Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

নায়ার স্যার

WhatsApp Image 2024-06-19 at 8.25.32 PM
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • June 20, 2024
  • 7:12 am
  • No Comments

আমি তখন পিজি -ওয়ান  ক্লাসের ছাত্র। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডের ক্যাম্পাসে আমাদের ক্লাস নিতে আসতেন অধ্যাপক সুনীল মুন্সী মশাই। কলকাতার নগর বিকাশ ও তার নানান খুঁটিনাটি বিষয় ছিল তাঁর পড়ানোর ক্ষেত্র। মাঝে মাঝেই টানা লেকচার থামিয়ে নানান আকর্ষণীয় বিষয়ে আলোচনা করাই ছিল তাঁর মুন্সীয়ানা। আমরা অনেকেই তাঁর এমন ধারার পাঠদানের শৈলীর গুণমুগ্ধ ভক্ত ছিলাম। একদিন ক্লাসে পুরনো কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চলের নামকরণের বিষয়ে আলোচনা চলছিল। বিষয়টি আকর্ষণীয়, তাই ক্লাসের শেষেও আমাদের নানান প্রশ্ন মনের মধ্যে টগবগিয়ে ফুটছে। রিসেস্ এর সময় স্যারের কাছে ভিড় করলাম কয়েকজন। স্যারের ঘরে ঢুকতেই তিনি এক গাল হেসে বললেন – “তোমরা আসতে পারো ভেবে আমি তোমাদের জন্য নায়ারের উদ্দেশ্যে একটা চিঠি লিখে রেখেছি। কাছেই থাকেন – ভবানীপুর । যা যা প্রশ্ন আছে ওনাকে জিজ্ঞাসা করলেই উত্তর পেয়ে যাবে। খুব পণ্ডিত,নিরভিমান মানুষ। গেলেই বুঝতে পারবে।”  

স্যার কি আমাদের এড়িয়ে গেলেন? নিজে উত্তর দিলেই তো বিলকুল ল্যাঠা চুকে যেত। তৃতীয় পক্ষের কাছে যাব কি যাবনা, এই সব দোনোমনায় দিন দুই কাটিয়ে একদিন চললাম ভবানীপুর। উদ্দেশ্য শ্রী পরমেশ্বরন থাঙ্কাপ্পান নায়ার মশাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া।

দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয় হয়। খুঁজে পেতে বাড়িটিকে পেয়েও গেলাম। তারপর সদর দরজার সামনে দাঁড়িয়ে যা হয়। দরজায় টোকা কে আগে দেবে এই নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ততার শিকার আমরা। শেষ পর্যন্ত আমিই আলতো করে টোকা দিলাম দরজায়। খুবই সাধারণ বাড়ি। সামান্য পরেই ভেতর থেকে প্রত্যুত্তর ভেসে আসে – “কে ? ওহ্ তোমরা? এসো এসো। ভেতরে এসো। প্রফেসর মুন্সী তোমাদের কথা বলে রেখেছেন।”

