শিক্ষা দুর্নীতিতে অভিযুক্ত, বান্ধবীর খাটের তলা থেকে ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার এবং হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তির হদিস পাওয়ায় অভিযুক্ত পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি তিন বছর তিন মাস জেল খাটার পর (ইস, ভাইপোকে ১৫ কোটি টাকা দিয়ে দিলেই পারতেন) আজ জামিন পেয়ে মহাসমারহে বাড়ি ফিরলেন। পার্থ চ্যাটার্জির বাড়ির সামনে ভীড় দেখে মনে পড়ে গেল, ধর্ষকরা ছাড়া পাওয়ার পর কিভাবে বিজেপি সমর্থকরা তাদের মালা পড়িয়ে গ্রহণ করে নিয়েছিল। প্রসঙ্গত মন্ত্রীমশায়ের দুর্নীতির তদন্ত করছে- কেন্দ্রীয় সংস্থা ই ডি এবং সি বি আই।
আসলে সেটিংটা শুধু রাজনীতিতে নয়, আদর্শেও। ইমাম ভাতা, দুর্গা পুজোর সময় ক্লাব গুলোকে টাকা দেওয়া (বছরে খরচ প্রায় ৪০০ কোটি টাকা), সংবিধানকে এড়িয়ে সরকারি টাকায় দীঘায় ২৫০ কোটি টাকা খরচ করে জগন্মাথ মন্দির গড়া, শিলিগুড়িতে বন্যা দেখতে গিয়ে পৃথিবীর সব চেয়ে বড় মহাদেব মন্দির গড়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া এই সবই প্রমাণ করে রাজনীতির সঙ্গে ধর্মকে মিশিয়ে ফেলা।
আমরা যারা জনগণ, তারা এ সবই জানি; কিন্তু একটু তলিয়ে ভাবি না। এটাই আমাদের দৈনন্দিনতা। এই প্রসঙ্গে, চন্দ্রিল (ভট্টাচার্য)-এর একটা কথা মনে পরে যায় – সাধারণ মানুষ হলো সে, যে কোনো কিছু তলিয়ে ভাবে না। রাগ করবেন না; চন্দ্রিল যে ঠিকই বলেছিল, বার বার সেটা আপনারা সত্যি প্রমাণ করে দেন।
রাজনৈতিক দলগুলোর উপর দায় চাপিয়ে দিয়ে, আমরা মাঝে মাঝেই ভুলে যাই আমাদেরও কিছু দায়িত্ব আছে; সমাজেরও কিছু শক্তি আছে। এবং কখনো সেই শক্তি সুনামি হয়ে উঠতে পারে। ২০২৪ সালের ১৪ই আগস্ট রাত্রিতে কোনো রাজনৈতিক দলকে ডাক দিতে হযনি।











