Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

পাউন্ড ফর পাউন্ড

lenin
Dr. Samudra Sengupta

Dr. Samudra Sengupta

Health administrator
My Other Posts
  • May 5, 2024
  • 8:50 am
  • One Comment

নিউইয়র্ক হারলেম এর ১৫ বছরের কৃষ্ণাঙ্গ বাচ্চা ছেলেটা বন্ধুর বার্থ সার্টিফিকেট চুরি করেছিল। বয়েস কমানোর জন্য নয়। বাড়ানোর জন্য। না হলে বক্সিং টুর্নামেন্ট এ নামার অনুমতি পাচ্ছিল না। রাতারাতি ওয়াকার স্মিথ জুনিয়ার হয়ে গেল রে রবিনসন।

ওয়াটারটাউন নিউইয়র্কে ম্যাচ চলার সময়ে দর্শক আসন থেকে এক মহিলা বলে ফেললেন, কী মিষ্টি ছেলে, চিনির মতো মিষ্টি। ব্যাস। নামের সাথে জুড়ে গেল শব্দটা, সুগার। অন্য বক্সাররা, তাদের ট্রেনাররা আর ক্রীড়া সাংবাদিকরা একবাক্যে মেনে নিয়েছেন যে এই পৃথিবী নামক গ্রহটিতে জন্ম নেওয়া সর্বকালের সেরা বক্সার সেই পাঁচ ফুট দশ ইঞ্চির ছেলেটি। নাম সুগার রে রবিনসন।

গড়পড়তা আমেরিকানদের তুলনায় ছোটখাটো শরীর দিয়েছিল প্রকৃতি। অসম্ভব পরিশ্রম, অতুলনীয় ডেডিকেশন, মনের জোর এগুলো দিয়ে সেই অসুবিধে অতিক্রম করেছিল রবিনসন।

১৯৯৯ সালে রবিনসন “শতাব্দীর সেরা ওয়েলটারওয়েট বক্সার”; “শতাব্দীর সেরা মিডলওয়েট বক্সার” আর “শতাব্দীর সেরা ফাইটার” আখ্যা পান এসসিয়েটেড প্রেস এর কাছ থেকে। ২০০৭ সালে ইএসপিএন এর”সর্বকালের সেরা পঞ্চাশ জন বক্সার” এর যে তালিকা প্রকাশ করে তাতে প্রথম নাম ছিল রবিনসন এর।

মহম্মদ আলি এর নাম বেশি বিখ্যাত। তিনি গ্রেটেস্ট বলে পরিচিত। তিনি তাঁর প্রতিভার জোরে বিখ্যাত হয়েছেন। তাঁকে ছোট করার প্রশ্নই আসে না। কিন্তু আলী আর রবিনসন এর তুলনার প্রশ্ন মনে আসতেই পারে। এরা দুজনে কোনোদিন একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করেন নি। কারণ বক্সিং এর নিয়ম। বক্সারের দৈহিক ওজন অনুযায়ী কতোগুলো বিভাগ তৈরি হয়। ছয় ফুট তিন ইঞ্চি লম্বা আলী ছিলেন হেভিওয়েট বিভাগের খেলোয়াড়।

রবিনসন এর দক্ষতা ও প্রতিভায় মুগ্ধ ক্রীড়া সাংবাদিকরা একটা শব্দবন্ধ আবিষ্কার করে ফেলেন তাকে অন্য বিভাগের বক্সারদের সাথে তুলনা করার জন্য “pound for pound” (ও দেশে ওজন মাপা হয় পাউন্ড দিয়ে)।

মহম্মদ আলী, জো লুই, সুগার রে লিওনার্দ এর মতো বিখ্যাত বক্সাররা একবাক্যে মেনে নিয়েছেন যে বক্সিং খেলাটার ফেয়ার প্লে স্পিরিট মানতে গিয়ে হেভিওয়েট এর সাথে ওয়েলটার ওয়েট এর লড়াই চলে না ঠিকই তবে “পাউন্ড ফর পাউন্ড” নীতি মানলে ওই সুগার রে রবিনসনই হলেন ক্রীড়া ইতিহাসের সর্বকালের সেরা মুষ্টিযোদ্ধা। পাউন্ড ফর পাউন্ড হল লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির একটা কনসেপ্ট বা ধারণা। সমানুপাতিক প্রতিদ্দ্বন্দিতা।