যেন কতকালের চেনা। রাস্তার ওপরেই ঘর।লাল টুকটুকে সাবেকি কায়দার মেঝে। আসবাবপত্রের বালাই মাত্র নেই। ঘরের এক কোণে ছোট একটা জল চৌকির ওপর রাখা রয়েছে রেমিঙ্ টন কোম্পানির আদ্দিকালের মডেলের এক টাইপ রাইটার , দেয়ালে ঠেস দিয়ে মেঝের ওপর রাখা স্তূপীকৃত ব‌ই। কোথায় বসবো ভাবছি, দেখি নায়ার স্যার একটা আসন পেতে দিব্যি মাটিতে বসে পড়েছেন। দ্বিধা কাটিয়ে আমরাও মাটিতে রাখা মাদুর কাঠির আসনগুলো পেতে বসে পড়লাম। নানান খুঁটিনাটি খুচরো প্রশ্ন নিয়ে কথোপকথনের পর্ব শুরু  হলো। নায়ার স্যার‌ই বলছেন আমরা নিছকই শ্রোতা। মাঝেমাঝে সারি করে রাখা ব‌ইয়ের পাঁজা থেকে এক একটা ব‌ই নিয়ে আমাদের হাতে দিচ্ছেন, আবার নিজের কথায় ফিরে যাচ্ছেন ‌। টানা দুই ঘণ্টা সময় কোথা দিয়ে যে কেটে গেল কেউই টের পাইনি। এসব পাঠ্য বইয়ের কেতাবি কথাতো নয়। এ হলো নিজের অভিজ্ঞতা থেকে তিলতিল করে সঞ্চয় করা ইতিহাস। “ইতিহাস চর্চার শুরু হোক তোমার চেনা পরিসর থেকে। আর তারপর একটা একটা করে নতুন পাতা জুড়তে জুড়তে এক সময় গোটা পর্বের ইতিহাসের উত্তরাধিকারী হয়ে যাবে তুমি।” খুব সুন্দর একটা কথা বলেছিলেন নায়ার স্যার সেদিন – “জীবনে যদি কিছু শিখতে চাও , তাহলে তোমাকে খুঁজে যেতে হবে।একটা পর্ব শেষ হলে আবার আরেকটা পর্বের জন্য খোঁজা শুরু করতে হবে। Endless quest.” আজ নায়ার স্যারকে নিয়ে এই কথাগুলো বলছি, কারণ গতকাল ১৮ জুন,২০২৪ মঙ্গলবার নায়ার স্যার এক নতুন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে কোন্ এক সুদূরের ঠিকানায় পাড়ি দিয়েছেন। বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। নায়ার স্যারের পুরো নাম পরমেশ্বরন থাঙ্কাপ্পান নায়ার। জন্ম ১৯৩৩ সালের ৩০ এপ্রিল, কেরালার কালাডির মাঞ্জাপ্রা গ্রামে। কেরালার আলয়ে থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় পাস করে নায়ার ১৯৫৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এলেন কলকাতায়। উদ্দেশ্য লেখা পড়া করে একটা চাকরি জুটিয়ে নেওয়া। কলকাতায় তাঁর এক পরিচিত মানুষ থাকতেন। তাঁর ভরসাতেই এতো দূরে আসা। পুঁজি বলতে ছিল ম্যাট্রিক পরীক্ষায় পাসের সার্টিফিকেট আর সামান্য টাইপ শর্টহ্যান্ড করতে পারা। তিনি মনে করলেন আরও খানিকটা পড়াশোনা করা যেতে পারে। তাই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথমে স্নাতক হন । পরে অর্জন করেন আইনের এল এল বি ডিগ্রি ‌।  

মাত্র ১২৫ টাকা মাস মাইনের এক প্রাইভেট ফার্মে টাইপিস্টের চাকরি দিয়ে তাঁর কর্মজীবনের শুরু।  কিন্তু কলকাতা শহরের দীর্ঘ ঔপনিবেশিক ইতিহাসের নানান ঘটনা তাঁকে প্রবল ভাবে আকর্ষণ করতো। তাই অফিসের ছুটির পর পায়ে হেঁটে হেঁটে তিনি শুরু করলেন ইতিহাসের খোঁজ। নায়ার স্যার বারবার নানা প্রসঙ্গে কলকাতা শহরের ওপর তাঁর দুর্বলতার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি আশ্চর্য হয়ে লক্ষ করেছেন এক বিপুল ঔপনিবেশিক ঐতিহ্যের অধিকারী এই নগরী কীভাবে নব্য ভারতীয় বিদ্যা চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। এই গরিমার ভার বহন করেও কলকাতা কেমন করে উচ্চ এবং নিম্ন আয়ের মানুষের অনন্য বাসভূমি হয়ে উঠেছে তা নায়ার স্যারকে ভীষণভাবে আকর্ষিত করতো। নিজের মতো করে এইসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই তিনি কালে কালে হয়ে উঠলেন একজন “নগ্নপদ ঐতিহাসিক”।

