কেষ্টা দাদাকে মনে আছে আমাদের। সেই গোরু-বালি-কয়লা-পাথরের তৃণ-নায়ক। পরপর ডিয়ার লটারির প্রাইজ জেতা অনুব্রত। বীরভূমের বাঘ…ববি বলেছিল। সে একদা জিজ্ঞেস করেছিল, শঙ্খ ঘোষ কে? শঙ্খ ঘোষ করেটা কী?
সেই একই মেশিনে, একই ডাইসে তৈরি আর একটা মাল হল সজল। না, আমরা অবাক হইনি, সে যখন আরও এক পা এগিয়ে গেছে। রবীন্দ্রনাথের লেখা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ফেলেছে।
যারা জানার তারা জানে, আরএসএসের মেশিন থেকেই একসময় তৃণমূল দলটা বেরিয়েছিল। সে মেশিন ক্রমশ উন্নততর হয়েছে। মেশিনের ডাইস একই আছে। কাজেই একদা তৃণ হালের বিজেপি-বালক যে শঙ্খ স্টেশন ছেড়ে রবীন্দ্রনাথ স্টেশনে অনায়াসে পৌঁছে যাবে, এতে যারা সন্দেহ প্রকাশ করে সেই মহামুর্খদের দলে আমি নেই।
হ্যাঁ, সজলের মতন আমিও চাই বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত লেখার জন্য রবিঠাকুরের ভয়ঙ্কর রকম শাস্তি হোক। কত বড় সাহস লোকটার! ভারতের মতন পুণ্য সনাতনি দেশের মাটিতে বসে এই রকমের একটা দেশবিরোধী গান লিখেছে সে। শুধু কি একটা? সে “বাংলাদেশের হৃদয় হতে” শিরোনামের গানটাও লিখেছে।
আরও নাকি কী কী লিখেছে বলে সজল শুনেছে। এমন পাপাচারী কবিকে বিনা শাস্তিতে ছাড়া ঠিক হবে না আদৌ।
শাস্তি রবীন্দ্রনাথকে দেওয়া হয়েছে। যাবজ্জীবন কয়েদ। শুধু একটাই ভুল বলেছে সজল। সজলের কথামত ছাব্বিশ সালের পরের স্বর্ণযুগে সেই শাস্তি শুরু হবে তা না।
রবীন্দ্রনাথ কয়েদ হয়েছেন বহুদিন আগে। আজীবন কয়েদ থাকবেনও আমাদের মানে সমস্ত বাঙালির বুকের ভেতরে। সজলকে এই কথাটা জানিয়ে দেবেন আপনারা।
★