বক্সিং ফেয়ার প্লে নিয়ম অনুযায়ী কোনোদিনই ১০০ পাউন্ড ওজনের কোনো বক্সার কে বলা হবে না, বাদবাকি নিয়মকানুন তো একই, তাই তুমি ভাই ২০০ পাউন্ড ওজনের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নেমে যাও। ভাই রবিনসন, একটু নামো তো দেখি মহম্মদ আলীর বিরুদ্ধে। কারণ ওটা ফেয়ার প্লে নয়।

ঠিক তেমনভাবে মাধ্যমিক মেধা তালিকায় যারা স্থান করে নিয়েছে তাদের মেধা বুদ্ধি পরিশ্রমকে কোনোমতেই ছোট করা যায় না। কিন্তু এই সেরার সেরাদের সাথে মেধাতালিকায় যারা জায়গা পায় নি তাদের তুলনা করার প্রশ্নটা অনায়াসে চলে আসে। আমরা হামেশাই করে থাকি। এবং করে থাকি অনায়াসে ভুলে যে এই প্রতিযোগিতায় কোনো লেভেল প্লেইং ফিল্ড ছিল না। ছিল না কোনো “pound for pound” নিয়ম। ১০ জন গৃহ শিক্ষক সহ সারাদিন মুখ গুঁজে পড়াশোনা করার সুবিধে পাওয়া ছাত্র/ছাত্রীর সাথে বাবা হারা সংসারে মায়ের মুদির দোকান চালানো সামান্য রোজগারে বা কমিউনিস্ট পার্টির হোলটাইমারের সামান্য রোজগারে বড় হয়ে ওঠা বা কোনো গৃহ শিক্ষক এর সাহায্য ছাড়াই পরীক্ষা প্রস্তুতি নেয়া কোন এক ছাত্র/ছাত্রীর সাথে তুলনা আমরাই করে থাকি।

জীবনতো আর বক্সিং রিং নয়, ফেয়ার প্লে আইন খাটে না। ফেদারওয়েট এর বিরুদ্ধে অনায়াসে নেমে যায় হেভিওয়েট। আমরা হটাৎ চমকে যাই যদি দেখি সুগার রে রবিনসনের মতো কোনো চ্যাম্পিয়ন চলে আসে। ওই পার্টি হোল টাইমার উমেশ প্রসাদ এর ছেলেটার কথাই ধরা যাক। বালুরঘাট হাই স্কুলের ছাত্র উদয়ন প্রসাদ বাবা মা ভালোবেসে যার ডাকনাম দিয়েছেন লেনিন। মাধ্যমিকে তৃতীয় স্থান পাওয়া লেনিন। ভারী মিষ্টি চেহারার ছেলে ঠিক যেমনটি ছিলেন সুগার রে রবিনসন। অভাব অনটনের সাথে লড়াই করে বড় হওয়া উদয়ন/লেনিন।

ওকে এই অসম প্রতিযোগিতায় নামতে হয়েছে বলে দুঃখ করার কোনো জায়গা নেই। আবারো বলি যে জীবন এর খেলায় বক্সিং এর কোনো নিয়ম চলে না। রিংয়ে নেমে যেতে হয়। তারপরে পাঞ্চ আর জ্যাব আর হুক। নানা ঘুষিতে অনায়েসেই হেভিওয়েটরা বিপর্যস্ত করার চেষ্টা করে ফেদারওয়েটকে। আমরা খালি দর্শক আসনে বসে দেখে যাই কি ভাবে অসম্ভব পরিশ্রম, অতুলনীয় ডেডিকেশন, মনের জোর দিয়ে লড়াই চালিয়ে যায় একের পর এক ফেদারওয়েট। ঘুঁষি খেয়ে মাটিতে পরে গিয়েও নক আউট হয়ে যায় না। আবার উঠে দাঁড়ায় লড়াই এর আঙিনায়। অদৃশ্য রেফারি বারবার গুনে যান এক, দুই, তিন, চার …..