এই খোঁজের তাগিদ প্রবলভাবে অনুভব করায় টাইপিস্টের চাকরি তাঁর কাছে ক্রমশই একঘেয়ে এবং অর্থহীন মনে হতে থাকে। কলকাতার চাকরি ছেড়ে পরবর্তী সময়ে তিনি চাকরি করেন গুয়াহাটি ও মুম্বাই শহরে ‌, কিন্তু তাঁর মন বাঁধা পড়ে গিয়েছিল কলকাতার অলিগলিতে, তার ঔপনিবেশিক ঐতিহ্যের বিপুল বৈভবে, কলকাতার বিচিত্র স্মারক, স্মৃতিসৌধে, তার প্রশাসনিক ব্যবস্থার ক্রমবিকাশের কাহিনির সঙ্গে।     নিরাপদ প্রাতিষ্ঠানিক আশ্রয়ে থেকে ইতিহাসের পঠনপাঠন ও গবেষণার কাজে নিজেকে বন্দি করে না রেখে তিনি মানুষের মাঝে এসে মানুষের ইতিহাস নিয়ে গবেষণার কাজে নিজেকে নিয়োজিত করলেন। এজন্য অনেক ক্ষেত্রেই তাঁকে উপেক্ষার শিকার হতে হয়েছে, তাঁর সংগৃহীত তথ্যকে নিয়ে অহেতুক বিতর্ক বাঁধানো হয়েছে, কিন্তু নায়ার স্যারকে এসব করে দমানো যায়নি। তিনি তাঁর নিজের খোঁজের সূত্রে যা আবিষ্কার করেছেন তাকেই মান্যতা দিয়েছেন। অন্যের চাপে নিজের বিশ্বাসকে কখনোই খারিজ করে দেননি। এদিক থেকে বিচার করলে বলা যায় তিনি ছিলেন একলা পথের পথিক।

অত্যন্ত সহজ সরল অনাড়ম্বর জীবনে অভ্যস্ত ছিলেন নায়ার স্যার। দু কামরার এক ভাড়া বাড়িতেই কাটিয়ে দিলেন দীর্ঘ ছয় দশক সময়। জীবনের চাহিদা বলতে ছিল ব‌ই। ব‌ইপাড়া ঘুরে ঘুরে সংগ্রহ করেছিলেন কলকাতা নিয়ে লেখা নানান দুষ্প্রাপ্য সব ব‌ই। এইসব ব‌ইয়ে ধরা ছিল হুগলি নদী পারে তিলতিল করে গড়ে ওঠা এক আশ্চর্য জনপদের অগণিত কাহিনি। নায়ার স্যার সব কিছুকেই পূর্বজদের কথকতা বলে দ্বিধাহীনভাবে মেনে নিতে চাননি, বরং তাকে নিজের মাঠ ময়দান, অলিগলি ঘুরে আহৃত অভিজ্ঞতার কষ্টিপাথরে ঘষেমেজে যাচাই করে নিতে চেয়েছিলেন। এখানেই তাঁর কৃতিত্ব , স্বকীয়তা। আর এই কারণেই তাঁর দুয়ারে ভিড় জমাতেন বহু জ্ঞানীগুণী মানুষ, সরকারি আমলা, শিক্ষক, গবেষক, ছাত্রছাত্রীরা। একা একাই থাকতেন কলকাতায়। নিজের খাবার নিজেই বানিয়ে নিতেন। মালয়ালি খাবারের পাশাপাশি বাঙালি খাবারদাবারে দিব্বি অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলেন। মাঝেমাঝে স্ত্রী সীতা দেবী কলকাতায় ঘুরতে এলে নায়ার স্যার তাঁকে নিয়ে ঘুরিয়ে দেখিয়েছেন এই আশ্চর্য স্বপ্ন শহরের মায়াময় পরিবেশ আর মানুষ জনদের। এখানকার আমি জনতার প্রতি ছিল তাঁর গভীর ভালোবাসা আর কৃতজ্ঞতাবোধ।   এই নগ্নপদ ঐতিহাসিক এই শহর নিয়ে তাঁর গভীর আচ্ছন্নতা বোধের কথা, নিবিড় অনুসন্ধানের কথা লিখে রেখে গিয়েছেন প্রায় ৬০ টি মূল্যবান প্রামাণ্য গ্রন্থে। তাঁর লেখা সর্বশেষ গ্রন্থের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলেন মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী। এইটি গান্ধী বাবার ধরাবাঁধা আত্মজীবনী নয় । কলকাতা শহরে নানা সময়ে আসা গান্ধীজির স্মৃতি আলেখ্য এই গ্রন্থের উপজীব্য। এখানেও জড়িয়ে আছে কলকাতার নানান অকথিত ইতিহাসের ইতিবৃত্ত। আসলে কলকাতার কথায় তিনি এতোটাই গভীরভাবে মজে ছিলেন যে আর কারও প্রেমের আহ্বানে তিনি সাড়া দেবার কথাকে মনে ঠাঁই দেননি।

