উপরের এই ছবিটা সরলমতি নারীবাদীরা হুলিয়ে শেয়ার করেছিলেন। ইরানের অত্যাচারী নারীবিদ্বেষী শাসকের ছবি দিয়ে লন্ডনের রাস্তায় কেউ বিড়ি জ্বালিয়ে নিচ্ছেন। আজ ইরানে শাসকের মৃত্যুতে সেই সব সরলমতি নারীবাদীরা আনন্দে ধেই ধেই করে নাচ্ছেন।
তাদের স্রেফ মনে করিয়ে দেওয়া যে আপনাদের এই আনন্দ উৎসবে যারা সামিল হতে পারলেন না তাদের মধ্যে রয়েছে ইরানের মিনাব শহরে সাম্রাজ্যবাদীদের বোমার আঘাতে নিহত ১৫৩ জন স্কুল ছাত্রী ও তাদের মায়েরা। পশ্চিমী দুনিয়ার পোষা মিডিয়ার দৌলতে ওই “বিড়ি জ্বালাইলে” ছবিটা ভাইরাল হয়েছিল নারীবাদের প্রতীক হিসেবে, আজ ওই মৃত বালিকাদের ছিন্ন ভিন্ন শরীরের ছবি ভাইরাল করার সাহস হবে সেই নারীবাদীদের? সাহস হবে একই সাথে মৌলবাদ আর সাম্রাজ্যবাদ, মানবতার এই দুই শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার?










সহমত। নারীবাদী ফাদী বলে কিছু নয়। গোটাটাই হুজুগ।মেয়েরা নিজেরাই এখন নিজেদের পণ্য বানিয়ে ফেলেছে। আলাদা করে আর কি!
গরিব দুস্থ অসহায় স্ত্রী লোক দের পাশে কে আছে!
কেউ নেই, কোনোদিনই ছিল না। নারীবাদী একটা আর্ট একটা প্যাশান বলা যেতে পারে।
সেখানে এভাবে এই একটা ভয়াবহ মর্মন্তুদ মৃত্যুর জাস্টিফাই কি করে হতে পারে !
একটা রাক্ষসের মৃত্যু দিয়ে কি কতগুলো ফুলের দুমরানো পেষণ নৃশংস নিধন একই হিসাবে র খাতা সড়িক হয়!!
যাইহোক,গোটা বিষয়টা র কোনো টাতেই খুব একটা সচেতন নই,জানার ইচ্ছেও হয় না।
এভাবে একটা এমন লিখে বসন্তের হুল ফোটানোয়,কার কি ক্রেডিট আছে তাও বোধগম্য নয়।