya Tirtha July 11, 2026

‘ইউ পির পথ, আমাদের পথ, ইউ পির……’

Dr. Amit Pan July 11, 2026

সকালে জমা, বিকেলে খরচ? একি মগের মুল্লুক? এনকাউন্টার কার স্বার্থে?

Parichay Gupta July 10, 2026

বারুইপুরের ‘অপরাজিতা’ গণধর্ষণ ও হত্যা: একটি প্রাথমিক তথ্যানুসন্ধান রিপোর্ট

Doctors' Dialogue July 10, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

649073
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]