দীর্ঘদিন ধরে কৃচ্ছসাধনের ফলে শরীর একটু একটু করে অশক্ত হয়ে পড়ছিল। দেশ থেকে স্ত্রী সীতা দেবী, সন্তান ও অন্যান্য পরিজনেরা বারবার তাঁকে কেরালায় ফিরে যাবার অনুরোধ জানাচ্ছিল। নিজেও বুঝতে পারছিলেন এবার দেশে ফিরে যাওয়াই শ্রেয়। অবশেষে ২০১৮ সালে কলকাতার সঙ্গে  এতোদিনের শরীরী সম্পর্ককে এড়িয়ে নায়ার স্যার তাঁর দেশে ফিরে গেলেন। মন ও আত্মা অবশ্য বাঁধা পড়ে রইলো কলকাতায়, ভবানীপুরে, ৮০/ সি, কাঁসারি পাড়া লেনের সেই দুই কামরার ছোট্ট অতি সাধারণ বাসা বাড়িতে।   নায়ার স্যার আপনাকে প্রণাম।

তথ্যসূত্র ও ছবি

উইকিপিডিয়া মুক্ত নিবন্ধ

বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্রের রিপোর্ট।

সকলের কাছে ঋণ স্বীকার করছি।

মধ্যমগ্রাম

জুন ১৯, ২০২৪.

PrevPreviousস্বপ্ন তো স্বপ্নই- অন্যায্য ভাবে সেটা ভেঙে যাওয়া খুব কষ্টের।
Nextএকজন আদ্যন্ত অসফল অথচ দুর্দান্ত সুখী মানুষের কথাNext
5 2 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

বিচার চাওয়া কোনো অপরাধ নয়

October 6, 2026 No Comments

আমরা কেন গিয়ে অনুনয় করব – “আমাদের মামলা তুলে নিন”? প্রথমেই একটা কথা পরিষ্কার করে বলা দরকার। অভয়ার ন্যায়বিচারের আন্দোলনে আমরা যে ক্ষুদ্র অংশটুকু নিতে

শামীম আহমেদের উপর হামলার অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের গ্রেফতার চাই।

October 6, 2026 No Comments

কলকাতা হাইকোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কর্মী শামীম আহমেদের উপর বিজেপি-আরএসএস গুন্ডাদের আক্রমণের তীব্র ধিক্কার জানাই। রাজ্যজুড়ে শাসকদলের গুন্ডারাজ ও ফ্যাসিবাদী কায়দায় হামলার বিরুদ্ধে

গুণ্ডামি অথবা ‘অভয়া’ ধর্ষণ: বিজেপি-র কাছে সুবিচার আশা করা যায় তো!

October 6, 2026 No Comments

(এক) সংসদবাদী রাজনীতির জগতে এক অদ্ভুত হাস্যকর কারবার চলছে! যুগযুগ ধরে যে অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক অবস্থার জন্য বাংলায় তথা ভারতবর্ষে সবরকম সমস্যার জন্ম ও বৃদ্ধি, সেই একই

নেপালে চিকিৎসা ত্রাণে ২

October 5, 2026 No Comments

একটা কাদার দৈত্য/রাক্ষস। বিকট, বড়, ঘন কাদার রাক্ষস ছুটে আসছিল। আমি ঐটুকু দেখেই প্রাণ নিয়ে সামনের পাহাড়ের উপর দৌড়ে চড়তে থাকি। চড়তেই থাকি। এতটা ছুটে

আইনজীবীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতেই হবে।

October 5, 2026 No Comments

৪ অক্টোবর ২০২৬ ৩ রা অক্টোবর ২০২৬, আইনজীবী শামিম আহমেদ সহ একাধিক আইনজীবীর ওপর, দুষ্কৃতীদের হামলার বিরুদ্ধে তীব্র ধিক্কার জানাই। রাজ্যের নানা প্রান্তের নির্যাতিতা অভয়াদের

সাম্প্রতিক পোস্ট

বিচার চাওয়া কোনো অপরাধ নয়

West Bengal Doctors Forum October 6, 2026

শামীম আহমেদের উপর হামলার অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের গ্রেফতার চাই।

West Bengal Junior Doctors Front October 6, 2026

গুণ্ডামি অথবা ‘অভয়া’ ধর্ষণ: বিজেপি-র কাছে সুবিচার আশা করা যায় তো!

Dipak Piplai October 6, 2026

নেপালে চিকিৎসা ত্রাণে ২

Piyali Dey Biswas October 5, 2026

আইনজীবীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতেই হবে।

Abhaya Mancha October 5, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

686490
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]