মুখের কষ বেয়ে বয়ে আসা রক্তধারাকে গ্লাভসের উলটো পিঠে মুছে নিয়ে লঘু পায়ে ঘুরে ঘুরে নেচে নেচে লড়াই দেয় ছিপছিপে চেহারার আমাদের রবিনসন উদয়ন/লেনিন

সুধী দর্শকমন্ডলী, যারা রিং এর চারপাশে বসে আছেন, দিল থামকে বৈঠিয়ে জনাব। পিকচার আভি বাকি হ্যায়। আরো হাজারো উদয়নের লড়াই এখনো বাকি। পৃথিবী একদিন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হবে, হবেই। করে ছাড়বো আমরা। পাউন্ড ফর পাউন্ড। উদয়ন/লেনিন এর কাছে, লেনিনদের কাছে আমাদের অঙ্গীকার।

“পাউন্ড ফর পাউন্ড”

PrevPreviousনিভৃতকথন পর্ব ১৩
Nextপ্রতিদ্বন্দ্বীNext
1 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Shabnam Talukdar
Shabnam Talukdar
2 years ago

লেভেল্ লেখাটায়।✍️❤️
অনবদ্য। হেভিওয়েট রা সব সময়ই হারে তবু তাদের জেতার বাসনা যায় না।অজস্র কস রক্ত এরম মাখামাখি হয়ে যায় মুখটায়।অসন্মান অপমান মুছে
তারপর একদিন সময় আসে “দিল থামকে বৈঠিয়ে জনাব”এইটাই বলবার জন্য। তখন পাউন্ড ফেলে
অবনত প্রেম।
মুগ্ধ তা শুধুই

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

একজন তরুণী রাজনৈতিক কর্মীকে পাঠানো জীবননাশের হুমকির নিন্দা করুন।

September 21, 2026 No Comments

সমসাময়িক ভারতীয় রাজনীতিতে তরুণ কণ্ঠস্বর নেহা বোরা জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের পিএইচডি গবেষক এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস’ অ্যাসোসিয়েশন (AISA)-এর জাতীয়

একটা গল্প বলি।

September 21, 2026 No Comments

মামুনি কীভাবে আমাদের পরিবারকে একসাথে বেঁধে রেখেছিল, আগেই বলেছি। এর পেছনে একটা কারণ ছিল। ঠাকুমা মারা যাবার পর আমাদের পরিবারটা যেন হঠাৎ ভিত হারিয়ে ফেলল

খুকু

September 21, 2026 No Comments

আমি তখন শিশু বিভাগের ইন্টার্ন। আগের দিন এডমিশন ডে গেছে। সকালে ওয়ার্ডে ছোটাছুটি করে কাজ করছি। হাতে পিজিটি দাদা কাজের লিস্ট ধরিয়ে দিয়েছে। রাউন্ড শুরুর

নিরন্তর ভরসা জোগায়

September 20, 2026 No Comments

কথার গভীরতা মাপতে গিয়ে কবে যে গভীর জলের মাছ হয়ে গেছি, সে সবের কিছুই আর মনে পড়ে না। খুঁজি, আর অনুভব করি, এই সব পূর্ব

তারাদের কথা

September 20, 2026 No Comments

★ মা বলতো, ‘দূর বোকা, মরব কেন? আকাশে চলে যাব। টিপ টিপ করে জ্বলব। জ্বলতেই থাকব।’ আমার প্রায় নাস্তিক বাবা ধমকে উঠত, ‘এই সব ভুলভাল

সাম্প্রতিক পোস্ট

একজন তরুণী রাজনৈতিক কর্মীকে পাঠানো জীবননাশের হুমকির নিন্দা করুন।

Kanchan Sarker September 21, 2026

একটা গল্প বলি।

Dr. Arjun Dasgupta September 21, 2026

খুকু

Dr. Aindril Bhowmik September 21, 2026

নিরন্তর ভরসা জোগায়

Dr. Bishan Basu September 20, 2026

তারাদের কথা

Dr. Arunachal Datta Choudhury September 20, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

678212
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]